দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের সাধারণত প্রয়োজন হয় উপযুক্ত চশমা ব্যবহার, শ্রেণিকক্ষে বড়ো লেখা ও উপকরণ ব্যবহার, শ্রেণিকক্ষে সামনে বসার ব্যবস্থা, দেখানোর সাথে সাথে মুখে বলে দেওয়া বা শোনার ব্যবস্থা করা এবং চাহিদাভিত্তিক শিখন উপকরণ সরবরাহ করা ইত্যাদি।
অটিস্টিক শিশুদের জন্য প্রয়োজন হয় বিশেষ যত্ন নেওয়া, বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করা, কথা বলার সময় জটিল শব্দ ব্যবহার, না করা, উৎসাহ প্রদান করা, শিক্ষক-অভিভাবক ও সহপাঠীদের আন্তরিক হওয়া এবং কষ্ট পায় ও রেগে যায় এমন আচরণ না করা।
বুদ্ধি প্রতিবন্ধীরা যে ধরনের অসুবিধার সম্মুখীন হয় তা হলো তারা অনেক সময় নিয়ে কাজ করে এবং তার চেয়ে কম বয়সি শিশুদের মতো আচরণ করে। তাদের কোনো কিছু ব্যাখ্যা করতে অসুবিধা হয়। তাদের কোনো বিষয় বোঝাতে বারবার বুঝিয়ে বলতে হয়।
বাক প্রতিবন্ধীদের যে ধরনের সাহায্যের প্রয়োজন হয় তা হলো তাদের সাথে ধীরগতিতে কথা বলা, মনোযোগের সাথে তাদের বোঝার চেষ্টা করা, ভালো আচরণ করা ও না রাগানো এবং চাহিদাভিত্তিক শিখন উপকরণ সরবরাহ করা ইত্যাদি।
দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য উপযুক্ত চশমা এবং ব্রেইল পদ্ধতির মতো শিখন উপকরণের সাহায্য নিতে হয়। অন্যদিকে, শ্রবণ প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য কানে লাগানোর মেশিন (হিয়ারিং এইড) এবং ভিডিও শিক্ষণ উপকরণের প্রয়োজন হয়। এই সরঞ্জামগুলো তাদের শিক্ষা সহজ করে।
অটিস্টিক শিশুরা অনেক সময় একই কাজ একটানা করতে থাকে এবং কথা বলার সময় চোখের দিকে তাকাতে পারে না। এদের প্রতি আমাদের ধৈর্যশীল ও বিনয়ী হতে হবে। তাদের আগ্রহের দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত।
সমতাভিত্তিক শিখন পরিবেশ প্রয়োজন। কারণ এখানে ছেলেমেয়ে উভয়েই মিলেমিশে কাজ করার সমান সুযোগ পায়। এর ফলে তাদের মধ্যে পারস্পরিক সম্মানবোধ তৈরি হয়। এছাড়াও কেউ নিজেকে অবহেলিত মনে করে না এবং শিক্ষার পরিবেশ উন্নত হয়।
বিদ্যালয়ে কোনো শিক্ষককে শুধু মেয়েদের পিছনে বসতে বলা উচিত নয়। ছেলেদেরকে প্রতিযোগিতা বা খেলাধুলায় বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত নয়। শিক্ষককে সব সময় ছেলেমেয়ে উভয়ের প্রতি সমান মনোযোগ দিতে হবে।
সমতাভিত্তিক শিখন পরিবেশে ছেলেমেয়েরা নিজেদের যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে প্রস্তুত করতে পারে। তাছাড়া বিদ্যালয়ে তাদের উপযোগী কাজ মিলেমিশে করলে কাজের পরিবেশ সুন্দর হয়। এ কারণে পারস্পরিক সম্মানবোধ তৈরি হয়। ফলে কেউ নিজেকে অবহেলিত মনে করে না।'
অটিস্টিক শিশুর তিনটি বৈশিষ্ট্য নিম্নরূপ-
১. কথা বলার সময় চোখের দিকে তাকিয়ে কথা না বলা।
২. একই কাজ একটানা করতে থাকে।
৩. একটি নির্দিষ্ট বস্তুর প্রতি প্রবল আকর্ষণ থাকে।
বিদ্যালয়ে মিলেমিশে কাজ করার তিনটি সুবিধা হলো-
১. বিদ্যালয়ে মিলেমিশে কাজ করলে কাজের পরিবেশ সুন্দর হয়।
২. বিদ্যালয়ে মিলেমিশে কাজ করলে পারস্পরিক সম্মানবোধ তৈরি হয়। .
৩. বিদ্যালয়ে মিলেমিশে কাজ করলে কেউ নিজেকে অবহেলিত মনে করে না। ফলে সকলেই আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে।
যাদের শারীরিক বা মানসিক অবস্থা সাধারণের চেয়ে ভিন্ন এবং বিশেষ সহযোগিতার প্রয়োজন হয়।
অটিস্টিক শিশুরা সাধারণত অন্যের চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলে না এবং একই কাজ বারবার করতে পছন্দ করে।
হুইলচেয়ার ব্যবহারকারী বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের সহজে চলাচলের জন্য র্যাম্প ব্যবহৃত হয়।
যে পরিবেশে ছেলে ও মেয়ে উভয়ই সমান সুযোগ, মর্যাদা ও নিরাপত্তার সাথে শিখতে পারে।
তারা অনেক সময় নিয়ে কাজ করে এবং তাদের চেয়ে কম বয়সী শিশুদের মতো আচরণ করে।
তারা কানামাছি খেলছিল।
তারা বোর্ডের লেখা বা বইয়ের ছবি দেখতে পায় না, ফলে অন্যের সাহায্য বা বিশেষ উপকরণের প্রয়োজন হয়।
তারা ভাবত সাগরের পায়ের সমস্যার কারণে তাদের দল হেরে যেতে পারে অথবা সাগরের পা আরও ভেঙে যেতে পারে।
শিক্ষক তাকে দলে খেলার সুযোগ দেওয়ায় সাগরের আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায় এবং সে সবার কাছে সমাদৃত হয়।
এটি মেয়েদের জন্য একটি নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত 'পরিবেশ নিশ্চিত করে এবং বিদ্যালয়ে তাদের উপস্থিতি বাড়ায়।
বিদ্যালয়ে ভীতিহীন পরিবেশে পড়াশোনার জন্য ছেলে ও মেয়ে উভয়েরই শারীরিক ও মানসিক সুরক্ষা সমানভাবে জরুরি।
শারীরিক প্রতিবন্ধিতা চলাফেরা বা অঙ্গ সঞ্চালনের সাথে যুক্ত, আর বুদ্ধি প্রতিবন্ধিতা মানসিক বিকাশের সাথে যুক্ত।
সাধারণ শিশুরা দলে কাজ করতে পারে, কিন্তু অটিস্টিক শিশুরা সাধারণত একাকী থাকতে পছন্দ করে।
কারণ তিনি নিশ্চিত করতে চেয়েছিলেন যে ক্লাসের সবাই সমানভাবে অংশগ্রহণ করছে কি না।
না, সক্ষমতা অনুযায়ী যেকোনো কাজে ছেলে ও মেয়ে উভয়েরই সমান দায়িত্ব থাকা উচিত।
উভয়ই বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য তৈরি।
উপযুক্ত চশমা এবং অডিও শিক্ষার উপকরণ।
ছবি আঁকা এবং চমৎকার গান গাওয়া।
শারীরিক প্রতিবন্ধীদের চলাচলের জন্য দুটি সহায়ক উপকরণের উদাহরণ হুইলচেয়ার এবং ক্রাচ।
ইশারায় কথা বলা এবং প্রয়োজনে ক্লাসের সামনের বেঞ্চে বসার সুযোগ করে দেওয়া।
সাগরের মতো কোনো বন্ধুর পা ভেঙে গেলে তাকে সহপাঠীদের সাহায্যে এগিয়ে আসা।
হুইলচেয়ার প্রবেশযোগ্য প্রশস্ত দরজা এবং হাত দিয়ে ধরার জন্য হাতল (Grabs)।
আমি তাকে শিক্ষকের কথাগুলো ইশারা দিয়ে বুঝিয়ে দেব অথবা নোট লিখে দেব।
আমি তার কাছে গিয়ে কথা বলব এবং তাকে আমাদের সাথে গল্প বা খেলায় যুক্ত করব।
আমি মাকে বলব যে ঘরের কাজ করা ছেলে-মেয়ে সবার দায়িত্ব এবং আমি নিজেই কাজে হাত দেব।
আমি তাকে বোঝাব যে এটি অটিজম একটি বিকাশগত সমস্যা এবং তাকে অবহেলা না করে ভালোবাসা দেওয়া আমাদের দায়িত্ব।
আমি নিশ্চিত করব যাতে প্রতিটি ইভেন্টে ছেলে ও মেয়ে উভয়েরই সমান অংশগ্রহণের সুযোগ থাকে।
Related Question
View Allশারীরিক প্রতিবন্ধীদের শরীরের কোনো একটি অঙ্গ বা অংশ ব্যবহার করে কাজ করতে অসুবিধা হয়।
শারীরিক প্রতিবন্ধীদের চলাফেরা ও অন্যান্য কাজে অপরের সহযোগিতার প্রয়োজন হয়।
দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের উপযুক্ত চশমা ব্যবহার করতে হয়।
দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের শ্রেণিকক্ষে সামনে বসার ব্যবস্থা থাকতে হয়।
শ্রেণিকক্ষে দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের বড়ো লেখা ও উপকরণ ব্যবহারের প্রয়োজন হয়।
আটিস্টিক মস্তিষ্কের একটি বিকাশগত সমস্যা।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!