উত্তরঃ ২৩ মে, ১৯৭৩

জুলিও কুরি শান্তি পদক (Joliot-Curie Peace Medal) একটি অত্যন্ত সম্মানজনক আন্তর্জাতিক পুরস্কার, যা বিশ্ব শান্তি পরিষদ (World Peace Council) কর্তৃক প্রদান করা হয়। ১৯৭৩ সালের ২৩ মে তারিখে বিশ্ব শান্তি পরিষদ বঙ্গবন্ধুকে এই পদকে ভূষিত করে। বিশ্ব শান্তি ও মানবজাতির কল্যাণে তাঁর অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে এই সম্মানে ভূষিত করা হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন প্রথম বাঙালি এবং একমাত্র বাংলাদেশি যিনি এই বিরল সম্মান লাভ করেন। এই পদক প্রাপ্তি বাংলাদেশের জন্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এক বিরাট সম্মান বয়ে আনে এবং বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের অঙ্গীকারকে আরও সুদৃঢ় করে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

মিজোরামের উত্তর-পূর্ব ভারত একটি স্থলবেষ্টিত রাজ্য যার দক্ষিণাংশে মিয়ানমার ও বাংলাদেশের প্রায় ৭২২ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমানা রয়েছে, এবং উত্তরাংশের সীমানায় মণিপুর, আসাম ত্রিপুরা অবস্থিত। এটি ২১.০৮৭ কিমি (৮,১৪২ বর্গ মাইল) বিশিষ্ট ভারতের পঞ্চম ক্ষুদ্রতম রাজ্য

উত্তরঃ

বঙ্গবন্ধু সেতুর দৈর্ঘ্য -- ৪.৮ কিলোমিটার, প্রস্থ -- ১৮.৫ মিটার।

যমুনা বহুমুখী সেতু বা বঙ্গবন্ধু সেতু বাংলাদেশের যমুনা নদীর উপরে অবস্থিত একটি সড়ক ও রেল সেতু। ৪.৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট এই সেতুটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় দীর্ঘতম সেতু। ১৯৯৮ সালে এর নির্মাণ কাজ শেষ হয়।

SP
SP
3 years ago
উত্তরঃ

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি বাংলাদেশের নেত্রকোণা জেলার, দুর্গাপুর উপজেলার বিরিশিরিতে অবস্থিত

SP
SP
3 years ago
উত্তরঃ

কবি-কাহিনী (কবিকাহিনী) হল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্ত্তৃক রচিত একটি বাংলা কাব্যগ্রন্থ।

SP
SP
3 years ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের ইংরেজি অনুবাদক সৈয়দ আলী আহসান।

SP
SP
3 years ago
উত্তরঃ

“সবুজপত্র” প্রথম প্রকাশিত বৈশাখ ১৩২১ (১৯১৪ খ্রি.) । পত্রিকাটির সম্পাদক ছিলেন প্রমথ চৌধুরী।

SP
SP
3 years ago
124

Nelson Mendela (18 July,1918- 5 December, 2013)

Nelson Mandela জীবন ও কর্ম

নেলসন ম্যান্ডেলা ১৯১৮ সালের ৮ই জুলাই দক্ষিণ আফ্রিকার উমতাতার পার্শ্ববর্তী ত্রমভেজো নামক গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম ছিল গাডলা হেনরী এবং মাতার নাম ছিল নোসেকেনি ফ্যানি। নেলসন ম্যান্ডেলার বাবা চারটি বিয়ে করেছিলেন এবং তিনি ছিলেন তাঁর বাবার তৃতীয় স্ত্রীর সন্তান। সেখানকার থেম্বু আদিবাসীদের রাজা তাঁর পিতাকে ত্রমভেজো গ্রামের প্রধান বানিয়েছিলেন।

১৯৫৫ সালে শ্বেতাঙ্গদের সমপরিমাণ সুযোগ-সুবিধার দাবিতে কৃষ্ণাঙ্গদের কর্তৃক বিল উত্থাপন করা হয়। এতে ১৯৫৬ সালে নেলসন ম্যান্ডেলাসহ মোট ১৫০ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা দায়ের করা হয়। চার বছর জেল খাটার পর সব অভিযোগই খারিজ করে দেওয়া হয়েছিল। জেল থেকে ছাড়া পাবার পর তিনি সংসারের দিকে কিছুটা মনোযোগ দেন এবং ১৮৬৮ সালে উইনি মডিকিজেলা নামের এক জনৈক মহিলাকে বিয়ে করে সংসার জীবন শুরু করেন।

১৯৯৩ সালে নেলসন ম্যান্ডেলা শান্তিতে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন। আফ্রিকার মাঝে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন ও সফলতার কারণে শাস্তির জন্য তাকে এই পুরস্কার দেয়া হয়। দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদী নেতা, সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার অগ্রদূত এই মহান গণতান্ত্রিক পুরোধা ২০১৩ সালের ৫ ডিসেম্বর ৯৫ বছর বয়সে জোহান্সবার্গে মৃত্যুবরণ করেন।

১. ১৯৯৩ সালে নেলসন ম্যান্ডেলা শান্তিতে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।

২. ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশে আসেন।

৩. ১৯৯৪ সালে নেলসন ম্যান্ডেলা তাঁর আত্মজীবনী "লং ওয়াক টু ফ্রিডম" প্রকাশ করেন যদিও ১৯৯০ সালের পরে পুলিশের হাতে ধরা পরে কারাবাসের সময় কারাগারে থাকাকালে তিনি এটি রচনা করেছিলেন। পরবর্তীতে এর জন্য তাকে "অর্ডার অফ মেরিট” পদবীতে ভূষিত করা হয়।

৪. তিনি ১৯৬৪ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত ২৭ বছর কারাবন্দি ছিলেন। এ সময় অধিকাংশ সময় রোবেন দ্বীপে ছিলেন।

৫. The 46664 একটি AIDS বিরোধী প্রচারণা। এর রহস্য হলো তিনি ৪৬৬ নং কয়েদি ছিলেন এবং সাল ছিল ১৯৬৪।)

৬. তার আত্মজীবনীমূলক ২টি গ্রন্থ:

a) A Long Walk to Freedom.

b) Conversation with myself.

Quotation: Education is the most powerful weapon which you can use to change the World.

“লং ওয়াক টু ফ্রিডম” বিশেষ বিশ্লেষণ

নেলসন ম্যান্ডেলার 'লং ওয়াক টু ফ্রিডম” একটি আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। এটি তিনি ১৯৯০ সালের পরে পুলিশের হাতে ধরা পরে কারাবাসে থাকার সময় কারাগারে বসে রচনা করেছিলেন। পরবর্তীতে এর জন্য তাকে "অর্ডার অফ মেরিট” পদবীতে ভূষিত করা হয়। ১৯৯৪ সালে নেলসন ম্যান্ডেলা তাঁর আত্মজীবনী "লং ওয়াক টু ফ্রিডম” প্রকাশ করেন। নেলসন ম্যান্ডেলার লেখা আত্মজীবনী "লং ওয়াক টু ফ্রিডম” গ্রন্থের ১১৫ তম অধ্যায় হচ্ছে এ প্রবন্ধটি। এই বইয়ে তিনি তাঁর দীর্ঘ দিনের সংগ্রামী জীবনের সার্থকতার দিকটি তুলে ধরেন।

এখানে তিনি নিগ্রোদের স্বাধীনতা সম্পর্কে বলেছেন। তিনি বর্ণনা করেন প্রেসিডেন্ট হিসাবে তাঁর শপথগ্রহণ। তিনি শপথ নিয়েছিলেন যে, তিনি দীর্ঘস্থায়ী এই মানবিক বিপর্যস্ত ঘুণে ধরা সমাজকে নতুন করে গড়বেন। তিনি বলেন যে, দীর্ঘস্থায়ী এই বিপর্যয়ের অভিজ্ঞতা হতে এমন এক সমাজ জন্মগ্রহণ করবে যার জন্য সমগ্র মানবজাতি গর্ববোধ করবে। কিছুদিন পূর্বেও তাঁরা আইনের আশ্রয়ে থেকেও বঞ্চিত ছিলেন আর আজ তাঁরা সারা বিশ্বে সমাদ্রিত, জাতিসমূহের নিমন্ত্রাতা হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করেছেন। তিনি ন্যায় বিচার, শাস্তি, মানবীয় মর্যাদা আর সকল অধিকার লাভের ব্যাপারে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি আরো বলেন যে, আজ তাঁরা রাজনৈতিক মুক্তি অর্জন করেছে। তাঁরা সবাই জনসাধারণকে দারিদ্র, বঞ্চনা, শোষণ, নিপীড়ন, নির্যাতন, অসমতা, নানাবিদ বৈষম্য হতে মুক্ত রাখার শপথ গ্রহণ করেছেন।

পরবর্তীতে তিনি দেখেন যে, শুধু তাঁর নয় বরং স্বজাতি ভাই-বোনদের স্বাধীনতায় কাটছাট আনা হচ্ছে। তিনি আফ্রিকার কংগ্রেসে যোগ দেন। ফলে তাঁর নিজের ব্যক্তিগত স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা সর্ব সাধারণের আকাঙ্ক্ষায় পরিণত হয়। তিনি এটাও অনুধাবন করেন যে, যারা আসলে তাদের স্বাধীনতায় কাটছাট এনেছিল তারাও সুখী ছিল না। তারা সাধারণের ঘৃণার জেলখানায় বন্দি ছিলেন। মানসিক যন্ত্রণা তাদের কুঁড়েকুঁড়ে খাচ্ছিল। তিনি স্বাধীনতা পরবর্তী এসব সমস্যা উৎপাটনের জন্য দায়িত্ব গ্রহণ করেন। কারণ তিনি মনে করেন যে, কোন পর্বত আরোহণের পরই আরোহী জানতে পারে যে, তার জন্য আরো অনেক পর্বত আরোহণের জন্য অপো রয়েছে। অর্থাৎ স্বাধীনতা অর্জনের পর তা কিভাবে রক্ষা করতে হয় বা কিভাবে তা স্থায়ী করতে হয় এই নিয়ে প্রেসিডেন্টের হাতে অনেক দায়িত্ব এসে পরে। তাই তিনি মনে করেন যে, স্বাধীনতা অর্জন হয়েছে মানেই কাজ শেষ নয় তা টিকিয়ে রাখতে এবং বর্ণ বৈষম্যনীতি দ্বারা সৃষ্টতে হতে আরোগ্য লাভকরতে বেশ সময় লাগবে। স্বাধীনতাকে পূর্ণতা দান করতে হলে তাকে আরো দীর্ঘ পথ অতিক্রম করতে হবে।

Related Question

View All
উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ভানুসিংহের পদাবলী

ভানুসিংহ ছিল বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি ছদ্মনাম। তিনি এই ছদ্মনামে "ভানুসিংহের পদাবলী" নামক একটি কাব্যগ্রন্থ রচনা করেন। এই কাব্যগ্রন্থটি মূলত বৈষ্ণব পদাবলীর ঢঙে লেখা একগুচ্ছ কবিতা নিয়ে গঠিত। রবীন্দ্রনাথ তাঁর কৈশোরকালে বৈষ্ণব সাহিত্যের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে এই কবিতাগুলো লেখেন, যেখানে রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা, বিরহ ও মিলনকে নতুন আঙ্গিকে তুলে ধরা হয়েছে। এটি বাংলা সাহিত্যে তাঁর প্রাথমিক কাব্যপ্রতিভার এক অনন্য নিদর্শন এবং একটি স্বতন্ত্র সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হয়।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
382
উত্তরঃ বৌ-ঠাকুরাণীর হাট

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম ঐতিহাসিক উপন্যাস হলো বৌ-ঠাকুরাণীর হাট। এটি ১৮৮৩ সালে প্রকাশিত হয়। এই উপন্যাসের কাহিনি মূলত যশোহরের রাজা প্রতাপাদিত্যের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট অবলম্বনে রচিত, যেখানে ক্ষমতা লিপ্সা, পারিবারিক সংঘাত এবং রাজদ্রোহের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। এটি রবীন্দ্রনাথের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস হিসেবেও পরিচিত। তাঁর দ্বিতীয় ঐতিহাসিক উপন্যাস, রাজর্ষি, ১৮৮৭ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর বিষয় ত্রিপুরা রাজ্যের ইতিহাস ও ধর্মীয় গোঁড়ামি।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
479
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews