নিচের শব্দগুলোর উৎসগত পরিচয় (তৎসম/তদ্ভব/অর্ধ-তৎসম/দেশি/বিদেশ্যি লিখুন:

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ ফারসি শব্দ

'গঞ্জ' শব্দটি একটি বিদেশি শব্দ, যা মূলত ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। বাংলা ব্যাকরণে উৎপত্তি বা উৎস অনুসারে শব্দভাণ্ডারকে প্রধানত পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়: তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশি শব্দ।

উৎসগত শ্রেণিবিভাগের সংক্ষিপ্ত রূপরেখা:

        
  • তৎসম শব্দ: যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন ছাড়া সরাসরি বাংলায় গৃহীত হয়েছে (যেমন: সূর্য, চন্দ্র, নক্ষত্র, ভবন)।
  •     
  • অর্ধ-তৎসম শব্দ: যেসব সংস্কৃত শব্দ কিছুটা বিকৃত বা পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় ব্যবহৃত হয় (যেমন: জোছনা, ছাদ্ধ, গিন্নি)।
  •     
  • তদ্ভব শব্দ: যেসব শব্দ মূল সংস্কৃত থেকে প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে সম্পূর্ণ নতুন রূপ লাভ করেছে (যেমন: হস্ত > হত্থ > হাত)।
  •     
  • দেশি শব্দ: বাংলাদেশের আদিম অধিবাসীদের (যেমন: কোল, মুণ্ডা, দ্রাবিড়) ভাষা থেকে আগত শব্দ (যেমন: কুলা, ডাব, ডিঙি, ডাগর)।
  •     
  • বিদেশি শব্দ: ঐতিহাসিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও বাণিজ্যিক কারণে বিভিন্ন বিদেশি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করা শব্দ।

বাংলা ভাষায় প্রচলিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফারসি শব্দ:

        
  • প্রশাসনিক ও সাধারণ শব্দ: গঞ্জ, কারখানা, চশমা, দরবার, দোকান, দপ্তর, তোশক, জর্দা, নালিশ।
  •     
  • ধর্মসংক্রান্ত শব্দ: নামাজ, রোজা, খোদা, ফেরেশতা, বেহেশত, দোজখ, পয়গম্বর।
  •     
  • বিবিধ: বাদশাহ, বান্দা, হাঙ্গামা, জিন্দাবাদ।
Satt AI
Satt AI
4 days ago
উত্তরঃ তৎসম শব্দ

শ্রাদ্ধ শব্দটি একটি তৎসম শব্দ

উৎস ও ব্যাকরণগত ব্যাখ্যা:

        
  • সংজ্ঞা: 'তৎ' (অর্থ: তার/সংস্কৃত) এবং 'সম' (অর্থ: সমান)। অর্থাৎ, যেসব শব্দ প্রাচীন সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো প্রকার পরিবর্তন ছাড়াই অবিকৃত রূপ ধারণ করে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে এবং ব্যবহৃত হচ্ছে, সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে।
  •     
  • শব্দের বিবর্তন: 'শ্রাদ্ধ' একটি তৎসম শব্দ। বাংলা ভাষায় রূপান্তরিত হয়ে এর অর্ধ-তৎসম রূপ তৈরি হয়েছে ছেরাদ্ধ (শ্রাদ্ধ > ছেরাদ্ধ)।
  •     
  • আরও কিছু উল্লেখযোগ্য তৎসম শব্দ: চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র, ভবন, ধর্ম, পাত্র, মনুষ্য, অন্ন, জল, পর্বত ইত্যাদি।
Satt AI
Satt AI
4 days ago
উত্তরঃ তৎসম শব্দ

নক্ষত্র শব্দটি একটি তৎসম শব্দ। বাংলা ভাষার শব্দসম্ভারের উৎসগত বা উৎপত্তিমূলক শ্রেণিবিভাগে যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই অবিকৃতভাবে সরাসরি বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে, সেগুলোকে তৎসম শব্দ (তৎ = তার, সম = সমান; অর্থাৎ সংস্কৃতির সমান) বলা হয়।

শব্দটির উৎসগত বিবর্তনের রূপ:

        
  • তৎসম রূপ: নক্ষত্র
  •     
  • প্রাকৃত রূপ: নক্‌খত্ত
  •     
  • তদ্ভব রূপ: নচ্ছত্র (বা তারা)

আরও কিছু উল্লেখযোগ্য তৎসম শব্দ: চন্দ্র, সূর্য, ভবন, ধর্ম, পাত্র, মনুষ্য ইত্যাদি।

Satt AI
Satt AI
4 days ago
উত্তরঃ দেশি শব্দ

'চুলা' শব্দটি বাংলা ভাষার একটি দেশি শব্দ

বিস্তারিত আলোচনা:

বাংলাদেশের আদিম অধিবাসী (যেমন: কোল, মুণ্ডা, দ্রাবিড় ইত্যাদি) দের ভাষা ও সংস্কৃতি থেকে যেসকল শব্দ অবিকৃতভাবে বাংলা ভাষায় সংরক্ষিত রয়েছে, সেগুলোকে দেশি শব্দ বলা হয়। এসব শব্দের মূল গঠন বা উৎস অনেক সময় খুঁজে পাওয়া যায় না, তবে অনার্য ভাষা-সংস্কৃতির উপাদান হিসেবে এগুলো বাংলা ভাষায় পরিচিত।

চাকরিসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সচরাচর আসা কিছু গুরুত্বপূর্ণ দেশি শব্দের তালিকা:

        
  • চুলা (উনুন)
  •     
  • কুলা (শস্য পরিষ্কারের ঝাড়ন)
  •     
  • ঢেঁকি (ধান ভানার প্রাচীন যন্ত্র)
  •     
  • ডাব (কচি নারকেল)
  •     
  • ডিঙি (ছোট নৌকা)
  •     
  • পেট (উদর)
  •     
  • টোপোর (বরের বিশেষ মুকুট)
  •     
  • গঞ্জ (বাণিজ্য কেন্দ্র বা বাজার)
  •     
  • চাঙ্গারী (বাঁশের তৈরি পাত্র)
Satt AI
Satt AI
4 days ago
উত্তরঃ বিদেশি শব্দ (ফারসি)

'আফিম' শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। তাই উৎস বা উৎপত্তিগত দিক থেকে এটি একটি বিদেশি শব্দ (নির্দিষ্টভাবে ফারসি শব্দ)।

বাংলা ব্যাকরণে বিদেশি শব্দ এবং ফারসি শব্দের কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিচে দেওয়া হলো:

        
  • শব্দগত উৎপত্তি: ফারসি 'আফিয়ুন' (অফিয়ুন) শব্দ থেকে রূপান্তরিত হয়ে বাংলা ভাষায় 'আফিম' শব্দটি গৃহীত হয়েছে।
  •     
  • ফারসি শব্দের প্রভাব: সুলতানি ও মোঘল শাসনামলে দীর্ঘকাল ফারসি ভাষা সরকারি ভাষা হিসেবে প্রচলিত থাকায় বাংলা ভাষায় প্রচুর ফারসি শব্দ স্থান করে নেয়।
  •     
  • পরীক্ষায় সচরাচর আসা অন্যান্য ফারসি শব্দ: কারখানা, চশমা, দপ্তর, দোকান, পরদা, পোশাক, মেথর, নমুনা, রসদ, দরবার ইত্যাদি।
Satt AI
Satt AI
4 days ago
উত্তরঃ তৎসম

'জল' শব্দটির উৎসগত পরিচয় হলো এটি একটি তৎসম শব্দ।

বাংলা ভাষায় উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে শব্দসমূহকে পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে: তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশি।

যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো ধরনের পরিবর্তন ছাড়াই সরাসরি বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে, সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলা হয়। 'তৎসম' একটি পারিভাষিক শব্দ, যার অর্থ 'তার সমান' (তৎ = তার/সংস্কৃত, সম = সমান)।

        
  • শব্দের মূল: সংস্কৃত 'জল'
  •     
  • বাংলা রূপ: জল (অপরিবর্তিত)
  •     
  • আরও কিছু তৎসম শব্দ: চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র, ভবন, ধর্ম, পাত্র, মনুষ্য ইত্যাদি।
Satt AI
Satt AI
4 days ago
উত্তরঃ দেশি শব্দ

'ডাব' শব্দটির উৎসগত পরিচয় হলো এটি একটি দেশি শব্দ

বাংলাদেশের আদিম অধিবাসী (যেমন: কোল, মুণ্ডা, সাঁওতাল ইত্যাদি)দের ভাষা ও সংস্কৃতি থেকে যেসব শব্দ বাংলা ভাষায় আত্মীকৃত হয়েছে, সেগুলোকে দেশি শব্দ বলা হয়। এসব শব্দের মূল অধিকাংশ ক্ষেত্রে পাওয়া যায় না বা অপ্রাপ্তিসাধ্য হলেও প্রাত্যহিক জীবনের ব্যবহারিক ক্ষেত্রে এদের উপস্থিতি সুপ্রাচীন।

বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসা গুরুত্বপূর্ণ কিছু দেশি শব্দ:

      
  • ডাব, ডাগর, ডিঙি
  •   
  • কুলা, গঞ্জ, চঙ্গা, টোপর
  •   
  • পেট, চুলা, কুড়ি
  •   
  • মাচা, ঝিঙে, আকাড়া
Satt AI
Satt AI
4 days ago
উত্তরঃ

তদ্ভব শব্দ


যেসব শব্দের মূল সংস্কৃত ভাষায় পাওয়া যায়, কিন্তু ভাষার স্বাভাবিক বিবর্তনধারায় প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে, সেগুলোকে তদ্ভব শব্দ (বা খাঁটি বাংলা শব্দ) বলা হয়। 'তদ্ভব' একটি পারিভাষিক শব্দ, যার অর্থ 'তা থেকে উৎপন্ন' (তৎ = সংস্কৃত, ভব = উৎপন্ন)।

'হাত' শব্দের রূপান্তরের বিবর্তন ক্রম:

        
  • সংস্কৃত (তৎসম): হস্ত
  •     
  • প্রাকৃত: হত্থ
  •     
  • তদ্ভব (বাংলা): হাত

যেহেতু 'হাত' শব্দটি সংস্কৃত 'হস্ত' থেকে প্রাকৃত 'হত্থ'-এর মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে, তাই এটি উৎসগতভাবে একটি তদ্ভব শব্দ।

Satt AI
Satt AI
4 days ago
উত্তরঃ বিদেশি শব্দ (চীনা)

চিনি শব্দটি উৎসগত দিক থেকে একটি বিদেশি শব্দ, যা চীনা (Chinese) ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।

ঐতিহাসিক ও বাণিজ্যিক কারণে বিভিন্ন সময়ে বিদেশি ভাষাভাষী মানুষ বাংলায় আগমন করায় তাদের ভাষার অনেক শব্দ বাংলা ভাষায় স্থায়ীভাবে জায়গা করে নিয়েছে। এগুলোকে বিদেশি শব্দ বলা হয়।

বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য চীনা শব্দসমূহ:

        
  • চা
  •     
  • চিনি
  •     
  • লিচু
  •     
  • লুচি

বাংলা ভাষার শব্দসম্ভারকে উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে ৫ ভাগে ভাগ করা হয়: তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশি শব্দ।

Satt AI
Satt AI
4 days ago
উত্তরঃ অর্ধ-তৎসম শব্দ

গিন্নি শব্দটির উৎসগত পরিচয় হলো এটি একটি অর্ধ-তৎসম শব্দ

বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

বাংলা ভাষায় ব্যবহারভেদে শব্দসমূহের অন্যতম প্রধান উৎস হলো সংস্কৃত। যেসব সংস্কৃত শব্দ কিঞ্চিৎ বা সামান্য পরিবর্তিত বা বিকৃত হয়ে বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে, সেগুলোকে অর্ধ-তৎসম শব্দ বলা হয়। 'অর্ধ-তৎসম' শব্দের অর্থ হলো 'আধা-সংস্কৃত'।

শব্দটির পরিবর্তন ক্রম:

সংস্কৃত গৃহিণী > প্রাকৃত গিহিণী > অর্ধ-তৎসম গিন্নি

পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু অর্ধ-তৎসম শব্দের উদাহরণ:

        
  • জ্যোৎস্না (তৎসম) > জোছনা (অর্ধ-তৎসম)
  •     
  • শ্রাদ্ধ (তৎসম) > ছেরাদ্দ (অর্ধ-তৎসম)
  •     
  • কুৎসিত (তৎসম) > কুচ্ছিত (অর্ধ-তৎসম)
  •     
  • বৈষ্ণব (তৎসম) > বোষ্টম (অর্ধ-তৎসম)
  •     
  • প্রণাম (তৎসম) > পেন্নাম (অর্ধ-তৎসম)
Satt AI
Satt AI
4 days ago
217

তৎসম শব্দ : যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে সোজাসুজি বাংলায় এসেছে এবং যাদের রূপ অপরিবর্তিত রয়েছে, সেসব শব্দকে বলা হয় তৎসম শব্দ। তৎসম একটি পারিভাষিক শব্দ। এর অর্থ [তত্ (তার)+ সম (সমান)]=তার সমান অর্থাৎ সংস্কৃত। উদাহরণ : চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র, ভবন, ধর্ম, পাত্র, মনুষ্য ইত্যাদি।

শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews