নিপুণ শারীরিক প্রতিবন্ধী। পা দিয়ে লিখে এইচ.এস.সি. পরীক্ষা পাস করেছে। লেখাপড়া করে এইটুকু আসতে তাকে অনেক বাঁধা পার হতে হয়েছে। মা-বাবার সহযোগিতা ছাড়া যা কখনই সম্ভব ছিল না। সমাজের কিছু মানুষের মুখের কথা শুনলে তার হয়তো পড়ালেখাই হতো না। পাস করার পর নিপুণ অতি আনন্দে কেঁদে কেঁদে বলেছিল, "আমাদের মতো মানুষদের এগিয়ে যেতে সহায়তা করুন।"

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

একটি স্নেহের কথায় কবির ব্যথা প্রশমিত হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

'আড়ালে আড়ালে থাকি, নীরবে আপনা ঢাকি'- কারণ পাছে লোকের সমালোচনার ভয় ও সংকোচ।

'পাছে লোকে কিছু বলে' কবিতায় কবি মানুষের দ্বিধা-দ্বন্দ্ব, ভয়, সমালোচনা ইত্যাদি উপেক্ষা করে মানবকল্যাণে আত্মনিয়োগ করার কথা বলেছেন। অনেকের মনে মানবকল্যাণের জন্য আত্মনিয়োগের ইচ্ছা জাগে কিন্তু পাছে লোকে কিছু বলবে, সেই ভয় ও সংকোচের কারণে তা কার্যে পরিণত করতে পারে না। সেসব শুভ চিন্তা পূর্ণতা পায় না। কারণ ব্যক্তি লোকলজ্জার ভয়ে তা প্রকাশ না করে নিজের মধ্যেই লুকিয়ে রাখে। মনের মধ্যে সংশয় কাজ করলে এবং সমালোচনার ভয় থাকলে কোনো ইচ্ছা ও স্বপ্নকে বাস্তবে রূপদান করা যায় না।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত সমাজের কিছু মানুষের আচরণে 'পাছে লোকে কিছু বলে' কবিতার যে বিশেষ দিকটি ফুটে উঠেছে তা হলো লোকনিন্দা ও সমালোচনা।

সমালোচনার ভয়ে মানুষ অনেক সময় ভালো কাজ করতে পারে না। নেতিবাচক সমালোচনা ও লোকনিন্দার কারণে অনেকে মহৎ কাজ থেকেও সরে আসে। কারণ লোকলজ্জা মানুষকে দ্বিধাগ্রস্ত করে এবং ভালো কাজের স্পৃহা নষ্ট করে দেয়।

উদ্দীপকে নেতিবাচক সমালোচনা ও লোকলজ্জা-ভয় উপেক্ষা করে একজন প্রতিবন্ধীর এগিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। সে মা-বাবার সহায়তায় অনুপ্রাণিত হয়েছে এবং পা দিয়ে লিখে এসএসসি পরীক্ষায় পাস করেছে।

উদ্দীপকের সাহসী নিপুণের লেখাপড়াকে যারা সহজে গ্রহণ করেনি এবং যারা নেতিবাচক সমালোচনা করেছে, তাদের কথা শুনলে সে এগিয়ে যেতে পার না। এর কারণ 'পাছে লোকে কিছু বলে' কবিতায় তুলে ধরা ধরেছেন। কবি বলেছেন, মানুষের মধ্যে মহৎ ও শুভ চিন্তা জাগ্রত হলেও সমালোচনার ভয়ে তা প্রকাশ করে না। মনের মধ্যেই সেগুলো নীরবে হারিয়ে যায়। উদ্দীপকের নিপুণ সেটা উপেক্ষা করেছে বলেই তার পক্ষে লক্ষ্যে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

নিপুণের মতো দৃঢ়চেতা মনোভাব সৃষ্টিই 'পাছে লোকে কিছু বলে' কবিতার মূলভাব- মন্তব্যটি যথার্থ।

আমাদের মনে জগতের কল্যাণকর বহু শুভচিন্তা উদয় হয়। কিন্তু সমালোচনার ভয়ে আমরা তা প্রকাশ করতে পারি না। সমাজে একশ্রেণির লোক আছে যারা সব কাজেরই নেতিবাচক সমালোচনা করে থাকে। এতে মহৎ কাজ বাধাপ্রাপ্ত হয়।

