বৈশাখী মেলায় পাওয়া যায় এমন তিনটি জিনিসের নাম হলো- ১. কাঠ, বাঁশ ও বেতের তৈরি বিভিন্ন ধরনের খেলনা, ২. গৃহস্থালি সামগ্রী ও ৩: ঐতিহ্যবাহী খাবার ও মিষ্টান্ন।
হালখাতা বলতে এমন একটি অনুষ্ঠানকে বোঝায়, যেখানে ব্যবসায়ীরা পহেলা বৈশাখের দিন আয়োজন করে থাকেন। এ অনুষ্ঠানে ক্রেতারা বিদায়ী রছরের পাওনা পরিশোধ করেন এবং নতুন হিসাবের খাতা খোলেন।
বসন্ত উৎসবে আমরা মেয়েরা বাসন্তী রঙের শাড়ি পরি, আর খোঁপায় গোঁজি নানা রঙের ফুল। পাশাপাশি ছেলেরা পরে রঙিন পাঞ্জাবি বা ফতুয়া।
বাংলা বছরের প্রথম দিনটিকে পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ।
নবান্ন উৎসব সাধারণত অগ্রহায়ণ মাসে হয় ।
বাংলাদেশের বিপুল উদযাপিত উৎসবগুলোর মধ্যে পৌষ মেলা পৌষ সংক্রান্তি উপলক্ষ্যে হয়
পুরান ঢাকায় পৌষ মেলায় ঘুড়ি ওড়ানো প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয় ।
পুরান ঢাকার পৌষ উৎসবটি সাকরাইন নামে পরিচিত ।
শীতের পরে ঋতুরাজ বসন্ত ঋতু হাজির হয় ।
বসন্ত উৎসব উপলক্ষ্যে মেয়েরা রাসন্তী বা হলুদ রঙের শাড়ি পরে ।
সোনারগাঁওয়ে লোকশিল্প জাদুকর প্রাঙ্গণে কারুশিল্প মেলা হয় ।
মেলায় মাটির তৈরি হাঁড়ি-পাতিল, খেলনা, পুতুল, ঝুড়ি এবং নানা রকমের খাবার ও মিষ্টি পাওয়া যায়।
কৃষকের ঘরে নতুন ধান তোলা উপলক্ষ্যে আনন্দের উৎসব হিসেবে নবান্ন পালন করা হয়।
বছরের প্রথম দিনে ব্যবসায়ীরা তাদের পুরানো হিসাব চুকিয়ে যে নতুন হিসাবের খাতা খোলেন, তাকে হালখাতা বলে।
ঘরে ঘরে নতুন ধানের চাল দিয়ে সুস্বাদু পিঠা ও পায়েস রান্না করা হয় এবং আত্মীয়স্বজনদের আপ্যায়ন করা হয়।
হালখাতায় ব্যবসায়ীরা ক্রেতাদের মিষ্টিমুখ করান, আর নবান্নে পিঠা-পায়েস খাওয়া হয়।
মেয়েরা বাসন্তী রঙের শাড়ি পরে এবং খোপায় ফুল দেয়, আর ছেলেরা রঙিন পাঞ্জাবি বা ফতুয়া পরে।
সুলতান মেলা নড়াইলে হয়, আর কারুশিল্প মেলা সোনারগাঁওয়ে হয়।
বসন্তে ফোটে এমন ২টি ফুলের নাম পলাশ ও শিমুল (বা কৃষ্ণচূড়া) ।
নবান্ন উৎসবে তৈরি হয় এমন ১টি খাবারের নাম সুস্বাদু পিঠা বা পায়েস।
নবান্ন উৎসবের প্রধান উপাদানের নাম নতুন ধান।
পুরান ঢাকার ১টি উৎসবের নাম সাকরাইন বা ঘুড়ি ওড়ানো উৎসব।
বসন্ত উৎসবে মেয়েরা সাজের জন্য গাঁদা বা নানা রঙের ফুল ব্যবহার করে ।
বাড়িতে তৈরি পিঠা ও পায়েস আমি প্রতিবেশীদের সাথে ভাগ করে খাব।
আমি বসন্তের রঙের সাথে মিলিয়ে হলুদ বা রঙিন পাঞ্জাবি/ফতুয়া পরব।
আমি তাকে 'শুভ নববর্ষ' বলে সম্ভাষণ জানাবো।
আমি গাছের ফুল ছিড়ব না এবং ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করব।
পহেলা বৈশাখ হলো বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন। এই দিনটি আমাদের প্রধান এবং বৃহত্তম সাংস্কৃতিক উৎসব। এটি বৈশাখ মাসের প্রথম দিনে খুব আনন্দ ও উৎসাহের সাথে সারাদেশে উদযাপন করা হয়। এই দিন বাঙালিরা নতুন বছরকে স্বাগত জানায় এবং অতীতের সব দুঃখ-কষ্ট ভুলে নতুন করে জীবন শুরু করার প্রতিজ্ঞা করে।
বাংলা নববর্ষকে উদযাপন করার জন্য বৈশাখ মাসে যে মেলার আয়োজন করা হয়, তাকে বৈশাখী মেলা বলে। এটি আমাদের দেশের সবচেয়ে বড়ো এবং আনন্দদায়ক লোকজ মেলা। এই মেলায় মাটির খেলনা, হস্তশিল্প ও হরেক রকম মুখরোচক খাবারের পাশাপাশি নাগরদোলা ও পুতুলনাচ ইত্যাদি দেখা যায়।
বাংলা নববর্ষের প্রথমদিনে পুরানো বছরের হিসাব চুকিয়ে ব্যবসায়ীরা নতুন খাতায় হিসাব শুরু করার যে উৎসব পালন করেন, তাকেই হালখাতা বলে। এদিনে দোকানদাররা তাদের গ্রাহকদের মিষ্টিমুখ করান এবং সবাই মিলে আনন্দ করেন। এটি মূলত ব্যবসায়ীদের একটি ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠান।
অগ্রহায়ণ মাসে আমন ধান কাটার পর নতুন চালের ভাত খেয়ে যে উৎসব পালন করা হয়, তাকেই নবান্ন উৎসব বলা হয়। এই উৎসবে ঘরে ঘরে নতুন চালের পিঠা-পায়েস তৈরির ধুম পড়ে যায় এবং চারদিকে আনন্দের বন্যা বয়ে যায়। এটি গ্রামবাংলার কৃষকদের একটি অতি প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী আনন্দ আয়োজন।
নবান্ন উৎসবকে একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসব বলা হয়। কারণ এই উৎসব কৃষকদের নতুন ফসল পাওয়ার আনন্দ প্রকাশ করে এবং তাদের কঠোর পরিশ্রমের ফল উদযাপনের সুযোগ করে দেয়। নবান্ন উৎসবের মাধ্যমে গ্রামের মানুষ, বিশেষ করে কৃষকেরা একত্র হয় ও আনন্দ ভাগাভাগি করে। এটি আমাদের লোক-সংস্কৃতি ও গ্রামীণ ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখতে সাহায্য করে।
বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী পৌষ মাসে শীতের আমেজে যে মেলার আয়োজন করা হয়, তাকেই পৌষ মেলা বলা হয়। এই মেলায় গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী পিঠা-পুলি, হস্তশিল্প এবং লোকসংগীতের এক অপূর্ব সমাহার ঘটে। মূলত ফসল কাটার আনন্দ আর শীতের সকালকে উদ্যাপন করতেই এই আনন্দদায়ক মেলার আয়োজন করা হয়।
ফাল্গুন মাসের প্রথমদিনে ঋতুরাজ বসন্তকে বরণ করে নেওয়ার জন্য যে আনন্দময় উৎসব পালন করা হয়, তাকেই বসন্ত উৎসব বলে। এদিনে মানুষ বাসন্তী রঙের বা হলুদ রঙের পোশাক পরে, গান গেয়ে এবং নেচে-গেয়ে ঋতুরাজ বসন্তকে স্বাগত জানায়। এটি মূলত প্রকৃতিকে ভালোবাসার এবং নতুন প্রাণের সজীবতায় মেতে ওঠার একটি দারুণ উৎসব।
শীতের শেষে বসন্ত এলে প্রকৃতি নতুন করে সাজে এবং গাছে গাছে নতুন পাতা ও রঙবেঙের ফুল ফোটে। এ সময়ে কোকিলের মিষ্টি গান আর দখিনা বাতাসে মন আনন্দে ভরে ওঠে। রূপ ও গুণের এই অপূর্ব সৌন্দর্যের কারণেই বসন্ত ঋতুকে সব ঋতুর রাজা বা ঋতুরাজ বলা হয়।
Related Question
View Allহালখাতার দিন মিষ্টি দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়।
পুরান ঢাকার ঘুড়ি ওড়ানো প্রতিযোগিতা সাকরাইন নামে। পরিচিত।
বৈশাখ মাসের প্রথম দিন উদ্যাপিত হয় বাংলা নববর্ষ।
পহেলা বৈশাখে ঢাকার রমনা বটমূলসহ সারাদেশে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
পহেলা বৈশাখে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে আয়োজিত হয় বৈশাখী মেলা
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!