যে কাজগুলো করলে মহান আল্লাহ খুশি হন এবং যে কাজগুলো মানুষের জন্য কল্যাণ বয়ে আনে সেগুলো ভালো কাজ বা ন্যায় কাজ। যেমন- মহান আল্লাহর ইবাদত করা, মা-বাবা ও শিক্ষকদের কথা মেনে চলা, সত্য-কথা বলা, অন্যের উপকার করা, সৎকাজ করা ও অসৎকাজ থেকে বিরত থাকা, ধৈর্যধারণ করা, মানুষকে ক্ষমা করা, অভাবী ও দরিদ্র মানুষকে দান করা, মাতা-পিতা ও বড়োদের শ্রদ্ধা করা, সবার সঙ্গে ভালো আচরণ করা, কথা দিয়ে কথা রাখা ইত্যাদি।
যে কাজগুলো করলে মহান আল্লাহ অখুশি হন এবং যে কাজগুলো মানুষের জন্য অকল্যাণ বয়ে আনে সেগুলোই মন্দ কাজ বা অন্যায় কাজ। যেমন- মা-বাবা ও শিক্ষকের কথা না শোনা, মিথ্যা কথা বলা, অন্যের ক্ষতি করা, খারাপ আচরণ করা, অপব্যয় করা, কৃপণতা করা, ঝগড়া-বিবাদ করা, মন্দ কাজে সহযোগিতা করা, অন্যকে ধোঁকা দেওয়া, ওজনে কম দেওয়া, চুরি-ডাকাতি, ছিনতাই করা ইত্যাদি।
উদারতা হলো একটি মানবিক ও নৈতিক গুণ। অন্যের সঙ্গে ভালো আচরণ, নম্র ব্যবহার, সহানুভূতি ও দয়া প্রদর্শন ইত্যাদি হলো উদারতা। একজন উদার ব্যক্তি নিঃস্বার্থভাবে অন্যের উপকার করেন। তিনি অন্যের উপকার করে আনন্দ ও তৃপ্তি লাভ করেন। তাই সবাই তাকে পছন্দ করে এবং তার সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলে। ইসলাম মানবিকতা, উদারতা ও মহানুভবতার ধর্ম। ইসলামে উদারতামূলক কাজের জন্য বিশেষভাবে উৎসাহ প্রদান করা হয়েছে। মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআনে সৎকর্মশীল মানুষের উদার স্বভাব সম্পর্কে বলেন-"তাদের চাহিদা থাকা সত্ত্বেও আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য মিসকিন, এতিম ও বন্দিকে আহার দান করে। আর তারা বলে নিশ্চয়ই আমরা কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই খাদ্য দান করি। আমরা তোমাদের নিকট এর প্রতিদান ও কৃতজ্ঞতা চাই না।" (সূরা আদ-দাহর, আয়াত: ৮-৯) মহানবি (স.) কোনো অমুসলিমও অসুস্থ হলে তাকে দেখতে যেতেন এবং তার খোঁজখবর নিতেন। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের সঙ্গে সদাচরণ করার জন্য নির্দেশ দিতেন। হজরত আসমা (রা.) বলেন, "কুরাইশগণ যখন মহানবি (স.)-এর সঙ্গে সন্ধি (চুক্তি) করে, ঐ সময়ে আমার মা তার পিতার সঙ্গে এলেন। আমি মহানবি (স.)-এর কাছে জিজ্ঞেস করলাম, আমার মা এসেছেন, তিনি অমুসলিম, আমি কি তাঁর সঙ্গে উত্তম ব্যবহার করব? তিনি বললেন, হ্যাঁ! তোমার মায়ের সঙ্গে উত্তম ব্যবহার করো।" (সহিহ বুখারি)
দেশের রুল্যাগ্রেরাকজন্য দেশপ্রেম খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
ইসলামের শিক্ষা আমাদেরকে। দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে। নিজ দেশ ও জাতির প্রতি আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব-কর্তব্য রয়েছে। আমাদের সকলকে নিজ নিজ দায়িত্ব-কর্তব্য সঠিকভাবে পালন করতে হবে। আমরা আমাদের দেশকে ভালোবাসব। দেশের কল্যাণে কাজ করবী। দেশের প্রাকৃতিক ও সামাজিক সম্পদ সংরক্ষণ করব। সূর্যের আলো, বাতাস, পানি, কয়লা, গ্যাস, গাছপালা ও খনিজ সম্পদ ইত্যাদি প্রাকৃতিক সম্পদ। প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণে আমরা সচেতন হব। আমরা বেশি করে গাছ লাগাব এবং গাছের যত্ন নেব। কখনো সম্পদের অপচয় করব না। অপ্রয়োজনে বৈদ্যুতিক বাতি, পাখা, টেলিভিশন, কম্পিউটার, রেফ্রিজারেটর, এসি, গ্যাসের চুলা ও পানির কল ইত্যাদি চালু রাখব না। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী বাতি, পাখা, রেফ্রিজারেটর, এসি ইত্যাদি বৈদ্যুতিক সামগ্রী ব্যবহার করব। যাদের গাড়ি আছে তারা গাড়ি ব্যবহারের পরিবর্তে যথাসম্ভব পায়ে হাঁটব বা সাইকেল র্যবহার করব। পলিথিন ব্যাগের পরিবর্তে পরিবেশবান্ধব পাট ও কাপড়ের ব্যাগ ব্যবহার করব। অতিরিক্ত কাগজ ব্যবহার বা নষ্ট করব না। প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহারে আমরা মিতব্যয়ী হব।
