ভূত্বক হল পৃথিবীর বাইরের দিকের একটি পাতলা আবরণ, যা পৃথিবীর আয়তনের ১% এরও কম অংশ জায়গা দখল করে আছে। এটি অশ্মমণ্ডলের (অশ্মমণ্ডল হল পৃথিবীর স্তরগুলির একটি বিভাগ, যার মধ্যে ভূত্বক এবং ম্যান্টেলের উপরের অংশটি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে) উপরের অংশ । অশ্মমণ্ডল ভূত্বকীয় পাতে বা টেকটোনিক প্লেটে বিভক্ত, পাত বা প্লেটগুলো চলমান।
ভূত্বক (Geoid) হলো পৃথিবীর আকৃতি এবং ভূ-গঠন সম্পর্কিত একটি বিশেষ শব্দ। এটি পৃথিবীর প্রকৃত আকৃতির একটি ধারণা, যা সমুদ্রের পৃষ্ঠের উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়। ভূত্বক একটি তাত্ত্বিক পৃষ্ঠ যা সমুদ্রের পৃষ্ঠকে স্থির করে ধরে নিয়ে এবং পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ ক্ষেত্রের প্রভাবের সাথে সমন্বয় করে তৈরি হয়।
ভূত্বকের বৈশিষ্ট্য
জলবায়ু ও মাধ্যাকর্ষণ: ভূত্বক পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ ক্ষেত্রের প্রভাব অনুযায়ী নির্মিত। এটি পৃথিবীর ভেতরের বিভিন্ন স্তরের কারণে সমুদ্রের স্তরের উচ্চতা পরিবর্তিত হয়।
অকৃত্রিম আকৃতি: ভূত্বক একটি অকৃত্রিম আকৃতি হিসেবে বিবেচিত হয়, কারণ এটি পৃথিবীর প্রকৃত আকৃতির প্রতিনিধিত্ব করে। এটি সোজাসুজি বা সিমিট্রিক নয়; বরং এর আকৃতি স্থানীয় ভূগোল এবং ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্যের উপর নির্ভর করে।
জলবাহী সীমানা: ভূত্বক প্রধানত সমুদ্রের পৃষ্ঠ থেকে শুরু হয় এবং এর সাথে মহাদেশ এবং অন্যান্য ভূখণ্ডের বৈচিত্র্যময় উচ্চতা অন্তর্ভুক্ত করে।
মৌলিক গবেষণার ভিত্তি: ভূত্বক মাপার জন্য ভূ-তাত্ত্বিক ও জ্যোতির্বিজ্ঞান গবেষণায় ব্যবহৃত হয় এবং এটি মানচিত্র তৈরির সময় একটি মৌলিক ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।
ভূত্বক বুঝতে এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণায় এটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি পৃথিবীর আকৃতি এবং পরিবেশগত বৈশিষ্ট্যগুলোর একটি মৌলিক ধারণা দেয়।
Related Question
View Allআকাশে সূর্যের অবস্থান থেকে যে সময় স্থির করা হয় তাকে স্থানীয় সময় বলে।
সাধারণত কোনো একটি দেশের মধ্যভাগের দ্রাঘিমারেখা অনুযায়ী যে সময় নির্ধারণ করা হয় সে সময়কে ঐ দেশের প্রমাণ সময় বলা হয়। সময়ের বিভ্রাট থেকে বাঁচার জন্য প্রত্যেক দেশে একটি প্রমাণ সময় নির্ধারণ করা হয়। দেশের আয়তনের উপর ভিত্তি করে প্রমাণ সময় একাধিক হতে পারে। যেমন- যুক্তরাষ্ট্রে ৪টি এবং কানাডাতে ৬টি প্রমাণ সময় রয়েছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!