যেসব রোগ একজনের থেকে আরেকজনে ছড়ায় সেগুলোকে সংক্রামক রোগ বলে।
তিনটি সংক্রামক রোগের নাম হলো-
১। সর্দি, ২। বসন্ত ও ৩। করোনা।
সংক্রামক রোগের তিনটি কারণ হলো-
১। বিভিন্ন রোগের জীবাণু দেহে প্রবেশ করা।
২। আক্রান্ত রোগীর কাছাকাছি থাকা।
৩। জীবাণু দ্বারা দূষিত পানি পান করা।
পানির মাধ্যমে যেসব রোগ ছড়ায় সেগুলো পানিবাহিত রোগ।
তিনটি পানিবাহিত রোগের নাম হলো-
১। ডায়রিয়া, ২। আমাশয় ও ৩। টাইফয়েড।
ডায়রিয়া রোগের চারটি লক্ষণ উল্লেখ করা হলো-
১। ঘনঘন পাতলা পায়খানা হয়।
২। অতিরিক্ত পানি পিপাসা পায়।
৩। পেট ব্যথা করে।
৪। শরীর পানিশূন্য হয়ে চামড়া কুঁচকে যায়।
বায়ুর মাধ্যমে যেসব রোগ ছড়ায় সেগুলোকে বায়ুবাহিত রোগ বলে। উদাহরণ- ইনফ্লুয়েঞ্জা, ফুসফুসের যক্ষ্মা, কোভিড-১৯ ইত্যাদি।
ফুসফুসের যক্ষ্মা রোগের পাঁচটি লক্ষণ লেখা হলো-
১। দীর্ঘমেয়াদি কাশি থাকে।
২। কাশির সাথে মাঝে মাঝে রক্তপাত হয়।
৩। বুকে ব্যথা হয়।
৪। শরীরের ওজন কমতে থাকে।
৫। শরীরে জ্বর থাকে।
যেসব রোগ একজনের থেকে অন্যজনের ছড়ায় না সেসব রোগকে অসংক্রামক রোগ বলে।
চারটি অসংক্রামক রোগ হলো-
১। হৃদরোগ, ২। রাতকানা, ৩। ডায়াবেটিস ও ৪। ক্যান্সার।
অসংক্রামক রোগ একজনের থেকে অন্যজনের হয় না। কিন্তু শরীরের কোনো অঙ্গের কার্যক্ষমতা হ্রাস বা বিপাকীয় কার্যক্রম বাধা পেলে মানুষ অসংক্রামক রোগে আক্রান্ত হয়।
ডায়াবেটিস অসংক্রামক রোগ।
ডায়াবেটিস রোগের তিনটি লক্ষণ হলো-
১। ডায়াবেটিস রোগীর ঘন ঘন পানির পিপাসা পায়।
২। বারবার প্রস্রাব হয়।
৩। শরীরের ওজন কমতে থাকে।
অসংক্রামক রোগের চারটি কারণ হলো-
১। শারীরিক পরিশ্রম না করা।
২। ধূমপান ও মাদকদ্রব্য গ্রহণ করা।
৩। ভিটামিনের অভাব।
৪। স্বাস্থ্যকর ও সুষম নয় এসব খাবার খাওয়া।
বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার সর্বশেষ শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী মাদকাসক্তিও একটি রোগ।
মাদকাসক্তি এক ধরনের অসংক্রামক রোগ।
অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধের উপায়গুলো হলো-
১। স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন করা।
২। দূষণমুক্ত নির্মল পরিবেশে থাকা।
৩। তামাকজাত পণ্য ব্যবহার ও ধূমপান থেকে বিরত থাকা।
৪। মদ্যপান ও অন্যান্য নেশাজাতীয় দ্রব্য গ্রহণ না করা।
৫। অস্বাস্থ্যকর ও সুষম নয় এমন খাবার (যেমন- ফাস্টফুড, অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাদ্য-পানীয়; অতিরিক্ত লবণ ইত্যাদি) গ্রহণ না করা।
৬। সুষম ও স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করা।
৭। নিয়মিত শরীরচর্চা (যেমন- খেলাধুলা) করা।
ম্যালেরিয়া এক ধরনের প্রাণিবাহিত সংক্রামক রোগ। এ রোগের জীবাণু বহন করে মশা।
ম্যালেরিয়া রোগের তিনটি লক্ষণ হলো-
১। কিছু সময় পরপর কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসে।
২। মাথা ও পেটসহ সারা শরীর ব্যথা হয়।
৩। বমি বমি ভাব হয়।
স্বাস্থ্য রক্ষার চারটি নিয়ম উল্লেখ করা হলো-
১। স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা।
২। পরিমিত পরিমাণে সুষম ও স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া।
৩। নিয়মিত শরীরচর্চা ও খেলাধুলা করা।
৪। পর্যাপ্ত পরিমাণে বিশ্রাম নেওয়া।
দুটি বায়ুবাহিত রোগের লক্ষণ হলো-
১। সর্দি হলে নাক দিয়ে অনবরত তরল পড়তে থাকে।
২। ফুসফুসের যক্ষ্মা রোগ হলে দীর্ঘমেয়াদি কাশি থাকে।
সংক্রামক রোগ থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায়গুলো-
১। সংক্রামক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিকে সুস্থ মানুষ থেকে যথাসম্ভব দূরে রাখা।
২। রোগীর কফ-থুথু নির্দিষ্ট জায়গায় ফেলা।
৩। রোগীকে সেবাদানের সময় প্রয়োজন অনুসারে মাস্ক, কালো চশমা বা গ্লাভস ব্যবহার করা।
৪। সেবাদানকারী ও চিকিৎসকের কাছে নেওয়ার আগে রোগীকে মাস্ক পরানো।
৫। রোগীর নিত্যব্যবহার্য জিনিস ভালোভাবে গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ব্যবহার করা।
৬। রোগ ছড়ায় এমন প্রাণী থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা।
৭। রোগের প্রতিষেধক হিসেবে সময়মতো টিকা গ্রহণ করা।
দৈনন্দিন জীবনে স্বাস্থ্য রক্ষার যেসব অভ্যাস অনুশীলন করি সেগুলো নিচে লেখা হলো-
১। সবসময় ফুটানো বা বিশুদ্ধ পানি পান করি।
২। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকি।
৩৯ সুষম ও স্বাস্থ্যকর খাবার খাই।
৪। নিয়মিত শরীরচর্চা ও খেলাধুলা করি।
৫। পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমাই।
৬। নিয়মিত হাত ধুই।
৭। প্রতিদিন দাঁত মাজি।
৮। প্রতিদিন গোসল করি।
৯। প্রতিদিন স্কুলের পোশাক পরিষ্কার করি।
১০। নিয়মিত পড়ার টেবিল পরিষ্কার রাখি।
Related Question
View Allযেকোনো রোগই আমাদের কষ্ট দেয়।
সাধারণত অণুজীবের দ্বারা রোগ সৃষ্টি হয়।
বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী মাদকাসক্তি একটি রোগ।
মশার মাধ্যমে ম্যালেরিয়া ও ডেঙ্গু রোগ হয়।
ইঁদুরের মশার মাধ্যমে রোগ হয়।
কুকুরের কামড়ে জলাতঙ্ক রোগ হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!