যে শক্তি খাবার, জ্বালানি তেল, কাঠ, গ্যাস, কয়লা, ব্যাটারি ইত্যাদিতে জমা থাকে তাই রাসায়নিক শক্তি।
বিদ্যুৎশক্তির বিভিন্ন উৎস রয়েছে। যেমন-
১। সৌরকোষ (সোলার প্যানেল)
২। নদীর স্রোত
৩৭ জেনারেটর
৪। বায়ুকল
আমাদের চারপাশে বিভিন্ন ধরনের শক্তি রয়েছে। যেমন- শব্দশক্তি, আলোকশক্তি, তাপশক্তি, রাসায়নিক শক্তি, গতিশক্তি, বিদ্যুৎশক্তি, যান্ত্রিকশক্তি ইত্যাদি।
আকাশে বিদ্যুৎ চমকালে আমরা আলো দেখতে পাই।
বজ্রপাতে শব্দশক্তি, আলোকশক্তি ও বিদ্যুৎশক্তি শক্তি রয়েছে ।
আমরা গাছের পাতা নড়তে দেখলাম এখানে গতিশক্তি উপস্থিতি টের পেলাম ।
রাতে বাসায় বিদ্যুৎ চলে গেলে তুমি মোবাইলের টর্চ লাইট জ্বালালে। এখানে টর্চ লাইটে আলোকশক্তি পেলে ।
মোবাইলের ব্যাটারিতে রাসায়নিক শক্তি থাকে ।
স্কুলের ঘণ্টা বাজালে শব্দশক্তি সৃষ্টি হয় ।
তুমি ক্ষুধা পেলে খাবার খাও। খাবারে রাসায়নিক শক্তি জমা থাকে ।
পাহাড়ের উপরে একটি পাথর রাখা হলো। পাথরে স্থিতিশক্তি জমা হবে ।
বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য নদীতে বাঁধ দিয়ে পানি আটকিয়ে রাখা হলে স্থিতিশক্তি জমা হবে ।
সৌরশক্তির প্রধান উৎস সৌরশক্তির প্রধান উৎস সূর্য।
শক্তির অপচয় কমাতে দিনের বেলা ঘরের জানালার পর্দা সরিয়ে রাখবো।
প্রবল বাতাসের সময় বাতাসে অনেক গতিশক্তি থাকে। এই গতিশক্তির কারণে গাছের ডালপালা নুইয়ে পড়ে।
ফ্রিজে থাকা অবস্থায় পানির তাপমাত্রা অনেক কম থাকায় তা বরফের আকার ধারণ করে। ফ্রিজ থেকে বরফ বের করে রাখলে এর তাপমাত্রা বাড়তে থাকে এবং ধীরে ধীরে গলে পানিতে পরিণত হয়।
পাহাড়ের উপর গাড়িতে স্থিতিশক্তি জমা থাকে। এই স্থিতিশক্তি দ্বারা গাড়ি ঢালু পথে চলতে পারে।
মোবাইল চলে ব্যাটারির সঞ্চিত রাসায়নিক শক্তির সাহায্যে। চার্জ শেষ হলে রাসায়নিক শক্তি শেষ হয়ে যায়। এ কারণে মোবাইল বন্ধ হয়ে যায়।
ক. বিদ্যুৎশক্তি থেকে আলোকশক্তি,
খ. বিদ্যুৎশক্তি থেকে শব্দশক্তি।
আহনাফ স্কুল মাঠে দৌড়াচ্ছে। সে গতিশক্তি তৈরি করছে ।
পাহাড়ের উপরে একটি পাথর নিয়ে রাখা হলো। পাথরে স্থিতিশক্তি জমা হবে ।
বিদ্যুৎশক্তি উৎপাদনের জন্য নদীর পানি বাঁধ দিয়ে আটকিয়ে রাখা হয়। এখানে পানিতে স্থিতিশক্তি তৈরি হয় ।
অন্ধকার রাতে রেদোয়ান টর্চলাইট জ্বালিয়ে বাজার থেকে বাড়িতে আসল। এখানে কোন শক্তি থেকে বিদ্যুৎশক্তি থেকে আলোকশক্তি উৎপন্ন হলো ।
শক্তি হলো কাজ করার ক্ষমতা। বিভিন্ন ধরনের কাজ করতে আমরা শক্তি ব্যবহার করে থাকি। যেমন- আলোকশক্তি আমাদের দেখতে সাহায্য করে, শব্দশক্তি আমাদেরকে শুনতে সাহায্য করে। তাপশক্তি রান্নার কাজে ব্যবহৃত হয় ইত্যাদি।
শক্তির তিনটি ভিন্ন ব্যবহার হলো-
১। আলোকশক্তি আমাদের দেখতে সাহায্য করে।
২। শব্দশক্তি আমাদের শুনতে সাহায্য করে।
৩। তাপশক্তি রান্নার কাজে ব্যবহৃত হয়।
শক্তির বিভিন্ন ধরন বা রূপ আছে। যেমন- তাপশক্তি, আলোকশক্তি, গতিশক্তি, স্থিতিশক্তি ইত্যাদি।
গাড়ির ব্যাটারি রাসায়নিক শক্তি থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে এবং গাড়ি জ্বালানি তেল ব্যবহার করে এই জ্বালানি তেলে রাসায়নিক শক্তি জমা থাকে। তেল পুড়লে রাসায়নিক শক্তি গাড়ির ইঞ্জিন ব্যবহার করে। তাই গাড়ির ব্যাটারি এবং তেলে রাসায়নিক শক্তি জমা থাকে।
গাড়িতে বিদ্যুৎশক্তির তিনটি ব্যবহার হলো-
১। গাড়ির হেডলাইট জ্বালাতে বিদ্যুৎশক্তি ব্যবহৃত হয়।
২। গাড়ির হর্ন বাজাতে বিদ্যুৎশক্তি ব্যবহৃত হয়।
৩। গাড়ির ব্যাটারি থেকে বিদ্যুৎশক্তি পাওয়া যায়।
তাপশক্তি হলো এমন এক ধরনের শক্তি, যা থেকে আমরা গরম অনুভব করি। একটি বস্তু। যত বেশি গরম হয়, তাতে তাপশক্তি তত বেশি থাকে। যেমন- এক কাপ গরম পানিতে এক কাপ ঠান্ডা পানির চেয়ে বেশি তাপশক্তি রয়েছে।
তাপশক্তির তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১। একটি বস্তু যত বেশি গরম হয়, তাতে তাপশক্তি তত বেশি থাকে।
২। তাপশক্তি রান্নার কাজে ব্যবহৃত হয়।
৩। তাপশক্তি এক বস্তু থেকে অন্য বস্তুতে স্থানান্তরিত হতে পারে।
গাড়িতে শক্তির তিনটি ব্যবহার হলো-
১। গাড়ির জ্বালানি তেলে রাসায়নিক শক্তি থাকে।
২। গাড়ির হর্ন শব্দশক্তি তৈরি করে।
৩। গাড়ি চাকার সাথে গতিশক্তি জড়িত।
শব্দশক্তি হলো এমন এক ধরনের শক্তি যা আমরা শুনতে পাই। কোনো বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দশক্তি তৈরি হয়, যেমন- স্কুলের ঘণ্টা বাজালে এটি কেঁপে ওঠে এবং আমরা শব্দশক্তি শুনতে পাই।
রাসায়নিক শক্তি সম্পর্কে আমার ধারণা হলো-
১। আমরা খাবার খেলে যে শক্তি-পাই তা রাসায়নিক শক্তি।
২। কাঠ, কয়লা ও গ্যাসে রাসায়নিক শক্তি জমা থাকে।
৩। ব্যাটারিতে রাসায়নিক শক্তি জমা থাকে।
গতিশীল বস্তু গতির ফলে যে শক্তি পায় তাই গতিশক্তি। যেমন- দৌড়ালে, লাফ দিলে, সাইকেল চালালে বা উড়োজাহাজ উড়ার সময় গতিশক্তি তৈরি হয়। এক্ষেত্রে কোনো বস্তুর গতি যত দ্রুত, তার গতিশক্তিও তত বেশি।
গতিশক্তির তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১। গতিশীল বস্তু গতির ফলে শক্তি পায়।
২। দৌড়ালে বা লাফ দিলে গতিশক্তি তৈরি হয়।
৩। কোনো বস্তুর গতি যত দ্রুত, তার গতিশক্তিও তত বেশি।
কোনো বস্তুর অবস্থানের কারণে ঐ বস্তুতে যে শক্তি জমা' হয় তাকে স্থিতিশক্তি বলে। যেমন: সংকুচিত স্প্রিং এর সাথে একটি কাঠের টুকরো থাকলে সেখানে স্থিতিশক্তি জমা থাকে। পরবর্তীতে স্প্রিং ছেড়ে দিলে কাঠের টুকরাটি গতিপ্রাপ্ত হয়।
বিদ্যুৎশক্তির তিনটি উৎস হলো-
১। সৌরকোষ, ২। জেনারেটর ও
৩। খরস্রোতা পানির প্রবাহ।
বাঁধ দিয়ে আটকে রাখা পানিতে স্থিতিশক্তি জমা থাকে। বাঁধের জলাধারে সঞ্চিত পানি ছেড়ে দেওয়া হলে তা বয়ে যেতে থাকে। বয়ে যাওয়া পানি একটি জেনারেটরের সাথে সংযুক্ত টারবাইনটিকে ঘুরিয়ে বিদ্যুৎ তৈরি করে। এক্ষেত্রে শক্তির উৎস হলো পানিতে থাকা স্থিতিশক্তি।
শক্তির দায়িত্বশীল ব্যবহারের তিনটি উপায় হলো-
