যদি সূর্য না থাকতো তাহলে আমাদের যেসব সমস্যা হতো তা হলো-
১। আমাদের চারপাশ সারাক্ষণ অন্ধকার থাকতো।
২। পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব থাকতো না।
৩। পৃথিবী ঠান্ডা ও বরফে আবৃত হয়ে থাকতো।
৪। উদ্ভিদ ও প্রাণীর খাদ্য উৎপাদন বন্ধ হয়ে যেতো।
বন্ধ ঘরে গাছ রাখলে গাছের পাতা হলুদ হয়ে যায় সূর্যের আলো না পাওয়ার কারণে। গাছের বেঁচে থাকার জন্য খাদ্য তৈরি প্রয়োজন। কিন্তু গাছ যদি পর্যাপ্ত আলো না পায়, তাহলে খাদ্য তৈরি করতে পারে না। ফলে গাছের পাতাগুলো ধীরে ধীরে হলুদ হয়ে যায়।
কোনো ব্যক্তির ছায়া ছোট ও বড় হয় সূর্যের অবস্থানের উপর নির্ভর করে। সূর্যের অবস্থান পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ছায়াও ছোট-বড় হয়। সকাল এবং বিকালে আকাশে সূর্য - হেলানো অবস্থানে থাকে। এ কারণে এ সময়ে ছায়া বড় বা দীর্ঘ হয়। অন্যদিকে দুপুরে সূর্য খাড়া অবস্থানে থাকে। ফলে দুপুরে ছায়ার দৈর্ঘ্য ছোট হয়।
সূর্য থেকে আমরা আলো ও তাপ পাই।
সূর্যের ২টি ব্যবহার হলো-
১। সূর্যের আলো দিয়ে সৌর প্যানেল তৈরি করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়।
২। সূর্যের তাপ ব্যবহার করে সৌরচুলা তৈরি করা যায়।
জীব তথা উদ্ভিদ ও প্রাণীর জন্য সূর্য গুরুত্বপূর্ণ। এদের বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় শক্তির যোগান দেয় সূর্য। উদ্ভিদ সূর্যের আলো ব্যবহার করে খাদ্য তৈরি করে। প্রাণীরা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে উদ্ভিদের তৈরি করা খাদ্য খেয়ে বেঁচে থাকে।
সূর্য হলো পৃথিবীতে আলো ও তাপের প্রধান উৎস।
সূর্য সৌরজগতের কেন্দ্রে স্থিরভাবে অবস্থান করে।
সূর্যকে আলো ও তাপের উৎস বলা হয়। কারণ, সূর্যের কারণেই আমরা দিনের বেলায় দেখতে পাই। সূর্য না থাকলে সারাক্ষণ অন্ধকার থাকত। আবার, আমরা সূর্যের আলোয় উজ্জ্বল দিনে বাইরে থাকলে গরম অনুভব করি। সূর্য ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন বায়ুমণ্ডলকে গরম রাখে। সূর্য যদি পৃথিবী থেকে আরো বেশি দূরে থাকত, তবে পৃথিবী আরো বেশি ঠান্ডা থাকত।
আলো সরলরেখায় চলে। আলোর পথে কোনো অস্বচ্ছ বস্তু এলে ওই বস্তুর উপর পড়া আলো অন্যদিকে পৌঁছাতে পারে না। তাই সেই নির্দিষ্ট অঞ্চল অন্ধকার হয়ে যায় এবং সেই জায়গা কালো দেখায়। এভাবে কোনো বস্তু আলো যেতে বাধা দিলে আলোর উৎসের বিপরীতে ছায়া সৃষ্টি হয়।
সূর্য এবং ছায়া পরস্পর বিপরীত দিকে থাকে। সূর্য পূর্ব দিকে উদিত হয়। সে সময় ছায়া পশ্চিম দিকে থাকে। অন্যদিকে, সূর্য পশ্চিম দিকে অস্ত যায়। তখন ছায়া পূর্ব দিকে থাকে। দিনের সময়ের উপর নির্ভর করে ছায়া পশ্চিম দিক থেকে আস্তে আস্তে পূর্ব দিকে চলে যায়।
দূষণমুক্ত ও পরিবেশ বান্ধব শক্তির দুইটি উৎস হলো ১। সৌর; ২। চুলা ও সৌর প্যানেল।
সূর্য হলো পৃথিবীতে আলো ও তাপের উৎস। উদ্ভিদ সূর্যের আলো ব্যবহার করে খাদ্য তৈরি করে। মানুষসহ অন্যান্য প্রাণী উদ্ভিদের তৈরিকৃত খাদ্য খেয়ে বেঁচে থাকে। যদি সূর্য না থাকত তাহলে উদ্ভিদ খাদ্য তৈরি করতে পারত না। ফলে খাদ্যের অভাবে প্রাণিকুল মারা যেত। আবার, উদ্ভিদ যখন সূর্যের আলোর সাহায্যে খাদ্য তৈরি করে তখন অক্সিজেন গ্যাস ত্যাগ করে। এই অক্সিজেন, দিয়ে প্রাণীরা তাদের শ্বাসকার্য চালায়। এভাবেই সূর্য পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছে।
না, সূর্যের আলো ছাড়া উদ্ভিদ খাদ্য তৈরি করতে পারে না। কেননা উদ্ভিদ পাতায় সূর্যের আলো, পানি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপকরণের সাহায্যে খাদ্য তৈরির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। আর, সূর্য হলো সকল শক্তির মূল উৎস। তাই সূর্যের আলো না পেলে উদ্ভিদ খাদ্য তৈরিতে প্রয়োজনীয় শক্তির যোগান দিতে পারবে না।
সূর্য না থাকলে আশপাশের পরিবেশ অন্ধকার থাকতো। এর ফলে প্রাণীরা চারদিকের পরিবেশ ও বস্তু দেখতে পারতো না। প্রাণীদের চলাচল, খাদ্য গ্রহণ ও নানা কাজ করতেও অসুবিধা হতো।
Related Question
View Allআমাদের বেঁচে থাকার জন্য সূর্যের আলো অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
ছায়া ব্যবহার করে সূর্য ঘড়ি তৈরি করা যায়।
সূর্য ভূ-পৃষ্ঠ সংলগ্ন বায়ুমণ্ডলকে গরম রাখে।
আলোর প্রধান উৎস সূর্য ।
সূর্য না থাকলে সারাক্ষণ অন্ধকার থাকত।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!