নিচের শব্দগুলো থেকে সমাস ও প্রত্যয় সাধিত শব্দগুলো শনাক্ত করে নিচে দেওয়া হলো:
সমাস সাধিত শব্দ:
- দরদালান: এটি একটি সমাস সাধিত শব্দ। এখানে ‘দর’ বলতে প্রধান বা বৃহৎ বোঝায়। এটি কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে, যেখানে ‘দর’ এবং ‘দালান’ মিলে একটি নতুন অর্থ তৈরি করেছে (প্রধান দালান)।
- মধুমাখা: এটি ‘মধু দ্বারা মাখা’—এই অর্থে গঠিত হয়েছে, যা তৃতীয় তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ।
- প্রগতি: এটি ‘প্র’ (বিশেষ অর্থে) এবং ‘গতি’ শব্দ দুটি মিলে গঠিত হয়েছে, যা প্রাদি সমাসের উদাহরণ।
- নিমরাজি: এটি ‘আধা রাজি’ অর্থে গঠিত একটি সমাস সাধিত শব্দ, যেখানে ‘নিম’ একটি উপসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে নতুন অর্থ তৈরি করেছে। এটি নিত্য সমাস বা অব্যয়ীভাব সমাসের অন্তর্গত হতে পারে।
প্রত্যয় সাধিত শব্দ:
- চলিষ্ণু: এটি ‘চল্’ ধাতুর সাথে ‘ইষ্ণু’ প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে।
- নীলিমা: এটি ‘নীল’ শব্দের সাথে ‘ইমা’ প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে।
- ঢাকাই: এটি ‘ঢাকা’ শব্দের সাথে ‘আই’ প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে।
- গ্রামীণ: এটি ‘গ্রাম’ শব্দের সাথে ‘ঈন’ প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে।
Related Question
View Allএক সময়ে বাতাসের বেগ খানিকটা কমে আসে, তখনও থেকে থেকে ভয়ানক শব্দে বাজ পড়ছে। বাবা-মা আমাকে শুকনো কাপড় বের করে দিলেন। প্রতিবেশীদের জন্যও কাপড়, কিছু শুকনো খাবার ও পানির ব্যবস্থা করে তাদেরকে মোটামুটি স্বাভাবিক করলেন।
যতিচিহ্ন (Punctuation marks) বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করতে এবং পড়ার সময় সঠিক বিরতি ও সুর বজায় রাখতে অপরিহার্য। এই অনুচ্ছেদে সঠিক যতিচিহ্ন ব্যবহারের মাধ্যমে বাক্যগুলির অর্থ সুস্পষ্ট হয়েছে। কমা (,) বাক্যের মধ্যে অল্প বিরতি নির্দেশ করে, পূর্ণচ্ছেদ (.) বাক্যের সমাপ্তি বোঝায় এবং ড্যাশ (-) বা হাইফেন (-) দুটি শব্দকে যুক্ত করতে অথবা অতিরিক্ত তথ্য বোঝাতে ব্যবহৃত হতে পারে। যতিচিহ্ন ছাড়া বাক্য অর্থহীন বা ভুল অর্থ প্রকাশ করতে পারে, তাই সঠিক স্থানে এর ব্যবহার বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
যোজক হলো একটি শব্দ বা শব্দাংশ যা বাক্যে দুটি বা ততোধিক উপাদানকে যুক্ত করে। বাংলায় সাধারণত যোজক হিসেবে ব্যবহৃত হয় "এবং", "অথবা", "কিন্তু", "কিন্তু", "যা", "যদি", "যেহেতু" ইত্যাদি।
নিচে পৃথক যোজক ব্যবহার করে ৪টি বাক্য তৈরি করা হলো:
- এবং: আমি বই পড়ি এবং লেখালেখি করি।
- অথবা: তুমি কি চা খাবা অথবা কফি?
- কিন্তু: সে পড়াশোনায় ভালো, কিন্তু খেলাধুলায় সে তেমন ভালো নয়।
- যদি: তুমি যদি সময় পাও, আমি তোমার সাথে সিনেমা দেখতে যাব।
এইভাবে যোজক শব্দগুলো বাক্যে পৃথক উপাদানগুলোকে যুক্ত করার কাজ করে।
ক-খ-গ উচ্চ বিদ্যালয়
নোটিশ
নোটিশ নং: ০৫/২০২৪
তারিখ: ২০ মে ২০২৪
বিষয়: সাহিত্য বিষয়ক প্রতিযোগিতা প্রসঙ্গে।
এতদ্বারা ক-খ-গ উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির সকল শিক্ষার্থীর অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, আগামী ২৫ জুন ২০২৪, মঙ্গলবার বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে একটি সাহিত্য বিষয়ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের লক্ষ্যে এবং সাহিত্যচর্চায় আগ্রহী করে তোলার উদ্দেশ্যে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।
প্রতিযোগিতার বিস্তারিত সময়সূচি ও নিয়মাবলী নিম্নরূপ:
- প্রতিযোগিতার বিষয়সমূহ:
ক) কবিতা আবৃত্তি (সময়: সর্বোচ্চ ৩ মিনিট)
খ) গল্প বলা (সময়: সর্বোচ্চ ৫ মিনিট)
গ) স্বরচিত কবিতা/গল্প লেখা (সময়: ১ ঘণ্টা) - তারিখ ও সময়: ২৫ জুন ২০২৪, মঙ্গলবার, সকাল ১০:০০ টা।
- স্থান: বিদ্যালয় মিলনায়তন।
- অংশগ্রহণের যোগ্যতা: শুধুমাত্র সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করতে পারবে।
- নিবন্ধন প্রক্রিয়া: আগ্রহী শিক্ষার্থীদের আগামী ২০ জুন ২০২৪ তারিখের মধ্যে নিজ নিজ শ্রেণি শিক্ষকের নিকট নাম নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধনের সময় প্রতিযোগিতার বিষয় উল্লেখ করতে হবে।
- পুরস্কার: প্রতিটি বিষয়ে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারীকে আকর্ষণীয় পুরস্কার প্রদান করা হবে।
সকল সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে এই প্রতিযোগিতায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে এটিকে সফল করার জন্য আহ্বান জানানো হচ্ছে। প্রতিযোগিতার বিস্তারিত তথ্য বিদ্যালয়ের নোটিশ বোর্ড এবং সাংস্কৃতিক কমিটির সদস্যগণের নিকট থেকে জানা যাবে।
আদেশক্রমে,
(স্বাক্ষর)
প্রধান শিক্ষক
ক-খ-গ উচ্চ বিদ্যালয়
১ নং রোড, ক-ব্লক,
ধানমন্ডি, ঢাকা-১২০৫।
৩০ মার্চ ২০২৪।
স্নেহের রনি,
আমার সালাম ও শুভেচ্ছা নিও। আশা করি ভালো আছিস। তোর পড়ালেখার কী খবর? অনেকদিন হলো তোর কোনো খবর পাইনি। তোর কাছে আজ আমি বই পড়ার গুরুত্ব নিয়ে কিছু কথা লিখতে বসেছি।
জানিস তো, বই হলো আমাদের শ্রেষ্ঠ বন্ধু। বই পড়লে জ্ঞান বাড়ে, নতুন নতুন তথ্য জানা যায় এবং চিন্তাশক্তির বিকাশ ঘটে। এটি মানুষের মনকে উন্নত করে এবং চারিত্রিক গুণাবলি অর্জনে সাহায্য করে। বই পড়ার অভ্যাস মানুষকে একজন ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে।
স্কুলের পাঠ্যবইয়ের বাইরেও তোর উচিত নানা ধরনের বই পড়া। গল্প, উপন্যাস, বিজ্ঞান, ইতিহাস বিষয়ক বই তোর জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করবে এবং তোর কল্পনার জগৎকে প্রসারিত করবে। এতে তোর শব্দভান্ডারও বাড়বে। নিয়মিত বই পড়লে তোর মন শান্ত থাকবে এবং পড়াশোনায় মনোযোগও বাড়বে।
আমি চাই তুই প্রতিদিন অন্তত কিছুটা সময় বই পড়ার জন্য বরাদ্দ করিস। তোর যদি কোনো বই পছন্দ না হয় বা বুঝতে অসুবিধা হয়, আমাকে জানাতে দ্বিধা করিস না। আমি তোকে সাহায্য করব। মনে রাখিস, একটি ভালো বই হাজার বন্ধুর সমান।
আজ আর নয়। তোর পড়ালেখা ও স্বাস্থ্য সম্পর্কে আমাকে লিখে জানাবি। বাবা-মাকে আমার সালাম দিস।
ইতি,
তোর বড় ভাই,
(তোর নাম)
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!