পানি অপচয়ের চারটি কারণ নিম্নরূপ-
১। দাঁত ব্রাশ করার সময় বেসিনের কল ছেড়ে রাখা।
২। কাপড় ধোয়ার সময় পানির কল ছেড়ে রাখা।
৩। গোসল করার সময় অপ্রয়োজনে ঝরনা বা কল চালু রাখা।
৪। পানির নলে ছিদ্র থাকলে তা ঠিক না করা।
পানির অপচয় রোধে আমাদের চারটি করণীয় হলো-
১। দাঁত ব্রাশ করার সময় পানির কল ছেড়ে না রাখা।
২। হাত বা মুখ ধোয়ার পরই পানির কলটি বন্ধ করে রাখা।
৩। বালতিতে পানি ভরে তারপর থালাবাসন ধোয়া।
৪। পানি পান বা ব্যবহারের পর অবশিষ্ট পানি গাছপালার গোড়ায় ঢালা।
লবণাক্ততার ভিত্তিতে পানির উৎসগুলোকে নিচে শ্রেণিকরণ করা হলো-
| লবণাক্ত পানির উৎস | অ-লবণাক্ত পানির উৎস |
| ১। সমুদ্র | ১। ঝরনা |
| ২। মহাসাগর | ২। নদী |
| ৩। পুকুর |
পৃথিবীর সকল প্রাণের বেঁচে থাকার জন্য পানি অপরিহার্য। পৃথিবীতে প্রচুর পরিমাণ পানি থাকলেও পানের যোগ্য পানি খুবই কম। আমাদের জনসংখ্যা যত বাড়ছে, মানুষ তত বেশি পানি ব্যবহার করছে। তাই ব্যবহারযোগ্য পানির পরিমাণ কমে যাচ্ছে। পানি অপচয়ের পরিণতি হলো পানির স্বল্পতা। পানি না থাকলে বা কমে গেলে আমাদের বেঁচে থাকা কষ্টকর হবে। এ কারণে আমাদের পানির অপচয় রোধ করা প্রয়োজন।
পানির উৎসকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১। প্রাকৃতিক উৎস এবং
২। মানুষের তৈরি উৎস।
পান করার জন্য সর্বদা নিরাপদ পানি প্রয়োজন। কিন্তু সব নলকূপের পানি নিরাপদ নয়। নলকূপে সবুজ এবং লাল রং করার কারণ হলো নিরাপদ ও অনিরাপদ পানির উৎস চিহ্নিত করা। সবুজ রং করা নলকূপের পানি নিরাপদ। অন্যদিকে লাল রং করা নলকূপের পানি অনিরাপদ।
পানির দুইটি প্রাকৃতিক উৎসের নাম হলো-
১। বৃষ্টি ও ২। নদী-নালা।
আমরা পাহাড়ি অঞ্চলে ঝরনা আকারে, সমতল অঞ্চলে কূপ খনন করে এবং নলকূপের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ পানি পেয়ে থাকি। সাগর, মহাসাগর, নদী, জলাভূমি, পুকুর ইত্যাদি হলো ভূপৃষ্ঠের পানি। ভূপৃষ্ঠের পানি ক্রমাগত বাষ্পে পরিণত হয়। পরবর্তী সময়ে এই বাষ্প বৃষ্টি আকারে ভূপৃষ্ঠে পড়ে জমা হয়। জমা হওয়া এই পানি চুয়ে চুয়ে ভিতরে ঢুকে ভূগর্ভে জমা হয়।
আমরা বিভিন্ন উৎস থেকে পানি পাই। পানির বিভিন্ন উৎসের মধ্যে রয়েছে বৃষ্টি, পুকুর, নদী-নালা, খাল-বিল, হ্রদ, সমুদ্র ইত্যাদি।
এছাড়া পানির কল এবং নলকূপ থেকেও আমরা পানি পাই।
দৈনন্দিন জীবনে পানির দুইটি ব্যবহার হলো-
১। রান্না করা ও
২। থালাবাসন ধোয়া।
আমরা যদি পানি অপচয় করি তাহলে পানির অভাবে-
১। ফসলের মাঠ, নদী, পুকুর শুকিয়ে যাবে।
২। গাছপালা মরে যাবে।
৩। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে বিভিন্ন কাজে ব্যবহারের জন্য পানি পাব না।
যে পানিতে লবণ নেই বা থাকলেও খুব কম পরিমাণে থাকে তাকে মিঠা বা স্বাদু পানি বলে। যেমন- প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট হ্রদ, বরফ, জলপ্রপাত, নদী ইত্যাদি স্বাদু পানির প্রধান উৎস। আমরা বিভিন্ন কাজে পানি ব্যবহার করি। পান করা, রান্না করা, থালাবাসন ধোয়া, মেঝে পরিষ্কার, দাঁত মাজা, গোসল করা, কাপড় ধোয়া, চাষাবাদ করা, ফসল ফলাতে, মৎস্য খামারে এবং কলকারখানায় পানি ব্যবহার করি।
পৃথিবী পৃষ্ঠের পানিই হলো ভূপৃষ্ঠের পানি।
ভূপৃষ্ঠের পানির তিনটি উৎস হলো-
১। সাগর, ২। নদী ও ৩। জলাভূমি।
আমরা যেভাবে পানির যথাযথ ব্যবহার করতে পারি-
১। দাঁত ব্রাশ করার সময় পানির কল বন্ধ রেখে।
২। হাত বা মুখ ধোয়ার পরই পানির কলটি বন্ধ রেখে।
৩। বালতিতে পানি ভরে থালাবাসন ধুয়ে।
৪। গোসলের সময় ঝরনা বা কল অপ্রয়োজনে চালু না রেখে।
দৈনন্দিন জীবনে পানির দুইটি ব্যবহার হলো-
১। গোসল করা ও
২। কাপড় পরিষ্কার করা।
পানি অপচয়ের তিনটি কারণ নিম্নরূপ-
১। দাঁত ব্রাশ করার সময় বেসিনের কল ছেড়ে রাখা।
২। কাপড় ধোয়ার সময় পানির কল ছেড়ে রাখা।
৩। গোসল করার সময় অপ্রয়োজনে ঝরনা বা কল চালু রাখা।
Related Question
View Allসমুদ্র হলো পানির প্রাকৃতিক উৎস।
যে পানিতে লবণ থাকে, তাকে লবণাক্ত পানি বলে।
উৎসের ভিত্তিতে পানিকে দুই ভাগ করা যায়।
হাত বা মুখ ধোয়ার পর পানির কলটি বন্ধ করে পানির অপচয় রোধ করতে পারি।
পৃথিবীর উপরিভাগের চার ভাগের প্রায় তিন ভাগ পানি।
পানির উৎসকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!