নিচের সংক্ষেপে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও

Updated: 1 month ago
উত্তরঃ

আমাদের পৃথিবী অনেক প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে
পরিপূর্ণ। এখানে রয়েছে-
১. নানা ধরনের গাছ-লতা-পাতা।
২. জীবজন্তু, কীট-পতঙ্গ।
৩. বনভূমি, উঁচু পাহাড়-পর্বত, সমভূমি।
৪. বিশাল জলরাশি, নদ-নদী, সাগর-মহাসাগর।
৫. সবুজ শস্যক্ষেত্র।
৬. গাছে-গাছে জানা-অজানা ফুল-ফল। ডালে-ডালে পাখি।
৭. আকাশে রয়েছে চন্দ্র-সূর্য, গ্রহ-নক্ষত্র

উত্তরঃ

স্রষ্টার রয়েছে অনেক নাম। বিভিন্ন ধর্মের লোকেরা
স্রষ্টাকে বিভিন্ন নামে ডাকে। যেমন-
১. হিন্দুধর্মে স্রষ্টাকে ঈশ্বর বলা হয়। এছাড়াও পরমেশ্বর, ব্রহ্ম, পরমব্রহ্ম, পরমাত্মা, হরি, ভগবান প্রভৃতি নামেও ডাকা হয়।
২. খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বীরা তাঁকে ঈশ্বর বা গড বলে ডাকে।
৩. ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা তাঁকে আল্লাহ বলে ডাকে।
৪. বৌদ্ধরা গৌতম বুদ্ধের অনুশাসন মেনে চলে।
৫. ইংরেজি ভাষায় স্রষ্টাকে গড বলে ডাকে।
৬. ফারসি ভাষায় খোদা বলে ডাকা হয়।

উত্তরঃ

পৃথিবীর কোনোকিছুই হঠাৎ করে সৃষ্টি হয়নি। সমস্ত
সৃষ্টির মূলে রয়েছেন একজন মহান স্রষ্টা। যেমন- একজন কাঠমিস্ত্রি তৈরি 'করেন চেয়ার-টেবিল, রাজমিস্ত্রি তৈরি করেন দালান-কোঠা। তেমনি চন্দ্র-সূর্য, গ্রহ-নক্ষত্র, মানুষ, গাছ-লতা-পাতা, জীবজন্তু, কীট-পতঙ্গ, বনভূমি, পাহাড়-পর্বত, নদ-নদী, সাগর-মহাসাগর, সবুজ শস্যক্ষেত্র প্রভৃতিসহ জগতের সকল কিছুর একজন সৃষ্টিকর্তা আছেন। হিন্দুধর্মে এই সৃষ্টিকর্তাকে বলা হয় ঈশ্বর। তাই বলা যায়, ঈশ্বর-ই সবকিছুর স্রষ্টা।

উত্তরঃ

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে পরিপূর্ণ আমাদের এই পৃথিবী।

উত্তরঃ

বৌদ্ধরা গৌতম বুদ্ধের অনুশাসন মেনে চলে।

উত্তরঃ

ইংরেজিতে ঈশ্বরকে গড় বলা হয়।

উত্তরঃ

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে পরিপূর্ণ এ পৃথিবী। এ সৌন্দর্যময় প্রকৃতি যেমন একদিনে হয়নি, তেমনি পৃথিবীও হঠাৎ করে সৃষ্টি হয়নি। দীর্ঘ পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে সৃষ্টি হয়েছে আজকের এ সুন্দর পৃথিবী। পৃথিবীর সমস্ত সৃষ্টির মূলে রয়েছেন সর্বশক্তিমান ঈশ্বর।

উত্তরঃ

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে পরিপূর্ণ আমাদের এ পৃথিবী। আমাদের আজকের এ সুন্দর পৃথিবী দীর্ঘ পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে সৃষ্টি হয়েছে। এ সুন্দর পৃথিবীতে আমরা বাস করি। এখানে রয়েছে নানা ধরনের গাছ-লতা-পাতা, জীব-জন্তু, কীট-পতঙ্গ ইত্যাদি।

