তথ্যের চারটি ধরন ও তাদের উৎসের নাম হলো-
| তথ্যের ধরন | উৎস |
| ১। পরীক্ষার সময়সূচি | স্কুলের নোটিশবোর্ড, শিক্ষক |
| ২। আজকের আবহাওয়া | পত্রিকা, টেলিভিশন, ইন্টারনেট |
| ৩। ছুটির তালিকা | ক্যালেন্ডার, ইন্টারনেট |
| ৪। ঐতিহাসিক ঘটনা | পাঠ্যবই, ইন্টারনেট |
কোনো নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য যন্ত্র বা কম্পিউটার যে নির্দেশনা বা নির্দেশনাগুলো অনুসরণ করে তা-ই কোড।
মানুষ ও কম্পিউটারের প্রধান পার্থক্য হলো- মানুষ নিজের কাজ নিজে করতে পারে কিন্তু কম্পিউটার নিজ থেকে কোনো কাজ করতে পারে না।
কম্পিউটার একটি বুদ্ধিমান যন্ত্র। কিন্তু কম্পিউটার নিজ থেকে কোনো কাজ করতে পারে না। কাজ করার জন্য কম্পিউটারকে কিছু ধারাবাহিক নির্দেশনা প্রদান করতে হয়, যাকে কোড বলে।
কেবল নির্দেশনা পেলেই কম্পিউটার কাজ করতে পারে।
যেকোনো তথ্য জানা এবং তা অন্যদের সাথে আদান-প্রদান বা বিনিময় করার জন্য যে প্রযুক্তি বা মাধ্যম ব্যবহার করা হয় তা-ই তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।
প্রযুক্তির উন্নয়নে বিশ্বের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে তথ্য আদান-প্রদান এখন অতি সাধারণ ব্যাপার। আগে মানুষ দূরে থাকা ব্যক্তির সঙ্গে নিজে গিয়ে অথবা কবুতর বা চিঠি পাঠিয়ে যোগাযোগ করতো। কিন্তু এখন তথ্য আদান-প্রদানে আমরা বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহার করি। দূরের কারো সাথে কথা বলার জন্য টেলিফোন বা মোবাইল ফোন ব্যবহার করি। ইন্টারনেট ব্যবহার করে ই-মেইল করতে পারি। এছাড়া প্রযুক্তি ব্যবহার করে আমরা ম্যাসেজ পাঠাতে পারি, ভিডিও কলে কথা বলতে পারি।
সুতরাং, প্রযুক্তির উন্নয়নে তথ্য আদান-প্রদান বা যোগাযোগ আগের থেকে অনেক সহজ হয়েছে।
যোগাযোগ হলো তথ্য আদান-প্রদানের প্রক্রিয়া।
তথ্য আদান-প্রদান প্রক্রিয়ার ছয়টি উদাহরণ হলো-
১। কথা বলা,
২। সংকেত দেখানো,
৩। অঙ্গভঙ্গি করা,
৪। চিঠি লেখা,
৫। ই-মেইল ও
৬। টেলিফোন কল।
তথ্য হচ্ছে কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা ঘটনা সম্পর্কে জ্ঞান।
তথ্য সংগ্রহ করা যায় এমন ছয়টি উৎসের নাম হলো-
১। বই,
২। টেলিভিশন,
৩। রেডিও,
৪। খবরের কাগজ,
৫। ইন্টারনেট ও
৬। শিক্ষক।
যোগাযোগ হলো তথ্য আদান-প্রদানের প্রক্রিয়া।
যোগাযোগ প্রক্রিয়ার তিনটি প্রাচীন উপায় হলো-
১। কবুতর,
২। ধোঁয়ার সংকেত ও
৩। ঢোল বাজানো।
যোগাযোগ প্রক্রিয়ার তিনটি বর্তমান উপায় হলো-
১। মোবাইল ফোন, ২। ই-মেইল ও ৩। কম্পিউটার।
তথ্য হচ্ছে কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা ঘটনা সম্পর্কে জ্ঞান।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারে যেসব সচেতনতা অবলম্বন
করতে হবে তা হলো-
১। শিক্ষক বা অভিভাবকদের নির্দেশনা মেনে ব্যবহার করা।
২। ইন্টারনেট ব্যবহারের প্রতি আসক্তি তৈরি হচ্ছে কীনা সে বিষয়ে খেয়াল রাখা।
৩। সঠিক ব্যবহারের নিয়ম জেনে ব্যবহার করা।
৪। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি যন্ত্রগুলোর যত্ন নেওয়া।
আমরা টেলিভিশন, রেডিও, খবরের কাগজ, বাবা, মা, বন্ধু এবং বই থেকে নানা রকমের তথ্য পাই।
ভুল তথ্য আদান-প্রদান করলে যে ধরনের সমস্যা হতে পারে তা
হলো-
১। ব্যক্তিগত বা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি হয়ে যেতে পারে।
২। নানাবিধ অপরাধ সংগঠিত হতে পারে।.
৩। পরীক্ষা বা যেকোনো বিষয়ে প্রস্তুতি খারাপ হতে পারে।
৪। সঠিক সময়ে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা সম্ভব হয় না।
Related Question
View Allযেকোনো তথ্য আদান-প্রদানের আগে তা সঠিক কি না যাচাই করে নিতে হবে।
অনেক আগে মানুষ কবুতরের সাহায্যে বার্তা পাঠাতেন।
ই-মেইলে তথ্য আদান-প্রদান করতে ইন্টারনেট প্রয়োজন হয়।
তথ্য হচ্ছে কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা ঘটনা সম্পর্কিত জ্ঞান।
নতুন কিছু শিখতে হলে তথ্য জানতে হয়।
সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য জানা জরুরি।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!