নিম্নের বাক্যগুলো বন্ধনীতে প্রদত্ত নির্দেশানুসারে রূপান্তর করুন (যে-কোনো ৫টি)

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ আজকাল কোনো জিনিসই সুলভ নয়।

বাক্য রূপান্তর বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যেখানে বাক্যের অর্থ অপরিবর্তিত রেখে তার গঠনগত পরিবর্তন করা হয়। প্রদত্ত বাক্যটি ছিল 'আজকাল সব জিনিসই দুর্লভ।' এটি একটি ইতিবাচক বা হ্যাঁ-বোধক বাক্য। একে নেতিবাচক বাক্যে রূপান্তরের জন্য, মূল শব্দের বিপরীত শব্দ ব্যবহার করে তারপর 'নয়' বা 'না' যোগ করা হয়, যাতে অর্থের পরিবর্তন না হয়। এখানে 'দুর্লভ' (যা সহজে পাওয়া যায় না) এর বিপরীত শব্দ হলো 'সুলভ' (যা সহজে পাওয়া যায়)। তাই, 'আজকাল সব জিনিসই দুর্লভ' বাক্যটিকে নেতিবাচক বাক্যে রূপান্তরিত করলে দাঁড়ায় 'আজকাল কোনো জিনিসই সুলভ নয়'। এর অর্থ দাঁড়ায়, আজকাল কোনো কিছুই সহজে পাওয়া যায় না, যা মূল বাক্যের অর্থের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ। এই ধরনের রূপান্তরে শব্দের বিপরীতার্থক ব্যবহার এবং নেতিবাচক অব্যয় প্রয়োগ অত্যন্ত জরুরি।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ জ্ঞানপাপী সকলের দ্বারা ঘৃণিত হয়।
কর্মবাচ্য হলো বাক্যের এমন একটি রূপ যেখানে বাক্যের কর্মপদটিই প্রধান হয়ে ওঠে এবং ক্রিয়ার ফল কর্মের উপর প্রযুক্ত হয়। এতে কর্তা অপ্রধান হয়ে যায় বা অনেক সময় অনুক্ত থাকে। বাংলা ব্যাকরণে বাচ্য পরিবর্তনের এই নিয়মটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই আসে। কর্মবাচ্য গঠনের প্রধান নিয়মগুলি নিম্নরূপ:
        
  • কর্তার পরিবর্তন: কর্তৃবাচ্যের কর্তা কর্মবাচ্যে গৌণ হয়ে যায় এবং এর সঙ্গে সাধারণত 'দ্বারা', 'দিয়ে', 'কর্তৃক' ইত্যাদি অনুসর্গ যুক্ত হয়। যেমন – 'আমি' থেকে 'আমার দ্বারা', 'সে' থেকে 'তার দ্বারা' ইত্যাদি। অনেক সময় কর্তা উহ্যও থাকতে পারে।
  •     
  • কর্মের প্রাধান্য: কর্তৃবাচ্যের কর্মপদটি কর্মবাচ্যে প্রধান হয়ে ওঠে এবং বাক্যের উদ্দেশ্য রূপে বসে। এই কর্মপদটি সাধারণত প্রথমা বিভক্তিযুক্ত হয়।
  •     
  • ক্রিয়ার পরিবর্তন: কর্মবাচ্যে ক্রিয়া সর্বদাই কর্মের পুরুষ ও বচন অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়। মূল ক্রিয়ার সঙ্গে সাধারণত 'যাওয়া' ধাতুর বিভিন্ন রূপ (হওয়া, করা হয়, হওয়া হয়েছে ইত্যাদি) যুক্ত হয়। যেমন – 'করে' থেকে 'করা হয়', 'দেখে' থেকে 'দেখা হয়'।
প্রদত্ত বাক্য "জ্ঞানপাপীকে সকলেই ঘৃণা করে" একটি কর্তৃবাচ্য বাক্য। এখানে 'সকলেই' হলো কর্তা এবং 'জ্ঞানপাপীকে' হলো কর্ম। এটিকে কর্মবাচ্যে রূপান্তর করলে 'জ্ঞানপাপী' কর্মপদটি প্রধান হয়ে যায় এবং 'সকলেই' কর্তার সাথে 'দ্বারা' যুক্ত হয়ে 'সকলের দ্বারা' হয়। ক্রিয়াটি 'ঘৃণা করে' থেকে 'ঘৃণিত হয়' বা 'ঘৃণা করা হয়' রূপে পরিবর্তিত হয়, যা কর্মের উপর ক্রিয়ার ফল প্রকাশ করে। ফলস্বরূপ, বাক্যটির সঠিক কর্মবাচ্য রূপ হয় "জ্ঞানপাপী সকলের দ্বারা ঘৃণিত হয়"।
Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ সত্য কথা বলোনি, তাই বিপদে পড়েছ।

এটি একটি যৌগিক বাক্য। যে বাক্যে দুই বা ততোধিক স্বাধীন বাক্য বা নিরপেক্ষ বাক্য কোনো অব্যয় পদ (যেমন – এবং, আর, ও, কিন্তু, অথবা, নতুবা, তবু, তাই, সুতরাং, তথাপি, বরং ইত্যাদি) দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি সম্পূর্ণ বাক্য গঠন করে, তাকে যৌগিক বাক্য বলে।

প্রদত্ত সরল বাক্য "সত্য কথা না বলে বিপদে পড়েছ"-কে যৌগিক বাক্যে রূপান্তরিত করতে হলে এর অসমাপিকা ক্রিয়া "বলে" অংশটিকে একটি স্বাধীন বাক্যে পরিণত করতে হবে। এখানে "সত্য কথা না বলে" অংশটি "তুমি সত্য কথা বলোনি" রূপে একটি স্বাধীন বাক্য হিসেবে গঠিত হতে পারে। এরপর এই দুটি স্বাধীন বাক্যকে কার্যকারণ সম্পর্কযুক্ত অব্যয় "তাই" দ্বারা যুক্ত করে যৌগিক বাক্য গঠন করা হয়েছে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ যদি মরতে না চাও, তাহলে দলিলে সই কর।

জটিল বাক্য হলো এমন বাক্য যেখানে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য এবং এক বা একাধিক অপ্রধান খণ্ডবাক্য পরস্পরকে সাপেক্ষভাবে যুক্ত করে। অপ্রধান খণ্ডবাক্যগুলো প্রধান খণ্ডবাক্যের অর্থকে সম্পূর্ণতা দান করে এবং এরা প্রধান খণ্ডবাক্যের উপর নির্ভরশীল থাকে। এই ধরনের বাক্য সাধারণত 'যদি...তাহলে', 'যে...সে', 'যখন...তখন', 'যেহেতু...সেহেতু' ইত্যাদি সাপেক্ষবাচক সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে।

প্রদত্ত বাক্য "মরতে না চাইলে দলিলে সই কর" একটি সরল বাক্য কারণ এখানে একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া (সই কর) এবং একটি অসমাপিকা ক্রিয়া (চাইলে) দ্বারা শর্ত বোঝানো হয়েছে। এটিকে জটিল বাক্যে রূপান্তর করতে হলে শর্ত বোঝানোর জন্য 'যদি' এবং 'তাহলে' অব্যয় ব্যবহার করে দুটি খণ্ডবাক্যে বিভক্ত করতে হবে। এক্ষেত্রে, 'যদি মরতে না চাও' হলো অপ্রধান খণ্ডবাক্য এবং 'তাহলে দলিলে সই কর' হলো প্রধান খণ্ডবাক্য।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ দরিদ্রকে সাহায্য কর।

সরল বাক্য (Simple Sentence): যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা (subject) এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া (finite verb) থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে। সরল বাক্যে একটি সম্পূর্ণ ভাব বা অর্থ প্রকাশিত হয়।

প্রদত্ত বাক্যটি হলো "যে দরিদ্র, তাকে সাহায্য কর।" এটি একটি মিশ্র বাক্য (Complex Sentence) কারণ এতে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য ("তাকে সাহায্য কর") এবং একটি অপ্রধান খণ্ডবাক্য ("যে দরিদ্র") আছে।

মিশ্র বাক্যকে সরল বাক্যে রূপান্তরের সময় অপ্রধান খণ্ডবাক্যটিকে একটি পদ বা পদগুচ্ছে পরিণত করা হয় এবং মূল বাক্যের সমাপিকা ক্রিয়াটিকে অপরিবর্তিত রাখা হয়। এখানে "যে দরিদ্র" অপ্রধান খণ্ডবাক্যটিকে "দরিদ্রকে" (বিশেষ্য পদ) পদটিতে রূপান্তরিত করা যায়। ফলে বাক্যটি দাঁড়ায়:

"দরিদ্রকে সাহায্য কর।"

এই সরল বাক্যে একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া ("সাহায্য কর") এবং একটি মাত্র কর্তা (অন্তর্নিহিত 'তুমি') রয়েছে, যা সরল বাক্যের বৈশিষ্ট্য পূরণ করে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ সে বললো যে, তার ভাই সেই দিনই ঢাকা যাচ্ছিল।

প্রত্যক্ষ উক্তিকে পরোক্ষ উক্তিতে রূপান্তর করার সময় কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করতে হয়। প্রদত্ত বাক্যটি একটি সাধারণ বা assertive sentence। এর নিয়মগুলো হলো:

        
  • উক্তি পরিবর্তনের ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ উক্তির বক্তার উক্তিটি যদি assertive হয়, তাহলে কমা তুলে দিয়ে 'যে' অব্যয়টি ব্যবহার করা হয়।
  •     
  • প্রত্যক্ষ উক্তিতে ব্যবহৃত প্রথম পুরুষবাচক সর্বনাম (যেমন: আমার) পরোক্ষ উক্তিতে বক্তার পুরুষ অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়ে তৃতীয় পুরুষে (যেমন: তার) রূপান্তরিত হয়।
  •     
  • প্রত্যক্ষ উক্তিতে কাল বাচক পদ (যেমন: আজ, এখন) পরোক্ষ উক্তিতে পরিবর্তিত হয়ে দূরত্ববাচক পদে (যেমন: সেই দিন, তখন) রূপান্তরিত হয়। এখানে 'আজই' পরিবর্তিত হয়ে 'সেই দিনই' হয়েছে।
  •     
  • প্রত্যক্ষ উক্তিতে ক্রিয়ার কাল যদি বর্তমান কাল হয় (যেমন: বর্তমান অবিচ্ছিন্ন), তাহলে পরোক্ষ উক্তিতে সেটি সাধারণত অতীত কালে (যেমন: অতীত অবিচ্ছিন্ন) রূপান্তরিত হয়। এখানে 'যাচ্ছে' (বর্তমান অবিচ্ছিন্ন) পরিবর্তিত হয়ে 'যাচ্ছিল' (অতীত অবিচ্ছিন্ন) হয়েছে।

এই নিয়মগুলো প্রয়োগ করে "সে বললো, "আমার ভাই আজই ঢাকা যাচ্ছে"" বাক্যটির পরোক্ষ রূপ হলো "সে বললো যে, তার ভাই সেই দিনই ঢাকা যাচ্ছিল।"

Satt AI
Satt AI
1 week ago
196

যে বাক্যের মাধ্যমে কোনো কিছুর অস্বীকৃতি, অভাব, বা না-বোধক অর্থ প্রকাশ পায়, তাকে নেতিবাচক বা না-বোধক বাক্য বলে।

Related Question

View All
উত্তরঃ যখন সে এল, তখন কথা বলল এবং চলে গেল।

জটিল বাক্য (Complex Sentence) হলো এমন বাক্য যেখানে একটি প্রধান বাক্য (Principal Clause) এবং এক বা একাধিক অপ্রধান বাক্য (Subordinate Clause) থাকে। অপ্রধান বাক্যগুলো প্রধান বাক্যের উপর নির্ভরশীল থাকে এবং প্রধান বাক্য ছাড়া সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করতে পারে না। সাধারণত, জটিল বাক্যে সাপেক্ষ সর্বনাম বা অব্যয় (যেমন: যখন...তখন, যে...সে, যা...তা, যেহেতু...সেহেতু/তাই, যদি...তবে/তাহলে ইত্যাদি) ব্যবহার করে বাক্যগুলোকে যুক্ত করা হয়।

প্রদত্ত বাক্যটি, "সে এলাে; কথা বললাে; চলে গেল ।", একটি যৌগিক বাক্য (Compound Sentence)। এখানে তিনটি স্বাধীন বাক্যংশ সেমিকোলন দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি পূর্ণ বাক্য গঠন করেছে। এটিকে জটিল বাক্যে রূপান্তর করার জন্য আমাদের এমন একটি কাঠামো তৈরি করতে হবে যেখানে একটি অংশ প্রধান এবং অন্য অংশ(গুলি) তার ওপর নির্ভরশীল হয়।

উপরিউক্ত রূপান্তরে:

        
  • "যখন সে এল" অংশটি একটি অপ্রধান বাক্য, যা প্রধান বাক্যটির সময় নির্দেশ করছে।
  •     
  • "তখন কথা বলল এবং চলে গেল" অংশটি প্রধান বাক্য, যা মূল কাজগুলো বর্ণনা করছে এবং অপ্রধান বাক্যটির উপর নির্ভরশীল নয়।

এভাবে 'যখন...তখন' এর মতো সাপেক্ষ অব্যয় ব্যবহার করে যৌগিক বাক্যকে সফলভাবে জটিল বাক্যে রূপান্তর করা হয়েছে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
737
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews