সূর্য ও তার পরিবারের সদস্য মিলে তৈরি হয় সৌরজগৎ। সৌরজগতের ৮টি গ্রহ রয়েছে। এগুলো হলো-
১. বুধ, ২. শুক্র, ৩. পৃথিবী, ৪. মঙ্গল, ৫. বৃহস্পতি, ৬. শনি, ৭. ইউরেনাস ও ৮. নেপচুন।
পৃথিবীর উপযোগী পরিবেশ যেসব কারণে তৈরি হয়েছে তা হলো-
১। সূর্য থেকে পৃথিবীতে সঠিক পরিমাণে আলো ও তাপ আসে। এতে পৃথিবী না বেশি গরম, না বেশি ঠান্ডা।
২। পৃথিবীতে পানি আছে।
৩। পৃথিবীর বাতাসে অক্সিজেন আছে।
চাঁদের নিজস্ব কোনো আলো নেই। সূর্যের আলোর সাহায্যে চাঁদ আলোকিত হয়। সূর্যকে আকাশে একটি বিশাল টর্চ লাইট হিসেবে কল্পনা করা যায়। চাঁদের উপরিভাগ পাথর এবং ধুলো দ্বারা আবৃত, যা আয়নার মতো সূর্যের আলোকে প্রতিফলিত করে। পৃথিবীর দিকে সেই আলো ফিরে আসে। এই কারণে চাঁদকে আমরা আলোকিত দেখি।
ইউরেনাস গ্রহের বায়ুমণ্ডলে থাকা মিথেন গ্যাসের কারণে ইউরেনাসকে দেখতে নীল মনে হয়। এ কারণে ইউরেনাসকে নীল গ্রহ বলা হয়। মঙ্গল গ্রহের পৃষ্ঠ কমলাভ-লাল বলে মঙ্গল গ্রহকে লাল গ্রহ বলা হয়।
সবচেয়ে বড়ো গ্রহ বৃহস্পতি।
নেপচুন গ্রহ সূর্য থেকে সবচেয়ে দূরে।
পূর্ণিমার সময় চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য প্রায় সরলরেখায় থাকে। সূর্যের আলো এসময় সরাসরি চাঁদের পুরো সামনের পৃষ্ঠে পড়ে, আর সেই আলো প্রতিফলিত হয়ে পৃথিবীতে আসে। তাই এসময় চাঁদকে আলোকিত দেখায়।
অমবস্যায় চাঁদ, সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে থাকে। এসময় সূর্যের আলো চাঁদের পেছনের দিকে পড়ে, আর সামনের দিক অন্ধকার থাকে। ফলে পৃথিবী থেকে চাঁদকে দেখা যায় না। এ কারণে অমবস্যায় চাঁদকে অন্ধকার দেখায়।
চাঁদের পূর্ণিমা ও অমাবস্যা মূলত সূর্য, পৃথিবী ও চাঁদের অবস্থানের উপর নির্ভর করে। পূর্ণিমায় পৃথিবী থাকে সূর্য ও চাঁদের মাঝখানে। অন্যদিকে অমাবস্যায় চাঁদ থাকে সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে।
মহাবিশ্ব বলতে আমরা যা কিছু দেখি ও যা কিছু আছে সবকিছুকে বুঝায়। এতে সমস্ত গ্রহ, সৌরজগৎ, নক্ষত্র ও ছায়াপথ রয়েছে।
সৌরজগতে মোট আটটি গ্রহ আছে। এগুলো হলো-বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস এবং নেপচুন।
গ্যালাক্সি হলো মহাবিশ্বের অতিক্ষুদ্র অংশ যাতে নক্ষত্রের বিশাল সমাবেশ রয়েছে। আমাদের, সৌরজগৎ যে গ্যালাক্সিতে রয়েছে তার নাম মিল্কিওয়ে বা আকাশগঙ্গা।
সূর্য থেকে আমরা আলো ও তাপ পাই। সূর্যের আলো না থাকলে পৃথিবীতে জীবন সম্ভব হতো না। উদ্ভিদ খাদ্য তৈরি করে সূর্যালোকের সাহায্যে।
পৃথিবী নিজ অক্ষের উপর ঘুরে। যখন সূর্যের দিকে মুখ করে থাকে তখন দিন হয়। আর বিপরীত দিকে থাকলে রাত হয়।
সূর্যের আকর্ষণ শক্তি খুব বেশি। এই শক্তির কারণে গ্রহগুলো সূর্যের চারদিকে ঘুরে। এতে সৌরজগৎ সুশৃঙ্খল থাকে।
টর্চ লাইট দিয়ে সূর্য বুঝানো হলে দেখা যাবে গ্লোবের যে অংশে আলো পড়ে সেখানে দিন হয় এবং আলো না পড়া অংশে' রাত হয়।
