হজরত ইবরাহিম (আ.) মহান আল্লাহর প্রতি অবিচল বিশ্বাস ও আনুগত্যের জন্য প্রসিদ্ধি লাভ করেন। তিনি মহান আল্লাহর খুব প্রিয় বান্দা ছিলেন। তাই তাঁকে 'খলিলুল্লাহ' বা 'আল্লাহর বন্ধু' বলা হয়।
ফিরাউন সারা রাজ্যে ফরমান জারি করেছিল যে, বনি ইসরাইল বংশে জন্ম নেওয়া সকল পুত্রসন্তানকে হত্যা করতে হবে। ফিরাউনের আদেশ অনুযায়ী সে সময় বনি ইসরাইলের বহুসংখ্যক নবজাতককে হত্যা করা হলো। এমন পরিস্থিতিতে হজরত মুসা (আ.)-এর জন্ম হয়। এজন্য তাঁর মা ফিরাউনের ভয়ে শিশুপুত্রকে কাঠের সিন্ধুকে ভরে নদীতে ভাসিয়ে দিলেন।
পৃথিবীর প্রথম ইবাদতের ঘর হলো 'কাবা'। হজরত আদম (আ.) এ ঘর নির্মাণ করেন। হজরত নূহ (আ.)-এর সময় মহাপ্লাবনে কাবাঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মহান আল্লাহর নির্দেশে হজরত ইবরাহিম (আ.) ও হজরত ইসমাইল (আ.) তা পুনঃনির্মাণ করেন।
হজরত উমর ফারুক (রা.)-এর জীবনের তিনটি ভালো গুণ হলো-
১. হজরত উমর (রা.) ছিলেন ইসলামের জন্য নিবেদিতপ্রাণ। তিনি ইসলামের প্রচার ও প্রসারের জন্য তাঁর ধনসম্পদ উৎসর্গ করেন।
২. তিনি সর্বদা ন্যায়ের পক্ষ অবলম্বন করতেন।
৩. তাঁর দৃষ্টিতে ধনী-গরিব, আপন-পর কোনো ভেদাভেদ ছিল না।
অসুস্থ হলে আমরা ধৈর্যশীল হব। চিকিৎসা করাব এবং সুস্থতার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করব। 'আল্লাহর ওপর ভরসা করব।
হজরত ইবরাহিম (আ.)-কে 'খলিলুল্লাহ' বা 'আল্লাহর বন্ধু' বলা হয়।
তিনি বর্তমান ইরাকের প্রাচীন বাবেল শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
তার পিতার নাম ছিল আজর।
তখন সে দেশের বাদশাহ ছিল নমরুদ।
তার সম্প্রদায়ের নাম ছিল 'বনি ইসরাইল'
প্রাচীনকালে মিশরের বাদশাহদের উপাধি ছিল ফিরাউন
'মহানবি (স.) ৫৭০ খ্রিষ্টাব্দের ১২ই রবিউল আউয়াল জন্মগ্রহণ করেন।
শৈশবে সবাই তাকে 'আল-আমিন' (বিশ্বস্ত) ও 'আস-সাদিক' (সত্যবাদী) বলে ডাকত।
এই সেবাসংঘের নাম ছিল 'হিলফুল ফুজুল'।
হজরত উমর (রা.) ছিলেন ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা।
তার বংশে অনেক নবি-রাসুল জন্মগ্রহণ করেছিলেন বলে তাকে 'আবুল আম্বিয়া' বা 'নরিগণের পিতা' বলা হয়।
মহান আল্লাহর হুকুমে আগুন সুশীতল ও আরামদায়ক হয়ে যাওয়ায় তিনি রক্ষা পান
নবিগণ স্বপ্নে যা দেখেন তাকে 'ওহি' বা আল্লাহর আদেশ বলা হয়।
ফিরাউনের নির্দেশে বনি ইসরাইল বংশের পুত্রসন্তানদের হত্যার হাত থেকে বাঁচাতে তিনি তাকে নদীতে ভাসিয়ে দেন।
মহান আল্লাহর সঙ্গে তিনি সরাসরি কথা বলতেন বলে তাকে 'কালিমুল্লাহ' বা আল্লাহর সঙ্গে কথোপকথনকারী বলা হয়।
মহান আল্লাহর সঙ্গে তিনি সরাসরি কথা বলতেন বলে তাকে 'কালিমুল্লাহ' বা আল্লাহর সঙ্গে কথোপকথনকারী বলা হয়।
দেশের অশান্তি দূর করতে এবং অসহায় ও নিপীড়িত মানুষকে সাহায্য করার উদ্দেশ্যে এটি গঠন করা হয়।
নিজের বোন ও ভগ্নিপতির নিকট পবিত্র কুরআনের তিলাওয়াত শুনে মুগ্ধ হয়ে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন।
তিনি এবং তার ভৃত্য পালাক্রমে উটের পিঠে চড়ে যাতায়াত করেছিলেন।
তিনি রাসুলুল্লাহ (স.)-এর স্ত্রী ছিলেন বলে তাকে 'উম্মুল মুমিনীন' বা মুমিনদের মাতা বলা হয়।
তিনি আহত সৈনিকদের সেবা করতেন এবং তাদের জন্য খাদ্য ও পানি সরবরাহ করতেন।
তারা উভয়েই ছিল অত্যাচারী শাসক।
খলিলুল্লাহ মানে আল্লাহর বন্ধু 'ইবরাহিম (আ.)', আর কালিমুল্লাহ, মানে আল্লাহর সঙ্গে কথা বলা ব্যক্তি 'মুসা (আ.)'।
মুহাম্মদ অর্থ প্রশংসিত এবং আহমাদ অর্থ অধিকতর প্রশংসাকারী।
অন্যান্য মুসলমান গোপনে হিজরত করলেও হজরত উমর (রা.) প্রকাশ্যে হিজরত করেছিলেন।
তিনি আইনের প্রয়োগে ছিলেন আপসহীন বা কঠোর, কিন্তু মানুষের দুঃখ-কষ্টে ছিলেন অত্যন্ত কোমল।
আল-আমিন অর্থ বিশ্বস্ত এবং আস-সাদিক অর্থ সত্যবাদী।
তিনি ইসলামি জ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় অসাধারণ ব্যুৎপত্তি ও গভীর জ্ঞানের অধিকারী ছিলেন।
নীলনদের সাথে হজরত মুসা (আ.) এবং জমজম কূপের সাথে হজরত ইসমাইল (আ.) যুক্ত।
হারবুল ফিজার ছিল একটি অন্যায় যুদ্ধ এবং হিলফুল ফুজুল ছিল শান্তি প্রতিষ্ঠার একটি সেবাসংঘ।
ইবরাহিম (আ.)-এর জন্য আগুন সুশীতল হয়েছিল, আর মুসা (আ.)-এর জন্য নীলনদে রাস্তা তৈরি হয়েছিল।
নমরুদ ও নিজ পরিবারের বিরোধিতার মুখেও তিনি ধৈর্য ধারণ করে দ্বীনের কাজ চালিয়ে যান।
তিনি অতিথিদের আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাতেন এবং নিজের বাড়িতে তাদের খাবার ও আশ্রয় দিতেন।
তিনি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শক্তিশালী শাসক ফিরাউনের সামনে ইসলামের দাওয়াত দেন।
তিনি ঘরের কাজ করতেন এবং মাঠে উট ও মেষ চরাতেন।
তিনি ছোটোদের স্নেহ করতেন এবং বড়োদের সম্মান করতেন।
অসহায় লোকদের সাহায্য করা এবং বিভিন্ন গোত্রের মধ্যে সুসম্পর্ক স্থাপন করা।
মদ্যপানের অপরাধে তিনি নিজের পুত্র আবু শাহমাকেও কঠোর শাস্তি দিয়েছিলেন।
তিনি পবিত্র কুরআনের আয়াত শোনামাত্রই মুখস্ত করে ফেলতে পারতেন।
রোজা থাকা সত্ত্বেও তিনি তার ঘরে থাকা একমাত্র রুটিটি একজন ভিক্ষুককে দিয়ে দেন।
তার লাঠির আঘাতে নীলনদে ১২টি রাস্তা তৈরি হয়েছিল।
আমি যে কোনো বিপদে ধৈর্যশীল হব এবং মহান আল্লাহর ওপর ভরসা রাখব।
আমি অতিথিদের আন্তরিকভাবে গ্রহণ করব এবং তাদের আপ্যায়ন করব।
আমি সর্বদা সত্য কথা বলব এবং মিথ্যার সঙ্গে কোনো আপোস করব না।
মহানবি (স.)-এর আদর্শ অনুযায়ী আমি ছোটোদের স্নেহ ও আদর করব।
কিশোর মহানবি (স.)-এর মতো আমিও ঘরের ছোটোখাটো কাজে বড়োদের সাহায্য করব।
কোনো সহপাঠী সমস্যায় পড়লে বা বিপদে পড়লে আমি তাকে যথাসাধ্য সহযোগিতা করব।
হজরত উমর (রা.)-এর আদর্শে আমি তাদের সাথে বসে একই খাবার খাব এবং কোনো বৈষম্য করব না।
আমি অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করব এবং যা শিখব তা মেধা দিয়ে ধারণ করার চেষ্টা করব
আমি আমার নিজের খাবার তাকে দিয়ে দেব এবং নিঃস্বার্থভাবে সাহায্য করব।
হজরত ইবরাহিম (আ.) ছিলেন আল্লাহর একজন মহান নবি যিনি তার অবিচল বিশ্বাস ও আনুগত্যের জন্য প্রসিদ্ধ। 'তাকে 'আবুল মিল্লাত' বা মুসলিম জাতির পিতা এবং 'আবুল আম্বিয়া' বা নবিগণের পিতা বলা হয়। তিনি বর্তমান ইরাকের প্রাচীন বাবেল শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
হজরত ইবরাহিম (আ.) মহান আল্লাহর অত্যন্ত প্রিয় বান্দা ছিলেন। তার গভীর ভক্তি ও আনুগত্যের কারণে আল্লাহ তাকে বিশেষ এই উপাধি দান করেন। 'খলিলুল্লাহ' শব্দের অর্থ হলো 'আল্লাহর বন্ধু'।
বাদশাহ নমরুদ ইবরাহিম (আ.)-কে পুড়িয়ে মারার জন্য এক বিশাল অগ্নিকুণ্ড তৈরি করে তাকে সেখানে ফেলে দেয়। আল্লাহর হুকুমে সেই জ্বলন্ত আগুন তার জন্য শীতল ও আরামদায়ক হয়ে যায়। ফলে অগ্নিকুণ্ড থেকে তিনি সম্পূর্ণ অক্ষত অবস্থায় বের হয়ে আসেন।
হজরত ইবরাহিম (আ.) আল্লাহর নির্দেশ পালনের জন্য তার প্রিয় পুত্র ইসমাইলকে কুরবানি দিতে প্রস্তুত হয়েছিলেন। এই ঘটনা আমাদের শিখায় যে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য আমাদের সবচেয়ে প্রিয় বস্তু ত্যাগ করতে প্রস্তুত থাকতে হবে। এর মাধ্যমে ইবরাহিম (আ.) তার ধৈর্যের এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
পৃথিবীর প্রথম ইবাদতের ঘর হলো কাবা যা সর্বপ্রথম হজরত আদম (আ.) নির্মাণ করেন। পরবর্তীকালে নূহ (আ.)-এর সময়ের মহাপ্লাবনে ঘরটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। মহান আল্লাহর নির্দেশে হজরত ইবরাহিম (আ.) ও হজরত ইসমাইল (আ.) মিলে সেই কাবাঘর পুনর্নির্মাণ করেন।
মিশরের অত্যাচারী শাসক ফিরাউন নিজেকে প্রভু বলে দাবি করত এবং বনি ইসরাইলদের ওপর কঠিন নির্যাতন চালাত। সে এক স্বপ্নের ব্যাখ্যা শুনে বনি ইসরাইল বংশের সকল পুত্রসন্তানকে হত্যার নির্দেশ দেয়। এমন সংকটময় পরিস্থিতিতে হজরত মুসা (আ.) জন্মগ্রহণ করেন।
ফিরাউনের হাত থেকে বাঁচাতে মুসা (আ.)-এর মা তাকে একটি সিন্দুকে ভরে নদীতে ভাসিয়ে দেন। আল্লাহর কুদরতে সিন্দুকটি ফিরাউনের প্রাসাদের ঘাটে ভিড়লে তার স্ত্রী আছিয়া তাকে কোলে তুলে নেন। এভাবে ফিরাউনের শত্রু হয়েও মুসা (আ:) তারই প্রাসাদে পরম মমতায় লালিত-পালিত হন।
হজরত মুসা (আমাল্লাহর একজন অত্যন্ত সম্মানিত নবি ও রাসুল ছিলেন। তিনি সরাসরি মহান আল্লাহর সঙ্গে কথোপকথন বা কথা বলতেন। একারণেই তাকে 'কালিমুল্লাহ' বলা হয় যার অর্থ হলো 'আল্লাহর সঙ্গে কথোপকথনকারী'।
ফিরাউন ও তার সেনাবাহিনী যখন মুসা (আ.)-কে ধাওয়া করছিল, তখন আল্লাহর আদেশে নীল নদের পানি সরে গিয়ে রাস্তা তৈরি হয়। মুসা (আ.) তার অনুসারীদের নিয়ে নিরাপদে রাস্তাটি দিয়ে পার হয়ে গেলেও মাঝপথে ফিরাউন পৌঁছালে পানি আবার এক হয়ে যায়। এভাবে ফিরাউন তার দলবলসহ পানিতে ডুবে মারা যায়।
আমাদের প্রিয় নত্রি হজরত মুহাম্মদ (স.) ৫৭০ খ্রিষ্টাব্দে মক্কীর সম্ভ্রান্ত কুরাইশ বংশে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম আব্দুল্লাহ এবং মাতার নাম, আমিনা। তার দাদা আব্দুল মুত্তালিব তার নাম রাখেন 'মুহাম্মদ', যার অর্থ হলো 'প্রশংসিত'।
বাল্যকাল থেকেই মুহাম্মদ (স.) অত্যন্ত সত্যবাদী এবং বিশ্বস্ত ছিলেন। মক্কার সকল মানুষ তাকে মনেপ্রাণে বিশ্বাস করত, এবং তার কাছে মূল্যবান সম্পদ গচ্ছিত রাখত। এই চারিত্রিক গুণের কারণেই সবাই 'তাকে 'আল-আমিন' (বিশ্বস্ত) ও 'আস-সাদিক' (সত্যবাদী) বলে ডাকত।
মহানবি (স.)-এর বয়স যখন আনুমানিক ১৪-১৫ বছর তখন বনু কায়েস গোত্র অন্যায়ভাবে কুরাইশ গোত্রের ওপর আক্রমণ করে। মক্কার বিখ্যাত ওকাজ মেলায় জুয়া খেলাকে কেন্দ্র করে এ যুদ্ধ বাঁধে। এটি 'হারবুল ফিজার' বা 'অন্যায় যুদ্ধ' নামে পরিচিত।
মহানবি (স.)-এর বয়স যখন আনুমানিক ১৪-১৫ বছর তখন বনু কায়েস গোত্র অন্যায়ভাবে কুরাইশ গোত্রের ওপর আক্রমণ করে। মক্কার বিখ্যাত ওকাজ মেলায় জুয়া খেলাকে কেন্দ্র করে এ যুদ্ধ বাঁধে। এটি 'হারবুল ফিজার' বা 'অন্যায় যুদ্ধ' নামে পরিচিত।
অন্যায় যুদ্ধের ভয়াবহতা দেখে কিশোর মুহাম্মদ (স.) অসহায় মানুষের কল্যাণে 'হিলফুল ফুজুল' বা সেবাসংঘ গঠন করেন। এর মূল লক্ষ্য ছিল দেশের অশান্তি দূর করা, দরিদ্রদের সহায়তা করা এবং বিভিন্ন গোত্রের মধ্যে সম্প্রীতি বজায় রাখা।
তিনি এই শান্তিসংঘের মাধ্যমে মানুষের দুঃখ-কষ্ট দূর করার চেষ্টা করতেন।
প্রথম জীবনে হজরত উমর (রা.) ইসলামের চরম শত্রু থাকলেও তার বোনের বাড়ির কুরআন তিলাওয়াত শুনে মুগ্ধ হন। ইসলামের প্রতি বোনের অবিচল আনুগত্য দেখে তার মনে আমূল পরিবর্তন ঘটে। এরপর তিনি মহানবি (স.)-এর কাছে গিয়ে সরাসরি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন।
জেরুজালেম জয়ের সময় উমর (রা.) ও তার ভৃত্য একটি উটে পালাক্রমে চড়ে যাচ্ছিলেন। যখন তারা শহরে পৌঁছান তখন ভৃত্য ছিলেন উটের পিঠে আর খলিফা নিজে উটের রশি টানছিলেন। এই ঘটনা খলিফা উমরের সাম্য, বিনয় এবং অসাধারণ উদারতার এক মহান দৃষ্টান্ত!!.
হজরত আয়েশা (রা.)-কে উম্মুল মুমিনীন বলা হয়। হজরত আয়েশা সিদ্দীকা (রা.) ৬১৩ খ্রিস্টাব্দে মক্কায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন রাসুলুল্লাহ (স.)-এর স্ত্রী। তাই তাঁকে 'উম্মুল মুমিনীন' বা 'মুমিনদের মাতা' বলা হয়। তাঁর পিতা ইসলামের প্রথম খলিফা হজরত আবু বকর সিদ্দীক (রা.) এবং মাতা উম্মে রুম্মান বিনতে আমির (রা.)।
হজরত আয়েশা (রা.) ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী এবং অনেক হাদিসের বর্ণনাকারী। তিনি ইসলামি শরিয়তের বিভিন্ন বিষয়ে গভীর জ্ঞান রাখতেন এবং নারী সাহাবিদের নেতৃত্ব দিতেন। এছাড়া দান-সদকার ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন অত্যন্ত উদার | এবং ইবাদতে সদা মশগুল থাকতেন।
Related Question
View Allহজরত ইবরাহিম আ.)-কে খলিলুল্লাহ বা আল্লাহর বন্ধু বলা হয়।
হজরত মুসা (আ.) ছিলেন খুবই সৎ, সাহসী ও ন্যায়পরায়ণ একজন নবি।
মহানবি (স.) ছিলেন ধৈর্যশীল কর্মঠ ও ধীরস্থির প্রকৃতির।
কৈশোর থেকে মহানবি (স.) অন্যায়ের প্রতিবাদ করতেন।
দেশের অশান্তি দূর করার জন্য আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করব।
গৃহকর্মীদের সঙ্গে বসে খাবার গ্রহণ হজরত উমর (রা.)। এর একটি অনুসরণীয় আদর্শ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!