আবহাওয়ার উপাদানগুলো হলো প্রধানত তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, বায়ুপ্রবাহ, বৃষ্টিপাত, অক্ষাংশ, দ্রাঘিমাংশ, বায়ুর চাপ, মেঘের অবস্থান ইত্যাদি।
বাতাসে আর্দ্রতা কম থাকলে- ১. কাপড় তাড়াতাড়ি শুকায়, ২. আমাদের ঠোঁট ফেটে যায়, ৩. চামড়া ফেটে যায়।
নিম্বাস মেঘে' অনেক বৃষ্টিপাত হয়। নিম্বাস মেঘ হলো ধূসর বা কালো মেঘ যা পৃথিবীর খুব কাছাকাছি থাকে।
প্রকৃতিতে রৌদ্রের তাপে ভূপৃষ্ঠের পানি বাষ্পীভূত হয়ে জলীয়বাষ্পে পরিণত হয়। বাতাসের এই জলীয়বাষ্প ঠান্ডা হয়ে সূক্ষ্ম ধূলিকণার উপর জমা হয়ে ক্ষুদ্র পানি-কণা তৈরি করে। এই ক্ষুদ্র পানি-কণা আকাশে মেঘ হিসেবে ভেসে বেড়ায়।
প্রকৃতিতে রৌদ্রের তাপে সাগর ও নদীর পানি বাষ্পীভূত হয়ে জলীয়বাষ্পে পরিণত হয়। বায়ুমণ্ডলের জলীয়বাষ্প উপরে ঠান্ডার সংস্পর্শে এসে মেঘ তৈরি করে। মেঘের ছোটো ছোটো পানি-কণাগুলো মিলে বড়ো পানির কণা তৈরি হয়। বড়ো পানি-কণাগুলো ভারী, তাই বাতাসে ভেসে বেড়াতে পারে না। ফোঁটা ফোঁটা পানি হয়ে নিচে নেমে আসে। এটিই বৃষ্টি।
কুয়াশা ও শিশির মেঘ থেকে আসে। কুয়াশা এক ধরনের মেঘ, যা আমরা ভূপৃষ্ঠে দেখি। বাতাসের জলীয়বাষ্প ভাসমান ধূলিকণার চারদিকে অতি ক্ষুদ্র পানিকণার আকারে জমা হয়ে মেঘে পরিণত হয়। এই মেঘ ভূপৃষ্ঠের নিকটে ধোঁয়ার আকারে ভাসতে থাকে, এটিই কুয়াশা। এই কুয়াশা আবার গাছের পাতা বা ঘাসের উপর জমা হয়ে আবারও ক্ষুদ্র পানি-কণা হয়ে যায়, এটিই শিশির।
বায়ুর তাপমাত্রা তারতম্যের কারণে আমরা গরম বা ঠান্ডা অনুভব করি।
বাতাসে আর্দ্রতা কম থাকার কারণে শীতকালে হাত, পা, ঠোঁটের চামড়া ফেটে যায়।
বাতাসে আর্দ্রতা বেড়ে যাওয়ার কারণে আমরা ঘেমে যাই।
প্রাকৃতিকভাবে বায়ুপ্রবাহের গতি থেকে ঝড়ের পূর্বাভাস জানতে পারি।
যখন বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ কম থাকে তখন সেটি বাতাসের শুষ্ক অবস্থা।
যখন বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকে তখন সেটি বাতাসের আর্দ্র অবস্থা।
সাধারণত বাতাসের আর্দ্রতা ৯০% এর বেশি হলে বৃষ্টিপাত ঘটে।
বৃষ্টিপাতের পরিমাপকে মিলিমিটারের (mm) প্রকাশ করা হয়।
যখন ভূপৃষ্ঠের কোনো অঞ্চল বেশি গরম হয়, তখন সে স্থানের বায়ু হালকা হয়ে উপরে উঠে যায় এবং সেখানে বায়ুশূন্যতা সৃষ্টি হয়। আশপাশের এলাকার বায়ু দ্রুতবেগে ঐ শূন্যতা পূরণ করে। এভাবে তাপমাত্রার পার্থক্যের ফলে বায়ুপ্রবাহের সৃষ্টি হয়।
তাপমাত্রার প্রভাবে বায়ুপ্রবাহের দিক পরিবর্তন হয়। দিনের বেলায় সমুদ্রের বাতাস অপেক্ষাকৃত শীতল থাকে। এই শীতল বাতাস স্থলভাগের দিকে প্রবাহিত হয়। এতে স্থলভাগ শীতল হয়।
প্রকৃতিতে রৌদ্রের তাপে সাগর ও নদীর পানি বাষ্পীভূত হয়ে জলীয়বাষ্পে পরিণত হয়। যখন বাতাসের জলীয়বাষ্প ঠাণ্ডা হয় তখন তা সূক্ষ্ম ধূলিকণার উপর জমা হয়ে ক্ষুদ্র পানি-কণা তৈরি করে। এই ক্ষুদ্র পানি-কণা আকাশে মেঘ হিসেবে ভেসে বেড়ায়।
বাতাসের জলীয়বাষ্প ভাসমান ধূলিকণার চারদিকে অতি ক্ষুদ্র পানির কণা আকারে জমা হয়ে মেঘে পরিণত হয়। এই মেঘ ভূ-পৃষ্ঠের নিকটে ধোঁয়ার আকারে ভাসতে থাকে, এটিই কুয়াশা। কুয়াশা আবার গাছের পাতা বা ঘাসের উপর জমা হয়ে আবারও ক্ষুদ্র পানি-কণা হয়ে যায়, এটিই শিশির।
আবহাওয়া হলো নির্দিষ্ট স্থানে কোনো নির্দিষ্ট দিনের আকাশের অবস্থা, বায়ুর তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, বৃষ্টিপাত, বায়ুপ্রবাহ ইত্যাদির সামগ্রিক প্রকাশ। যেমন- কোনো দিনের আকাশ থাকতে পারে রৌদ্রোজ্জ্বল বা মেঘাছন্ন, বাতাস হতে পারে গরম বা ঠান্ডা, আর্দ্র বা শুকনো ইত্যাদি।
আবহাওয়ার তিনটি উপাদান হলো-১. তাপমাত্রা, ২. আর্দ্রতা ও ৩. বায়ুপ্রবাহ।
কোনো সময় বাতাস কতটা ঠাণ্ডা বা গরম, তাই ঐ সময়ের তাপমাত্রা। বাতাস কতটা ঠাণ্ডা বা গরম তার ভিত্তিতেই আমাদের ঠান্ডা বা গরম লাগে। তাপমাত্রা প্রকাশ করা হয় সেলসিয়াস (°C) দিয়ে।
বাতাসে জলীয়বাষ্পের উপস্থিতিই হলো আর্দ্রতা। বাতাসে আর্দ্রতা কমে গেলে আমাদের ত্বক ফেটে যায়। শীতকালে বাতাসে আর্দ্রতা কম থাকে, তাই আমাদের হাত, পা, ঠোঁটের চামড়া ফেটে যায়।
বাতাসে জলীয়বাষ্পের উপস্থিতিই হলো আর্দ্রতা। আর্দ্রতার পরিমাপ শতকরা (%) হারে প্রকাশ করা হয়। বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকলে আমরা খুব সহজেই ঘেমে যাই এবং বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা বাড়ে। আবার বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ কম থাকলে কাপড় তাড়াতাড়ি শুকায়, আমাদের ঠোঁট, চামড়া ফেটে যায়।
বায়ুপ্রবাহ হলো বায়ুর সচল অবস্থা। বায়ু কখনো ধীরে আবার কখনো তীব্র বেগে প্রবাহিত হয়। বায়ুপ্রবাহকে এর দিক ও গতি দ্বারা বিবেচনা করা হয়।
জলীয়বাষ্প আকাশে মেঘ হয়ে ভেসে বেড়ায়। তাপমাত্রা ও বায়ু চাপের প্রভাবে ভাসমান মেঘ বড়ো বড়ো পানি-কণায় পরিণত হয়। এই বড়ো বড়ো পানি-কণাগুলো বাতাসে ভেসে বেড়াতে পারে না। যার ফলে পানি-কণাগুলো ফোঁটা ফোঁটা পানি হয়ে ভূপৃষ্ঠে নেমে আসে। এভাবেই বৃষ্টির সৃষ্টি হয়।
আকাশের তিনটি অবস্থা হলো-
১। রৌদ্রোজ্জ্বল ও পরিষ্কার,
২। আংশিক মেঘাচ্ছন্ন ও
৩। বর্ষণ মুখর।
মেঘ হলো আকাশে ভাসমান পানির কণা। এরা সাদা, ধূসর বা কালো তুলার মতো বস্তু যা আকাশে ভেসে বেড়ায়।
মেঘ দশ প্রকার। তিনটি মেঘের নাম হলো-
১. সাইরাস মেঘ, ২. কিউমুলাস মেঘ ও ৩. নিম্বাস মেঘ।
আবহাওয়া আমাদের জীবনকে নানাভাবে প্রভাবিত করে। যেমন-
১. ঠান্ডার সময় আমরা গরম কাপড় পরি।
২. বৃষ্টি হলে বা রৌদ্রোজ্জ্বল দিনে আমরা ছাতা নিয়ে বাইরে যাই।
৩. অধিক গরমের সময় আমরা পাতলা কাপড় পরি।
আবহাওয়ার পূর্বাভাস জেনে আমরা নিরাপদে থাকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারি। আবহাওয়া যখন বিরূপ হয়, তখন আবহাওয়া অফিস কয়েক ধরনের বিপদ সংকেত দিয়ে থাকে। সেগুলো বুঝে মেনে চললে আমরা আবহাওয়ার বিরূপ প্রভাব থেকে সুরক্ষিত থাকতে পারি।
প্রকৃতিতে পানিকে আমরা বিভিন্ন অবস্থায় পরিবর্তিত হতে দেখি। যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পানি বিভিন্ন অবস্থায় পরিবর্তিত হয়ে ভূপৃষ্ঠ এবং বায়ুমণ্ডলের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে তাই হচ্ছে পানিচক্র।
কুয়াশা এক ধরনের মেঘ, যা আমরা ভূপৃষ্ঠে দেখি। বাতাসের জলীয়বাষ্প ভাসমান ধূলিকণার চারদিকে অতি ক্ষুদ্র পানি-কণার আকারে জমা হয়ে মেঘে পরিণত হয়। এই মেঘ ভূপৃষ্ঠের নিকটে ধোঁয়ার আকারে ভাসতে থাকে, এটিই কুয়াশা।
শীতকালে কুয়াশা দেখা যায়। কুয়াশাও এক ধরনের মেঘ যা আমরা ভূপৃষ্ঠে দেখে থাকি। এই কুয়াশা গাছের পাতা বা ঘাসের উপর জমা হয়ে ক্ষুদ্র পানি-কণা সৃষ্টি করে। এই ক্ষুদ্র পানি-কণাই মূলত শিশির।
পানি চক্রের মাধ্যমে পৃথিবীতে পানির ভারসাম্য বজায় থাকে। সাগর, নদী ও অন্যান্য জলাশয়ের পানি সূর্যের তাপে বাষ্পীভূত হয়ে জলীয়বাষ্পে পরিণত হয়। জলীয়বাষ্প বৃষ্টি হয়ে পৃথিবীতে ফিরে আসে এবং নদী-নালা, খাল-বিল ও হ্রদে জমা হয়। এসব উৎস থেকে পানি সমুদ্রে আসে। এভাবে পৃথিবীতে পানির ভারসাম্য বজায় থাকে।
আমাদের গরম লাগে তাপমাত্রা বাড়লে।
আমরা ঘেমে যাই আর্দ্রতা বাড়লে।
ভেজা কাপড় দেরিতে শুকায় বর্ষাকালে।
বায়ু প্রবাহিত হয় তাপমাত্রার পার্থক্য হলে।
তাপমাত্রা প্রকাশের একক সেলসিয়াস (°C) ।
বাতাসে জলীয়বাষ্পের উপস্থিতিকে আর্দ্রতা বলে ।
আর্দ্রতার পরিমাপ প্রকাশের একক শতকরা।
বৃষ্টিপাত পরিমাপের একক মিলিমিটার।
মেঘ বৃষ্টি। ভূপৃষ্ঠে নেমে আসে ।
বায়ুর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে মেঘ তৈরি হয়।
দিনের বেলায় সমুদ্রের বাতাস শীতল থাকে ।
মেঘ আকাশে ভাসমান পানির কণা।
নিম্বাস মেঘে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয় ।
অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত হলে বন্যা হয় ।
বায়ুর আর্দ্রতা বেড়ে গেলে আমরা ঘেমে যাই, বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা বাড়ে।
বায়ুপ্রবাহের গতির মাধ্যমে আমরা ঝড়ের পূর্বাভাস জানতে পারি।
বাতাস কতটা ঠাণ্ডা বা গরম, তাই ঐ সময়ের তাপমাত্রা।
বৃষ্টিপাত পরিমাপের একক হলো মিলিমিটার।
বায়ু প্ররাহিত হওয়ার কারণ হলো তাপমাত্রার পার্থক্য।
বায়ুপ্রবাহ জলীয়বাষ্পকে এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় বয়ে নিয়ে যায়।
নিম্বাস মেঘে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
Related Question
View Allসাদা.পালকের মতো মেঘগুলোকে বলে সাইরাস মেঘ।
বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকলে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা বেড়ে যায় ।
কুয়াশা গাছের পাতার সংস্পর্শে এসে শিশির এ পরিণত হয়।
আমরা বিভিন্ন মাধ্যম থেকে আবহাওয়ার পূর্বাভাস পেয়ে থাকি।
আর্দ্রতা বেড়ে গেলে আমরা ঘেমে যাই।
কোনো সময় বাতাস কতটা ঠান্ডা বা গরম, তাই ঐ সময়ের তাপমাত্রা ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!