উত্তরঃ

পৃথিবীর বাইরেও ঈশ্বর সৃষ্টি করেছেন বিশাল এক জগৎ। যাকে মহাবিশ্ব বলা হয়।

উত্তরঃ

সমগ্র সৃষ্টিই ঈশ্বরের নিয়ন্ত্রণাধীন। কেননা ঈশ্বরের ক্ষমতা অসীম। তাঁর ক্ষমতার বাইরে কিছু নেই। আমাদের জন্ম-মৃত্যু তাঁরই দান। অনেক কিছু আমাদের চোখে পড়ে না। অনেক কিছু আমরা এখনও ভাবতে পারিনি। তিনি সে সবেরও স্রষ্টা।

উত্তরঃ

ঈশ্বর এক ও অদ্বিতীয়। তিনি অনাদি, অনন্ত এবং সকল গুণের অধিকারী। তাঁর সমান বা তাঁর চেয়ে বড় কেউ নেই। তিনি জীব ও জগতের সৃষ্টিকর্তা, পালনকর্তা এবং ধ্বংসকর্তা। তিনি সর্বশক্তির উর্ধ্বে। এসব কারণে ঈশ্বরকে সকল শক্তির অধিকারী বলা হয়ে থাকে।

উত্তরঃ

ঈশ্বর এক ও অদ্বিতীয়। তিনি সর্বশক্তিমান। তিনি সকল শক্তির অধিকারী।

অনাদি, অনন্ত এবং সকল গুণের অধিকারী। তাঁর সমান বা তাঁর চেয়ে বড় কেউ নেই। তিনি সবকিছু করতে পারেন। তিনি জীব ও জগতের সৃষ্টিকর্তা, পালনকর্তা এবং ধ্বংসকর্তা। তিনি সর্বশক্তির উর্ধ্বে। তাঁর ইচ্ছাতেই প্রতিদিন সকালে সূর্য ওঠে আর সন্ধ্যায় অস্ত যায়, ঋতুর পরিবর্তন হয়। তিনি মহাবিশ্বের স্রষ্টা।

উত্তরঃ

পৃথিবীতে যা কিছু আছে তার সবই ঈশ্বরের সৃষ্টি। তবে পৃথিবীর বাইরেও ঈশ্বর সৃষ্টি করেছেন বিশাল এক জগৎ, যা মহাবিশ্ব নামে পরিচিত। এ মহাবিশ্বের সবকিছু নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলে। এ নিয়মেই প্রতিদিন সকালে সূর্য ওঠে আর সন্ধ্যায়-অস্ত যায়। ঋতুর পরিবর্তন হয়। ঘটে সব প্রাকৃতিক ঘটনা।

উত্তরঃ

সবই ঈশ্বরের সৃষ্টি। যেভাবে দিন-রাত হয়-
১. ঈশ্বরের ইচ্ছাতেই প্রতিদিন সকালে সূর্য ওঠে আর সন্ধ্যায় অস্ত যায়।
২. সূর্যকে কেন্দ্র করে পৃথিবী ঘোরে। ঘূর্ণনের ফলে পৃথিবীর যে অংশ সূর্যের কাছাকাছি অবস্থান করে তখন সেই অংশে সূর্যের আলো পড়ে এবং সেখানে দিন হয়।
৩. পৃথিবীর যে অংশে সূর্যের আলো পৌঁছাতে পারে না, সেখানে অন্ধকার থাকে। ফলে সেখানে রাত হয়।

উত্তরঃ

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে পরিপূর্ণ এ পৃথিবী। এ সৌন্দর্যময় প্রকৃতি যেমন একদিনে হয়নি, তেমনি পৃথিবীও হঠাৎ করে সৃষ্টি হয়নি। দীর্ঘ পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে সৃষ্টি হয়েছে আজকের এ সুন্দর পৃথিবী। পৃথিবীর সমস্ত সৃষ্টির মূলে রয়েছেন সর্বশক্তিমান ঈশ্বর।

