আধুনিককালে আসন ও মুদ্রা সম্পর্কে প্রচার করেছেন এমন দুইজন হলেন
১. স্বামী কুবলয়ানন্দ ও
২. শ্রীযোগেন্দ্র।
বজ্রাসনে হাত দুইটি রাখতে হয় সোজা করে দুই হাঁটুর উপরে।
বজ্রাসন একেবারে ৩০ সেকেন্ড ও ৪ বার অভ্যাস করতে হয়।
পদহস্তাসন ৫/৬ বার অভ্যাস করার পর শবাসন করতে হয়।
এই আসন বিশেষ করে পদ ও হস্তের পেশি ও স্নায়ুতন্ত্রকে সুস্থ রাখে তাই এর নাম হয়েছে পদহস্তাসন।
আসনের উপকারিতাগুলো হলো-
১. আসন করলে শরীর সুস্থ থাকে ও কর্মদক্ষতা বাড়ে।
২. শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সবল হয়।
৩. মাংসপেশির পুষ্টি সাধন হয়।
৪. মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক হয়।
মানুষেরা বিভিন্ন আসন অনুশীলন করবে যে কারণে-
১. আসন অনুশীলনে শরীর সুস্থ থাকে।
২. আসন অনুশীলনের মাধ্যমে কাজ করার ক্ষমতা বাড়ে।
৩. আসন অনুশীলনের মাধ্যমে ধর্মচর্চা হয়।
৪. আসন অনুশীলনের মাধ্যমে ঈশ্বরের ধ্যান হয়।
Related Question
View Allআসনে শরীর সুস্থ থাকে এবং কর্মক্ষমতা বাড়ে।
শীর্ষাসন মস্তিষ্কের জন্য উপকারী।
বজ্রাসনে হাঁটু দুইটি ভেঙে বসতে হয়।
পা দুইটি জোড়া করে সোজা হয়ে দাঁড়াতে হবে।
পদহস্তাসনে ক্ষুধা বৃদ্ধি পায়।
আসন হলো যোগব্যায়ামের বিভিন্ন পদ্ধতি।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!