তুলা গাছ হতে কার্পাস ফল সংগ্রহ করে বীজ থেকে তুলা আলাদা করার প্রক্রিয়াকে জিনিং বলে।
পশমি পোশাক তাপের কুপরিবাহী বলে শীতবস্ত্র হিসাবে বহুল ব্যবহৃত হয়। এর তন্তুর মাঝে ফাঁকা জায়গা থাকে যেখানে বাতাস আটকে থাকতে পারে। ফলে শীতের দিনে শরীর থেকে তাপ বেরিয়ে যেতে পারে না। তাই গায়ে দিলে গরম বোধ হয়। এজন্য শীতকালে পশমের তৈরী বস্ত্র ব্যবহার করা আরামদায়ক।
উদ্দীপকে উল্লিখিত পলিমার দুটি হলো সুতিবস্ত্র এবং নাইলন।
পলিমার দ্বয়ের বৈশিষ্ট্য নিচে উল্লেখ করা হলো
সুতি বস্ত্রের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো সংকোচনশীলতা। অজৈব এসিডের সংস্পর্শে এরা নষ্ট হয়ে যায় কিন্তু অন্যান্য এসিডের সংস্পর্শে তেমন ক্ষতি হয় না। তুলা থেকে তৈরী সুতিবস্ত্রে সেলুলোজ থাকে তাই পুড়ালে কাগজ পোড়ানোর ফলে যেমনটা গন্ধ পাওয়া যায় ঠিক তেমন গন্ধ পাওয়া যায়।
নাইলন হলো কৃত্রিম নন-সেলুলোজিক তত্ত্ব। এটি খুব হালকা ও শক্ত। পানিতে ভিজালে এর স্থিতিস্থাপকতা দ্বিগুণ হয়ে যায়। এটি আগুনে পোড়ে না, তবে গলে গিয়ে বোরাক্স বিডের মতো স্বচ্ছ বিড গঠন করে। নাইলন তত্ত্বতে সেলুলোজ থাকে না।
উদ্দীপকের তৃতীয় পলিমারটি হলো রেশম কাপড়। কারণ, রেশমের কাপড়কে দীর্ঘক্ষণ সূর্যালোকে রাখলে তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়। তত্ত্ব থেকে রেশম সুতা তৈরির প্রক্রিয়াটি নিচে দেয়া হলো-
রেশম পোকা থেকে তৈরি হয় একধরনের গুটি। একে কোকুন (Cocoon) বলে। পরিণত কোকুন বা গুটি সাবান পানিতে লোহার কড়াইয়ে সেদ্ধ করা হয়। এতে কোকুনের ভেতরকার রেশম পোকা মরে যায় এবং গুটি কেটে বের হয়ে রেশমের গুটি নষ্ট করতে পারে না। সিদ্ধ করার কারণে কোকুন নরম হয়ে যায় এবং ওপর থেকে খোসা খুব সহজেই আলাদা হয়ে যায়। খোসা উঠে গেলে রেশমি তত্ত্বর প্রান্ত বা নাল পাওয়া যায়। এই নাল ধরে আস্তে আস্তে টানলে লম্বা সুতা বের হয়ে
আসে। চিকন বা মিহি সুতার জন্য ৫-৭টি কোকুনের নাল আর মোটা সুতার জন্য ১৫-২০টি কোকুনের নাল একত্রে করে টানা হয়। এ কাজে চরকা ব্যবহার করা হয়। চরকার সাহায্যে কোকুন থেকে সুতা তৈরি করা হয়। নালগুলো একত্রিত করলে এদের গায়ে লেগে থাকা আঠার কারণে একটি আরেকটির সাথে লেগে গিয়ে সুতার গোছা তৈরি হয়।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!