১. শক্তির দায়িত্বশীল ব্যবহার করতে সূর্য উঠার সাথে সাথে ঘুম থেকে উঠতে হবে যাতে সূর্যের আলোকে কাজে লাগানো যায়।
২. শক্তি-খরচ কম হয় এমন বাল্ব ব্যবহার করলে বৈদ্যুতিক শক্তির যথাযথ ব্যবহার করা।
৩. তাপশক্তির সঠিক ব্যবহার করতে খোলা মগের পরিবর্তে একটি ভালো মানের ফ্লাক্সে গরম পানি রাখা উচিত।
মানুষকে বুঝাতে হবে যে, সহনীয় মাত্রার চেয়ে জোরালো শব্দ শব্দদূষণ তৈরি করে যা কানে শোনার ক্ষমতা কমায় এবং মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে। গাড়ি চালানোর সময়, বিশেষ করে হাসপাতাল, স্কুল এবং আবাসিক এলাকায় অপ্রয়োজনে হর্ন বাজানো উচিত নয়। উচ্চস্বরে গান বাজানোও উচিত নয়।
আমাদের দেখতে সাহায্য করে আলোকশক্তি।
শব্দশক্তি আমাদের শুনতে কাজে লাগে ।
ব্যাটারি এবং তেলে রাসায়নিক শক্তি জমা থাকে ।
হর্ন শব্দশক্তি তৈরি করে ।
গাড়ির চাকার সাথে গতিশক্তি জড়িত ।
তাপশক্তি এক বস্তু থেকে অন্য বস্তুতে স্থানান্তরিত হতে পারে ।
পৃথিবীতে আলো আসে সূর্য থেকে ।
শব্দ তৈরি হয় বস্তুর কম্পনে।
খাদ্যে রাসায়নিক শক্তি জমা থাকে ।
কাঠে রাসায়নিক শক্তি জমা থাকে ।
গতিশীল বস্তু শক্তি পায় গতির জন্য।
গতিশক্তি বেশি হয় গতি বেশি হলে।
বস্তুর অবস্থানের জন্য জমা হয় স্থিতিশক্তি।
বায়ুকল দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয় ।
শক্তি সাশ্রয় করা শক্তির দায়িত্বশীল ব্যবহারের পরিচয় ।
কম্পিউটার ব্যবহার শেষ হলে বন্ধ করবো।
শক্তির অপচয় কমিয়ে আনতে অভ্যাস ও আচরণ পরিবর্তন করতে হবে ।
প্রয়োজন শেষে ফ্রিজের দরজা বন্ধ করতে হবে ।
রান্নার সময় পাত্র ঢেকে রাখা হয় দ্রুত রান্নার জন্য।
একটি নবায়নযোগ্য শক্তির নাম সৌরবিদ্যুৎ/জলবিদ্যুৎ/বায়ুবিদ্যুৎ ।
শক্তির রূপগুলো হলো- শব্দশক্তি, আলোকশক্তি, তাপশক্তি, রাসায়নিক শক্তি, গতিশক্তি, স্থিতিশক্তি এবং বিদ্যুৎশক্তি'।
আলোকশক্তি দেখার অনুভূতি ও শব্দশক্তি শোনার অনুভূতি সৃষ্টি করে।
যে শক্তি গরমের অনুভূতি সৃষ্টি করে তাকে তাপশক্তি বলে।
বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দ তৈরি হয়।
গতিশীল বস্তু গতির জন্য যে শক্তি পায় তাই গতিশক্তি।
কোনো বস্তুর অবস্থানের কারণে ঐ বস্তুতে যে শক্তি জমা হয় তাই স্থিতিশক্তি।
মোবাইল চার্জের ক্ষেত্রে শক্তির উৎস বিদ্যুৎশক্তি।
পাথরে জমা থাকা স্থিতিশক্তি।
সৌরকোষের সাহায্যে উৎপন্ন বিদ্যুতের উৎস আলোকশক্তি।
শক্তির সাশ্রয় করা, শক্তির অপচয় কমানো, নবায়নযোগ্য শক্তিগুলো বেশি ব্যবহার করাই হলো শক্তির দায়িত্বশীল ব্যবহার।
Related Question
View Allশব্দ শক্তি আমাদের শুনতে সাহায্য করে।
উঁচু স্থান থেকে লাফ দিলে গতি শক্তি তৈরি হয়।
গরম পানির ফ্লাস্ক ব্যবহারে তাপ শক্তির অপচয় কমে।
শক্তির বিভিন্ন রূপ আছে।
বজ্রপাত হলে আমরা আলো দেখতে পাই।
বৃষ্টিপাত হলে আশপাশের পরিবেশ শীতল হয়ে যায়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
