ঈশ্বর যখন কোনো রূপ ধারণ করেন তখন তাকে দেবতা বা দেব-দেবী বলে।
চারজন দেব-দেবী হলো- ১. ব্রহ্মা, ২. বিষ্ণু, ৩. শিব ও ৪. দুর্গা।
ব্রহ্মার বাম দিকের দুই হাতে থাকে কমণ্ডলু ও ঘৃতপাত্র।
বিষ্ণু দুষ্টদের দমন করেন।
ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী তিথিতে শিবপূজা করা হয়।
তিনটি চোখ থাকার কারণে দেবী দুর্গাকে ত্রিনয়না বলা হয়।
ব্রহ্মার পূজা করলে আমাদের মঙ্গল হয়। তাই আমরা ব্রহ্মার পূজা করি। ব্রহ্মার পূজা সম্পর্কে বলা যায়-
১. ব্রহ্মাপূজার নির্দিস্ট তারিখ নেই।
২. ব্রহ্মাপূজায় লাল ফুল দেওয়া হয়।
৩. ফুল, ফল, ধূপ-দীপ দিয়ে আমরা ব্রহ্মার পূজা করি।
৪. পূজার পর তাঁর প্রণাম মন্ত্র বলে আমরা তাঁকে প্রণাম করি।
আমরা যেসব কারণে দেব-দেবীর পূজা করি তা হলো-
১. দেব-দেবীরা হলেন ঈশ্বরের সাকার শক্তির বিভিন্ন রূপ বা শক্তি।
২. পূজা করলে দেবতারা সন্তুষ্ট হন।
৩. দেবতারা সন্তুষ্ট হলে ঈশ্বর সন্তুষ্ট হন।
৪. দেব-দেবীর পূজার মাধ্যমে আমাদের মঙ্গল হয় ও অভীষ্ট পূরণ হয়।
নিচে শিবের স্বরূপ বর্ণনা করা হলো-
১. শিবের গায়ের রং তুষারের মতো সাদা, তাঁর তিনটি চোখ; তৃতীয় চোখটি কপালে থাকে, তাঁর মাথায় জটা।
২. শিবের কপালের উপরের দিকে বাঁকা চাঁদ।
৩. শিবের হাতে থাকে দুটি বাদ্যযন্ত্র- ডমরু ও শিঙ্খা।
৪. শিবের পরণে থাকে বাঘের চামড়া, ষাঁড় শিবের বাহন।
ঈশ্বর যখন কোনো রূপ ধারণ করেন তখন তাকে আমি দেবতা বা দেব-দেবী বলব।
ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী তিথিতে আমি শিবপূজা করব।
তিনটি চোখ থাকার কারণে দেবী দুর্গাকে ত্রিনয়না বলা হয়।
প্রীতিলতা দেবী আজ এমন এক দেবতা পূজার আয়োজন করেছে যাঁর গায়ের রং রক্ত-গৌর। হংস তাঁর বাহন এবং লালপদ্ম তাঁর আসন।
বিষ্ণুরূপের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।
দেবী দুর্গার আরাধনা করবে।
ঈশ্বর।
ব্রহ্মা।
ব্রহ্মা।
হংস।
নারায়ণ।
বৈষ্ণব।
ষাঁড়।
১০টি।
Related Question
View Allব্রহ্মা সৃষ্টি করেন।
বিষ্ণু আমাদের পালন করেন।
যাঁরা বিষ্ণুর উপাসনা করেন তাঁদের বলা হয় বৈষ্ণব ।
শিবের উপাসকদের শৈব বলা হয়।
শিবের বাহন ষাঁড় ।
দুর্গাপূজায় শ্রীশ্রীচণ্ডী পাঠ করতে হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!