বাংলাদেশের প্রধান তিনটি নদ-নদী হলো- পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা।
বাংলাদেশের সোপান ভূমিতে সাধারণত শাল, বন কড়ই, বহেড়াসহ বিচিত্র উদ্ভিদ জন্মে।
সমতল ভূমি পলি মাটি দ্বারা গঠিত। এটি খুবই উর্বর। দেশের ৮০ ভাগ ভূমিই প্লাবন ভূমি। এতে প্রচুর কৃষিপণ্য উৎপন্ন হয়। এজন্য সমতল ভূমি বাংলাদেশের কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মূলকেন্দ্র।
তিনটি শিল্পজাত পণ্য হলো- ১. পোশাক ও বস্ত্র, ২. পাটজাত পণ্য এবং ৩. চামড়াজাত পণ্য।
বাংলাদেশের মোট আয়তনের প্রায় ১২ ভাগ পাহাড়ি ভূমি ।
'বরেন্দ্রভূমি' বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগে অবস্থিত ।
বাংলাদেশের প্রধান কৃষিজাত পণ্য ধান।
পাটকে ফসলকে 'সোনালি আঁশ' বলা হয় ।
বাংলাদেশের প্রধান ও দীর্ঘতম নদীগুলোর নাম পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, ব্রহ্মপুত্র।
বাংলাদেশের প্রায় ৮০ ভাগ এলাকা প্লাবন সমভূমি ।
মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত ।
বাংলাদেশের প্রধান শিল্প তৈরি পোশাক শিল্প ।
নদীপথ কারণ এটি পণ্য পরিবহণের জন্য সবচেয়ে সস্তা মাধ্যম ।
কারণ এদেশের সব অঞ্চলে জালের মতো অসংখ্য ছোটো-বড়ো নদী ছড়িয়ে আছে।
সমতল ভূমির চেয়ে উঁচু কিন্তু পাহাড়ের চেয়ে নিচু এলাকাকে সোপান ভূমি বলে।
কারণ এগুলো বিদেশে রপ্তানি করে বাংলাদেশ প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আয় করে।
কল-কারখানায় কাঁচামাল ব্যবহার করে যেসব পণ্য (যেমন- পোশাক, ওষুধ) তৈরি করা হয়।
লালমাই পাহাড়ের মাটির বৈশিষ্ট্য হলো এখানকার মাটি লালচে এবং ধূসর রঙের হয়।
ভূমির ঢাল উত্তর থেকে দক্ষিণ দিকে হওয়ায় পানি দক্ষিণ দিকে (বঙ্গোপসাগরে) প্রবাহিত হয়।
এটি বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান উৎস এবং এখানে বিপুল সংখ্যক নারী ও পুরুষ কাজ করে।
পাহাড় অনেক উঁচু হয়, আর সোপান ভূমি সমতলের চেয়ে সামান্য উঁচু হয়।
সড়কপথের চেয়ে নদীপথে পণ্য পরিবহণ খরচ অনেক কম।
রপ্তানি হলো বিদেশে পণ্য বিক্রি করে আয় করা, আর আমদানি হলো বিদেশ থেকে পণ্য কেনা।
হ্যাঁ, দুটিই সোপান ভূমি বা চত্বর ভূমির অন্তর্গত।
ধান আমাদের প্রধান খাদ্যশস্য, আর পাট হলো শিল্পের কাঁচামাল বা রপ্তানি পণ্য।
উভয়ই মাছ এবং উভয়ই বিদেশে রপ্তানি করে আমরা বৈদেশিক মুদ্রা আয় করি।
বাংলাদেশের ১টি পাহাড়ি জেলার নাম বান্দরবান (বা রাঙামাটি)।
৩টি প্রধান অর্থকরী ফসলের নাম পাট, চা ও তামাক।
বাংলাদেশের ২ ধরনের বনের নাম উদাহরণ পাহাড়ি বন ও শালবন।
৩টি শিল্পজাত পণ্যের নাম পোশাক, ওষুধ ও সিমেন্ট।
নদী থেকে পাওয়া যায় এমন ১টি সম্পদের নাম মাছ (বা বালু)।
কৃষিভিত্তিক শিল্পের একটি উদাহরণ পাটকল বা চিনি শিল্প।
১টি মসলা জাতীয় ফসলের নাম মরিচ (বা পেঁয়াজ, রসুন)।
রপ্তানিমুখী ১টি শিল্পের নাম তৈরি পোশাক শিল্প।
আমি নদীতে চিপসের প্যাকেট বা প্লাস্টিকের বোতল ফেলব না।
আমি পলিথিনের বদলে পাটের ব্যাগ বা পাটের তৈরি জিনিস ব্যবহার করব।
আমি বুঝব এটি সোপান ভূমি' বা বরেন্দ্র অঞ্চলের অংশ।
আমি কম খরচে এবং আরামদায়কভাবে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারব।
বাংলাদেশের ভূমিরূপকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো- পাহাড়ি ভূমি, সমতল ভূমি এবং সোপান ভূমি।
