নিচের বর্ণনামূলক প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

সমগ্র বিশ্বজগতের একমাত্র অধিপতি হলেন মহান আল্লাহ তায়ালা। তিনি আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন। পাশাপাশি আমাদের চারপাশে আমরা যা কিছু দেখতে পাই, সবকিছুর সৃষ্টিকর্তা তিনি। আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয়। তাঁর কোনো শরিক নেই। তাঁর সত্তা ও গুণের সাথে তুলনা করা যায় এমন কোনো কিছুই নেই। তিনি অনাদি, অনন্ত। তিনি কাউকে জন্ম দেননি, কিংবা কারও কাছ থেকে জন্মও নেননি। আসমান-জমিন ও এ দুইয়ের মধ্যে যা কিছু আছে সবকিছুই সৃষ্টি করেছেন আল্লাহ। তিনি আমাদের পালনকর্তা। তিনি রিজিকদাতা ও আখিরাতে মুক্তিদাতা। এককথায় আল্লাহ তায়ালা বিশ্বজগতের এক ও অদ্বিতীয় সত্তা।

উত্তরঃ

'আল্লাহ সর্বশক্তিমান' কথাটির অর্থ আল্লাহর মতো শক্তি আর কারও নেই। তিনি সকল শক্তির অধিকারী।
এ মহাবিশ্বে যা কিছু আছে, সবকিছুই আল্লাহর হুকুমে চলে। তাঁর ব্যবস্থাপনায় চন্দ্র-সূর্য, গ্রহ-নক্ষত্র ও নীহারিকাপুঞ্জ আপন কক্ষপথে পরিচালিত হয়। কোথাও কোনো অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা বা সংঘর্ষ দেখা যায় না। মহান আল্লাহ আলো-বাতাস, আগুন-পানি সৃষ্টি করেছেন। তিনিই এসব নিয়ন্ত্রণ করেন। মেঘমালা পরিচালনা করেন বৃষ্টিবর্ষণ করে শুকনো মাটিতে প্রাণের সঞ্চার করেন। আল্লাহ তায়ালা কাউকে শাস্তি দিতে চাইলে কেউ রক্ষা পায় না। আবার আল্লাহ তায়ালা রক্ষা করলে কেউ তাকে মারতে পারে না। অতএব এসব দিক বিবেচনা করে আমরা বুঝতে পারি, আল্লাহর ক্ষমতা অসীম। তাঁর চেয়ে অধিক কিংবা তাঁর সমকক্ষ ক্ষমতার অধিকারী কেউ নয়। তাই তিনি সর্বশক্তিমান।

উত্তরঃ

আল্লাহ শান্তিদাতা। আল্লাহ' চাইলে যাকে খুশি শান্তি দিতে পারেন। এক্ষেত্রে অন্য কারও ক্ষমতা নেই।
আমরা জানি, প্রচুর ধনসম্পদ থাকলেই শান্তি পাওয়া যায় না। আল্লাহ তায়ালা যাকে শান্তি দেন, সে শান্তি পায়। কুঁড়েঘরে থাকলেও শান্তি পায়। অভাব-অনটনেও শান্তি থাকে। আল্লাহ শান্তি দিলে কেউ তার ক্ষতি করতে পারে না। যারা আল্লাহর হুকুম মেনে চলে, তিনি তাদের শান্তি দেন। দুনিয়াতে শান্তি দেন। আখিরাতেও শান্তি দিবেন। এজন্য বলা হয়ে থাকে- 'আল্লাহ্ সালামুন' অর্থ- আল্লাহ শান্তিদাতা।

উত্তরঃ

ফেরেশতাদের সংখ্যা অগণিত। তন্মধ্যে চারজন প্রসিদ্ধ। তাঁরা হলেন- (ক) হযরত জিবরাইল (আ), (খ) হযরত মিকাইল (আ), (গ) হযরত আযরাইল (আ) ও (ঘ) হযরত ইসরাফিল (আ)।.

নিচে প্রসিদ্ধ চারজন ফেরেশতার কাজের বর্ণনা করা হলো-

ক. হযরত জিবরাইল (আ) তিনি নবি-রাসুলগণের কাছে আল্লাহর ওহি নিয়ে আসতেন।

খ. হযরত মিকাইল (আ) তিনি জীবের জীবিকা বণ্টন ও মেঘবৃষ্টির দায়িত্বে নিয়োজিত।

গ. হযরত আযরাইল (আ) তিনি আল্লাহর হুকুমে জীবের জান কবজ করেন।

ঘ. হযরত ইসরাফিল (আ) তিনি শিঙ্গা হাতে আল্লাহর আদেশের অপেক্ষায় আছেন। তিনি যখন প্রথম ফুঁ দেবেন, তখন সকল সৃষ্টি ধ্বংস হয়ে যাবে। আর যখন দ্বিতীয় ফুঁ দেবেন, তখন সবকিছু জীবন ফিরে পাবে।

উত্তরঃ

আল্লাহ তায়ালা নবি-রাসুলগণের কাছে ওহি পাঠিয়েছেন। ওহি হলো আল্লাহর বাণী। আল্লাহর বাণীসমূহের সমষ্টিকে আসমানি কিতাব বলে। সর্বমোট আসমানি কিতাব ১০৪ খানা। তন্মধ্যে কুরআন মজিদ সর্বশেষ আসমানি কিতাব। এ পবিত্র গ্রন্থ আমাদের প্রিয়নবি হযরত মুহাম্মদ (স)-এর ওপর অবতীর্ণ হয়েছিল। এতে আছে কিয়ামত পর্যন্ত বিশ্বের সকল মানুষের সব সমস্যার সমাধান এবং সঠিক পথে চলার নির্দেশনা। এককথায় কুরআন মজিদ হচ্ছে পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা। আমরা সকল আসমানি কিতাবে বিশ্বাস রাখব এবং কুরআন মজিদের শিক্ষা মেনে চলব।

উত্তরঃ

একজন মুসলমান হিসেবে আমাদের ইমান ও আকাইদ বিশুদ্ধ হওয়া প্রয়োজন।
ইসলামের মূল কথাই হলো ইমান। ইমান অর্থ বিশ্বাস। ইসলামের মূল বিষয়গুলোকে মনেপ্রাণে বিশ্বাস করাকে ইমান বলে। ইসলামের মূল বিষয়গুলোকে অন্তরে বিশ্বাস করা, মুখে স্বীকার করা এবং সেই অনুসারে আমল করাই হলো প্রকৃত ইমান। যার ইমান আছে তাকে বলে মুমিন। আকাইদ হলো আকিদা শব্দের বহুবচন। আকিদা অর্থ বিশ্বাস। আর আকাইদ হলো বিশ্বাসমালা। অর্থাৎ এক আল্লাহ, নবি-রাসুল, ফেরেশতা, আসমানি কিতাব, তাকদির, আখিরাত ইত্যাদি বিষয়ে গভীর বিশ্বাস রাখা। ইমান ও আকাইদ ব্যতীত মানবজীবন ব্যর্থ হয়। একজন মুমিনের দুনিয়া ও আখিরাতে সফল হতে হলে ইমান ও আকাইদ বিশুদ্ধ হওয়া আবশ্যক।

উত্তরঃ

আল্লাহ তায়ালার ৪টি গুণের নাম নিচে উল্লেখ করা হলো-

১. আল্লাহু খালিকুন (আল্লাহ সৃষ্টিকর্তা): আল্লাহ তায়ালা আমাদের সৃষ্টিকর্তা। এমনকি আসমান ও জমিন এ দুইয়ের মধ্যে যা কিছু আছে সবকিছুই সৃষ্টি করেছেন তিনি।

২. আল্লাহু মালিকুন (আল্লাহ অধিপতি) আল্লাহ সবকিছুর মালিক বা অধিপতি। আসমান জমিনের মালিক আল্লাহ। আমরা যা কিছু দেখতে পাই এবং যা কিছু দেখতে পাই না সবকিছুর মালিক আল্লাহ।

৩. আল্লাহু কাদীরুন (আল্লাহ সর্বশক্তিমান): মহান আল্লাহ সর্বশক্তিমান। তিনি অসীম শক্তির অধিকারী। এ বিশ্বজগতে যা কিছু আছে, তিনি সকল শক্তির আধার।

৪. আল্লাহ্ সালামুন (আল্লাহ শান্তিদাতা): আল্লাহ্ সালামুন। সালাম অর্থ শান্তি। আল্লাহু সালামুন অর্থ আল্লাহ শান্তিদাতা। যারা আল্লাহর হুকুম মেনে চলে তিনি তাদের দুনিয়া ও আখিরাতে শান্তি দেবেন।

উত্তরঃ

"আল্লাহর মতো কোনোকিছুই নেই।”- নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-

১. মহান আল্লাহ তায়ালা এক, অদ্বিতীয় এবং অতুলনীয়।
২. তাঁর কোনো শরিক নেই।

৩. তাঁর আছে কতকগুলো সুন্দর নাম ও কতকগুলো সুন্দর সুন্দর গুণ।
৪.তিনি অনাদি, অনন্ত।
৫. তাঁর সত্তা ও গুণের সাথে তুলনা করা যায় এমন কোনো কিছুই নেই।
৬.এজন্যই আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে সূরা ইখলাসে বলেন, "তাঁর মতো কোনো কিছুই নেই।"

উত্তরঃ

কালিমায়ে শাহাদাতের প্রথম অংশ দ্বারা আমরা আমাদের
স্রষ্টা, পালনকারী, রিজিকদাতা, পরম দয়ালু, একমাত্র আল্লাহকে মাবুদ এবং ইলাহ হিসেবে স্বীকার করে নিই। আরও সাক্ষ্য, দিই-আল্লাহ ছাড়া অন্য কেউ ইবাদতের যোগ্য নয়। ওয়াহদাহু দ্বারা আমরা আল্লাহ তায়ালার একত্ববাদের স্বীকারোক্তি করি। আর লা শারিকালাহু দ্বারা শিরককে রাতিল বলে ঘোষণা দেই। আর কালিমার দ্বিতীয় অংশ দ্বারা সাক্ষ্য দেই যে, মুহাম্মদ (স) যেমন আল্লাহর বান্দা, তেমনি তিনি আল্লাহর রাসুল। আমরা আল্লাহকে চিনতাম না। আল্লাহ সম্বন্ধে জানতাম না। কোন কাজে আল্লাহ তায়ালা খুশি হন তাও জানতাম না। মুহাম্মদ (স) আমাদের আল্লাহর পরিচয় জানিয়েছেন। তাঁর বাণী শুনিয়েছেন। আল্লাহর ইবাদত করার নিয়ম শিখিয়েছেন। তিনি নিজে আল্লাহর বিধান পালন করে আমাদের তা হাতে-কলমে শিক্ষা দিয়েছেন।

উত্তরঃ

কালিমাতু শাহাদাতিন। কালিমা অর্থ বাক্য। শাহাদাত অর্থ সাক্ষ্য দেওয়া। কালিমা শাহাদাত অর্থ সাক্ষ্য দেওয়ার বাক্য। এ কালিমা দ্বারা তাওহিদ ও রিসালাতের সাক্ষ্য দেওয়া হয়। কালিমা শাহাদাতের প্রথম অংশ দ্বারা আমরা ৩টি বিষয়ে সাক্ষ্য দিই। তা হলো-

১. প্রথম অংশ দ্বারা আমরা আমাদের স্রষ্টা, পালনকারী, রিজিকদাতা, পরম দয়ালু, একমাত্র আল্লাহকে মাবুদ হিসেবে স্বীকার করে নিই। আর সাক্ষ্য দিই- আল্লাহ ছাড়া অন্য কেউ ইবাদতের যোগ্য নয়।
২. ওয়াহদাহু দ্বারা আমরা আল্লাহ তায়ালার একত্ববাদের স্বীকৃতি দিই।
৩. 'লা শারিকালাহু' দ্বারা শিরককে বাতিল বলে ঘোষণা দিই।

উত্তরঃ

ইমান অর্থ বিশ্বাস। আর মুফাস্সাল অর্থ বিস্তারিত।
ইমান মুফাস্সাল অর্থ বিস্তারিত বিশ্বাস। ইসলামের ৭টি মৌলিক বিষয়ের ওপর ইমান আনতে হয়। বিষয়গুলো হলো-
১. আল্লাহ তায়ালার ওপর বিশ্বাস;
২. মালাইকা বা ফেরেশতাগণে বিশ্বাস;
৩. আসমানি কিতাবে বিশ্বাস;
৪. নবি-রাসুলে বিশ্বাস;
৫. শেষ দিবসে বিশ্বাস;
৬. তাকদিরে বিশ্বাস এবং
৭. মৃত্যুর পর পুনরুত্থানে বিশ্বাস।

উত্তরঃ

আল্লাহ তায়ালা নবি-রাসুলের কাছে ওহি পাঠিয়েছেন। ওহি হলো আল্লাহর বাণী। আল্লাহর বাণী সমষ্টিকে আসমানি কিতাব বলে। প্রধান আসমানি কিতাব চারটি। প্রধান আসমানি
কিতাবের তালিকা নিচে তৈরি করা হলো-

প্রধান আসমানি কিতাবের নামযারওপর অবতীর্ণ হয়েছে
১. কুরআন মজিদহযরত মুহাম্মদ (স)
২. তাওরাতহযরত মূসা (আ)
৩. যাবূরহযরত দাউদ (আ)
৪. ইনজিলহযরত ঈসা (আ)
উত্তরঃ

তাওহিদ ও রিসালাতে বিশ্বাস হলো ইমানের মূলকথা।
আল্লাহ তায়ালা নবি-রাসুল দুনিয়াতে পাঠিয়েছিলেন মানুষের
হিদায়েতের জন্য আর নবি-রাসুলগণের কাজ হলো-
১. তাঁরা মানবজাতির আদর্শ শিক্ষক হিসেবে প্রেরিত হয়েছেন।
২. নবি-রাসুলগণ মানুষকে আল্লাহর পথে ডাকতেন।
৩. তাঁরা মানুষদের আল্লাহকে খুশি করার পথ দেখিয়েছেন।
৪. নবি-রাসুলগণ আমাদেরকে আল্লাহর পরিচয় জানিয়েছেন।
৫. তাঁরা ইবাদাতের নিয়মকানুন শিখিয়েছেন।

উত্তরঃ

ইমানের পঞ্চম বিষয় হলো শেষ দিবসে বিশ্বাস অর্থাৎ আখিরাতে বিশ্বাস। মৃত্যুর পরের জীবনকে বলে আখিরাত। আখিরাত শব্দের অর্থ পরকাল। ইমানের পঞ্চম বিষয় শেষ দিবস বা আখিরাত সম্পর্কে নিচে লেখা হলো-
১. মৃত্যুর পরের জগৎকে বলা হয় আখিরাত বা পরকাল।
২. 'কবর, কিয়ামত, হাশর, জান্নাত, জাহান্নাম এসবই আখিরাতের জীবনের অন্তর্ভুক্ত।
৩. আখিরাতের জীবনের শুরু আছে, শেষ নেই।
৪. আখিরাতে মানুষকে দুনিয়ার কাজের হিসাব দিতে হবে।

৫. দুনিয়াতে যারা নেক কাজ করে, মহানবি (স)-এর দেখানো পথে চলে, তারা আখিরাতে জান্নাত পাবে।
৬. যারা দুনিয়াতে আল্লাহর নির্দেশিত পথে চলে না, ভালো কাজ করে না, তাদের জন্য আখিরাতে রয়েছে জাহান্নাম।
৭. মৃত্যু হলো আখিরাতের প্রবেশদ্বার।

119

আমরা মুসলিম। আমাদের ধর্মের নাম ইসলাম। ইসলামের মূল কথাই হলো ইমান। ইমান অর্থ বিশ্বাস। ইসলামের মূল বিষয়গুলোকে মনেপ্রাণে বিশ্বাস করাকে ইমান বলে ৷

 ইসলামের মূল বিষয়গুলোকে অন্তরে বিশ্বাস করা, মুখে স্বীকার করা এবং সেই অনুসারে আমল করাই হলো প্রকৃত ইমান। যার ইমান আছে তাকে বলে মুমিন ।

 আকাইদ হলো আকিদা শব্দের বহুবচন। আকিদা অর্থ বিশ্বাস। আর আকাইদ মানে বিশ্বাসমালা। একজন মুসলিমের ইমান ও আকাইদ বিশুদ্ধ হওয়া প্রয়োজন ।

Related Question

View All
উত্তরঃ আল্লাহু আহাদ (এক ও অদ্বিতীয়), আল্লাহু সামাদ (অমুখাপেক্ষী), আল্লাহু গাফফার (ক্ষমাকারী), আল্লাহু রাহমান (পরম দয়ালু), আল্লাহু রাহিম (পরম করুনাময়)।

আল্লাহ তায়ালা হলেন মহান সৃষ্টিকর্তা। তাঁর অনেক সুন্দর গুণ রয়েছে। এই গুণগুলো তাঁর ক্ষমতা, দয়া এবং শ্রেষ্ঠত্ব বোঝায়। আল্লাহ তায়ালার গুণগুলো জানলে আমরা তাঁকে আরও বেশি চিনতে ও ভালোবাসতে পারি।

Satt AI
Satt AI
2 months ago
9.2k
উত্তরঃ জিবরাঈল (আঃ), মিকাঈল (আঃ), ইসরাফীল (আঃ), আযরাঈল (আঃ)।

আল্লাহ তা'আলা নূর দিয়ে ফেরেশতা সৃষ্টি করেছেন। তাদের মধ্যে এই চারজন ফেরেশতা মহান এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।

Satt AI
Satt AI
2 months ago
2.3k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews