নিচের সংক্ষেপে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও

Updated: 1 month ago
উত্তরঃ

স্বামী প্রণবানন্দের একটি বাণী হলো-"আহারে, বিহারে ও আলাপে সংযম অভ্যাস করবে। দুর্বল ব্যক্তি আত্মজ্ঞান ও মুক্তি লাভ করতে পারে না।"

উত্তরঃ

মা আনন্দময়ীর পিতার নাম হলো বিপিনবিহারী ভট্টাচার্য।

উত্তরঃ

মা আনন্দময়ী রমনা কালীবাড়িতে নিয়মিত সাধনা করতেন।

উত্তরঃ

মহাপুরুষ বলতে তাঁদেরকে বোঝায়, যাদের মধ্যে রয়েছে অনেক গুণ। যাঁরা নিজের কথা ভাবেন না। সমাজ ও দেশের কথা ভাবেন। সকলের মঙ্গলের কথা ভাবেন এবং সকলকে ভালোবাসেন। সকলের সুখ-শান্তির জন্য কাজ করেন। পরোপকারই তাঁদের জীবনের সাধনা। জগতের কল্যাণ করাই তাঁদের জীবনের উদ্দেশ্য। তাঁরা মহান। তাঁরা অলৌকিক গুণসম্পন্ন। তাঁরা জ্ঞানচর্চা করেন। মানুষের কল্যাণের কথা ভাবেন। মানুষকে ধর্মপথে চলার শিক্ষা দেন।

উত্তরঃ

স্বামী প্রণবানন্দের জীবনী ও উপদেশ থেকে আমরা অনেক কিছু শিখতে পারি। যেমন-
১. আমাদেরকে সংযমী ও পরিশ্রমী হতে শিখি।
২. মানুষে মানুষে ভেদাভেদ ভুলে যেতে শিখি।
৩. নিজের ও অন্যদের মধ্যে নৈতিক ও আধ্যাত্মিক শক্তি জাগিয়ে তুলতে শিখি।
৪. সকলকে সনাতন আদর্শে সংগঠিত হতে শিখি।
৫. আহারে, বিহারে ও আলাপে সংযমী হতে শিখি।
৬. সংঘ ও সংঘশক্তির ওপর জোর দিতে শিখি।

উত্তরঃ

মা আনন্দময়ীর মাঝে ছোটোবেলা থেকেই ঈশ্বরের প্রতি ভক্তিভাবের প্রকাশ ঘটে। তিনি সর্বদা হরিনাম করতেন। হরিনাম করার সময় তাঁর শরীরে দেখা দিত এক স্বর্গীয় আলো। হরিনাম করার সময় মাঝে মাঝে তিনি অজ্ঞান হয়ে যেতেন। চিকিৎসাতেও কিছুই হতো না। এর মাধ্যমে সবাই বুঝতে পেরেছিলেন তিনি স্বাভাবিক মানুষ নন, তিনি দেবী। তাছাড়া তাঁর সংস্পর্শে অনেকেই কঠিন রোগ থেকে মুক্তিলাভ করেন। পরবর্তীতে স্বামীর সঙ্গে তিনি ভারতের দেরাদুনে চলে গেলে সেখানেও তাঁর সাধনার কথা ছড়িয়ে পড়ে। অনেকে তাঁর শিষ্যত্ব গ্রহণ করে। এরপর ভারতের বিভিন্ন স্থানে তাঁর নামে আশ্রম গড়ে ওঠে। এভাবেই চলতে থাকে তাঁর সাধন জীবন।

উত্তরঃ

যেসব নারী নিজেদের কথা না ভেবে সকলের উপকার করেন তাঁরাই হলেন মহীয়সী নারী। মহীয়সী নারীদের রয়েছে অনেক গুণ। যেমন- তাঁরা নিজেদের কথা না ভেবে সমাজ ও দেশের কথা ভাবেন। তাঁরা সকলের সুখ-শান্তির কথা ভাবেন। পরোপকারই তাদের জীবনের সাধনা।

উত্তরঃ

শিশুদের জন্য মা আনন্দময়ীর অনেক নৈতিক শিক্ষামূলক উপদেশ আছে। মা আনন্দময়ীর শিক্ষামূলক উপদেশ হলো-
১. ভগবানের নাম করবে। তাতে মঙ্গল হবে।
২. গুরুজন ও বাবা-মায়ের কথা শুনবে। ভালো করে লেখাপড়া শিখবে।
৩. অন্তরে যদি ভগবানের প্রতি ভালোবাসা থাকে, ভক্তি থাকে তাহলে আর ভয় নেই।

উত্তরঃ

মা আনন্দময়ী ধর্ম সম্পর্কে বলেন-
১. জগতে মত ও পথের শেষ নেই।
২. সব পথেই সত্যকে পাওয়া যায়।
৩. সব ধর্ম সমান।
৪. সব মানুষ সমান।

উত্তরঃ

স্বামী প্রণবানন্দ সংঘ ও সংঘশক্তির ওপর জোর দিতেন। কারণ এর মাধ্যমে গরিব-দুঃখীদের সেবা ও কল্যাণ করা যায়।
অন্যায়ের প্রতিবাদ করা যায়। ধর্মপ্রচার করা যায়।
 

উত্তরঃ

দুর্বলতা ত্যাগ করার কথা বলেছেন স্বামী প্রণবানন্দ। কেননা দুর্বল ব্যক্তি আত্মজ্ঞান ও মুক্তিলাভ করতে পারে না।

উত্তরঃ

মা আনন্দময়ীর দুটো জীবনাদর্শ হলো-
১. ভগবানকে শ্রদ্ধা ও স্মরণ করা।
২. মা-বাবা ও গুরুজনদের ভক্তি করা।

উত্তরঃ

যাঁরা কেবল নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত থাকেন না, সকলের সুখ-শান্তির জন্য কাজ করেন, তারাই হলেন মহাপুরুষ বা মহীয়সী নারী। আমরা যেসব কারণে মহাপুরুষ ও মহীয়সী নারীর জীবনাদর্শ অনুসরণ করব তা হলো-
১. আমাদের জীবন সুন্দরভাবে গড়ে তোলার অনুপ্রেরণা লাভ করি।
২. ভালো কাজ করতে উদ্বুদ্ধ হতে পারি।
৩. ভালো মানুষ হতে পারি।
৪. চরিত্রবান ও উদার হতে পারি।
৫. মানুষ ও জগতের মঙ্গল করতে পারি।

উত্তরঃ

স্বামী প্রণবানন্দের যে পাঁচটি জীবনাদর্শ আমি অনুসরণ করব তা হলো-
১. মানুষে মানুষে ভেদাভেদ না করা।
২. সকলের মধ্যে সহযোগিতার মনোভাব গড়ে তোলা।
৩. একে অপরের সাথে ঐক্যবদ্ধ থাকা।
৪. ধর্মের আদর্শ মেনে চলা।
৫. স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন হওয়া।

উত্তরঃ

মা আনন্দময়ীর যে পাঁচটি জীবনাদর্শ আমি অনুসরণ করব তা হলো-
১. ভগবানকে শ্রদ্ধা ও স্মরণ করা।
২. মা-বাবা ও গুরুজনদের ভক্তি করা।
৩. সকল ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা।
৪. মানুষে মানুষে ভেদাভেদ না করা।
৫. নিয়মিত লেখাপড়া করা।

উত্তরঃ

সমাজে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে আমরা স্বামী
প্রণবানন্দ ও মা আনন্দময়ীর জীবনাদর্শ অনুসরণ করব। নিজের জীবন ও কর্মে তার প্রতিফলন ঘটাব। মানুষ তথা সকল জীবের কল্যাণে কাজ করব। অন্যদেরকে তাঁদের আদর্শ মেনে চলতে উদ্বুদ্ধ করব। সুন্দর সমাজ গঠনে এদের অবদান তুলে ধরব। এতে আমাদের সকলের মঙ্গল হবে। আর এভাবেই সমাজে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় থাকবে এবং সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠিত হবে।

উত্তরঃ

সমাজে শান্তি স্থাপনে আমরা মা আনন্দময়ীর যেসব আদর্শ অনুসরণ করব তা হলো-
১. সকল ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া।

২. সকল মানুষকে সমান দৃষ্টিতে দেখা।
৩. মানুষে মানুষে ভেদাভেদ না করা।

উত্তরঃ

তীর্থস্থানে পান্ডাদের অত্যাচার বন্ধে বিনোদ গয়ায় সেবাশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন। ফলে তীর্থযাত্রীরা পান্ডাদের অত্যাচার থেকে মুক্তি পায়। তীর্থযাত্রীরা সহজে পুণ্যকর্ম করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে এটি 'ভারত সেবাশ্রম সংঘ' নামে খ্যাতি লাভকরে। ক্রমে তিনি বিভিন্ন স্থানে ভারত সেবাশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন।

22

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews