দোআঁশ মাটির চারটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১। মাটির কণাগুলো বিভিন্ন আকারের হয়।
২। মাটির বর্ণ কালো (ছাই) রং এর।
৩। হাতে ধরলে নরম ও শুকনো অনুভব হয়।
৪। পানিধারণ ক্ষমতা এঁটেল মাটির চেয়ে কম, কিন্তু বেলে মাটির চেয়ে বেশি।
মাটিতে জন্মানো বিভিন্ন উদ্ভিদে নানান ধরনের ফুল ফুটে। ফুল আমাদের পৃথিবীকে সুন্দর করে। তাছাড়া, মানুষের দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডের ফলে প্রচুর পরিমাণে বর্জ্য উৎপন্ন হয়। এসব বর্জ্য মাটিতে ফেলা হয় বা মাটি চাপা দেওয়া হয়। ফলে আবর্জনা এবং দুর্গন্ধ থেকে আমরা রক্ষা পাই।
মাটি কণার আকার ছোট হলে পানিধারণ ক্ষমতা বেশি হবে। আবার মাটি কণার আকার বড় হলে পানিধারণ ক্ষমতা কম হবে। এঁটেল মাটির কণাগুলো সবচেয়ে ছোট বলে এর পানি ধারণ ক্ষমতা বেশি। বেলে মাটির কণাগুলো আকৃতিতে বড় বলে মাটিতে যথেষ্ট ফাঁক থাকে। এই ফাঁক থাকার কারণে পানি দ্রুত চলে যায়। এ কারণে বেলে মাটির পানিধারণ ক্ষমতা কম হয়।
মাটি হলো পৃথিবীর উপরিভাগের নরম আবরণ।
মাটির বৈশিষ্ট্য হলো মাটির রং, গঠন, কণার আকার; পানিধারণ ক্ষমতা ইত্যাদি।
তিন ধরনের মাটির মধ্যে বেলে মাটির কণাগুলো আকৃতিতে বড়। এ' মাটির কণাগুলোর মধ্যে যথেষ্ট ফাঁক থাকে। ফলে পানি খুব দ্রুত চলে যেতে পারে। এই কারণেই বেলে মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা খুবই কম।
মাটি হলো পৃথিবীর উপরিভাগের নরম আবরণ। বিভিন্ন ধরনের উপাদান যেমন- নুড়িপাথর, পলি, বালু, কাদা, পানি, বায়ু ইত্যাদি দিয়ে মাটি তৈরি হয়।
মাটি সাধারণত তিন ধরনের হয়। এদের মধ্যে বেলে মাটির পানিধারণ ক্ষমতা খুবই কম। এঁটেল মাটি সবচেয়ে বেশি 'পানিধারণ করতে পারে। অন্যদিকে দোআঁশ মাটির পানিধারণ ক্ষমতা এঁটেল মাটির চেয়ে কম। কিন্তু বেলে মাটির চেয়ে বেশি।
মাটির দুইটি ব্যবহার হলো-
১। মাটিতে আমরা বিভিন্ন ফসল চাষ করি।
২। ইট বা কংক্রিটের মতো নির্মাণ সামগ্রী তৈরি করা হয়।
খাঁটি হলো পৃথিবীর উপরিভাগের নরম আবরণ।
আমরা দৈনন্দিন জীবনে বিভিন্ন কাজে মাটি ব্যবহার করি। তার
মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-
১। ফসল উৎপাদনে,
২। ইট বা কংক্রিট তৈরিতে,
৩। থালাবাসন, ফুলদানি, খেলনা তৈরিতে।
সুন্দর দূষণমুক্ত পরিবেশ তৈরিতে মাটির ভূমিকা হলো-
মাটিতে জন্মানো বিভিন্ন উদ্ভিদে নানান ধরনের ফুল ফুটে। ফুল আমাদের পৃথিবীকে সুন্দর করে। তাছাড়া, মানুষের দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডের ফলে প্রচুর পরিমাণে বর্জ্য উৎপন্ন হয়। এসব বর্জ্য মাটিতে ফেলা হয় বা মাটি চাপা দেওয়া হয়। ফলে ময়লা আবর্জনা এবং দুর্গন্ধ থেকে আমরা রক্ষা পাই। এভাবে সুন্দর ও দূষণমুক্ত পরিবেশ বজায় থাকে।
এঁটেল মাটির কণা সবচেয়ে ছোট হয়।
দোআঁশ মাটিতে জন্মে এমন তিনটি ফসলের নাম হলো-১। ধান, ২। গম ও ৩। পাট।
দোআঁশ মাটি ছোট এবং বড় উভয় আকারের কণার মিশ্রণ। এ মাটির পানিধারণ ক্ষমতা ভালো। এ মাটি পানি এবং মাটির অন্যান্য উপাদান ধরে রাখতে পারে। কিন্তু এ মাটিতে পানি জমে থাকে না। এসব কারণেই দোআঁশ মাটি সব ধরনের ফসল চাষের উপযোগী।
যে মাটি দেখতে হালকা বাদামি থেকে হালকা ধূসর রঙের এবং হাতে ধরলে শুকনো ও দানাময় মনে হয় সে মাটিই হলো বেলে মাটি।
বেলে মাটির পানিধারণ ক্ষমতা খুবই কম। এ মাটির কণার ফাঁক দিয়ে পানি খুব তাড়াতাড়ি নিচে চলে যায়। পানির সঙ্গে ফসলের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদানও বের হয়ে যায়। এ কারণে বেলে মাটিতে সব ফসল ভালো হয় না।
বেলে মাটিতে ভালো হয় এমন তিনটি ফসল হলো-১। তরমুজ, ২। চিনাবাদাম ও ৩। শসা।
মাটি হলো পৃথিবীর উপরিভাগের নরম আবরণ। বিভিন্ন ধরনের উপাদান যেমন- নুড়িপাথর, পলি, বালু, কাদা, পানি, বায়ু ইত্যাদি দিয়ে মাটি তৈরি হয়।
দোআঁশ মাটির তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১। মাটির কণাগুলো বিভিন্ন আকারের হয়।
২। মাটির বর্ণ কালো (ছাই) রং এর।
৩। হাতে ধরলে নরম ও শুকনো অনুভব হয়।
বেলে ও এঁটেল মাটির দুইটি পার্থক্য হলো-
| বেলে মাটি | এঁটেল মাটি |
| ১। মাটির কণাগুলো. আকৃতিতে বড়। | ১। মাটির কণাগুলো আকৃতিতে ছোট। |
| ২। পানিধারণ ক্ষমতা সবচেয়ে কম। | ২। পানিধারণ ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি। |
আমরা যে খাবার খাই তার অধিকাংশই, উদ্ভিদ থেকে আসে। উদ্ভিদের বৃদ্ধির জন্য মাটি প্রয়োজন। মাটি উদ্ভিদের জন্য প্রয়োজনীয় পানি এবং পুষ্টি উপাদান সরবরাহ করে। মানুষ খাবারের জন্য মাটিতে শাকসবজি ও ফসল ফলায়। আমরা খাদ্যের জন্য প্রাণীর ওপরও নির্ভরশীল। অনেক প্রাণী আবার উদ্ভিদ থেকে তাদের খাদ্য পায়। সুতরাং ফসল ফলানো ও খাদ্য তৈরিতে মাটির গুরুত্ব অপরিসীম।
Related Question
View Allবিভিন্ন উপাদানের সমন্বয়ে মাটি গঠিত।
দোআঁশ মাটির রঙ কালো ।
বেলে মাটির পানিধারণ ক্ষমতা খুবই কম ।
এঁটেল মাটির পানিধারণ ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি ।
বাংলাদেশের বেশির ভাগ এলাকা দোআঁশ মাটি দিয়ে গঠিত।
মাটি পৃথিবীর উপরিভাগের নরম আবরণ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!