পরিবার ও বিদ্যালয়ে পরোপকার সম্পর্কিত একটি কাজের তালিকা নিচে তৈরি করা হলো-
| পরিবারের পরোপকারমূলক কাজ | বিদ্যালয়ের পরোপকারমূলক কাজ |
| ১. মা-বাবার কাজে সহযোগিতা করা। | ১. বন্ধু যদি খাতা-কলম না নিয়ে আসে তা হলে তাকে খাতা-কলম দিয়ে সাহায্য করা। |
| ২. পরিবারের কেউ অসুস্থ হলে তার সেবা করা | ২. অসুস্থ বন্ধুর খোঁজ নেওয়া। |
| ৩. বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের সেবা করা | ৩. সহপাঠীর পড়াশোনায় সাহায্য করা। |
| ৪. ঘরবাড়ি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে সহযোগিতা করা | ৪. বিদ্যালয় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে সহযোগিতা করা। |
| ৫. অন্ধ বা বয়স্কদের রাস্তা পার হতে সহযোগিতা করা | ৫.বিদ্যালয়ের সম্পদ যত্নসহকারে ব্যবহার করাণ |
ইসলামের শিক্ষা আমাদেরকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে।।
নিজ দেশ ও জাতির প্রতি আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব-কর্তব্য রয়েছে। আমাদের সকলকে নিজ নিজ দায়িত্ব-কর্তব্য সঠিকভাবে পালন করতে হবে। মহান আল্লাহ প্রত্যেক নৃবিকে মাতৃভাষায় তাঁর বাণী প্রচার করতে বলেছেন। সুররিাং মাতৃভাষাকে ভালোবাসা ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষ্য ও দেশপ্রেমের পরিচয়।
মহানবি (স.) তাঁর জন্মভূমি মক্কাকে অনেক ভালোবাসতেন। মক্কার অধিবাসীদের কল্যাণের জন্য তিনি তাদেরকে ইসলামের দাওয়াত দেন। কিন্তু তাদের অনেকেই প্রথমে ইসলাম 'গ্রহণ করেনি। মহান আল্লাহর নির্দেশে তিনি মদিনায় হিজরত করেন। হিজরতের সময় মক্কার দিকে বারবার ফিরে তাকান। আর কাতরকণ্ঠে বলেন, "হে মক্কা তুমি কতই না সুন্দর। আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি। আমার আপন জাতি যদি আমাকে বিতাড়িত না করত আমি কখনোই তোমাকে ছেড়ে যেতাম না।" (মিশকাতুল মাসাবিহ) তাই ইসলামের আলোকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
যেসব কাজ আমাদের জন্য উপকারী, নৈতিকভাবে সঠিক এবং যা করলে মহান আল্লাহ সন্তুষ্ট হন তাকেই ভালো কাজ বলা হয়। যেমন-মা-বাবার কথা মানা, সত্য কথা বলা এবং বড়োদের শ্রদ্ধা করা। ভালো কাজ মানুষের ইহকাল ও পরকালে কল্যাণ বয়ে আনে।
মন্দ কাজ করলে আল্লাহ অখুশি হন এবং এর ফলে- সমাজের মানুষের অকল্যাণ ও অশান্তি সৃষ্টি হয়। পরকালে মন্দ কাজের জন্য কঠিন শাস্তির বিধান রয়েছে, যা থেকে বাঁচার জন্য এটি বর্জন করা জরুরি। এছাড়া মন্দ কাজ মানুষের সম্মান নষ্ট করে এবং সুন্দর সমাজ গঠনে বাধা দেয়। তাই পরকালীন শান্তি ও
দুনিয়ার সম্মানের জন্য আমি মন্দ কাজ থেকে বিরত থাকব।
যে কাজগুলো করলে মহান আল্লাহ অখুশি হন এবং যে কাজগুলো মানুষের জন্য অকল্যাণ বয়ে আনে সেগুলোই মন্দ কাজ বা অন্যায় কাজ। ইসলামে ভালো কাজ করা এবং অন্যায় কাজ থেকে বিরত থাকার উপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ বলেন, "সৎকর্ম ও পরহেজগারিতে তোমরা পরস্পরের সহযোগিতা করো। মন্দ কাজ ও সীমালঙ্ঘনে পরস্পরের সহযোগিতা করো না।” (সূরা আল-মায়িদা, আয়াত: ২)
