নিটেড ফেব্রিক হলো হাতে বা মেশিনে নিটিং প্রক্রিয়ায় প্রস্তুত এক প্রকার বস্ত্র।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allমানুষের জীবনে মৌলিক চাহিদা পাঁচটি। যথা: খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা ও শিক্ষা।
নার্সরা আত্মরক্ষার জন্য নিরাপত্তামূলক পোশাক যেমন- এপ্রোন, মাস্ক ও দস্তানা পরিধান করে। তারা রাসায়নিক দ্রব্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাঁচার জন্য এ ধরনের পোশাক পরিধান করে। এ পোশাকগুলো সাধারণত জীবাণুমুক্ত হয়।
সোভার পরিধেয় বস্তুটি ওভেন ফেব্রিকের। এ ধরনের ফেব্রিক বয়ন প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন হয়। এ প্রক্রিয়ায় এক সেট সুতা লম্বালম্বিভাবে সাজানো থাকে। এর সাথে আরও একসেট সুতা আড়াআড়িভাবে সাজিয়ে বস্ত্র বোনা হয়। যেমনঃ লং ক্লথ, ভয়েল, অর্গ্যান্ডি, জিন্স, গ্যাবার্ডিন ইত্যাদি। ওভেন ফেব্রিক সাধারণত নরম হয়, সুন্দরভাবে ঝুলে থাকে, ধুয়ে দিলে তাড়াতাড়ি শুকায় ও পরিধানের পর বেশিরভাগ সময় কুঁচকে থাকে। উল্লিখিত বৈশিষ্ট্যগুলো সোভার পরিধেয় বস্ত্রের সাথে মিল রয়েছে। সুতরাং, সোভার পরিধেয় বস্তুটি ওভেন ফেব্রিকে তৈরি।
সোভা ও রেবার পরিধেয় কাপড়গুলো যথাক্রমে ওভেন ও নিটেড ফেব্রিকের। উভয় ফেব্রিকের বৈশিষ্ট্যগুলোর তুলনামূলক আলোচনা করা হলো-
ওভেন ফেব্রিক | নিটেড ফেব্রিক |
১. ওভেন ফেব্রিক তাঁতে বোনা। | ১. নিটেড ফেব্রিক হাতে বা মেশিনে তৈরি। |
২, লংক্লথ, ভয়েল, অর্গ্যান্ডি ইত্যাদি এর উদাহরণ। | ২. টি-শার্টের কাপড়, হোসিয়ারির কাপড় ইত্যাদি এর উদাহরণ। |
৩. এগুলো নরম, সুন্দরভাবে ঝুলে থাকে এবং তাড়াতাড়ি শুকায়। কিন্তু এগুলো সহজেই কচকে কুচকে যায়। | ৩. এ ফেব্রিক টানলে বেশি প্রসারিত হয়। এদের পানি শোষণ ক্ষমতা বেশি এবং সহজে কুঁচকায় না। |
নানা রকম প্রতিকূল অবস্থা থেকে নিজেকে রক্ষা, করাই হলো আত্মরক্ষা।
বিভিন্ন পেশার ব্যক্তিরা তাদের প্রয়োজনে আত্মরক্ষামূলক পোশাক পরে থাকে। যেমন- নার্স, ডাক্তার ও রসায়নবিদরা রাসায়নিক দ্রব্যাদি থেকে নিজেকে রক্ষা করার জন্য এপ্রোন, মাস্ক ও দস্তানা পরে।
পোশাকের প্রয়োজনীয়তার মধ্যে পরিচিতি ও সামাজিক মর্যাদা বৈশিষ্ট্যের কারণে রাহাত খেলোয়াড়দের শনাক্ত করতে পেরেছে।
নিজ পেশা ও পরিচিতি সমাজে তুলে ধরার জন্য নানা ধরনের পোশাক পরতে হয়। তাই ডাক্তার, সৈনিক কিংবা নার্সদের পোশাক দেখলেই তাদের পেশা বোঝা যায়। খেলোয়াড়দের পোশাকে ব্যবহৃত সবুজ ও হলুদের মাঝে ফুটবলের ছবি দেখে রাহাত তাদের শনাক্ত করতে পেরেছে। এখানে সে রং ও ডিজাইন দেখে ব্রাজিল দলকে শনাক্ত করেছে। পরিচিতি ও সামাজিক মর্যাদার বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করেই খেলোয়াড়দের পোশাক তৈরি করা হয়। তাই জার্সি দেখেই কোন দেশের খেলোয়াড় তা বোঝা যায়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!