পাহাড়ি ভূমি সাধারণত দেশের উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব এলাকায় অবস্থিত। মূলত চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও সিলেট জেলায় এই পাহাড়গুলো দেখা যায়।
গারো পাহাড় বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব দিকের সীমান্ত এলাকায় দেখা যায়। ময়মনসিংহ, শেরপুর ও নেত্রকোনা জেলার সীমান্ত অংশে এই পাহাড়গুলো বিস্তৃত। গারো জনগোষ্ঠীর বসবাসের কারণেও এসব পাহাড়ের নাম গারো পাহাড়। এখানে ছোটো-বড়ো টিলা ও ঘন বন রয়েছে।
সমতল ভূমি থেকে কিছুটা উঁচু এবং পাহাড় থেকে নিচু ভূমিকে সোপান ভূমি বলে। রাজশাহী অঞ্চলের বরেন্দ্রভূমি এবং কুমিল্লা অঞ্চলের লালমাই পাহাড় সোপান ভূমির উদাহরণ।
কয়েকটি সোপান ভূমি এলাকা হলো রাজশাহী অঞ্চলের বরেন্দ্রভূমি, ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল অঞ্চলের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লার লালমাই পাহাড়। এসব জায়গায় উঁচু-নিচু পাহাড়, টিলা এবং ঘন বন পাওয়া যায়।
বাংলাদেশের অধিকাংশ এলাকা সমতল ভূমি এবং এর মাটি অত্যন্ত উর্বর। উর্বর পলিমাটির কারণে এই সমতল ভূমিতে প্রচুর পরিমাণে কৃষিজাত ফসল ফলে।
সমতল ভূমি মূলত নদীর বয়ে আনা পলি মাটি দিয়ে গঠিত হয়। নদী থেকে আসা কাদা, বালি ও নরম মাটি দীর্ঘদিন ধরে জমেই সমতল ভূমির সৃষ্টি করে। আমাদের দেশের বেশির ভাগ স্থানই এমন পলি মাট্রি কারণে সমতল। এই সমতল ভূমিতে কৃষিকাজও খুব ভালো হয়।
বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক ও পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম বদ্বীপ। এখানে জালের মতো অসংখ্য ছোটো-বড়ো নদ-নদী উত্তর থেকে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে মিশেছে।
নদ-নদী আমাদের কৃষিকাজে সেচের পানির প্রধান উৎস হিসেবে কাজ করে। এছাড়া পলিমাটি বহন করে এনে জমিকে উর্বর করে এবং মাছের চাহিদা পূরণ করে।
নদীতে ময়লা-আবর্জনা, পলিথিন বা প্লাস্টিক ফেলা একদম বন্ধ করতে হবে। কলকারখানার বর্জ্য যাতে সরাসরি নদীতে না পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
জমি চাষ করে যেসব পণ্য পাওয়া যায় সেগুলোকে কৃষিজাত পণ্য বলে। যেমন- ধান ও পাট। অন্যদিকে কলকারখানায় তৈরি করা পণ্যকে শিল্পজাত পণ্য বলে। যেমন-পোশাক ও কাগজ।
পাট বাংলাদেশের একটি প্রধান অর্থকরী ফসল যা দেখতে সোনালি রঙের। পাট ও পাটজাত দ্রব্য বিদেশে রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয় বলে একে সোনালি আঁশ বলে।
বাংলাদেশ মাছ উৎপাদনে বিশ্বে চতুর্থ স্থানে রয়েছে। য়াছ আমাদের প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণ করে এবং এটি বিদেশে রপ্তানি করে আমরা বৈদেশিক মুদ্রা আয় করি।
দেশি পণ্য ব্যবহার করলে দেশের শিল্পের প্রসার ঘটে এবং অনেক মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হয়। এতে দেশের টাকা দেশে থাকে এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন দ্রুত ঘটে।
Related Question
View Allবাংলাদেশের ভূমিরূপ মূলত তিন ভাগে বিভক্ত।
বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক দেশ।
বাংলাদেশ পৃথিবীর একটি বৃহত্তম বদ্বীপ
সকল নদ-নদী উত্তর থেকে দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের দিকে প্রবাহিত হয়েছে।
বাংলাদেশের প্রায় ১২ ভাগ পাহাড়ি ভূমি।
পাহাড়ের গহিনে লুকিয়ে আছে অসংখ্য ঝরনা ও জলপ্রপাত
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!