সার্ক গঠনের তিনটি উদ্দেশ্য হলো-
১. দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর জীবনমান উন্নয়ন করা।
২. সদস্য দেশগুলোর অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটানো।
৩. সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখা।
মুসলিম দেশগুলোর স্বার্থরক্ষায় ওআইসির তিনটি কাজ হলো-
১. মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে সামাজিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিকসহ গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রসমূহে সহযোগিতা করা।
২. ফিলিস্তিনি জনগণের ন্যায্য সংগ্রামকে সমর্থন করা।
৩. পবিত্র স্থানসমূহের নিরাপত্তা বিধানে সহযোগিতা করা।
ওআইসি-এর পূর্ণরূপ হলো- ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা (Organization of Islamic Cooperation)। এটি ১৯৬৯ সালের ২৫শে সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়। এই সংস্থার সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত।
সার্কের তিনটি প্রধান উদ্দেশ্য হলো- ১. দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করা। ২. সদস্য দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নে সহযোগিতা করা। ৩. সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা করা।
বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে ওআইসির সদস্য পদ লাভ করে। ১৯৮৫ সালে দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি দেশ নিয়ে সার্ক গঠিত হয়। সার্ক গঠনের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন। বাংলাদেশ দুটি সংস্থারই সক্রিয় সদস্য হিসেবে ভূমিকা পালন করে।
জাতিসংঘ ১৯৪৫ সালের ২৪শে অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে জাতিসংঘের সদস্য সংখ্যা হলো ১৯৩টি রাষ্ট্র। বাংলাদেশ এই সংস্থার ১৩৬তম সদস্য হিসেবে ১৯৭৪ সালের ১৭ই সেপ্টেম্বর তারিখে যোগ দেয়।
সার্কের সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতার তিনটি ক্ষেত্র হলো- ১. শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ে সহযোগিতা। ২. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ে সহযোগিতা। ৩. তথ্য-প্রযুক্তি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো সমসাময়িক বিষয়ে একসাথে কাজ করা।
কোনো রাষ্ট্রই একা সব সমস্যার সমাধান করতে পারে না। এই সংস্থাগুলো সদস্য দেশগুলোকে বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতা করে। এসব আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থা বিশ্বশান্তি ও পারস্পরিক সহযোগিতার পরিবেশ সৃষ্টি করতে সাহায্য করে। তাই আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো প্রয়োজন।
দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (South Asian Association for Regional Cooperation) ।
১৯৮৫ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে সার্ক গঠিত হয়।
সার্কের সদর দপ্তর নেপালের কাঠমান্ডুতে এবং ওআইসি-এর সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত।
১৯৪৫ সালের ২৪ শে অক্টোবর জাতিসংঘ গঠিত হয়।
১৯৭৪ সালের ১৭ ই সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে সদস্যপদ লাভ করে।
বর্তমানে সার্কের সদস্য সংখ্যা ৮টি এবং জাতিসংঘের ১৯৩টি।
১৯৬৯ সালের ২৫ শে সেপ্টেম্বর ওআইসি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা ৫৭টি।
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ঘটিয়ে দেশগুলোকে আত্মনির্ভরশীল করে তোলা।
বিশ্বের মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে সামাজিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ও বৈজ্ঞানিক ক্ষেত্রে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য ওআইসি গঠিত হয়েছিল।
এর অর্থ হলো সদস্য দেশগুলো একে অপরের স্বাধীনতাকে সম্মান করবে এবং কারো অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবে না।
বিশ্বের বিভিন্ন অমুসলিম দেশে বসবাসরত সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় ওআইসি আন্তর্জাতিকভাবে ভূমিকা রাখে।
আঞ্চলিক সংস্থা (যেমন: সার্ক) একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের দেশ নিয়ে গঠিত হয়, আর আন্তর্জাতিক সংস্থা (যেমন: জাতিসংঘ) সারা বিশ্বের দেশ নিয়ে গঠিত হয়।
সার্কের সদস্য হতে হলে দক্ষিণ এশিয়ার দেশ হতে হয়, আর ওআইসি-এর সদস্য হতে হলে সাধারণত মুসলিম প্রধান রাষ্ট্র হতে হয়।
উভয় সংস্থাই সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষে কাজ করে।
ওআইসি বিশেষভাবে ফিলিস্তিনি জনগণের সংগ্রামকে সমর্থন করে, আর জাতিসংঘ সামগ্রিক বিশ্বশান্তি নিয়ে কাজ করে।
বাংলাদেশ সার্কের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা দেশ (১৯৮৫), কিন্তু আফগানিস্তান পরবর্তীকালে সদস্যভুক্ত হয়।
উভয় কাজই মানুষের মর্যাদা ও সাম্য প্রতিষ্ঠার সাথে সম্পর্কিত।
বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ ও আফগানিস্তান।
কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতি, শিক্ষা ও সংস্কৃতি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি।
সৌরশক্তির মতো নবায়নযোগ্য শক্তি।
বাংলাদেশ এবং পাকিস্তান।
নিজের কাজ দ্বারা সমাজ ও রাষ্ট্রের উন্নয়ন করা এবং অন্যের অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা।
আমি কয়লা বা পেট্রোলের বদলে সৌরশক্তি ও বায়ুবিদ্যুতের মতো নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের প্রস্তাব করব।
আমি সবাইকে বোঝাব যে আমাদের প্রতিটি ভালো কাজ যেমন রাষ্ট্রকে উপকৃত করে, তেমনি বৈশ্বিক সমস্যা সমাধানেও তা ভূমিকা রাখে।
বাংলাদেশ ওআইসি-র মাধ্যমে ফিলিস্তিনি শিশুদের জন্য শিক্ষা উপকরণ পাঠাতে পারে অথবা শিক্ষক প্রশিক্ষণে সহায়তা করতে পারে।
আমি সদস্য দেশগুলোর মধ্যে রন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার জন্য সংলাপের আয়োজন করব এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ তৈরি করব।
Related Question
View Allসার্ক একটি আঞ্চলিক সংস্থা।
সার্ক হলো দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা।
রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সার্ক গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করেন।
১৯৮৫ সালে দক্ষিণ এশিয়ার ৭টি দেশ নিয়ে সার্ক গঠিত হয়।
সার্কের সদর দপ্তর নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে অবস্থিত।
সর্বশেষ আফগানিস্তান সার্কের সদস্যভুক্ত হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!