শ্রদ্ধা ছাড়া জ্ঞান অর্জন করা যায় না।
সহনশীলতার অর্থ হচ্ছে অপরের ধর্ম, মত, চিন্তা ও আচরণের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন।
হিন্দুদের তিনটি প্রধান ধর্মীয় অনুষ্ঠান হলো-
১. দুর্গাপূজা,
২. জন্মাষ্টমী ও
৩. সরস্বতীপূজা।
সকল ধর্মের লোক একসাথে মিলেমিশে থাকাকেই সম্প্রীতি বলে।
সহনশীলতার অভাবে সমাজে বিচ্ছিন্নতা ও সংকীর্ণতা, অস্থিরতা ও অশান্তি বিরাজ করে।
অপরকে মানিয়ে চলা বা সহ্য করার ক্ষমতাকে সমাজে সহনশীলতা বলে। এ নৈতিক গুণটির অভাবে সমাজে ঐক্য ও শৃঙ্খলা বিনষ্ট হয় এবং শান্তি থাকে না। যে কারণে সহনশীলতার প্রয়োজন তা হলো-
১. সহনশীলতা সমাজে ঐক্য প্রতিষ্ঠা করে।
২. বিশৃঙ্খলা ও সংঘাত দূর করে।
৩. শান্তি প্রতিষ্ঠা করে।
কাউকে শ্রদ্ধা করার মধ্য দিয়ে নৈতিক গুণ ও ধর্মের অঙ্গ ফুটে ওঠে। মানুষের জীবনে শ্রদ্ধার গুরুত্ব অপরিসীম। কেননা-
১. শ্রদ্ধা না থাকলে জ্ঞান অর্জন করা যায় না।
২. একে অন্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ না থাকলে সমাজে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয় এবং সমাজের ঐক্য বিনষ্ট হয়।
৩. একে অন্যের প্রতি শ্রদ্ধ্যবোধ না থাকলে সমাজে সংঘাত দেখা দেয়।
৪. সমাজে অশান্তির সৃষ্টি হয়।
পৃথিবীতে বিভিন্ন ধর্মের লোক বাস করে। যার মধ্যে চারটি ধর্ম প্রধান। আর বিভিন্ন সম্প্রদায়ের বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয় রয়েছে।
যেমন-
১. হিন্দুধর্ম – মন্দির ।
২. ইসলামধর্ম – মসজিদ।
৩. বৌদ্ধধর্ম – প্যাগোডা বা মঠ।
৪. খ্রিষ্টধর্ম – গির্জা।
আমার ভিতর শ্রদ্ধা নামক গুণটি না থাকলে আমি জ্ঞান অর্জন করতে পারব না।
সহনশীলতা মানে হচ্ছে অপরের ধর্ম, মত, চিন্তা ও আচরণের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন।
সম্প্রীতি বলতে বুঝি সকল ধর্মের লোক একসাথে মিলেমিশে থাকা।
সহনশীলতার অভাবে সমাজে বিচ্ছিন্নতা ও সংকীর্ণতা, অস্থিরতা ও অশান্তি বিরাজ করে।
সকলের মধ্যে সম্প্রীতি ও শান্তি বিরাজ করবে।
শ্রদ্ধা।
সহিষ্ণুতা।
চারটি।
হিন্দুরা।
মন্দির।
ঈশ্বরকে।
গির্জায়।
Related Question
View Allশ্রদ্ধা কথাটির অর্থ সম্মান জানানো।
শ্রদ্ধা করা একটি নৈতিক গুণ ।
সহনশীলতা ধর্মের অঙ্গ।
বিভিন্ন ধর্মের মানুষদের পরস্পরের প্রতি সহনশীল হওয়া আবশ্যক।
সমাজে ঐক্যের জন্য দরকার সহনশীলতা।
শ্রদ্ধা শব্দটির একটি অর্থ সম্মান জানানো, ভক্তি করা বা ভালোবাসা।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!