উত্তরঃ

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে পরিপূর্ণ আমাদের এ পৃথিবী। আমাদের আজকের এ সুন্দর পৃথিবী দীর্ঘ পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে সৃষ্টি হয়েছে। এ সুন্দর পৃথিবীতে আমরা বাস করি। এখানে রয়েছে নানা ধরনের গাছ-লতা-পাতা, জীব-জন্তু, কীট-পতঙ্গ ইত্যাদি।

উত্তরঃ

পৃথিবীর বাইরেও ঈশ্বর সৃষ্টি করেছেন বিশাল এক জগৎ। যাকে মহাবিশ্ব বলা হয়।

উত্তরঃ

সমগ্র সৃষ্টিই ঈশ্বরের নিয়ন্ত্রণাধীন। কেননা ঈশ্বরের ক্ষমতা অসীম। তাঁর ক্ষমতার বাইরে কিছু নেই। আমাদের জন্ম-মৃত্যু তাঁরই দান। অনেক কিছু আমাদের চোখে পড়ে না। অনেক কিছু আমরা এখনও ভাবতে পারিনি। তিনি সে সবেরও স্রষ্টা।

উত্তরঃ

ঈশ্বর এক ও অদ্বিতীয়। তিনি অনাদি, অনন্ত এবং সকল গুণের অধিকারী। তাঁর সমান বা তাঁর চেয়ে বড় কেউ নেই। তিনি জীব ও জগতের সৃষ্টিকর্তা, পালনকর্তা এবং ধ্বংসকর্তা। তিনি সর্বশক্তির উর্ধ্বে। এসব কারণে ঈশ্বরকে সকল শক্তির অধিকারী বলা হয়ে থাকে।

উত্তরঃ

ঈশ্বর এক ও অদ্বিতীয়। তিনি অনাদি, অনন্ত এবং সকল গুণের অধিকারী। তাঁর সমান বা তাঁর চেয়ে বড় কেউ নেই। তিনি জীব ও জগতের সৃষ্টিকর্তা, পালনকর্তা এবং ধ্বংসকর্তা। তিনি সর্বশক্তির উর্ধ্বে। এসব কারণে ঈশ্বরকে সকল শক্তির অধিকারী বলা হয়ে থাকে।

উত্তরঃ

পৃথিবীতে যা কিছু আছে তার সবই ঈশ্বরের সৃষ্টি। তবে পৃথিবীর বাইরেও ঈশ্বর সৃষ্টি করেছেন বিশাল এক জগৎ, যা মহাবিশ্ব নামে পরিচিত। এ মহাবিশ্বের সবকিছু নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলে। এ নিয়মেই প্রতিদিন সকালে সূর্য ওঠে আর সন্ধ্যায়-অস্ত যায়। ঋতুর পরিবর্তন হয়। ঘটে সব প্রাকৃতিক ঘটনা

উত্তরঃ

সবই ঈশ্বরের সৃষ্টি। যেভাবে দিন-রাত হয়-
১. ঈশ্বরের ইচ্ছাতেই প্রতিদিন সকালে সূর্য ওঠে আর সন্ধ্যায় অস্ত যায়।
২. সূর্যকে কেন্দ্র করে পৃথিবী ঘোরে। ঘূর্ণনের ফলে পৃথিবীর যে অংশ সূর্যের কাছাকাছি অবস্থান করে তখন সেই অংশে সূর্যের আলো পড়ে এবং সেখানে দিন হয়।
৩. পৃথিবীর যে অংশে সূর্যের আলো পৌঁছাতে পারে না, সেখানে। অন্ধকার থাকে। ফলে সেখানে রাত হয়।

উত্তরঃ

ঈশ্বরকে সর্বশক্তিমান বলা হয়। কারণ তিনি সর্বত্র বিরাজমান। তিনি এ মহাবিশ্বের সবকিছুর স্রষ্টা ও নিয়ন্ত্রক। তিনি এক ও অদ্বিতীয়। তিনি অনাদি, অনন্ত এবং সকল গুণের অধিকারী।

উত্তরঃ

ঈশ্বর আত্মারূপে জীবের মধ্যে অবস্থান করেন।

উত্তরঃ

আমরা ঈশ্বরকে শ্রদ্ধা ও বিশ্বাস করব।

উত্তরঃ

ঈশ্বর আমাদের মঙ্গল করেন।

উত্তরঃ

ঈশ্বর ও জীবের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ক হলো-
১. ঈশ্বর স্রষ্টা, জীব তাঁর সৃষ্টি। তাই ঈশ্বরের সকল সৃষ্টিকে ভালোবাসাই হচ্ছে ঈশ্বরকে ভালোবাসা।
২. আমরা ঈশ্বরকে না দেখতে পেলেও তিনি সকল জীবের মধ্যে আছেন।
৩. ঈশ্বর আছেন বলেই আমাদের জীবন আছে।
৪. তিনি প্রকৃতি সৃষ্টি করেছেন। আর এই প্রকৃতিকে নির্ভর করেই আমরা বেঁচে থাকি।

উত্তরঃ

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে পরিপূর্ণ আমাদের এ পৃথিবীর সবকিছুই ঈশ্বরের সৃষ্টি। তাই তিনি আছেন তাঁর সকল সৃষ্টির মধ্যে। তিনি আছেন বলেই আমাদের জীবন আছে। ঈশ্বর সৃষ্ট প্রকৃতিতে আছে আমাদের প্রয়োজন মেটানোর মতো সবকিছু। প্রকৃতিকে নির্ভর করে আমরা বেঁচে থাকি। এভাবে তিনি আমাদের লালন-পালন করেন। যেহেতু ঈশ্বর তাঁর সকল সৃষ্টির মধ্যে অবস্থান করেন, তাই সকল সৃষ্টিকে ভালোবাসলে ঈশ্বরকেই ভালোবাসা হয়। এজন্য আমরা সকল সৃষ্টিকে ভালোবাসব।

উত্তরঃ

ঈশ্বরের প্রতি আমরা বিভিন্ন কারণে কৃতজ্ঞ। কেননা, ঈশ্বর আমাদের সৃষ্টি করেছেন। তিনি আমাদের সুন্দরভাবে প্রতিপালন করেছেন। তিনি আমাদের জন্য প্রকৃতি সৃষ্টি করেছেন। এছাড়া তিনি সৃষ্টি করছেন সবুজ শস্যক্ষেত্র, ফল-মূল, নদ-নদী, জীবজন্তু, পশু-পাখি ইত্যাদি। তিনি আছেন বলেই আমাদের জীবন আছে।

উত্তরঃ

জীবসেবা বলতে জীবের পরিচর্যা, সংরক্ষণ ও বৃদ্ধি করাকে বোঝায়। কথায় আছে, ঈশ্বর আত্মারূপে জীবের মধ্যে অবস্থান করেন। এজন্য আমরা জীবকে ভালোবাসব। কারণ জীবকে ভালোবাসলে ঈশ্বরকেই ভালোবাসা হয়। তাই স্বামী বিবেকানন্দ বলেছেন, "জীবে প্রেম করে যেই জন,
সেই জন সেবিছে ঈশ্বর।"
অর্থাৎ যিনি জীবকে ভালোবাসেন, তিনি সেই সেবার মধ্য দিয়ে ঈশ্বরকেই সেবা করেন। তাই আমরা কোনো জীবকেই অবহেলা - করব না। জীবকে অবহেলা করলে ঈশ্বরকে অবহেলা করা হয়।

উত্তরঃ

আমাদের এ সুন্দর পৃথিবীর সবকিছুই ঈশ্বরের সৃষ্টি। তাই ঈশ্বরের সকল সৃষ্টিকে ভালোবাসলে ঈশ্বরকে ভালোবাসা হয়। ঈশ্বরের সেবা করা হয়। এছাড়া উপাসনা ও প্রার্থনার মধ্য দিয়েও আমরা ঈশ্বরকে শ্রদ্ধা জানাতে পারি, ভালোবাসতে পারি। এতে তিনি সন্তুষ্ট হন।

উত্তরঃ

ঈশ্বরকে উপলব্ধি করার জন্য তাঁর উপাসনা করতে হয়।

উত্তরঃ

ঈশ্বরের গুণকীর্তন, স্তব-স্তুতি, পূজা, ধ্যান, জপ ইত্যাদির মাধ্যমে ঈশ্বরকে স্মরণ করাকে উপাসনা বলে।

উত্তরঃ

দুটি বিশেষ আসন হলো- পদ্মাসন ও সুখাসন।

উত্তরঃ

বিশেষ পদ্ধতিতে ঈশ্বরের গুণগান করার রীতিকে বলা হয় উপাসনা। যেভাবে উপাসনা করা যায় তা হলো-
১. উপাসনা করার সময় বিশেষ আসনে বসতে হয়।
২. উত্তর বা পূর্বদিকে মুখ করে সোজা হয়ে বসতে হয়।
৩. একমনে ঈশ্বরকে ডাকতে হয়, তাঁকে আরাধনা করতে হয়।
৪. ঈশ্বরের গুণকীর্তন, স্তব-স্তুতি, পূজা, ধ্যান, জপ ইত্যাদি করতে হয়।
৫. দেব-দেবীর প্রতিমা বা ছবির সামনে বসে পূজা ও যজ্ঞ করতে হয়।

উত্তরঃ

উপাসনার একটি দিক প্রার্থনা। উপাসনা ও প্রার্থনা
করলে যে ফল পাওয়া যায় তা হলো-
১. উপাসনা ও প্রার্থনার মাধমে মনোযোগ বাড়ে।
২. আমাদের দেহ-মন ভালো থাকে।
৩. শরীর সুস্থ থাকে।
৪. সৎ ও ধর্মপথে পরিচালিত করতে সহায়তা করে।
৫. উপাসনা ও প্রার্থনা করলে ঈশ্বর আমাদের ওপর সন্তুষ্ট হন।
৬. ঈশ্বর আমাদের মঙ্গল করেন এবং সকল বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা করেন।

উত্তরঃ

বিপদে মোরে রক্ষা করো' প্রার্থনা সংগীতটির মূলভাব হলো-
১. কবি তার বিপদে তাকে রক্ষা করার পরিবর্তে তিনি যেন ভয়হীন থাকতে পারেন সেই প্রার্থনা করেছেন।
২. দুঃখে সহায়, সান্ত্বনা না চেয়ে শক্তি ও সাহস চান।
৩. কবি প্রভুর কাছে নিজেকে উদ্ধার করার পরিবর্তে জীবনযুদ্ধে জয়ী হওয়ার শক্তি ও সাহস চেয়েছেন, যাতে নিজেই সকল বাধা-বিপত্তির মোকাবিলা করতে পারেন।
৪. কবি প্রভুর কাছে আত্মশক্তিতে বলীয়ান হওয়ার প্রার্থনা করেছেন

উত্তরঃ

প্রতিদিন সকাল, দুপুর ও সন্ধ্যায় উপাসনা করতে হয়।
ঈশ্বরের গুণকীর্তন, স্তব-স্তুতি, পূজা, ধ্যান, জপ ইত্যাদির মাধ্যমে উপাসনা করতে হয়। উপাসনা সুর করে এবং নীরবে ও করা হয়। উপাসনা করলে দেহ-মন পবিত্র হয়।

19

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews