সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও সমাধান

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

জীবের মধ্যে অবস্থানকারী ঈশ্বরকে আত্মা বলে। ঈশ্বর জীবদেহে আত্মারূপে অবস্থান করে জীবকে পরিচালনা করেন।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
8 months ago
উত্তরঃ

জীব বলতে বোঝায় যাদের জীবন আছে। যেমন- মানুষ, পশুপাখি, গাছপালা ইত্যাদি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
8 months ago
উত্তরঃ

ব্রাহ্মণের আর্থিক অবস্থা ছিল খুবই দুর্বল। সংসারের সবার কোনোদিন খাবার জুটত, কোনোদিন আধপেটা থাকতে হতো। আবার কোনোদিন একেবারেই না খেয়ে থাকতে হতো।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
8 months ago
উত্তরঃ

দরিদ্র ব্রাহ্মণের জীবসেবা পরীক্ষা করার জন্য ধর্মদেব অতিথি হয়ে এসেছিলেন।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
8 months ago
উত্তরঃ

আমরা জীবসেবার মধ্য দিয়ে সৃষ্টিকর্তা ঈশ্বরের সেবা করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
8 months ago
উত্তরঃ

ঈশ্বর সর্বশক্তিমান। তিনি এ পৃথিবীর সবকিছুর সৃষ্টিকর্তা। তিনি জীবের মাঝে সবসময় আত্মারূপে বিরাজমান। তিনি জীবের আত্মায় অবস্থান করে জীবকে সুন্দরভাবে পরিচালনা করেন। এ আত্মা বা ঈশ্বর যখন জীবদেহ থেকে চলে যায় তখন জীবদেহ অসার হয়ে যায়। তাই বলা যায়, ঈশ্বর ও জীবের সম্পর্ক খুবই নিবিড়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
8 months ago
উত্তরঃ

জীব হচ্ছে ঈশ্বরের অপূর্ব সৃষ্টি। তাঁর সৃষ্ট জীবকে তিনি খুবই ভালোবাসেন। তিনি তাঁর সৃষ্ট জীবের মাঝে আত্মারূপে সর্বদা অবস্থান করেন। তাই আমরা সবসময় জীবসেবা করব। কারণ জীবসেবার মধ্য দিয়ে ঈশ্বরেরই সেবা করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
8 months ago
উত্তরঃ

এ পৃথিবীতে যাদের জীবন আছে তারাই জীব। আমরা দুঃখে-কষ্টে মানুষের পাশে থাকব, তাদের সাহায্য করব এবং কষ্ট লাঘবের চেষ্টা করব। মানুষের বিপদে এগিয়ে আসব। আমরা আমাদের সকল পোষা জীবজন্তুর প্রতি খেয়াল রাখব এবং তাদের পরিচর্যা করব। আমাদের বাড়ির আশপাশে কিংবা খোলামেলা জায়গায় গাছপালা রোপণ করব ও সেগুলোর পরিচর্যা করব। অর্থাৎ, একটা ক্ষুদ্র পিঁপড়া থেকে আরম্ভ করে সকল জীবকে ঈশ্বর জ্ঞানে সেবা করব।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
8 months ago
উত্তরঃ

ব্রাহ্মণকে অতিথি ব্রাহ্মণ এসে বলেছিলেন, আমরা দুর্ভিক্ষে আক্রান্ত হয়েছি। অর্ধাহারে, অনাহারে দিন কাটাচ্ছি। এখন আমি খুবই ক্ষুধার্ত।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
8 months ago
উত্তরঃ

হিন্দুধর্মে বলা হয়েছে, অতিথি হচ্ছে নারায়ণ। কারো বাড়িতে অতিথি আসলে নিজের খাবারটুকু অতিথিকে খাওয়ানো পুণ্যের কাজ। ব্রাহ্মণ ও তাঁর পরিবারের সবাই জীবসেবার মধ্য দিয়ে ঈশ্বরের সেবা করে তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার জন্য নিজেদের খাবার যা ছিল তার সবটুকু অতিথি ব্রাহ্মণকে খাইয়েছিলেন।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
8 months ago
উত্তরঃ

কুরুক্ষেত্রে একজন দরিদ্র ব্রাহ্মণ বাস করতেন। তিনি খুব অতিথিপরায়ণ ছিলেন। দরিদ্র ব্রাহ্মণের অতিথি সেবা সম্পর্কে বলা যায়-
১. ব্রাহ্মণ দরিদ্র হলেও অতিথিপরায়ণ।
২. নিজেদের খাদ্যের অভাব থাকলেও দরিদ্র ব্রাহ্মণকে দেখে হাতমুখ ধোয়ার জল দিলেন, বসার আসন দিলেন, পানীয় জল দিলেন।
৩. ব্রাহ্মণ নিজের ভাগের ছাতু-অতিথিকে পরিবেশন করলেন।
৪. এরপর ব্রাহ্মণপত্নীর পুত্র ও-পুত্রবধুর ভাগের ছাতুও অতিথিকে দিলেন।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
8 months ago
উত্তরঃ

জীবের মধ্যে ঈশ্বর আত্মারূপে অরস্থান করেন। ঈশ্বর জীবদেহে আত্মারূপে অবস্থান করে জীবকে পরিচালনা করেন। জীবের সেবা করলে ঈশ্বরের সেবা করা হয়।
আমি ঈশ্বরের সেবার জন্য যা করি তা নিচে তুলে ধরা হলো-
১. আমি পোষা জীবজন্তুর পরিচর্যা করি।
২. জীবকে ঈশ্বরজ্ঞানে সেবা করি।
৩. নিপীড়িত ও অসহায় মানুষকে সাহায্য করি।
৪. আমি নিত্যকর্ম সম্পাদন করে ঈশ্বরের সন্তুষ্টি বিধানের চেষ্টা করি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
8 months ago
উত্তরঃ

ঈশ্বর জীবদেহে আত্মারূপে অবস্থান করে জীবকে পরিচালনা করেন। তাই জীবকে সেবা করলে ঈশ্বরের সেবা করা হয়।
যেসব কারণে আমরা জীবসেরা করব-
১. আমরা ঈশ্বরের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে চাই।
২. জীবের সেবা করলে ঈশ্বরের সেবা করা হবে।
৩. জীবসেবা করে নিজে শান্তি পার এবং ঈশ্বর সন্তুষ্ট হবেন।
৪. জীব সেবা করলে আমাদের মঙ্গল হবে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
8 months ago
উত্তরঃ

আমরা জীবসেবা করি কারণ জীবসেবা করলে ঈশ্বরের সন্তুষ্টি
লাভ করা যায়। জীবসেবার উপায়সমূহ হলো-
১. পোষা জীবজন্তুর পরিচর্যা করা।
২. গাছপালা রোপণ করা ও পরিচর্যা করা।
৩. জীবকে ঈশ্বরজ্ঞানে সেবা করা।
৪. সকল সৃষ্টির প্রতি সদয় আচরণ করা।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
8 months ago
136

আমরা জানি, ঈশ্বর সর্বশক্তিমান। তিনি মানুষ, জীব-জন্তু, সাগর-নদী-পাহাড়, বৃক্ষলতা- ফুল-ফল, আকাশ-বাতাস, চন্দ্র-সূর্য-গ্রহ-তারা – সবকিছু সৃষ্টি করেছেন। ঈশ্বর স্রষ্টা— জীব ও জগৎ তাঁর সৃষ্টি।

ঈশ্বরের আরেক নাম পরমাত্মা। তিনি জীবের মধ্যেও অবস্থান করেন। জীবের মধ্যে অবস্থানকারী ঈশ্বরকে আত্মা বলে। ঈশ্বর জীবদেহে আত্মারূপে অবস্থান করে জীবকে পরিচালনা করেন। তাই জীবও ঈশ্বর।

আমরা ঈশ্বরের সেবা করে তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে চাই। জীবনে চলার পথে তাঁর করুণা লাভ করতে চাই, যাতে আমাদের মঙ্গল হয়। তাই আমরা ঈশ্বরের স্তব- স্তুতি করি। ঈশ্বরকে আমরা কাছে পেতে চাই। কিন্তু ঈশ্বর নিরাকার। তাঁকে দেখা যায় না। তাঁর শক্তি ও গুণের প্রকাশকে প্রত্যক্ষ করা যায় মাত্র।

আমরা আরেকভাবে ঈশ্বরের সেবা করতে পারি। তা হলো জীবসেবা। ঈশ্বর আত্মারূপে জীবের মধ্যে অবস্থান করেন, তাই জীবের সেবা করলে তা ঈশ্বরেরই সেবা করা হয়। এভাবে জীবসেবার মধ্য দিয়ে ঈশ্বরের সেবা করা যায়। তাই তো বলা হয়েছে ‘যত্র জীবঃ তত্র শিবঃ।' যেখানে জীব, সেখানেই শিব। এখানে শিব মানে ঈশ্বর। এ প্রসঙ্গে স্বামী বিবেকানন্দ বলেছেন,

‘বহুরূপে সম্মুখে তোমার ছাড়ি কোথা খুঁজিছ ঈশ্বর । 

জীবে প্রেম করে যেইজন, সেইজন সেবিছে ঈশ্বর।'

এর মর্মার্থ হলো, ঈশ্বর জীবরূপে আমাদের সম্মুখে আছেন। তাঁকে বাইরে খোঁজার দরকার নেই। যিনি জীবের সেবা করেন, তিনি জীবসেবার মধ্য দিয়ে ঈশ্বরেরই সেবা করেন।

সুতরাং জীবসেবাও ধর্ম। তাই আমরা জীবসেবার মধ্য দিয়ে ঈশ্বরের সেবা করব। আমরা দরিদ্রের সেবা করব, আমরা পীড়িত ও আর্তের সেবা করব।

আমরা পোষা জীবজন্তুর পরিচর্যা করব। গাছপালা রোপণ করব। সেগুলোর পরিচর্যা করব। এভাবে আমরা জীবকে ঈশ্বর-জ্ঞানে সেবা করব। এতে জীবের মঙ্গল হবে। জীবসেবা করে নিজেরা শান্তি পাব। ঈশ্বরও সন্তুষ্ট হবেন ।

তোমার নিজের বা অন্যের জীবসেবার ঘটনা বর্ণনা কর।

এখন ধর্মগ্রন্থ মহাভারত থেকে জীবসেবার একটি উপাখ্যান শোনাচ্ছি :

দরিদ্র ব্রাহ্মণের জীবসেবা

কুরুক্ষেত্র এ উপমহাদেশের একটি পবিত্র স্থান। কুরুক্ষেত্রকে ধর্মক্ষেত্রও বলা হয়। সেই কুরুক্ষেত্রে এক দরিদ্র ব্রাহ্মণ ছিলেন। স্ত্রী, এক ছেলে ও ছেলের বউকে নিয়ে তাঁর ছোট সংসার ।

কিন্তু সংসার ছোট হলে কী হবে! কোনোদিন তাদের খাওয়া জুটত, কোনোদিন আধপেটা থাকতে হতো। কোনোদিন একেবারেই না খেয়ে থাকতে হতো। কারণ ব্রাহ্মণ ধর্মসাধনা ও বিদ্যাচর্চায় সময় কাটাতেন। উঞ্ছবৃত্তি করে খাবার সংগ্রহ করতেন। উঞ্ছবৃত্তি হচ্ছে জমির ধান কেটে নেওয়ার পর জমিতে যা দু-এক ছড়া পড়ে থাকে, তা কুড়িয়ে নিয়ে তা দিয়ে খিদে মেটানো।

একক কাজ : ‘উঞ্ছবৃত্তি' কথাটি বোঝাও 

একদিনের কথা।

ব্রাহ্মণ কোনো খাবার জোটাতে পারছেন না। খুবই খিদে পেয়েছে। স্ত্রী, ছেলে ও ছেলের বউও না খেয়ে আছে। পরে অতিকষ্টে কিছু যব সংগ্রহ করতে পেরেছিলেন। ব্রাহ্মণপত্নী সেই যব দিয়ে ছাতু বানালেন। তারপর সেই ছাতু চারভাগে ভাগ করলেন। চারজনে খাবেন। ব্রাহ্মণ খেতে বসলেন ৷

এমন সময় সেখানে এলেন আরেক দরিদ্র ব্রাহ্মণ। তিনি জানালেন, আমরা দুর্ভিক্ষে আক্রান্ত হয়েছি। অর্ধাহারে অনাহারে দিন কাটাচ্ছি। এখন আমি খুবই ক্ষুধার্ত।

ব্রাহ্মণ অতিথি ব্রাহ্মণকে হাতমুখ ধোয়ার জল দিলেন। বসার আসন দিলেন। পানীয় জল দিলেন। ক্লান্তি দূর হলো অতিথির। তারপর ব্রাহ্মণ নিজের ভাগের ছাতু অতিথিকে পরিবেশন করলেন। অত অল্পতে পেট ভরে! ব্রাহ্মণপত্নী তাঁর নিজের ভাগের ছাতুও দিয়ে দিলেন। এভাবে অতিথি ব্রাহ্মণের খিদে মেটাতে ব্রাহ্মণের পুত্রও তার ভাগের ছাতু দিয়ে দিলেন।

তবু খিদে মিটল না অতিথি ব্রাহ্মণের ।

‘আর আছে ?’ -জিজ্ঞেস করলেন তিনি ৷

তখন ব্রাহ্মণের পুত্রবধূর ভাগের ছাতু অতিথির পাতে পরিবেশন করা হলো ।

এভাবে ব্রাহ্মণ, তার স্ত্রী, পুত্র আর পুত্রবধূ নিজেরা ক্ষুধার্ত হয়েও জীবসেবার জন্য নিজেদের সামান্য খাদ্যও দান করলেন ।

অতিথি ব্রাহ্মণ খুশি হয়ে উঠে দাঁড়ালেন।

‘তোমাদের সেবায় আমি সন্তুষ্ট হয়েছি।’ - বললেন অতিথি ব্রাহ্মণ। সবাই তাকালেন তাঁর দিকে।

কোথায় ব্রাহ্মণ ! 

এ যে স্বয়ং ধর্মদেব । 

‘তোমাদের পরীক্ষা করতে এসেছিলাম। ’ -বললেন ধর্মদেব।

জীবসেবার এই আদর্শ আমরাও যেন মনেপ্রাণে ধারণ করি।

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews