নিচের রচনামূলক প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :

Updated: 2 months ago
উত্তরঃ

আবহাওয়া হলো নির্দিষ্ট স্থানে কোনো নির্দিষ্ট দিনের আকাশের অবস্থা, বায়ুর তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, বৃষ্টিপাত, বায়ুপ্রবাহ ইত্যাদির সামগ্রিক প্রকাশ।

আমরা রেডিয়ো, টেলিভিশন ও খবরের কাগজ থেকে আবহাওয়ার তথ্য পেয়ে থাকি। এছাড়াও আমরা স্মার্টফোন বা কম্পিউটার থেকেও প্রতিদিনের আরহাওয়ার তথ্য জানতে পারি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 months ago
উত্তরঃ

ভূ-পৃষ্ঠের পানি সূর্যের তাপে বাষ্পীভূত হয়ে জলীয়বাষ্পে পরিণত হয়। এই জলীয়বাষ্প উপরে ঠাণ্ডার সংস্পর্শে এসে মেঘ তৈরি করে। মেঘের ছোটো ছোটো পানি-কণাগুলো মিলে বড়ো পানির-কণা তৈরি হয়। বড়ো পানি-কণাগুলো ভারী। তাই বাতাসে ভেসে বেড়াতে পারে না। ফোঁটা ফোঁটা পানি হয়ে নিচে নেমে আসে। এটিই বৃষ্টি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 months ago
উত্তরঃ

কৃষিক্ষেত্রে আবহাওয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পর্যাপ্ত ফসল উৎপাদনের জন্য বৃষ্টির ভূমিকা অপরিসীম। বৃষ্টি হলে ফসল ভালোভাবে বেড়ে ওঠে। রোদ থাকলে গাছ খাবার তৈরি করতে পারে। আবার অতিরিক্ত গরম বা ঠান্ডা হলে ফসল নষ্ট হয়ে যায়। ঝড়-বন্যা হলে জমি ও গাছপালার ক্ষতি হয়। তাই কৃষকরা আবহাওয়ার খবর জেনে ফসল লাগায় ও যত্ন নেয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 months ago
উত্তরঃ

আমরা বিভিন্ন মাধ্যম থেকে আবহাওয়ার পূর্বাভাস পেয়ে থাকি। এই পূর্বাভাস জানাতে আবহাওয়া অফিস বিভিন্ন প্রতীক ব্যবহার করে।

সূর্যের প্রতীক দেখলেই বুঝতে পারি আকাশ পরিষ্কার এবং প্রচুর রোদ। আংশিক মেঘাছন্ন প্রতীক দেখে বুঝতে পারি আকাশ আংশিক মেঘে ঢাকা, তবে রোদও আছে। মেঘলা প্রতীক দেখে বুঝতে পারি আকাশ সম্পূর্ণ মেঘে ঢাকা, রোদ নেই। বৃষ্টির ফোঁটা প্রতীক দেখে বুঝতে পারি বৃষ্টি হচ্ছে। এছাড়াও বজ্রসহ বৃষ্টি প্রতীক দেখে বুঝতে পারি বৃষ্টি ও বজ্রপাত হচ্ছে। অনেক সময় শিলা বৃষ্টিও হতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 months ago
উত্তরঃ

আবহাওয়ার উপাদানগুলো হলো প্রধানত তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, বায়ুপ্রবাহ, বৃষ্টিপাত, অক্ষাংশ, দ্রাঘিমাংশ, বায়ুর চাপ, মেঘের অবস্থান ইত্যাদি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 months ago
উত্তরঃ

আবহাওয়ার উপাদানগুলো পরস্পর নির্ভরশীল। একটি উপাদানের হ্রাস-বৃদ্ধি হলে অন্য উপাদানের ওপর তার প্রভাব পড়ে। আবহাওয়ার বিভিন্ন উপাদানের পারস্পরিক ক্রিয়ার ফলেই সামগ্রিক আবহাওয়া বুঝা যায়। যেমন- বায়ুর তাপের তারতম্যের কারণে আমরা ঠান্ডা বা গরম অনুভব করি। বাতাসে আর্দ্রতা কম থাকলে শীতকালে আমাদের হাত, পা, ঠোঁটের চামড়া ফেটে যায়। আবার আর্দ্রতা বেড়ে গেলে আমরা ঘেমে যাই, বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা বাড়ে। বায়ুপ্রবাহের গতি থেকে আমরা ঝড়ের পূর্বাভাস জানতে পারি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 months ago
উত্তরঃ

আমরা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন আবহাওয়া দেখতে পাই। বিভিন্ন কারণে আবহাওয়া পরিবর্তিত হয়। আবহাওয়ার পূর্বাভাস শুনে ও দেখে আমরা সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে পারি। যেমন- রৌদ্রোজ্জ্বল দিনে' বাইরে বের হলে ছাতা বা টুপি ব্যবহার করতে হবে। বৃষ্টির দিনে ছাতা বা রেইনকোর্ট ব্যবহার করতে হবে। ঝড়ো আবহাওয়ায় ঘরের বাইরে বের না হওয়াই ভালো। ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় গরম কাপড় পরিধান করতে হবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 months ago
উত্তরঃ

আবহাওয়া হলো নির্দিষ্ট স্থানে কোনো নির্দিষ্ট দিনের আকাশের অবস্থা, বায়ুর তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, বৃষ্টিপাত, বায়ুপ্রবাহ ইত্যাদির সামগ্রিক প্রকাশ। যেমন- কোনো দিনের আকাশ থাকতে পারে রৌদ্রোজ্জ্বল বা মেঘাছন্ন, বাতাস হতে পারে গরম বা ঠাণ্ডা, আর্দ্র বা শুকনো ইত্যাদি।

আবহাওয়ার উপাদানগুলোর নাম হলো-

১. তাপমাত্রা, ২ আর্দ্রতা, ৩. বায়ুপ্রবাহ, ৪. বৃষ্টিপাত, ৫. বায়ুরচাপ, ৬. অক্ষাংশ, ৭. দ্রাঘিমাংশ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 months ago
উত্তরঃ

বাতাসে জলীয়বাষ্পের উপস্থিতিই হলো আর্দ্রতা।

বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকলে আমরা ঘেমে যাই এবং বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। বাতাসে আর্দ্রতা কম থাকলে কাপড় তাড়াতাড়ি শুকায়, আমাদের ঠোঁট, চামড়া ফেটে যায়।

সাধারণত তাপমাত্রার পার্থক্যের কারণে বায়ু প্রবাহিত হয়। তাপমাত্রার প্রভাবে বাতাসে আর্দ্রতা কম-বেশি হয়। আবার যখন ভূপৃষ্ঠের কোনো অঞ্চল অন্য অঞ্চল থেকে বেশি গরম হয় তখন সে স্থানের বায়ু হাল্কা হয়ে উপরে উঠে যায়। ফলে সেখানে বায়ুশূন্যতা সৃষ্টি হয় এবং বায়ুচাপ কমে যায়। আশপাশের এলাকার বায়ু দ্রুতবেগে এ শূন্যতা পূরণ করে। এভাবে তাপমাত্রার পার্থক্যের ফলে বায়ু প্রবাহিত হয়। তাপমাত্রার প্রভাবে বায়ুপ্রবাহের দিকও পরিবর্তন হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 months ago
উত্তরঃ

মেঘ হলো আকাশে ভাসমান পানির কণা।

মেঘের উচ্চতা ও গঠনের উপর ভিত্তি করে মেঘকে দশটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।

যেকোনো দুটি মেঘের বর্ণনা নিচে দেওয়া হলো-

১। সাইরাস মেঘ: সাদা তুলা বা পালকের মতো দেখতে। আকাশের অনেক উপরে থাকে। এ মেঘে বৃষ্টিপাত হয় না।
২। কিউমুলাস মেঘ: ধূসর বা সাদা স্তূপ আকৃতির মেঘ। এই মেঘে বজ্রপাতসহ বৃষ্টিপাত হতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 months ago
উত্তরঃ

কুয়াশা এক ধরনের মেঘ, যা আমরা ভূপৃষ্ঠে দেখে থাকি।

সূর্যের তাপে সাগর বা নদীর পানি বাষ্পীভূত হয়ে জলীয়বাষ্পে পরিণত হয়। যখন বাতাসের জলীয়বাষ্প ঠাণ্ডা হয়, তখন তা সূক্ষ্ম ধূলিকণার উপর জমা হয়ে ক্ষুদ্র পানি-কণা তৈরি করে।
এভাবে সৃষ্ট ক্ষুদ্র পানি-কণার সমষ্টিই হচ্ছে মেঘ।

আবহাওয়ার পরিবর্তনে বায়ুপ্রবাহের দুটি প্রভাব হলো –

১. কোনো এলাকার মেঘ বাতাসের মাধ্যমে এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে প্রবাহিত হয়।
২. ভূপৃষ্ঠের কোনো অঞ্চল অন্য অঞ্চল থেকে বেশি গরম হলে সেখানে বায়ুপ্রবাহের সৃষ্টি হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 months ago
উত্তরঃ

সুপেয় পানির, প্রধান উৎস বৃষ্টি।

প্রকৃতিতে রৌদ্রের তাপে ভূপৃষ্ঠের পানি বাষ্পীভূত হয়ে জলীয়বাষ্পে পরিণত হয়। যখন বাতাসের জলীয়বাষ্প ঠাণ্ডা হয় তখন তা সূক্ষ্ম ধূলিকণার উপন্ন জমা হয়ে ক্ষুদ্র পানি-কণা তৈরি করে। এই ক্ষুদ্র পানি-কণা আকাশে মেঘ হিসেবে ভেসে বেড়ায়। আবহাওয়ার পরিবর্তনে বায়ুপ্রবাহের দুটি প্রভাব হলো-

১. বাতাসের মাধ্যমে মেঘ এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে প্রবাহিত হয়।
২. ভূপৃষ্ঠের কোনো অঞ্চল অন্য অঞ্চল থেকে বেশি গরম হলে সেখানে বায়ুপ্রবাহ সৃষ্টি হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 months ago
উত্তরঃ

বাষ্প ঠান্ডা হয়ে তরল পদার্থে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াকে ঘনীভবন বলে।

তাপমাত্রার দৈনিক পরিবর্তন সম্পর্কে তিনটি বাক্য হলো-

১. সূর্য উঠলে বায়ু ধীরে ধীরে গরম হয় এবং তাপমাত্রা বাড়তে থাকে।
২. বিকেলে সূর্য অস্ত যাওয়ার সময় বায়ু ঠাণ্ডা হয় এবং তাপমাত্রা কমতে থাকে।
৩. বায়ুর তাপমাত্রার পরিবর্তন আকাশে সূর্যের অবস্থানের ভিত্তিতে হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 months ago
19
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews