যে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোনো কঠিন পদার্থ গলতে শুরু করে সেই তাপমাত্রাই ঐ কঠিন পদার্থের গলনাঙ্ক।
আমরা জানি, বৈদ্যুতিক তারে সবসময় সুপরিবাহী পদার্থ ব্যবহার করতে হয়। যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ খুব সহজে চলাচল করতে পারে তাদের বিদ্যুৎ সুপরিবাহী পদার্থ বলে। তামার মধ্য দিয়ে খুব সহজেই বিদ্যুৎ পরিবাহিত হয় বলে তামা একটি উত্তম পরিবাহী।' তাই বৈদ্যুতিক তারে তামা ব্যবহার করা হয়।
নিশাতের মার ব্যবহৃত হাঁড়িটি এলুমিনিয়ামের তৈরি। নিচে এটি ব্যবহারের সুবিধা ব্যাখ্যা করা হলো-
১. এলুমিনিয়াম ধাতু তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী।
২. ধাতুটি খুব হালকা এবং ভারবহনের ক্ষমতা আছে বলে এর ধাতু সংকরসমূহ উড়োজাহাজ, রেলগাড়ি, মটরগাড়ি, ট্রাম প্রভৃতির অংশ নির্মাণ করতে ব্যবহৃত হয়।
৩. বিদ্যুৎ সুপরিবাহী এবং কপারের তুলনায় সস্তা বলে বৈদ্যুতিক 'কেবল হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়।
৪. হালকা বহনক্ষম সিঁড়ি নির্মাণে, বাসনপত্র, চেয়ার, বাক্স প্রভৃতি তৈরিতে এ ধাতু প্রচুর পরিমাণে 'ব্যবহৃত হয়।
৫. এলুমিনিয়ামের পাতলা পাত দিয়ে সিগারেট, চকলেট ও অনেক খাদ্য দ্রব্যের মোড়ক তৈরি করা হয়।
৬. চকচকে বার্নিশ তৈরিতে এলুমিনিয়াম চূর্ণ ব্যবহৃত হয়।
অতএব, আমরা বলতে পারি নিশাতের মার ব্যবহৃত হাঁড়িটির উপাদানের বহুবিধ সুবিধা রয়েছে যার ফলে এটির ব্যবহারও
উদ্দীপকে উল্লিখিত পদার্থগুলো হলো দেয়াশলাই, বঁটি, কাঁচি, হাঁড়ি-পাতিল, চামচ, কাচের প্লেট ইত্যাদি। এ পদার্থগুলোর তাপ পরিবাহিতা ভিন্ন- উক্তিটির যৌক্তিকতা নিচে বিশ্লেষণ করা হলো-
বিশ্লেষণ: উদ্দীপকে উল্লিখিত পদার্থগুলোর মধ্যে দেয়াশলাই ও কাঁচের প্লেট হলো যথাক্রমে কাঠ ও কাচের তৈরি। এগুলো তাপ কুপরিবাহী, অর্থাৎ এদের মধ্যদিয়ে খুব অল্প পরিমাণে তাপের পরিবহন ঘটে।
কারণ এক টুকরা কাঠ অথবা কাচ দিয়ে তার একপ্রান্ত আগুনে ধরলে অপর প্রান্ত খুব বেশি গরম অনুভূত হয় না। অপরটিকে উদ্দীপকে উল্লিখিত বঁটি, কাঁচি, হাঁড়ি-পাতিল, চামচ হলো যাতব পদার্থ দ্বারা তৈরি। এগুলো তাপ পরিবাহী অর্থাৎ খুব সহজেই এদের মধ্যদিয়ে তাপ পরিবাহিত হয়। কারণ এগুলোর একপ্রান্ত আগুনে ধরলে - কিছুক্ষণের মধ্যেই অপরপ্রান্তে গরম অনুভূত হয়।
অতএব, উপরোক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায় যে, উদ্দীপকে উল্লিখিত পদার্থগুলোর তাপ পরিবাহিতা ভিন্ন'- উক্তিটি যৌক্তিক।
Related Question
View Allযা জায়গা দখল করে ও যার ভর আছে তাকেই পদার্থ বলে।
যেসব মৌলিক পদার্থ বিদ্যুৎ ও তাপ সুপরিবাহী নয়, তাদেরকে অধাতু বলে। অধাতুকে আঘাত করলে ঝনঝন শব্দ করে না। এদেরকে সরু তারে ও পাতে পরিণত করা যায় না। এরা নিম্ন গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক বিশিষ্ট। যেমন- কার্বন, নাইট্রোজেন, সালফার প্রভৃতি অধাতু।
ফজলুল হক সাহেবের স্ত্রীর ব্যবহৃত পাত্রটির উপাদান হচ্ছে এলুমিনিয়াম। এটি একটি হালকা নীলাভ সাদা ধাতু। এ ধাতুটির ব্যবহারের দিক থেকে অনেক গুরুত্ব রয়েছে। যেমন-
১. এলুমিনিয়াম ধাতু তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী।
২. ধাতুটি খুব হালকা এবং ভারবহনের ক্ষমতা আছে বলে এর ধাতু সংকরসমূহ উড়োজাহাজ, রেলগাড়ি, মটরগাড়ি, ট্রাম প্রভৃতির অংশ নির্মাণ করতে ব্যবহৃত হয়।
৩. বিদ্যুৎ সুপরিবাহী এবং কপারের তুলনায় সস্তা বলে বৈদ্যুতিক কেবল হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়।
৪. হালকা বহনক্ষম সিড়ি নির্মাণে, বাসনপত্র, চেয়ার, বাক্স প্রভৃতি তৈরিতে এ ধাতু প্রচুর পরিমাণে ব্যবহৃত হয়।
৫. এলুমিনিয়ামের পাতলা পাত দিয়ে সিগারেট, চকলেট ও অনেক খাদ্য দ্রব্যের মোড়ক তৈরি করা হয়।
৬. চকচকে বার্নিশ তৈরিতে এলুমিনিয়াম চূর্ণ ব্যবহৃত হয়।
অতএব উপরোক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি যে, ফজলুল হক সাহেবের স্ত্রীর ব্যবহৃত পাত্রটির উপাদানের গুরুত্ব অপরিসীম।
রান্নার ক্ষেত্রে ফজলুল হক সাহেবের স্ত্রী বেশি সুবিধা পায়।
বিশ্লেষণ: উদ্দীপকে আমরা পাই, ফজলুল হক সাহেবের মা মাটির চুলায় মাটির পাতিলে রান্না করেন। অপরদিকে তার স্ত্রী গ্যাসের চুলায়এলুমিনিয়ামের পাত্রে রান্না করেন। ফজলুল হক সাহেবের মা মাটির চুলায় রান্না করার কারণে তিনি কম সুবিধা পান। কারণ, মাটি তাপ কুপরিবাহী বলে এর মধ্য দিয়ে তাপ চলাচল করে ধীরগতিতে। যার ফলে মাটির চুলায় মাটির পাতিলে রান্না করলে সহজে তাপ পাতিলের জিনিসকে সিদ্ধ করে না। এতে তার অনেক বেশি জ্বালানি খরচ করতে হয়। তাছাড়া মাটির চুলায় তিনি জ্বালানি হিসেবে যে কাঠ খড়ি ব্যবহার করেন আমরা জানি যে, তার প্রায় ৮৫ ভাগ নষ্ট হয়ে যায়। অন্যদিকে এলুমিনিয়ামের তাপ পরিবাহকত্ব মাটির তুলনায় অনেক বেশি। ফলে এলুমিনিয়ামের তৈরি পাত্রে রান্না করলে পাতিলের জিনিস তাড়াতাড়ি সিদ্ধ হয়। তাছাড়া এতে গ্যাস ব্যবহারের কারণে জ্বালানিও বেশি খরচ হয় না। ফজলুল হক সাহেবের স্ত্রী এ সুবিধাগুলো পেয়ে থাকেন, যা তার মা পায় না। তাই বলা যায়, রান্নার ক্ষেত্রে ফজলুল হক সাহেবের স্ত্রী তার মায়ের চেয়ে বেশি সুবিধা পায়।
যে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোনো তরল পদার্থ ফুটতে শুরু করে এবং বাষ্পে রূপান্তরিত হয়, তাই ঐ তরল পদার্থের স্ফুটনাঙ্ক।
কোনো বস্তুর তাপ পরিবহনের ক্ষমতাকে ঐ বস্তুর তাপ পরিবাহিতা বলে। যেমন, কাচের চেয়ে লোহা দ্রুত তাপ পরিবহন করে। তাই লোহার তাপ পরিবাহিতা বেশি, কাচের তাপ পরিবাহিতা লোহার চেয়ে কম।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
