উল্লেখিত প্রযুক্তি নিরাপদ ব্যবহারের জন্য যেসব সতর্কতা
অবলম্বন করতে হবে তা নিম্নরূপ :
১। কলম দিয়ে কাউকে খোঁচা কিংবা আঘাত করা যাবে না।
২। টেলিভিশন দীর্ঘ সময় ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
৩। কম্পিউটারের পাশে খাবার এবং পানীয় গ্রহণ করা যাবে না।
শিক্ষাক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার শিক্ষার্থীদের শেখার প্রক্রিয়া অনেক সহজ করেছে। শিক্ষা প্রযুক্তির অংশ হিসেবে কম্পিউটার ও ইন্টারনেট ব্যবহার করা হয়। এগুলো ব্যবহার করে যে কোনো সময়, যে কোনো স্থানে সহজে পড়াশোনা করা যায়। প্রয়োজনীয় তথ্য প্রিন্টারে প্রিন্ট করে পড়া যায়ু। ভিডিও ক্যামেরা ব্যবহার করে ক্লাসের পড়া পুনরায় বুঝা যায়। এভাবে শিক্ষা প্রযুক্তির ব্যবহার শিক্ষার্থীদের শেখাকে সহজ করেছে।
প্রযুক্তি হতে পারে একটি যন্ত্র, একটি হাতিয়ার বা কোনো
পদ্ধতি, যা আমাদের কাজে লাগে।
প্রযুক্তি ব্যবহারের দুইটি সুবিধা হলো-
১। সময় ও শ্রমের সাশ্রয় হয়।
২। জীবনযাত্রা নিরাপদ ও আরামদায়ক হয়।
শিক্ষাক্ষেত্রে ব্যবহৃত চারটি প্রযুক্তির নাম হলো-
১। কম্পিউটার,
২। প্রজেক্টর,
৩। ইন্টারনেট ও
৪। ভিডিও ক্যামেরা।
যে সকল যন্ত্র বা উপকরণ কৃষিকাজে ব্যবহার করা হয় তাই কৃষি প্রযুক্তি।
জমি চাষাবাদে ব্যবহার করা হতো এমন দুইটি প্রাণী হলো-১. গরু ও ২. ঘোড়া।
কৃষিকাজে ব্যবহৃত দুইটি প্রাচীন প্রযুক্তির নাম হলো-১। লাঙল ও ২। কাস্তে।
কৃষিকাজে ব্যবহৃত দুইটি আধুনিক প্রযুক্তির নাম হলো-১। ট্রাক্টর ও ২। সেচ পাম্প।
চিকিৎসা ক্ষেত্রে ব্যবহৃত চারটি প্রযুক্তির নাম হলো-
১। থার্মোমিটার
২। এক্স-রে মেশিন
৩। স্টেথোস্কোপ ও
৪। আল্ট্রাসনোগ্রাফি।
প্রযুক্তির অনিরাপদ ব্যবহারের চারটি উদাহরণ নিম্নরূপ-
১। কলম বা পেনসিল দিয়ে কোনো কিছু আঘাত করা বা খোঁচা দেওয়া।
২। একটানা দীর্ঘসময় কম্পিউটার বা মোবাইল ফোন ব্যবহার।
৩। কম্পিউটার বা ল্যাপটপের পাশে খাবার ও পানীয় গ্রহণ।
৪। প্রশিক্ষণবিহীন চালক দ্বারা ইঞ্জিন চালিত যানবাহন চালনা।
মানুষের জীবনযাপন এক সময়ে অনেক কষ্টকর ছিল। এ কষ্ট দূর করে জীবনযাত্রাকে সহজ ও আরামদায়ক করার জন্য মানুষ প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে। অর্থাৎ প্রযুক্তি উদ্ভাবন হয়েছে মানুষের চাহিদা পূরণের জন্য।
পরিবহন প্রযুক্তির উন্নয়ন আমাদের জীবনে নানা রকমের প্রভাব ফেলেছে। এটি আমাদের যতায়াতকে অনেক সহজ ও দ্রুত করেছে। আগে মানুষ পায়ে হেঁটে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে চলাচল করত। কিন্তু এখন বাস, ট্রেন, গাড়ি, লঞ্চ বা হেলিকপ্টারের মাধ্যমে সহজে, চলাচল করতে পারছে। ফলে সময় ও শ্রমের সাশ্রয় হচ্ছে। চাকা আবিষ্কারের পরে গরু বা ঘোড়ার গাড়িতে মালামাল পরিবহন করা হতো। ইঞ্জিন আবিষ্কারের ফলে পরিবহন ব্যবস্থা আরও অনেক উন্নত ও দ্রুততর হয়েছে। এভাবে পরিবহন প্রযুক্তির উন্নয়ন আমাদের জীবনকে সহজ, সুন্দর ও গতিশীল করে তুলেছে।
প্রযুক্তি হতে পারে একটি যন্ত্র, একটি হাতিয়ার বা কোনো পদ্ধতি, যা আমাদের কাজে লাগে।
যাতায়াত প্রযুক্তি ৩ প্রকার। যথা-
১। স্থলপথের প্রযুক্তি,
২। জলপথের প্রযুক্তি,
৩। আকাশপথের প্রযুক্তি।
প্রযুক্তি আমাদের যাতায়াত ব্যবস্থাকে অনেক সহজ করেছে। প্রযুক্তির অবদান সাইকেল, মোটরগাড়ি, রেলগাড়ি, বাস, জাহাজ, উড়োজাহাজ, হেলিকপ্টার ইত্যাদি। এসব যানবাহন ব্যবহার করে আমরা সহজেই এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে পারি। এভাবে প্রযুক্তি আমাদের যাতায়াতে সহায়তা করে।
যে সব উপকরণ শিক্ষা ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় তাকে শিক্ষা প্রযুক্তি বলে।
শিক্ষাক্ষেত্রে ব্যবহৃত চারটি প্রযুক্তির নাম হলো-
১। কম্পিউটার,
২। প্রজেক্টর,
৩। ইন্টারনেট ও
৪। ভিডিও ক্যামেরা।
শিক্ষাক্ষেত্রে কম্পিউটারের সাহায্যে ইন্টারনেটের মাধ্যমে অনলাইন ক্লাস করা সম্ভব। যে কোনো প্রয়োজনীয় তথ্য এখন কম্পিউটারে টাইপ করে সংরক্ষণ করা হচ্ছে।
দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত প্রতিটি প্রযুক্তির সুনির্দিষ্ট ব্যবহার রয়েছে। প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার বলতে দক্ষতা ও সচেতনতার সাথে প্রযুক্তির এই সুনির্দিষ্ট ব্যবহারকে বোঝানো হয়। প্রযুক্তির ব্যবহার থেকে যেন কোনো ক্ষতিসাধন না হয় এবং নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত হয় সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে।
প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহারে আমাদের করণীয় হলো-
১। প্রযুক্তি ব্যবহারে সাবধানতা অবলম্বন করা।
২। দীর্ঘ সময় ধরে প্রযুক্তি ব্যবহার না করা।
৩। দক্ষতার সাথে প্রযুক্তি ব্যবহার করা।
৪। প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার সম্পর্কে সচেতন হওয়া।
দক্ষতা ও সচেতনতার সাথে প্রযুক্তির সুনির্দিষ্ট ব্যবহারই হলো প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার।
প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহারের দুইটি উদাহরণ নিম্নরূপ :
১। কলম দ্বারা কোনো কিছুতে আঘাত না করা।
২। ল্যাপটপের আশেপাশে খাবার বা পানীয় গ্রহণ না করা।
প্রযুক্তি আমাদের জীবনকে অনেক সহজ করে দেয়। সৃষ্টির শুরু থেকেই মানুষ নানা ধরনের প্রযুক্তি উদ্ভাবনের চেষ্টা করে আসছে। ফলে প্রতিনিয়তই প্রযুক্তির উন্নয়ন হচ্ছে। প্রযুক্তির উন্নয়নের ফলে আমাদের জীবনযাত্রা প্রতিনিয়ত সহজ থেকে সহজতর হচ্ছে।
প্রযুক্তি হতে পারে একটি যন্ত্র, একটি হাতিয়ার বা কোনো পদ্ধতি, যা আমাদের কাজে লাগে।
উল্লেখিত প্রযুক্তি নিরাপদ ব্যবহারের জন্য যেসব সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে তা নিম্নরূপ:
১। টেলিভিশন দীর্ঘ সময় ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
২। কম্পিউটারের পাশে খাবার এবং পানীয় গ্রহণ করা যাবে না।
Related Question
View Allবিভিন্ন ধরনের প্রযুক্তি আমাদের জীবনকে সহজ করে তুলছে।
কাগজ ছাপার কাজ শুরু হয় মুদ্রণযন্ত্র উদ্ভাবন হওয়ার পরে।
স্টেথোস্কোপ চিকিৎসায় ব্যবহৃত একটি প্রযুক্তি।
টেলিভিশন, রাইস কুকার, মোবাইল ফোন বাড়িতে ব্যবহৃত প্রযুক্তি।
প্রযুক্তি হতে পারে যন্ত্র বা কৌশল ।
প্রযুক্তি আমাদের জীবনকে সহজ করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!