পরিবারের সদস্য কম হলে যেসব সুবিধা হয় তা হলো-
ক. খাবার, পোশাক, বাসস্থান পেতে কোনো অসুবিধা হয় না।
খ. পরিবারের সবাই ঠিকমতো শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা পায়।
২০০১ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত জনসংখ্যা বেড়েছে; কিন্তু জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমে এসেছে। এর মানে হলো, আগে যে হারে মানুষ বাড়ত, এখন তার চেয়ে কম হারে বাড়ছে। (২০০১ সালে হার ছিল ১.৫৮% আর ২০২২ সালে হার হয়েছে ১.২২%)।
আবাদি জমিতে বাড়ি বা বাসস্থান নির্মাণ করলে আবাদি জমির পরিমাণ কমে যায়। এর ফলে ফসল উৎপাদন কমে যায়, যা খাদ্যের অভাব সৃষ্টি করতে পারে।
বাংলাদেশে ১৯৭৪ সালে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ।
সাধারণত ১০ বছর পর পর আদমশুমারি হয়ে থাকে ।
২০২২ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা প্রায় ১৬ কোটি ৫৮ লক্ষ।
একটি দেশে প্রতি বর্গকিলোমিটারে যতজন লোক বাস করে, তাকে জনসংখ্যার ঘনত্ব বলে।
১৯৭৪ সালে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ৭ কোটি ৬৪ লক্ষ ছিল ।
২০২২ সালে বাংলাদেশের জনসংখ্যার ঘনত্ব ১১১৯ জন (প্রতি বর্গকিলোমিটারে) ছিল ।
অতিরিক্ত জনসংখ্যার ফলে পরিবেশের পরিবেশ দূষিত হয় এবং ভারসাম্য নষ্ট হয় ক্ষতি হয় ।
জনসংখ্যার ঘনত্বের দিক থেকে ৩য় অবস্থানে সিঙ্গাপুর দেশ ।
নির্দিষ্ট সময় অন্তর দেশের মোট জনসংখ্যা গণনা করার প্রক্রিয়াকে আদমশুমারি বা জনশুমারি বলে।
কারণ জনসংখ্যার তুলনায় ডাক্তার ও হাসপাতালের সিট বা সুবিধা অনেক কর্ম থাকে।
কাজের অভাব বা বেকারত্বের কারণে, মানুষ অভাবের তাড়নায় অপরাধে জড়িয়ে পড়ে।
অধিক মানুষের ঘরবাড়ি তৈরির জন্য আবাদি জমি কমে যাচ্ছে, ফলে ফসলের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।
১৯৭৪ সালে জনসংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৬৪ লক্ষ, যা ২০২২ সালে দ্বিগুণেরও বেশি হয়ে ১৬ কোটি ৫৮ লক্ষ হয়েছে।
ছোটো পরিবারে সবার প্রয়োজন মেটানো সহজ, কিন্তু বড়ো পরিবারে খাদ্য ও বস্ত্রের অভাব দেখা দিতে পারে।
গ্রামে কৃষি জমি কমছে, আর শহরে বস্তি ও যানজট বাড়ছে।
১৯৮১ সালে ঘনত্ব ছিল ৫৯০ জন, আর ২০১১ সালে ছিল ৯৭৬ জন।
জনসংখ্যা বাড়লে গাছপালা ও পাহাড় কাটা হয় এবং ময়লা-আবর্জনায় পরিবেশ দূষিত হয়ে ভারসাম্য নষ্ট হয়।
সমাজের ওপর অধিক জনসংখ্যার ১টি প্রভাবের উদাহরণ সমাজে অপরাধ বেড়ে যাওয়া।
পরিবেশ দূষণের একটি উদাহরণ নদীনালায় ময়লা-আবর্জনা ফেলা।
রাষ্ট্রের ওপর জনসংখ্যার চাপের ১টি উদাহরণ সম্পদ ও সেবার ওপর চাপ সৃষ্টি হওয়া (যেমন- গ্যাস, পানি)।
যাতায়াত ব্যবস্থার ১টি সমস্যার উদাহরণ রাস্তায় যানজট বা ট্রাফিক জ্যাম।
প্রাকৃতিক সম্পদ ধ্বংসের ১টি উদাহরণ ঘরবাড়ি তৈরির জন্য পাহাড় ও গাছপালা কেটে ফেলা
চিকিৎসা ক্ষেত্রে ১টি সমস্যার উদাহরণ চাহিদা অনুযায়ী ডাক্তার বা সেবা না পাওয়া।
আমি শৃঙ্খলা মেনে গাদাগাদি করে বসব এবং প্রয়োজনে শিক্ষককে বিষয়টি জানাব।
আমি যতটুকু প্রয়োজন ঠিক ততটুকু খাবার প্লেটে নেব এবং খাবার নষ্ট করব না।
আমি ময়লা-আবর্জনা নির্দিষ্ট ডাস্টবিনে ফেলব, নদী বা রাস্তায় ফেলব না।
বাংলাদেশে ১৯৭৪ সাল থেকে প্রথম জনশুমারি শুরু হয়েছিল। সাধারণত প্রতি ১০ বছর পর পর সারাদেশে নতুন করে এই জনশুমারি করা হয়। সর্বশেষ ২০২২ সালের তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৫৮ লক্ষ।
একটি দেশে প্রতি বর্গকিলোমিটারে যতজন লোক বাস করে, তাকেই ওই দেশের জনসংখ্যার ঘনত্ব বলা হয়। ২০২২ সালে বাংলাদেশের প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১১১৯ জন লোক বাস করত। জনঘনত্বের দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান বর্তমানে দশম।
গড়ে প্রতি বছর ১০০ জনে কতজন নতুন লোক বৃদ্ধি পায়, তাকেই জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার বলে। ১৯৮১ সালে এই বৃদ্ধির হার ছিল ২.৮৪ শতাংশ। তবে সময়ের সাথে এই হার কমে ২০২২ সালে ১.২২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
পরিবারে লোকসংখ্যা অনেক বেশি হলে সবার জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্য ও বস্ত্রের অভাব দেখা দেয়। থাকার জন্য পর্যাপ্ত জায়গার অভাবে ছোটো ঘরে অনেককে কষ্ট করে থাকতে হয়। এতে পরিবারের সদস্যদের নানা ধরনের অসুবিধা তৈরি হয়।
অধিক জনসংখ্যার চাপে অনেক পরিবার তাদের সন্তানদের প্রয়োজনীয় শিক্ষা দিতে পারে না। এর ফলে দেশের সব মানুষকে সাক্ষর করা সম্ভব হয় না। উপযুক্ত শিক্ষা না পাওয়ায় দেশে দক্ষ জনবল তৈরি হতে পারে না।
মানুষের তুলনায় চিকিৎসাসেবা কম থাকায় অসুস্থ হলে সঠিক সেবা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। অতিরিক্ত জনসংখ্যার চাপে বাস, ট্রেন ও অন্যান্য যানবাহনে যাতায়াতে ভিড় ও বিশৃঙ্খলা বাড়ে। এর ফলে মানুষের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হয়।
অতিরিক্ত জনসংখ্যা না থাকলে দেশের বেকারত্ব অনেক কম হতো। প্রতিটি মানুষ সহজে স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার সুযোগ লাভ করতে পারত। এতে পরিবেশের ওপর চাপ কমত এবং দেশের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হতো।
Related Question
View Allসর্বশেষ আদমশুমারিতে গণনাকৃত বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৫৮ লক্ষ।
ভারতের তুলনায় বাংলাদেশে জনসংখ্যার ঘনত্ব বেশি ।
বাসস্থানের জন্য অধিক-হারে গাছপালা কাটা পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে।
আদমশুমারি বা জনশুমারি সাধারণত ১০ বছর পর পর করা হয়।
বাংলাদেশে ১৯৭৪ সাল থেকে জনগণনা শুরু হয়।
২০২২ সালের জনশুমারি অনুযায়ী মোট জনসংখ্যা ছিল ১৬ কোটি ৫৮ লাখ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!