নিচের প্রশ্নগুলোর সংক্ষেপে উত্তর দাও

Updated: 2 months ago
উত্তরঃ

হজরত ইবরাহিম (আ.) মহান আল্লাহর প্রতি অবিচল বিশ্বাস ও আনুগত্যের জন্য প্রসিদ্ধি লাভ করেন। তিনি মহান আল্লাহর খুব প্রিয় বান্দা ছিলেন। তাই তাঁকে 'খলিলুল্লাহ' বা 'আল্লাহর বন্ধু' বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

ফিরাউন সারা রাজ্যে ফরমান জারি করেছিল যে, বনি ইসরাইল বংশে জন্ম নেওয়া সকল পুত্রসন্তানকে হত্যা করতে হবে। ফিরাউনের আদেশ অনুযায়ী সে সময় বনি ইসরাইলের বহুসংখ্যক নবজাতককে হত্যা করা হলো। এমন পরিস্থিতিতে হজরত মুসা (আ.)-এর জন্ম হয়। এজন্য তাঁর মা ফিরাউনের ভয়ে শিশুপুত্রকে কাঠের সিন্ধুকে ভরে নদীতে ভাসিয়ে দিলেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবীর প্রথম ইবাদতের ঘর হলো 'কাবা'। হজরত আদম (আ.) এ ঘর নির্মাণ করেন। হজরত নূহ (আ.)-এর সময় মহাপ্লাবনে কাবাঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মহান আল্লাহর নির্দেশে হজরত ইবরাহিম (আ.) ও হজরত ইসমাইল (আ.) তা পুনঃনির্মাণ করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

হজরত উমর ফারুক (রা.)-এর জীবনের তিনটি ভালো গুণ হলো-
১. হজরত উমর (রা.) ছিলেন ইসলামের জন্য নিবেদিতপ্রাণ। তিনি ইসলামের প্রচার ও প্রসারের জন্য তাঁর ধনসম্পদ উৎসর্গ করেন।

২. তিনি সর্বদা ন্যায়ের পক্ষ অবলম্বন করতেন।
৩. তাঁর দৃষ্টিতে ধনী-গরিব, আপন-পর কোনো ভেদাভেদ ছিল না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

অসুস্থ হলে আমরা ধৈর্যশীল হব। চিকিৎসা করাব এবং সুস্থতার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করব। 'আল্লাহর ওপর ভরসা করব।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

হজরত ইবরাহিম (আ.)-কে 'খলিলুল্লাহ' বা 'আল্লাহর বন্ধু' বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

তিনি বর্তমান ইরাকের প্রাচীন বাবেল শহরে জন্মগ্রহণ করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

তার পিতার নাম ছিল আজর।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

তখন সে দেশের বাদশাহ ছিল নমরুদ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

তার সম্প্রদায়ের নাম ছিল 'বনি ইসরাইল'

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

প্রাচীনকালে মিশরের বাদশাহদের উপাধি ছিল ফিরাউন

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

'মহানবি (স.) ৫৭০ খ্রিষ্টাব্দের ১২ই রবিউল আউয়াল জন্মগ্রহণ করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

শৈশবে সবাই তাকে 'আল-আমিন' (বিশ্বস্ত) ও 'আস-সাদিক' (সত্যবাদী) বলে ডাকত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

এই সেবাসংঘের নাম ছিল 'হিলফুল ফুজুল'।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

হজরত উমর (রা.) ছিলেন ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

তার বংশে অনেক নবি-রাসুল জন্মগ্রহণ করেছিলেন বলে তাকে 'আবুল আম্বিয়া' বা 'নরিগণের পিতা' বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

মহান আল্লাহর হুকুমে আগুন সুশীতল ও আরামদায়ক হয়ে যাওয়ায় তিনি রক্ষা পান

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

নবিগণ স্বপ্নে যা দেখেন তাকে 'ওহি' বা আল্লাহর আদেশ বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

ফিরাউনের নির্দেশে বনি ইসরাইল বংশের পুত্রসন্তানদের হত্যার হাত থেকে বাঁচাতে তিনি তাকে নদীতে ভাসিয়ে দেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

মহান আল্লাহর সঙ্গে তিনি সরাসরি কথা বলতেন বলে তাকে 'কালিমুল্লাহ' বা আল্লাহর সঙ্গে কথোপকথনকারী বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

মহান আল্লাহর সঙ্গে তিনি সরাসরি কথা বলতেন বলে তাকে 'কালিমুল্লাহ' বা আল্লাহর সঙ্গে কথোপকথনকারী বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

দেশের অশান্তি দূর করতে এবং অসহায় ও নিপীড়িত মানুষকে সাহায্য করার উদ্দেশ্যে এটি গঠন করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

নিজের বোন ও ভগ্নিপতির নিকট পবিত্র কুরআনের তিলাওয়াত শুনে মুগ্ধ হয়ে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

তিনি এবং তার ভৃত্য পালাক্রমে উটের পিঠে চড়ে যাতায়াত করেছিলেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

তিনি রাসুলুল্লাহ (স.)-এর স্ত্রী ছিলেন বলে তাকে 'উম্মুল মুমিনীন' বা মুমিনদের মাতা বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

তিনি আহত সৈনিকদের সেবা করতেন এবং তাদের জন্য খাদ্য ও পানি সরবরাহ করতেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

তারা উভয়েই ছিল অত্যাচারী শাসক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

খলিলুল্লাহ মানে আল্লাহর বন্ধু 'ইবরাহিম (আ.)', আর কালিমুল্লাহ, মানে আল্লাহর সঙ্গে কথা বলা ব্যক্তি 'মুসা (আ.)'।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

মুহাম্মদ অর্থ প্রশংসিত এবং আহমাদ অর্থ অধিকতর প্রশংসাকারী।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

অন্যান্য মুসলমান গোপনে হিজরত করলেও হজরত উমর (রা.) প্রকাশ্যে হিজরত করেছিলেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

তিনি আইনের প্রয়োগে ছিলেন আপসহীন বা কঠোর, কিন্তু মানুষের দুঃখ-কষ্টে ছিলেন অত্যন্ত কোমল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

আল-আমিন অর্থ বিশ্বস্ত এবং আস-সাদিক অর্থ সত্যবাদী।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

তিনি ইসলামি জ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় অসাধারণ ব্যুৎপত্তি ও গভীর জ্ঞানের অধিকারী ছিলেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

নীলনদের সাথে হজরত মুসা (আ.) এবং জমজম কূপের সাথে হজরত ইসমাইল (আ.) যুক্ত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

হারবুল ফিজার ছিল একটি অন্যায় যুদ্ধ এবং হিলফুল ফুজুল ছিল শান্তি প্রতিষ্ঠার একটি সেবাসংঘ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

ইবরাহিম (আ.)-এর জন্য আগুন সুশীতল হয়েছিল, আর মুসা (আ.)-এর জন্য নীলনদে রাস্তা তৈরি হয়েছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

নমরুদ ও নিজ পরিবারের বিরোধিতার মুখেও তিনি ধৈর্য ধারণ করে দ্বীনের কাজ চালিয়ে যান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

তিনি অতিথিদের আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাতেন এবং নিজের বাড়িতে তাদের খাবার ও আশ্রয় দিতেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

তিনি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শক্তিশালী শাসক ফিরাউনের সামনে ইসলামের দাওয়াত দেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

তিনি ঘরের কাজ করতেন এবং মাঠে উট ও মেষ চরাতেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

তিনি ছোটোদের স্নেহ করতেন এবং বড়োদের সম্মান করতেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

অসহায় লোকদের সাহায্য করা এবং বিভিন্ন গোত্রের মধ্যে সুসম্পর্ক স্থাপন করা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

মদ্যপানের অপরাধে তিনি নিজের পুত্র আবু শাহমাকেও কঠোর শাস্তি দিয়েছিলেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

তিনি পবিত্র কুরআনের আয়াত শোনামাত্রই মুখস্ত করে ফেলতে পারতেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

রোজা থাকা সত্ত্বেও তিনি তার ঘরে থাকা একমাত্র রুটিটি একজন ভিক্ষুককে দিয়ে দেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

তার লাঠির আঘাতে নীলনদে ১২টি রাস্তা তৈরি হয়েছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

আমি যে কোনো বিপদে ধৈর্যশীল হব এবং মহান আল্লাহর ওপর ভরসা রাখব।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

আমি অতিথিদের আন্তরিকভাবে গ্রহণ করব এবং তাদের আপ্যায়ন করব।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

আমি সর্বদা সত্য কথা বলব এবং মিথ্যার সঙ্গে কোনো আপোস করব না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

মহানবি (স.)-এর আদর্শ অনুযায়ী আমি ছোটোদের স্নেহ ও আদর করব।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

কিশোর মহানবি (স.)-এর মতো আমিও ঘরের ছোটোখাটো কাজে বড়োদের সাহায্য করব।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

কোনো সহপাঠী সমস্যায় পড়লে বা বিপদে পড়লে আমি তাকে যথাসাধ্য সহযোগিতা করব।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

হজরত উমর (রা.)-এর আদর্শে আমি তাদের সাথে বসে একই খাবার খাব এবং কোনো বৈষম্য করব না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

আমি অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করব এবং যা শিখব তা মেধা দিয়ে ধারণ করার চেষ্টা করব

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

আমি আমার নিজের খাবার তাকে দিয়ে দেব এবং নিঃস্বার্থভাবে সাহায্য করব।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

হজরত ইবরাহিম (আ.) ছিলেন আল্লাহর একজন মহান নবি যিনি তার অবিচল বিশ্বাস ও আনুগত্যের জন্য প্রসিদ্ধ। 'তাকে 'আবুল মিল্লাত' বা মুসলিম জাতির পিতা এবং 'আবুল আম্বিয়া' বা নবিগণের পিতা বলা হয়। তিনি বর্তমান ইরাকের প্রাচীন বাবেল শহরে জন্মগ্রহণ করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

হজরত ইবরাহিম (আ.) মহান আল্লাহর অত্যন্ত প্রিয় বান্দা ছিলেন। তার গভীর ভক্তি ও আনুগত্যের কারণে আল্লাহ তাকে বিশেষ এই উপাধি দান করেন। 'খলিলুল্লাহ' শব্দের অর্থ হলো 'আল্লাহর বন্ধু'।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

বাদশাহ নমরুদ ইবরাহিম (আ.)-কে পুড়িয়ে মারার জন্য এক বিশাল অগ্নিকুণ্ড তৈরি করে তাকে সেখানে ফেলে দেয়। আল্লাহর হুকুমে সেই জ্বলন্ত আগুন তার জন্য শীতল ও আরামদায়ক হয়ে যায়। ফলে অগ্নিকুণ্ড থেকে তিনি সম্পূর্ণ অক্ষত অবস্থায় বের হয়ে আসেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

হজরত ইবরাহিম (আ.) আল্লাহর নির্দেশ পালনের জন্য তার প্রিয় পুত্র ইসমাইলকে কুরবানি দিতে প্রস্তুত হয়েছিলেন। এই ঘটনা আমাদের শিখায় যে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য আমাদের সবচেয়ে প্রিয় বস্তু ত্যাগ করতে প্রস্তুত থাকতে হবে। এর মাধ্যমে ইবরাহিম (আ.) তার ধৈর্যের এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবীর প্রথম ইবাদতের ঘর হলো কাবা যা সর্বপ্রথম হজরত আদম (আ.) নির্মাণ করেন। পরবর্তীকালে নূহ (আ.)-এর সময়ের মহাপ্লাবনে ঘরটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। মহান আল্লাহর নির্দেশে হজরত ইবরাহিম (আ.) ও হজরত ইসমাইল (আ.) মিলে সেই কাবাঘর পুনর্নির্মাণ করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

মিশরের অত্যাচারী শাসক ফিরাউন নিজেকে প্রভু বলে দাবি করত এবং বনি ইসরাইলদের ওপর কঠিন নির্যাতন চালাত। সে এক স্বপ্নের ব্যাখ্যা শুনে বনি ইসরাইল বংশের সকল পুত্রসন্তানকে হত্যার নির্দেশ দেয়। এমন সংকটময় পরিস্থিতিতে হজরত মুসা (আ.) জন্মগ্রহণ করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

ফিরাউনের হাত থেকে বাঁচাতে মুসা (আ.)-এর মা তাকে একটি সিন্দুকে ভরে নদীতে ভাসিয়ে দেন। আল্লাহর কুদরতে সিন্দুকটি ফিরাউনের প্রাসাদের ঘাটে ভিড়লে তার স্ত্রী আছিয়া তাকে কোলে তুলে নেন। এভাবে ফিরাউনের শত্রু হয়েও মুসা (আ:) তারই প্রাসাদে পরম মমতায় লালিত-পালিত হন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

হজরত মুসা (আমাল্লাহর একজন অত্যন্ত সম্মানিত নবি ও রাসুল ছিলেন। তিনি সরাসরি মহান আল্লাহর সঙ্গে কথোপকথন বা কথা বলতেন। একারণেই তাকে 'কালিমুল্লাহ' বলা হয় যার অর্থ হলো 'আল্লাহর সঙ্গে কথোপকথনকারী'।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

ফিরাউন ও তার সেনাবাহিনী যখন মুসা (আ.)-কে ধাওয়া করছিল, তখন আল্লাহর আদেশে নীল নদের পানি সরে গিয়ে রাস্তা তৈরি হয়। মুসা (আ.) তার অনুসারীদের নিয়ে নিরাপদে রাস্তাটি দিয়ে পার হয়ে গেলেও মাঝপথে ফিরাউন পৌঁছালে পানি আবার এক হয়ে যায়। এভাবে ফিরাউন তার দলবলসহ পানিতে ডুবে মারা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

আমাদের প্রিয় নত্রি হজরত মুহাম্মদ (স.) ৫৭০ খ্রিষ্টাব্দে মক্কীর সম্ভ্রান্ত কুরাইশ বংশে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম আব্দুল্লাহ এবং মাতার নাম, আমিনা। তার দাদা আব্দুল মুত্তালিব তার নাম রাখেন 'মুহাম্মদ', যার অর্থ হলো 'প্রশংসিত'।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

বাল্যকাল থেকেই মুহাম্মদ (স.) অত্যন্ত সত্যবাদী এবং বিশ্বস্ত ছিলেন। মক্কার সকল মানুষ তাকে মনেপ্রাণে বিশ্বাস করত, এবং তার কাছে মূল্যবান সম্পদ গচ্ছিত রাখত। এই চারিত্রিক গুণের কারণেই সবাই 'তাকে 'আল-আমিন' (বিশ্বস্ত) ও 'আস-সাদিক' (সত্যবাদী) বলে ডাকত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

মহানবি (স.)-এর বয়স যখন আনুমানিক ১৪-১৫ বছর তখন বনু কায়েস গোত্র অন্যায়ভাবে কুরাইশ গোত্রের ওপর আক্রমণ করে। মক্কার বিখ্যাত ওকাজ মেলায় জুয়া খেলাকে কেন্দ্র করে এ যুদ্ধ বাঁধে। এটি 'হারবুল ফিজার' বা 'অন্যায় যুদ্ধ' নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

মহানবি (স.)-এর বয়স যখন আনুমানিক ১৪-১৫ বছর তখন বনু কায়েস গোত্র অন্যায়ভাবে কুরাইশ গোত্রের ওপর আক্রমণ করে। মক্কার বিখ্যাত ওকাজ মেলায় জুয়া খেলাকে কেন্দ্র করে এ যুদ্ধ বাঁধে। এটি 'হারবুল ফিজার' বা 'অন্যায় যুদ্ধ' নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

অন্যায় যুদ্ধের ভয়াবহতা দেখে কিশোর মুহাম্মদ (স.) অসহায় মানুষের কল্যাণে 'হিলফুল ফুজুল' বা সেবাসংঘ গঠন করেন। এর মূল লক্ষ্য ছিল দেশের অশান্তি দূর করা, দরিদ্রদের সহায়তা করা এবং বিভিন্ন গোত্রের মধ্যে সম্প্রীতি বজায় রাখা।
তিনি এই শান্তিসংঘের মাধ্যমে মানুষের দুঃখ-কষ্ট দূর করার চেষ্টা করতেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

প্রথম জীবনে হজরত উমর (রা.) ইসলামের চরম শত্রু থাকলেও তার বোনের বাড়ির কুরআন তিলাওয়াত শুনে মুগ্ধ হন। ইসলামের প্রতি বোনের অবিচল আনুগত্য দেখে তার মনে আমূল পরিবর্তন ঘটে। এরপর তিনি মহানবি (স.)-এর কাছে গিয়ে সরাসরি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

জেরুজালেম জয়ের সময় উমর (রা.) ও তার ভৃত্য একটি উটে পালাক্রমে চড়ে যাচ্ছিলেন। যখন তারা শহরে পৌঁছান তখন ভৃত্য ছিলেন উটের পিঠে আর খলিফা নিজে উটের রশি টানছিলেন। এই ঘটনা খলিফা উমরের সাম্য, বিনয় এবং অসাধারণ উদারতার এক মহান দৃষ্টান্ত!!.

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

হজরত আয়েশা (রা.)-কে উম্মুল মুমিনীন বলা হয়। হজরত আয়েশা সিদ্দীকা (রা.) ৬১৩ খ্রিস্টাব্দে মক্কায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন রাসুলুল্লাহ (স.)-এর স্ত্রী। তাই তাঁকে 'উম্মুল মুমিনীন' বা 'মুমিনদের মাতা' বলা হয়। তাঁর পিতা ইসলামের প্রথম খলিফা হজরত আবু বকর সিদ্দীক (রা.) এবং মাতা উম্মে রুম্মান বিনতে আমির (রা.)।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

হজরত আয়েশা (রা.) ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী এবং অনেক হাদিসের বর্ণনাকারী। তিনি ইসলামি শরিয়তের বিভিন্ন বিষয়ে গভীর জ্ঞান রাখতেন এবং নারী সাহাবিদের নেতৃত্ব দিতেন। এছাড়া দান-সদকার ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন অত্যন্ত উদার | এবং ইবাদতে সদা মশগুল থাকতেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
30
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews