বাংলাদেশের ভূখন্ডের সাথে সংযুক্ত দেশ হলো দুটি। যথা- ১. ভারত ও ২. মিয়ানামার।
আফগানিস্তানের মানুষের ঐতিহ্যবাহী পোশাক ঢিলেঢালা ফিটিং কুর্তা ও পায়জামা। নারীরা বোরকা ও মাথায় হিজাব পরে। সবচেয়ে জনপ্রিয় ঐতিহ্যবাহী পোশাকের মধ্যে রয়েছে পশতুন পোশাক।
দক্ষিণ এশিয়ার যেকোনো তিনটি দেশ হচ্ছে- ১. বাংলাদেশ, ২. ভারত ও ৩. পাকিস্তান।
'মাছে ভাতে 'বাঙালি' কথাটি পরিচয় করিয়ে দেয় বাংলাদেশের প্রচলিত খাবার। তাছাড়া মসলাসমৃদ্ধ খাবার যেমন-পোলাও, কোরমা, বিরিয়ানি, মাংস, সবজি ও নানান রকমের পিঠা ও মিষ্টিজাতীয় খাবার বাংলাদেশের মানুষের খাবার।
মালদ্বীপের মানুষের পোশাকে আছে বৈচিত্র্য। লম্বা হাতয়ালা জামার (দেবী লিভা) সাথে লুঙ্গি (ফেঈলী) পুরুষ মহিলা উভয়ই ব্যবহার করেন। ঐতিহ্যগতভাবে মালদ্বীপের পুরুষরা' শার্টের সাথে পাগড়ি জাতীয় মুন্ডু পরেন। তাছাড়া দিগু হিদুন, হেদুন বুরী, বোরকা ইত্যাদি মেয়েদের জনপ্রিয় পোশাকের নাম।
'নেপালে নেপালি ভাষা প্রধান হলেও অনেক জাতিগোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষা রয়েছে। এখানকার মানুষের পছন্দের খাবার ডাল, ভাত, তরকারি এবং থাকালি থালি। পুরুষদের রাষ্ট্রীয় পোশাক দৌরা সুরুওয়াল এবং নারীদের শাড়ি। তাদের প্রধান উৎসবগুলোর মধ্যে বিজয়া দশমী, বুদ্ধজয়ন্তী, তিহার, দশাইন ও হোলি উল্লেখযোগ্য।
ডাল, ভাত, তরকারি নেপালিদের পছন্দের খাবার। থাকালি থালি নেপালের নামকরা খাবার। ঢেড়ো নামে পরিচিতি আরেকটি খাবার পাওয়া যায়। এটি নেপালের সাধারণ মানুষের খাবার। ভুট্টা, গমের আটা, লবণ ও গরম পানি একসঙ্গে সিদ্ধ করে এটি তৈরি করা হয়।
আফগানিস্তানের প্রধান খাদ্য হলো গম, ভুট্টা, বার্লি বা চাল দিয়ে তৈরি বিভিন্ন খাবার এবং কাবুলি পোলাও খুবই জনপ্রিয়। নারীদের ঐতিহ্যবাহী পোশাকের মধ্যে কুর্তা, পায়জামা ও পশতুন পোশাক উল্লেখযোগ্য। তাদের প্রধান উৎসবগুলোর মধ্যে নওরোজ এবং মুসলিমদের ঈদুল ফিতর উল্লেখযোগ্য।
দক্ষিণ এশিয়ার সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য খুব সমৃদ্ধ। এখানে ভিন্ন ভিন্ন ধর্ম, ভাষা পোশাক, খাবার ও উৎসবের সমন্বয় দেখা যায়। প্রতিটি দেশের নিজস্ব ঐতিহ্য থাকলেও একে অপরের মধ্যে মিলও রয়েছে। এই বৈচিত্র্যই দক্ষিণ এশিয়ার সংস্কৃতিকে রঙিন ও অনন্য করেছে।
দক্ষিণ এশিয়ায় মোট ৮টি দেশ রয়েছে।
ভুটানের রাষ্ট্রীয় ভাষা হলো জংখা।
মালদ্বীপের বেশিরভাগ মানুষ দিভেহি ভাষায় কথা বলে।
ভারতে সবচেয়ে বেশি মানুষ হিন্দিতে কথা বলেন।
পাকিস্তানের প্রধান ভাষা হলো উর্দু।
আফগানিস্তানে পশতু ও দারি প্রধান ভাষা।
সিংহলী শ্রীলঙ্কার প্রধান ভাষা।
এটি বাংলাদেশের মানুষের একটি 'প্রধান সাংস্কৃতিক পরিচয়, যা নির্দেশ করে যে ভাত ও মাছ বাঙালির ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
মালদ্বীপের পুরুষরা লম্বা হাতওয়ালা জামার (দেবী লিভা) সাথে লুঙ্গি (ফেয়লী) পরে এবং শার্টের সাথে পাগড়ি জাতীয় মুন্ডু পরে।
থাকালি থালি নেপালের একটি নামকরা খাবার এবং ঢেঁড়ো হলো ভুট্টা, গম বা আটার সাথে লবণ ও গরম পানি মিশিয়ে তৈরি সাধারণ মানুষের খাবার।
পুরুষরা 'ঘো' পরে এবং নারীরা 'কিরা' ও 'রাচু' ব্যবহার করে; পুরুষরা ঘো-এর সাথে এক ধরনের বিশেষ বেল্ট 'কাবনি' পরে।
কিরিবাথ হলো ভাত ও চিংড়ি দিয়ে তৈরি শ্রীলঙ্কার একটি অতি সাধারণ ও জনপ্রিয় খাবার।
কারণ এখানে নানা জাতি, উপজাতি, গোষ্ঠী, বর্ণ ও ধর্মের মানুষ তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি নিয়ে একে অপরের সাথে মিলেমিশে বাস করে।
মিল হলো উভয় দেশেই বিরিয়ানি জনপ্রিয়; অমিল হলো বাংলাদেশের প্রধান খাবার ভাত ও মাছ, কিন্তু পাকিস্তানে ভাত ও ব্লুটি উভয়ই খুব পছন্দ করা হয়।
উভয় দেশেই প্রধান ধর্মীয় উৎসব হিসেবে 'দুর্গাপূজা' এবং 'বুদ্ধপূর্ণিমা' পালিত হয়।
ভুটানের পুরুষরা 'ঘো' পরে, কিন্তু শ্রীলঙ্কার পুরুষরা সাধারণত সরং, ধুতি এবং শার্ট পরে।
বাংলাদেশে প্রধান ও রাষ্ট্রভাষা বাংলা, কিন্তু ভারতে রাষ্ট্রীয় কাজে হিন্দির গুরুত্ব বেশি হলেও সেখানে বাংলার ব্যাপক প্রচলন আছে।
আফগানিস্তানে দুগ্ধজাত পণ্য (যেমন- দই, মাঠা) বেশি ব্যবহার করা হয়, অন্যদিকে মালদ্বীপে মাছ ও নারকেলের ব্যবহার বেশি।
উভয় দেশের নারীরাই ঐতিহ্যগতভাবে বোরকা ও হিজাব বা সালোয়ার কামিজ পরেন।
আফগানিস্তান দক্ষিণ এশিয়ার উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে স্থলবেষ্টিত দেশ, আর শ্রীলঙ্কা দক্ষিণ দিকে অবস্থিত একটি দ্বীপ রাষ্ট্র।
বাংলাদেশের তিনটি প্রধান ধর্মীয় উৎসবের উদাহরণ ঈদুল ফিতর, দুর্গাপূজা এবং বুদ্ধপূর্ণিমা।
ভারতের জনপ্রিয় তিনটি নিরামিষ খাবারের নাম দোসা, ইডলি এবং খিচুড়ি।
নেপালের তিনটি প্রধান উৎসবের নাম বিজয়া দশমী, তিহার এবং দশাইন।
দক্ষিণ এশিয়ায় প্রচলিত তিনটি ভিন্ন ভাষার নাম দিভেহি (মালদ্বীপ), জংখা (ভুটান) এবং সিংহলী (শ্রীলঙ্কা)।
বাংলাদেশের অসাম্প্রদায়িক বা বড় উৎসবের উদাহরণ বাংলা নববর্ষ বা পহেলা বৈশাখ।
দেওয়ালি, হোলি এবং রাখি বন্ধন।
সাধারণ মানুষের সংস্কৃতি বুঝতে 'ঢেঁড়ো' খাবারটি চেখে দেখা উচিত।
আমি তাদের ভাষা, পোশাক এবং খাদ্যাভ্যাসের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকব এবং কোনো কিছু নিয়ে উপহাস করব না।
মানচিত্রে দেখা যায় দেশ দুটি সমুদ্রবেষ্টিত দ্বীপ, যা থেকে বোঝা যায় সেখানে প্রচুর সুন্দর সমুদ্রসৈকত রয়েছে।
তাদের খাদ্যাভ্যাসে তাজা ও শুকনো ফলের বিশেষ উল্লেখ থাকায় বোঝা যায় এগুলো সেখানে ব্যাপকভাবে উৎপাদিত হয়।
আমি তাদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক 'পাগড়ি' বা 'শেরওয়ানি'র ইতিহাস সম্পর্কে জানতে চাইতে পারি।
Related Question
View Allবাংলাদেশের প্রধান ভাষা বাংলা।
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষা রয়েছে।
বৌদ্ধদের প্রধান উৎসব হচ্ছে বুদ্ধপূর্ণিমা |
বড়োদিন খ্রিষ্টানদের প্রধান উৎসব।
বছরের দুটি ঈদ মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রধান উৎসব।
ভারতের সবচেয়ে বেশি মানুষ কথা- বলেন হিন্দিতে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!