সূর্যের অবস্থান পরিবর্তনের কারণে ছায়ার দৈর্ঘ্য পরিবর্তিত হয়। এতে বুঝা যায় পৃথিবী ঘূর্ণনশীল।
সূর্যের আলো ছাড়া অন্ধকার হয় না; কিন্তু চাঁদ সূর্যের আলো পেলেই উজ্জ্বল হয়। এতে বুঝা যায় সূর্য নিজে আলো দেয়, চাঁদ নয়।
সূর্যোদয় সবসময় পূর্ব দিকেই হয়- এটি দেখে বুঝা যায় পৃথিবী পূর্ব থেকে পশ্চিম দিকে ঘুরে।
তারা নিজে আলো দেয় এবং চাঁদ সূর্যের আলো প্রতিফলিত করে। তাই রাতে আকাশ আলোকিত দেখা যায়।
চাঁদের আকর্ষণের কারণে সাগরে জোয়ার-ভাটা সৃষ্টি হয়। অমাবস্যা ও পূর্ণিমায় এই আকর্ষণ বেশি হওয়ায় জোয়ার বেশি হয়।
সূর্য ও তার পরিবারের সদস্য মিলে তৈরি হয় সৌরজগৎ। সৌরজগতের সদস্যরা হচ্ছে- সূর্য, গ্রহ, উপগ্রহ এবং অন্যান্য মহাকাশীয় পদার্থ। গ্রহগুলো সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরছে।
সৌরজগতের কেন্দ্রীয় বস্তু হলো সূর্য। কারণ- সূর্যকে কেন্দ্র করেই আটটি গ্রহ এবং এদের উপগ্রহগুলো আবর্তিত হয়।
সৌরজগতে মোট আটটি গ্রহ আছে। এগুলো হলো-বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস এবং নেপচুন।
বুধ গ্রহের তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১। সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ।
২। এর কোনো উপগ্রহ নেই।
৩। এর পৃষ্ঠতে রয়েছে পাথর, গর্ত এবং সমতল ভূমি।
অন্যান্য গ্রহের তুলনায় শুক্র গ্রহের পরিবেশ একদম ভিন্ন। খুব ভারী এবং ঘন বায়ুমণ্ডল থাকার কারণে এই গ্রহটি তাপ ধরে রাখে। এ কারণে শুক্র গ্রহের তাপমাত্রা সবচেয়ে বেশি।
সৌরজগতের গ্রহগুলোর মধ্যে একমাত্র পৃথিবীতেই তরল পানি আছে। একমাত্র পৃথিবীর পরিবেশই জীবদের বসবাসের উপযোগী। এ কারণে পৃথিবী বাসযোগ্য গ্রহ হিসেবে পরিচিত।
মঙ্গল গ্রহের পৃষ্ঠ অনেকটা মরুভূমির মতো, যা দেখতে কমলাভ লাল রঙের। এ কারণে মঙ্গল গ্রহকে লাল গ্রহ বলা হয়।
বৃহস্পতি গ্রহের তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১। সৌরজগতের সবচেয়ে বড়ো গ্রহ।
২। সব সময় একটি সুবিশাল ঝড় ঘূর্ণায়মান রয়েছে।
৩। এই গ্রহের ৯৫টি উপগ্রহ রয়েছে।
শনি একটি গ্যাসীয় বৃহৎ গ্রহ। এর একটি সুন্দর বলয় রয়েছে, যেটি বরফ আর পাথরের খণ্ড দিয়ে তৈরি। এর ১৪৬টি উপগ্রহ আছে।
ইউরেনাস সৌরজগতের তৃতীয় বৃহত্তম গ্রহ। এর বায়ুমণ্ডলে থাকা মিথেন গ্যাসের কারণে একে দেখতে নীল মনে হয়।
নেপচুন গ্রহের তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১। সূর্য থেকে সবচেয়ে দূরবর্তী গ্রহ।
২। সৌরজগতের মধ্যে সবচেয়ে জোরে বায়ুপ্রবাহ এবং ঝড় হয়।
৩। এর ১৬টি উপগ্রহ রয়েছে।
গ্রহকে কেন্দ্র করে ঘূর্ণায়মান বস্তুগুলোকে উপগ্রহ বলা হয়। পৃথিবী একটি গ্রহ। চাঁদ পৃথিবীকে কেন্দ্র করে চারদিকে ঘুরতে থাকে। এজন্য চাঁদকে পৃথিবীর উপগ্রহ বলা হয়। চাঁদ পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ।
প্রতি রাতেই চাঁদের আকার ও আকৃতি কিছুটা ভিন্ন হয়। কখনো চাঁদকে বড়ো ও গোলাকার দেখায়, আবার কখনো তা ছোটো ও অর্ধ-গোলাকার দেখায়। চাঁদের উজ্জ্বল অংশের এই পরিবর্তনশীল আকৃতি হচ্ছে চাঁদের দশা। চাঁদের মোট আটটি দশা বা পর্যায় আছে।
অমাবস্যার সময় চাঁদ, সূর্য এবং পৃথিবীর মাঝখানে থাকে। এই অবস্থানে চাঁদের আলোকিত অংশটি পৃথিবী থেকে দেখা যায় না। পূর্ণিমার সময় পৃথিবী, সূর্য ও চাঁদের মাঝখানে থাকে। এ সময় চাঁদের সম্পূর্ণ আলোকিত অংশটি পৃথিবী থেকে দেখা যায়।
চাঁদের উপরিভাগে আছে-
১। পাথর এবং ধুলো,
২। উচ্চভূমি ও
৩। সমতলভূমি।
খালি চোখে পূর্ণিমার চাঁদের দিকে তাকালে দেখা যায় চাঁদের উজ্জ্বল অংশের পাশাপাশি কম উজ্জ্বল অংশও রয়েছে। চাঁদের দিকে তাকালে যে কম উজ্জ্বল অংশ দেখা যায়, তাকে আমরা বলি চাঁদের কলঙ্ক।
পৃথিবী ও চাঁদের মধ্যে পার্থক্য নিচে দেওয়া হলো-
| পৃথিবী | চাঁদ |
| ১। পৃথিবীতে পানি ও বাতাস আছে। | ১। চাঁদে পানি ও বাতাস নেই |
| ২। পৃথিবীতে বৃষ্টিপাত হয়। | ২। চাঁদে কোনো বৃষ্টিপাত হয় না। |
| ৩। পৃথিবীতে জীবের জীবন ধারণ সম্ভব। | ৩। চাঁদে জীবের জীবন ধারণ সম্ভব নয়। |
চন্দ্রপৃষ্ঠে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে কালো, মসৃণ সমভূমি, যা 'মারিয়া' নামে পরিচিত। এখানকার শিলা প্রাচীন আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত হতে তৈরি হয়েছে।
গ্যালাক্সি হলো মহাবিশ্বের অতিক্ষুদ্র অংশ যাতে নক্ষত্রের বিশাল সমাবেশ রয়েছে। আমাদের সৌরজগৎ যে গ্যালাক্সিতে রয়েছে তার নাম মিল্কিওয়ে বা আকাশগঙ্গা।
নক্ষত্র হচ্ছে জ্বলন্ত গ্যাসের একটি বিশাল কুণ্ডলী, যার নিজস্ব আলো তাপ এবং অন্যান্য শক্তি রয়েছে। সূর্য সৌরজগতের একমাত্র নক্ষত্র।
নক্ষত্রগুলো জোট বেঁধে অবস্থান করে। রাতের আকাশে নক্ষত্রের এই জোট কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা প্রাণীর ন্যায় বিশেষ আকৃতির সৃষ্টি করে। বিশেষ আকৃতিসম্পন্ন এই নক্ষত্র জোটকে নক্ষত্রমণ্ডল বলে। কালপুরুষ এমনই একটি নক্ষত্রমণ্ডল।
গ্রহাণু হলো এমন এক ধরনের বস্তু যা প্রধানত পাথরের তৈরি। এরা সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘোরে। সৌরজগতে বেশিরভাগ গ্রহাণুই মঙ্গল ও বৃহস্পতি গ্রহের মাঝে অবস্থান করে। কিছু কিছু গ্রহাণুর চাঁদের মতো উপগ্রহ রয়েছে।
ধূমকেতু হলো সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘোরা সৌরজগতের ছোটো বস্তু, যা ররফ, ধূলিকণা এবং পাথর দ্বারা গঠিত। এগুলোর মধ্যে হ্যালির ধূমকেতু সবচেয়ে বিখ্যাত ধূমকেতু। এটি প্রতি ৭৬ বছরে একবার সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘোরে। পৃথিবী থেকে আবার এই ধূমকেতু দেখা যাবে ২০৬১ সালে।
আমাদের দৈনন্দিন জীবনে চাঁদের তিনটি প্রভাব হলো-
১। চাঁদ থাকায় সাগরে জোয়ার-ভাটা তৈরি হয়।
২। চাঁদের আলো আমাদের অন্ধকারে দেখতে সহায়তা করে।
৩। পৃথিবীতে জীববৈচিত্র্য বজায় রাখতে চাঁদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
পৃথিবীর জন্য সূর্যের গুরুত্ব অপরিসীম। সূর্য না থাকলে-
১। পৃথিবী অন্ধকারে ঢেকে যেত।
২। পৃথিবীর গাছপালা, প্রাণিকুল সব মারা যেত।
৩। তাপের অভাবে সমুদ্র ও নদীর সব পানি জমে বরফ হয়ে যেত।
পৃথিবী নিজের অক্ষে হেলে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। এ কারণে বছরের বিভিন্ন সময়ে সূর্যের আলো ভিন্ন ভিন্ন স্থানে পড়ে। ফলে কোথাও দিন বড়ো, কোথাও রাত বড়ো হয়।
সূর্যের আলো না থাকলে গাছপালা খাদ্য উৎপাদন করতে, পারত না। প্রাণীরা খাদ্য ও তাপের অভাবে মারা যেত। পৃথিবী অন্ধকার, শীতল ও প্রাণহীন হয়ে যেত।
সূর্য এবং তার পরিবারের সদস্য মিলে সৌরজগৎ তৈরি হয় ।
পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহের নাম চাঁদ।
সৌরজগতের কেন্দ্রে সূর্য অবস্থান ।
সূর্যকে কেন্দ্র করে ৮টি গ্রহ ঘুরছে ।
সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ বুধ।
সৌরজগতের সবচেয়ে ছোটো গ্রহ বুধ।
সৌরজগতের শুক্র গ্রহটির তাপমাত্রা সবচেয়ে বেশি ।
মঙ্গল গ্রহকে "লাল গ্রহ" বলা হয় ।
মঙ্গল গ্রহের ২টি ছোটো উপগ্রহ আছে ।
সৌরজগতের সবচেয়ে বড়ো গ্রহ বৃহস্পতি।
বৃহস্পতিতে ৯৫টি উপগ্রহ আছে ।
শনির বলয় বরফ ও পাথরের খণ্ড দিয়ে তৈরি ।
ইউরেনাস গ্রহের ২৮টি উপগ্রহ আছে ।
সূর্য থেকে সবচেয়ে দূরের গ্রহ নেপচুন।
চাঁদের উজ্জ্বল অংশের আকৃতি পরিবর্তনকে চাঁদের দশা বলে ।
চাঁদের পৃষ্ঠে বালুর স্তর রয়েছে ।
পৃথিবী, সূর্য ও চাঁদের মাঝখানে অবস্থান করলে পূর্ণিমা ঘটে ।
সৌরজগতের ৬টি গ্রহের উপগ্রহ আছে ।
গ্যালাক্সি, নক্ষত্র, গ্রহ, মহাশূন্য, সকল পদার্থ এবং শক্তি এসব কিছু নিয়ে গঠিত হয় মহাবিশ্ব।
গ্রহ ও নক্ষত্রের মধ্যে একটি পার্থক্য হলো- গ্রহের নিজস্ব আলো নেই কিন্তু নক্ষত্রের নিজস্ব আলো আছে।
সৌরজগতে ৮টি গ্রহ আছে।
উপগ্রহ হলো সেই বস্তু যা কোনো গ্রহকে 'কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়।
চাঁদ পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ।
চাঁদের উজ্জ্বল অংশের আকৃতির পরিবর্তনশীল অবস্থাকে চাঁদের দশা বলে।
শীতকালে উত্তর গোলার্ধে সূর্য তির্যকভাবে কিরণ দেয় বলে সেখানে তাপমাত্রা হ্রাস পায়।
আমরা যখন চাঁদের আলোকিত অংশ একেবারেই দেখতে পাই না তখন অমাবস্যা হয়।
Related Question
View Allশুক্র গ্রহকে সন্ধ্যাতারা ও শুকতারা বলা হয়।
সৌরজগতের কেন্দ্রে রয়েছে সূর্য ।
চন্দ্র মাসে চাঁদ ২৯.৫ দিনে তার পুরোনো অবস্থানে ফিরে আসে।
সূর্য এবং তার পরিবারের সদস্য মিলে তৈরি হয় সৌরজগৎ ।
গ্রহগুলো সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরছে।
পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ চাঁদ ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!