খাষিদের মধ্যে যাঁরা প্রধান ও মহান তাঁরাই হচ্ছেন মহর্ষি।
ঋষিদের মধ্যে যাঁরা প্রধান বা মহান তাঁরা মহর্ষি। যেমন-ব্যাসদেব এবং যারা দেবতা হয়েও ঋষি তাঁরা দেবর্ষি। যেমন- নারদ।
যাজ্ঞবল্ক্য নিজেকে শ্রেষ্ঠ ব্রহ্মজ্ঞানী মনে করার জন্য সহস্র গাভি গ্রহণের দাবি করলেন।
ব্রহ্মবিদ্যা নিয়ে ঋষি যাজ্ঞবল্ক্য ও বিদুষী গার্গীর মধ্যে বিতর্ক হয়েছিল।
পাঁচজন মুনি-ঋষিগণ হলেন- ১. বশিষ্ঠ, ২. বিশ্বামিত্র, ৩. কণ্ঠ, ৪. মৈত্রেয়ী ও ৫. গার্গী।
পাঁচজন নারী ঋষি হলেন- ১. গার্গী, ২. ঘোষা, ৩. বিশ্ববারা, ৪. অপালা ও ৫. লোপামুদ্রা।
মুনিদের সম্পর্কে বলা যায়-
১. মুনিদের কোনো লোভ-লালসা ছিল না।
২. তাঁরা তপস্যার দ্বারা লোভ-লালসা জয় করেছিলেন।
৩. তপস্যায় তাঁরা বিশেষ জ্ঞান লাভ করেছিলেন।
৪. তাঁরা ঈশ্বরকে উপলব্ধি করেছিলেন এবং ধর্ম সম্পর্কে অনেক জ্ঞান অর্জন করেছিলেন।
ব্রহ্মর্ষি বিশ্বামিত্র ও বিদুষী গার্গীর জীবনী থেকে আমরা যে নৈতিক শিক্ষা পাই তা হলো-
১. বাহুবলের চেয়ে তপোবল বড়।
২. অস্ত্রবলের চেয়ে জ্ঞানবল বড়।
৩. যথার্থ জ্ঞানে জ্ঞানী হলে নারী-পুরুষে কোনো ভেদ থাকে না।
৪. জ্ঞান অর্জন করলে নারী-পুরুষ উভয়ই সমাজে সমাদর লাভ করে।
যেসব মুনি তপস্যাবলে বেদমন্ত্র প্রকাশ করতে পারতেন। তাঁদের বলা হতো ঋষি। ঋষিদের সাতটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। যথা- ব্রহ্মর্ষি, দেবর্ষি, মহর্ষি, পরমর্ষি, কান্ডর্ষি, শ্রুতর্ষি ও রাজর্ষি।
ঋষিদের মধ্যে যাঁরা প্রধান ও মহান তাঁরাই হচ্ছেন মহর্ষি।
তাঁকে আমি মুনি বলব।
আমি ব্রহ্মর্ষি বলব।
তাঁকে আমি পরমর্ষি বলব।
ত্যাগ ও কষ্টসহিষ্ণুতা।
ঋষিদের সাতটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে।
মুনি।
ঋষি।
মন্ত্র।
সাতটি।
ব্রহ্মর্ষি।
দেবর্ষি।
রাজর্ষি।
মহর্ষি।
রাজর্ষি।
কামধেনু।
কামধেনু।
একটি গাভী।
তপোবল।
Related Question
View Allমুনি-ঋষিরা অরণ্যে বসে ঈশ্বরের তপস্যা করতেন।
মুনিরা ধর্ম সম্পর্কে অনেক জ্ঞান লাভ করেছিলেন।
বেদের কবিতাগুলোকে বলা হয় মন্ত্র ।
বিশ্বামিত্র কৌশিক নামেও পরিচিত ছিলেন।
আমরাও বিশ্বামিত্রের মতো মানুষের মঙ্গল করব।
ব্রহ্মবিদ্যায় ব্রহ্মবাদিনী গার্গী ছিলেন অগ্রগণ্য।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!