অন্যের সঙ্গে ভালো আচরণ, নম্র ব্যবহার এবং সহানুভূতি প্রদর্শন করাকেই উদারতা বলে। উদার ব্যক্তি কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ ছাড়াই অন্যের কল্যাণে নিজের সময় ও সম্পদ ব্যয় করতে কুণ্ঠাবোধ করেন না। এটি মানুষকে স্বার্থপরতা থেকে মুক্ত করে পরোপকারী হতে শেখায়।
একজন উদার ব্যক্তি সবসময় ধৈর্যশীল হন এবং অন্যের মতামতের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করেন। তিনি নিজের অভাব থাকা সত্ত্বেও আর্তমানবতার সেবায় এগিয়ে আসেন এবং বিনিময়ে কোনো প্রতিদান আশা করেন না। উদার ব্যক্তি কখনও কাউকে ঘৃণা করেন না এবং সকল ধর্মের মানুষের সাথে সম্ভাব বজায় রাখেন। তার আচরণে দয়া, ক্ষমা ও মহানুভবতার -বহিঃপ্রকাশ ঘটে, যা সমাজকে শান্তিময় করে তোলে।
উদারতা হলো একটি মানবিক ও নৈতিক গুণ। অন্যের সঙ্গে ভালো আচরণ, নম্র ব্যবহার, সহানুভূতি ও দয়া প্রদর্শন ইত্যাদি হলো উদারতা। উদারতা এমন একটি গুণ যা মানুষকে নিঃস্বার্থভাবে অন্যের উপকার করতে উৎসাহিত করে। উদারতামূলক কয়েকটি কাজ হলো-
১. অসহায় ও দরিদ্রদের দান করা;
২. অন্যের প্রতি দয়া প্রদর্শন ও ভালো ব্যবহার করা;
৩. বৃদ্ধ, দুর্বল ও অসুস্থ লোকদেরকে সাহায্য-সহযোগিতা করা;
৪.. কথা ও কাজে বিনয় ও নম্রতা প্রদর্শন করা;
বিপদে অন্যকে সাহায্য করা এবং নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী অন্যের কল্যাণ সাধন করাকেই পরোপকার বলা হয়। শ্রম, অর্থ বা সুপরামর্শ প্রদানের মাধ্যমেও মানুষের উপকার করা সম্ভব। পরোপকার একটি বিশেষ ইবাদত, যা মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ সৃষ্টি করে।
মহানবি (স.)-এর মতে, সৃষ্টির সেবা করা মূলত আল্লাহরই
সেবা করার শামিল। কোনো অভুক্ত মানুষকে খাবার দিলে বা অসুস্থের সেবা করলে আল্লাহ কিয়ামতের দিন তাকে পুরস্কৃত করবেন। আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত থাকলে আল্লাহ দুনিয়া ও আখিরাতে বান্দার সব কষ্ট দূর করে দেন। তাই আল্লাহর ভালোবাসা পেতে হলে তার সৃষ্টি তথা মানুষের কল্যাণ কামনায় মগ্ন থাকতে হয়।
পরোপকার হলো অন্যের উপকার করা। বিপদ-আপদে
অন্যকে সাহায্য করা। অন্যের কল্যাণ সাধনের জন্য কাজ করা। অর্থ ও শ্রম দিয়ে, জ্ঞান বিতরণ করে বা অন্য কোনো উপায়ে পরোপকার করা যায়। আমাদের কোনো বন্ধু যদি বিদ্যালয়ে খাতা বা কলম না নিয়ে আসে আমরা তাকে খাতা বা কলম ধার দিতে পারি। এতে তার উপকার করা হবে। আমরা একজন অন্ধ বা বৃদ্ধ মানুষকে রাস্তা পার হতে সাহায্য করতে পারি। মা-বাবার কাজে সহযোগিতা করা। দরিদ্রদের দান করা, অসুস্থদের সেবা করা, তৃষ্ণার্ত মানুষকে পানি পান করানো। বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীদের মধ্যে কেউ অসুস্থ হলে তাকে দেখতে যাব এবং তার সেবা করব। এসব কাজের মাধ্যমে আমরা অন্যের উপকার করতে পারি।
পরোপকার হলো অন্যের উপকার করা। বিপদ-আপদে অন্যকে সাহায্য করা। অন্যের কল্যাণ সাধনের জন্য কাজ করা। অর্থ ও শ্রম দিয়ে, জ্ঞান বিতরণ করে বা অন্য কোনো উপায়ে পরোপকার করা যায়। আমাদের কোনো বন্ধু যদি বিদ্যালয়ে খাতা বা কলম না নিয়ে আসে আমরা তাকে খাতা বা কলম ধার দিতে পারি। এতে তার উপকার করা হবে। আমরা একজন অন্ধ বা বৃদ্ধ মানুষকে রাস্তা পার হতে সাহায্য করতে পারি। মা-বাবার কাজে সহযোগিতা করা। দরিদ্রদের দান করা, অসুস্থদের সেবা করা, তৃষ্ণার্ত মানুষকে পানি পান করানো। বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীদের মধ্যে কেউ অসুস্থ হলে তাকে দেখতে যাব এবং তার সেবা করব। এসব কাজের মাধ্যমে আমরা অন্যের উপকার করতে পারি।
নিজের দেশকে ভালোবাসা এবং দেশের কল্যাণে কাজ করাকে দেশপ্রেম বলা হয়। একজন প্রকৃত দেশপ্রেমিক নিজের স্বার্থের চেয়ে দেশের জাতীয় স্বার্থকে 'সবসময় প্রাধান্য দেন। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা দেশপ্রেমের একটি বড়ো অংশ।
জন্মভূমি মানুষের পরিচয়ের মূলভিত্তি এবং এখানে জন্ম নিয়ে মানুষ বড়ো হয়, তাই দেশের প্রতি টান থাকা স্বাভাবিক। মহানবি (স.) মক্কা ছেড়ে আসার সময় কাতর হয়ে বারবার নিজের জন্মভূমির দিকে তাকিয়ে তার ভালোবাসা প্রকাশ করেছিলেন। দেশের মঙ্গল কামনা করা এবং দেশের সম্পদ রক্ষা করা একজন মুমিনের ধর্মীয় দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত। তাই দেশের প্রতি মমত্ববোধ এবং দেশের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখা ইমানের পরিচায়ক।
আমরা বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির অপচয় রোধ করার মাধ্যমে দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা করতে পারি। যত্রতত্র গাছ না কাটা এবং বেশি করে বৃক্ষরোপণ করা পরিবেশ ও সম্পদ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পলিথিন বর্জন করে পরিবেশবান্ধব জিনিসের ব্যবহার নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব।
প্রাকৃতিক সম্পদ দেশের উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি, তাই এটি ফুরিয়ে গেলে জাতীয় সংকট তৈরি হতে পারে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী নিশ্চিত করতে সম্পদ সংরক্ষণের কোনো বিকল্প নেই। সম্পদের অপচয় করলে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হয় এবং মানুষের জীবনযাত্রায় দুর্ভোগ নেমে আসে। তাই আল্লাহর দেওয়া এই নেয়ামতগুলো মিতব্যয়িতার সাথে ব্যবহার করা আমাদের ধর্মীয় ও নৈতিক দায়িত্ব।'
খলিফা উমর ইবনে আবদুল আজিজ (রহ.) ছিলেন উমাইয়া বংশের একজন বিখ্যাত ও ন্যায়পরায়ণ শাসক। তার শাসনব্যবস্থা ও আদর্শ ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হজরত উমর (রা.)-এর মতো ছিল বলে তাকে 'দ্বিতীয় উমর' বলা হয়। তিনি সবসময় প্রজাদের কল্যাণে কাজ করতেন।
খলিফা উমর ইবনে আবদুল আজিজ (রহ.) ছিলেন প্রচণ্ড আমানতদার এবং রাষ্ট্রীয় কোষাগারের এক পয়সাও নিজের জন্য ব্যয় করতেন না। তার চরিত্রে বিনয়, পরহেজগারি এবং আল্লাহর প্রতি গভীর ভীতি সবসময় বিদ্যমান ছিল। তিনি শাসনকাজে কোনো বৈষম্য করতেন না এবং সবার জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতেন। তার সততা ও ত্যাগের কারণে তার শাসনামলে জনগণ অত্যন্ত সুখে ও শান্তিতে বসবাস করত।
Related Question
View Allঅপব্যয় করা মন্দ কাজ শুদ্ধ ।
উদার ব্যক্তি নিজের স্বার্থ বড়ো করে দেখেন অশুদ্ধ ।
দান-সদকা মানুষের আয়ু বৃদ্ধি করে শুদ্ধ ।
জ্ঞান বিতরণ করে পরোপকার করা যায় না অশুদ্ধ ।
দেশপ্রেমী নিজের স্বার্থের চেয়ে দেশের স্বার্থ বড়ো করে দেখেন শুদ্ধ।
মাতা-পিতা ও' 'বড়োদের শ্রদ্ধা করা শুদ্ধ ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!