পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ সারা দেশে অত্যন্ত আনন্দ ও উদ্দীপনার সাথে উদ্যাপন করা হয়। এদিনে সবাই খুব ভোরে ঘুম থেকে ওঠে এবং নতুন পোশাক পরে একে অপরের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চারুকলা অনুষদ থেকে বর্ণিল শোভাযাত্রা বের করা হয়, যা এই উৎসবের প্রধান আকর্ষণ। গ্রাম ও শহরে বৈশাখী মেলার আয়োজন করা হয়, যেখানে নাগরদোলা ও নানা রকম মাটির খেলনা পাওয়া যায়। অনেকে এদিনে ঐতিহ্যবাহী খাবার হিসেবে পান্তা-ইলিশ খেয়ে আনন্দ পায়। ব্যবসায়ীরা তাদের পুরানো বছরের হিসাব শেষ করে মিষ্টিমুখের মাধ্যমে হালখাতা উৎসব পালন করেন ।
নবান্ন উৎসবটি সাধারণত অগ্রহায়ণ মাসে উদযাপিত হয়, যখন কৃষকের ঘরে নতুন ধান ওঠে।
নবান্ন উৎসব গ্রামবাংলার মানুষের কাছে প্রাণের উৎসব। তাই এটি অনেক জনপ্রিয়। এই উৎসবের প্রধান কারণ হলো মাঠের নতুন, ফসল ঘরে তোলা, যা কৃষকের মুখে হাসি ফোটায়। নতুন চাল দিয়ে ঘরে ঘরে সুস্বাদু পিঠা, পায়েস আর ক্ষীর তৈরির ধুম পড়ে যায়। পাড়ায় পাড়ায় মেলা বসে এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আত্মীয়-স্বজন ও পাড়া-প্রতিবেশীরা মিলেমিশে এই আনন্দ ভাগ করে নেয়। মূলত ফসলের আনন্দ আর সবার সাথে সুন্দর সময় কাটানোর সুযোগই এই উৎসবকে সবার কাছে প্রিয় করে তুলেছে।
বাঙালিরা ঋতুরাজ বসন্তকে অত্যন্ত আনন্দের সাথে বরণ করে নেয়। বসন্তের প্রথম দিন অর্থাৎ পহেলা ফাল্গুন সারা দেশে বসন্ত উৎসব পালিত হয়। এদিনে ছেলেমেয়েরা বাসন্তী বা হলুদ রঙের পোশাক পরে এবং মেয়েরা মাথায় ফুলের মুকুট পরে সুন্দর করে সাজে। চারদিকে নাচে-গানে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেক জায়গায় বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বসন্তকে স্বাগত জানাতে ঘরবাড়ি ও অনুষ্ঠানের স্থানগুলোকেও নানা রঙের ফুল দিয়ে সাজানো হয়। প্রকৃতির নতুন রূপের সাথে তাল মিলিয়ে বাঙালিরা হাসিখুশি মনে এই ঋতুকে-আপন করে নেয়।
Related Question
View Allহালখাতার দিন মিষ্টি দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়।
পুরান ঢাকার ঘুড়ি ওড়ানো প্রতিযোগিতা সাকরাইন নামে। পরিচিত।
বৈশাখ মাসের প্রথম দিন উদ্যাপিত হয় বাংলা নববর্ষ।
পহেলা বৈশাখে ঢাকার রমনা বটমূলসহ সারাদেশে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
পহেলা বৈশাখে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে আয়োজিত হয় বৈশাখী মেলা
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!