উদ্দীপকে সমাজের কিছু লোকের নেতিবাচক সমালোচনা সত্ত্বেও দৃঢ় সংকল্প নিয়ে নিপুণের লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। লোকলজ্জার ভয়ে নিপুণ ভালো কাজ থেকে সরে আসেনি। সে তার বাবা-মায়ের সহায়তায় তার লেখাপড়ায় মন দিয়েছে। সুযোগ পেলে প্রতিবন্ধীরাও যে কিছু করতে পারে সেই লক্ষ্যে সে এগিয়ে যাচ্ছে। উদ্দীপকের নিপুণের মতো সাহসী এক দৃঢ়চেতা মানুষই 'পাছে লোকে কিছু বলে' কবিতায় কবি প্রত্যাশা করেছেন। তিনি এখানে দ্বিধা-দ্বন্দ্ব, ভয়-সংকোচ উপেক্ষা করে দৃঢ়সংকল্প নিয়ে আমাদেরকে মানবকল্যাণে আত্মনিয়োগ করতে বলেছেন।

'পাছে লোকে কিছু বলে' কবিতায় কবি সমালোচনা উপেক্ষা করে মহৎ কাজে আত্মনিয়োগের আহ্বান জানিছেন। এজন্য তিনি মানুষকে দৃঢ় প্রত্যয়ী হতে বলেছেন। উদ্দীপকের নিপুণ কবির সেই প্রত্যাশিত মানুষের প্রতিনিধি। এই দিক থেকে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
83

 

করিতে পারি না কাজ, 

সদা ভয়, সদা লাজ, 

সংশয়ে সংকল্প সদা টলে, 

পাছে লোকে কিছু বলে।

 

আড়ালে আড়ালে থাকি, 

নীরবে আপনা ঢাকি, 

সম্মুখে চরণ নাহি চলে, 

পাছে লোকে কিছু বলে।

 

হৃদয়ে বুদবুদ মতো 

উঠে শুভ্র চিন্তা কত, 

মিশে যায় হৃদয়ের তলে 

পাছে লোকে কিছু বলে।

 

কাঁদে প্রাণ যবে, আঁখি 

সযতনে শুষ্ক রাখি 

নির্মল নয়নের জলে, 

পাছে লোকে কিছু বলে।

 

একটি স্নেহের কথা 

প্রশমিতে পারে ব্যথা 

চলে যাই উপেক্ষার ছলে 

পাছে লোকে কিছু বলে।

 

মহৎ উদ্দেশ্যে যবে 

এক সাথে মিলে সবে, 

পারি না মিলিতে সেই দলে, 

পাছে লোকে কিছু বলে।

 

বিধাতা দিছেন প্রাণ

থাকি সদা ম্রিয়মাণ;

শক্তি মরে ভীতির কবলে,

পাছে লোকে কিছু বলে।

Related Question

View All
উত্তরঃ

"সংশয়ে সংকল্প সদা টলে" বলতে কবি বুঝিয়েছেন কোনো কাজ সম্পর্কে সন্দেহ থাকলে সেই কাজের সংকল্প বা ইচ্ছা নষ্ট হয়।

মনের ভেতরে সংশয় কাজ করলে কোনো ইচ্ছা বা স্বপ্নকে বাস্তবে রূপদান করা যায় না। কাজ করতে গিয়ে লজ্জার মুখে পড়তে হয় কিনা এ চিন্তা করলে মনের মধ্যে সংশয় দানা বাঁধে। তখন আর কাজটা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয় না। মন স্থির না থাকায় সব সময় দ্বিধা কাজ করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
435
উত্তরঃ

উদ্দীপকের প্রথম অংশের বক্তব্য 'পাছে লোকে কিছু বলে' কবিতার চতুর্থ স্তবকের বিপরীত ভাব ধারণ করেছে।

ভালো কাজ করতে আগ্রহী মানুষের কাজ কীভাবে প্রতিহত করা যায় নিন্দুকেরা সে চেস্টায় নিয়োজিত থাকে। তারা মানুষের হৃদয়ের শুভচিন্তা ও কল্যাণধর্মী কর্মকান্ডের বিরোধিতা করে এবং কৌশলে সেগুলো নষ্ট করে দেয়।

উদ্দীপকের প্রথম স্তবকে কবি পরোপকারী মনোভাবসম্পন্ন নিঃস্বার্থ ব্যক্তির কথা বলেছেন। যে লোকটির মানসিকতা 'পাছে লোকে কিছু বলে' কবিতার চতুর্থ স্তবকের বিপরীত চেতনা প্রকাশ করে। কারণ আলোচ্য রচনার চতুর্থ স্তবকে মানব কল্যাণে কাজ করতে ইচ্ছা পোষণকারীদের সমালোচনার ভয়ে কাজ না করে নিজেদের গুটিয়ে রাখার বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে। প্রকাশ পেয়েছে, এক শ্রেণির মানুষ মানুষের দুঃখে প্রাণ কাঁদলেও তারা চোখ শুকনো রাখে। ভাবে সহানুভূতি প্রকাশ করলে লোকে কী বলবে। অন্যদিকে উদ্দীপকের প্রথম অংশে বলা হয়েছে পৃথিবীতে কেউ নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকতে আসেনি। সকলে সকলের জন্য। মানব কল্যাণে আত্মনিয়োগ করার মধ্যেই জীবনের প্রকৃত মর্যাদা, প্রাপ্তি ও সার্থকতা নিহিত আছে বলে কবি মনে করেছেন। কারণ পৃথিবীতে একে অন্যের কল্যাণ সাধনের মধ্যেই প্রকৃত আনন্দ লাভ হয়; শুধু নিজেকে নিয়ে বিব্রত থাকায় কোনো আনন্দ নেই।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
208
উত্তরঃ

উদ্দীপকের দ্বিতীয় অংশের নিন্দুক ও 'পাছে লোকে কিছু বলে' কবিতার নিন্দুকের প্রভাব এক নয়।

জগতের বহু কল্যাণকর শুভচিন্তা আমাদের হৃদয়ে উদয় হয়। অথচ পেছনে কে কী বলে সেই দিক বিবেচনায় আমরা তা ফলপ্রসূ করতে পারি না। ফলে মনের সেই শুভ চিন্তাগুলো সমালোচনার ভয়ে মনেই মরে যায়। বাস্তব জগতে প্রকাশ করে কাজে লাগিয়ে জগতের কল্যাণ সাধন করা আর হয়ে ওঠে না।

উদ্দীপকের দ্বিতীয় অংশে এবং 'পাছে লোকে কিছু বলে' কবিতা উভয় জায়গায় নিন্দুকের কথা প্রকাশ পেয়েছে। তবে উভয় জায়গার নিন্দুক ভিন্ন ভিন্ন প্রভাব বিস্তার করেছে। উদ্দীপকের নিন্দুক নিন্দা করে ভুল ধরিয়ে দেয়। আর কবিতার যে নিন্দুকের কথা বলা হয়েছে সে সৎচিন্তা, সংকল্প ও মানব কল্যাণের সমস্ত চেষ্টা ও কাজের অন্তরায় হিসেবে কাজ করে। তাদের ভয়ে মানুষ মনের ভাব-ভাবনা ও ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটিয়ে জগতের কল্যাণ সাধনে ব্রতী হতে পারি না।

উদ্দীপকের নিন্দুককে কবি ভালোবাসতে বলেছেন। কারণ তারা জগতের অহিতকর চিন্তাকে সমালোচনা করে হিতকল্পের উপযোগী করতে সহায়তা করে। তাদের সমালোচনায় একজন তাঁর ভুল সংশোধন করে পরিপূর্ণতা অর্জন করতে পারে। আর 'পাছে লোকে কিছু বলে' কবিতার নিন্দুক ভুল সংশোধন নয়, মানুষের শুভবোধ ও বুদ্ধির বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করে জগতে কল্যাণ সাধনকে ব্যাহত করে। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকের দ্বিতীয় অংশের নিন্দুক ও আলোচ্য কবিতার নিন্দুকের প্রভাব এক নয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
129
উত্তরঃ

'শক্তি মরে ভীতির কবলে, পাছে লোকে কিছু বলে'- বলতে কবি কোনো কাজ করার জন্য উদ্যোগী হয়েও অন্যের সমালোচনার ভয়ে সেই ইচ্ছাশক্তির বিনষ্ট হওয়াকে বুঝিয়েছেন।

অনেক আছে যারা অকারণে ভয় পায়। অন্যের সমালোচনার ভয়ে বিভিন্ন কাজ থেকে পিছিয়ে আসে। সেই ভয় পাওয়ার ফলে তারা অনেক সহজ ও কল্যাণকর কাজও করতে পারে না। কারণ কাজ করার আগ্রহ তাতে কমে যায়। ফলে তার ইচ্ছাশক্তি ও সামর্থ্যও বিনষ্ট হয়। এ কথা ভেবেই কবি প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
164
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews