সমাজ হলো এমন একটি ব্যবস্থা, যেখানে অনেক মানুষ একসাথে মিলেমিশে বসবাস করে। মানুষ তার প্রয়োজন মেটানোর জন্য একে অপরের ওপর নির্ভর করে। মিলেমিশে চলার জন্য তারা কিছু নিয়ম-কানুন মেনে চলে। এই সমাজে বিদ্যালয়, হাসপাতাল, হাট-বাজার ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের মতো বিভিন্ন উপাদান থাকে, যা সবাই ব্যবহার করে। এভাবে একে অপরের সহযোগিতা ও পারস্পরিক সম্পর্কের ভিত্তিতে সমাজ গড়ে ওঠে।
পরিবারে আমরা প্রধানত নিম্নলিখিত সামাজিক অধিকারগুলো ভোগ করি-
বেঁচে থাকার অধিকার : জন্ম নেওয়ার পর থেকে পরিবারের সদস্যরা আমাদের জীবন রক্ষা করেন।
চিকিৎসাসেবা পাওয়ার অধিকার : অসুস্থ হলে পরিবার চিকিৎসার ব্যবস্থা করে।
শিক্ষালাভের অধিকার : মা-বাবা আমাদের স্কুলে পাঠান এবং পড়ালেখার জন্য সাহায্য করেন।
স্নেহ ও ভালোবাসা : পরিবারে আমরা সবার কাছ থেকে আদর, স্নেহ ও ভালোবাসা পাওয়ার অধিকার ভোগ করি।
নাগরিক হিসেবে আমাদের যেসব অধিকার পাওয়ার সুযোগ রয়েছে তা হলো-
১. বেঁচে থাকার অধিকার।
২. আইনের আশ্রয় লাভ করার অধিকার।
৩. নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার অধিকার।
৪. শিক্ষালাভ করার অধিকার।
৫. ন্যায্য মজুরি পাওয়ার অধিকার।
৬. ধর্ম পালন করার অধিকার।
সমাজের কল্যাণের জন্য আমার ৫টি দায়িত্ব ও কর্তব্য হলো-
১. সমাজের নিয়মকানুন ও রীতিনীতি মেনে চলব।
২. অসহায় ও গরিব মানুষের কল্যাণে কাজ করব।
৩. কেউ বিপদে পড়লে তার সাহায্যে এগিয়ে আসব।
৪. বিভিন্ন ব্যক্তির মধ্যে বিবাদ মিটিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করব।
৫. সমাজের সকল পেশার মানুষকে শ্রদ্ধা ও সম্মান করব এবং তাদের সহযোগিতা করার চেষ্টা করব।
নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্রের কাছ থেকে আমরা নির্দিষ্ট সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার অধিকার রাখি। এই নির্দিষ্ট সুযোগ-সুবিধাগুলোই হলো নাগরিক অধিকার । ৪টি নাগরিক অধিকার হলো-
১. বেঁচে থাকার অধিকার।
২. নির্বাচনে ভোট প্রদান করার অধিকার।
৩. আইনের আশ্রয় লাভ করার অধিকার।
৪. শিক্ষা লাভ করার অধিকার।
আমরা রাষ্ট্রের কাছ থেকে তিন ধরনের অধিকার ভোগ করি। দেশের নাগরিক হিসেবে সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সামাজিক অধিকার, রাজনৈতিক অধিকার ও অর্থনৈতিক অধিকার ভোগ করার জন্য নাগরিক অধিকার প্রয়োজন।
নিচে দুইটি নাগরিক অধিকার বর্ণনা করা হলো-
১. রাজনৈতিক অধিকার: নাগরিকের রাষ্ট্র পরিচালনা ও শাসনকাজে অংশগ্রহণ করার অধিকারকে রাজনৈতিক অধিকার বলে।
২. অর্থনৈতিক অধিকার: জীবিকা নির্বাহের জন্য কিংবা আর্থিক সচ্ছলতা লাভের জন্য নাগরিকরা রাষ্ট্রের নিকট যে অধিকার ভোগ করে তাকে অর্থনৈতিক অধিকার বলে।
সমাজে সুস্থ ও সুন্দর জীবনযাপনের জন্য সামাজিক অধিকার প্রয়োজন। চারটি সামাজিক অধিকারের নাম হলো-
১. বেঁচে থাকার বা জীবন রক্ষার অধিকার।
২. শিক্ষা লাভের অধিকার।
৩. নিজ ধর্ম ও ধর্মীয় উৎসব পালনের অধিকার।
৪. মাতৃভাষা, নিজ সংস্কৃতি চর্চা ও উৎসব পালনের অধিকার।
মত প্রকাশ নাগরিকের রাজনৈতিক অধিকারের মধ্যে পড়ে। রাজনৈতিক অধিকারের আরও ৪টি উদাহরণ হলো-
১. নির্বাচনে ভোট প্রদানের অধিকার।
২. নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অধিকার।
৩. নিজ রাষ্ট্রের কাছে নিরাপত্তা লাভের অধিকার।
৪. আইন মেনে স্বাধীনভাবে নিজের পছন্দ অনুযায়ী কিছু করার অধিকার।
জীবিক নির্বাহের জন্য কিংবা আর্থিক সচ্ছলতা লাভের জন্য নাগরিকরা রাষ্ট্রের নিকট যে অধিকার ভোগ করে তাকে অর্থনৈতিক অধিকার বলে।
সুষ্ঠুভাবে জীবিকা নির্বাহের জন্য অর্থনৈতিক অধিকার প্রয়োজন। চারটি অর্থনৈতিক অধিকার হলো-
১. স্বাধীনভাবে আয় করার অধিকার।
২. সম্পত্তি অর্জন ও ভোগ করার অধিকার।
৩. ন্যায্য মজুরি পাওয়ার অধিকার।
Related Question
View Allমাতৃভাষায় কথা বলা নাগরিকের সামাজিক অধিকার।
সকল নাগরিকের স্বাধীনভাবে আয় করার অধিকার আছে।
যেকোনো উৎসব অনুষ্ঠানে একে অপরকে সহযোগিতা করব।
বেঁচে থাকার জন্য মানুষ একে অপরের ওপর নির্ভরশীল।
নিজেদের প্রয়োজনে মানুষ একত্রে বসবাস শুরু করে।
যেকোনো উৎসব-অনুষ্ঠান পালনে একে অপরকে সহযোগিতা করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!