'নিশাত' গ্রুপের ব্যবস্থাপক কর্মীদের নিকট থেকে জোর করে কাজ আদায় করেন। তিনি মনে করেন, কর্মীরা কাজ অপছন্দ করে ও সুযোগ পেলেই কাজে ফাঁকি দেয়। কর্মীরা গতানুগতিক প্রকৃতির এবং পরিবর্তন পছন্দ করে না। এজন্য তিনি কাজের নির্দেশ দিয়ে বসে থাকেন না বরং যেভাবেই হোক কাজ আদায়ের জন্য সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করেন। এতে করে প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের ওপর তার নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকে।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

কাজের সুষ্ঠু পরিবেশ প্রদান, উত্তম ব্যবহার, প্রশিক্ষণ ইত্যাদি প্রদানের মাধ্যমে যে প্রেষণা প্রদান করা হয়, তাকে অনার্থিক প্রেষণা বলা হয়।

উত্তরঃ

অধীনস্থ কর্মীদের কাজের প্রতি অনুপ্রাণিত বা উৎসাহী করার প্রক্রিয়াকে প্রেষণা বলে। আর উৎপাদনে ব্যবহৃত উপকরণ ও উৎপন্ন দ্রব্যের অনুপাতকে উৎপাদনশীলতা বলে।

উৎপাদনশীলতা নির্ভর করে প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত সকল মানবীয় ও অমানবীয় (কাঁচামাল, যন্ত্রপাতি) উপকরণের দক্ষ ব্যবহারের ওপর। মানবসম্পদই অমানবীয় উপকরণগুলো ব্যবহার করে। এজন্য মানবসম্পদকে সঠিকভাবে ব্যবহার করার জন্য প্রতিনিয়ত প্রেষণা প্রদানের প্রয়োজন হয়। কর্মীকে প্রেষণা প্রদানের মাধ্যমে যত বেশি অনুপ্রাণিত করা যাবে প্রতিষ্ঠানের উৎপাদশীলতাও তত বৃদ্ধি পাবে। তাই বলা যায়, প্রেষণা উৎপাদনশীলতার পরিমাণ বৃদ্ধি করে।

উত্তরঃ

উদ্দীপকে নিশাত গ্রুপের ব্যবস্থাপক প্রেষণার 'X' তত্ত্বটি বিশ্বাস করেন। এ তত্ত্বে কর্মীদের প্রতি নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করা হয়। প্রেষণার অন্যতম প্রচলিত তত্ত্ব হলো 'X' তত্ত্ব। এর উদ্ভাবক ডগলাস ম্যাকগ্রেগর। এ তত্ত্বে অধস্তন কর্মীদের মানসিকতা সর্বদা প্রতিষ্ঠানের প্রতিকূলে ভাবা হয়।

নিশাত গ্রুপের ব্যবস্থাপক কর্মীদের নিকট থেকে জোর করে কাজ আদায় করেন। কারণ তারা কাজ অপছন্দ করে এবং সুযোগ পেলেই কর্মীরা কাজে ফাঁকিও দেয়। নিশাত গ্রুপের ব্যবস্থাপকের কর্মীরা গতানুগতিক প্রকৃতির এবং পরিবর্তন পছন্দ করে না। অর্থাৎ, তারা নতুন ধারণা গ্রহণ করতে চায় না। এজন্য নিশাত গ্রুপের ব্যবস্থাপক যেভাবেই হোক কাজ আদায় করেন এবং সার্বক্ষণিক তাদের কাজ পর্যবেক্ষণ করেন। তাই বলা যায়, নিশাত গ্রুপের ব্যবস্থাপক প্রেষণার 'X' তত্ত্ব বিশ্বাস করেন।

উত্তরঃ

কর্মীদের দীর্ঘমেয়াদে উচ্চাকাঙ্ক্ষা পোষণের ক্ষেত্রে ইতিবাচক নয়।

প্রেষণার দ্বারা কর্মীদের উৎসাহিত করে কাজ আদায় করা হয়। প্রয়োজন অনুসারে কর্মীদের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাও আরোপ করা হয়।

নিশাত গ্রুপের কর্মীরা কাজ অপছন্দ করে এবং সুযোগ পেলেই ফাঁকি দেয়। তাই সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ ব্যতীত তাদের কাছ থেকে কাজ আদায় করা কঠিন। নিশাত গ্রুপের কর্মীরা প্রতিষ্ঠানে কোনো পরিবর্তন পছন্দ করে না। বর্তমান প্রযুক্তি ধারণা, পদ্ধতির পরিবর্তন ব্যতীত প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন সম্ভব নয়। এজন্য নিশাত গ্রুপের ব্যবস্থাপক কাজের নির্দেশ দিয়েই বসে থাকেন না তিনি কর্মীদের কাজের নিয়মিত তদারকিও করেন।

যা কর্মীদের দীর্ঘমেয়াদে উচ্চাকাঙ্ক্ষা পোষণের ক্ষেত্রে ইতিবাচক নয়। 

নিশাত গ্রুপের ব্যবস্থাপকের কঠোর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার ফলে প্রতিষ্ঠানের কাজের ধারাবাহিকতা রক্ষা পায়। তারা ভয়ে হলেও কাজ করে যায়। এতে প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য অর্জন সহজ এবং সর্বক্ষেত্রে শৃঙ্খলা বজায় থাকলেও ব্যবস্থাপকের কঠোর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা কর্মীদের দীর্ঘমেয়াদি উচ্চাকাঙ্ক্ষা পোষণের ক্ষেত্রে ইতিবাচক নয়।

136
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

ন্যূনতম বাঁচার বা জীবনধারণের প্রয়োজনকে জৈবিক চাহিদা বলে।

263
উত্তরঃ

প্রখ্যাত মার্কিন মনোবিজ্ঞানী ফ্রেডেরিক হার্জবার্গ প্রেষণার Y তত্ত্বের প্রবক্তা।

এরূপ তত্ত্বে কর্মীদের সম্পর্কে উচ্চ ধারণা পোষণা করা হয়। এক্ষেত্রে মনে করা হয় কর্মীরা কাজ করতে পছন্দ করে এবং তারা স্বউদ্যোগেই চলতে চায়। এ কারণে কর্মীদের ওপর অহেতুক চাপ সৃষ্টি না করে তাদের স্বেচ্ছায় কাজ করতে দেওয়া হয়। এ তত্ত্ব কর্মীদের মনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই Y তত্ত্বকে ইতিবাচক বলা হয়।

430
উত্তরঃ

উদ্দীপকের কর্মপরিবেশ অনার্থিক ইতিবাচক প্রেষণা।

অর্থ বা আর্থিক সুযোগ-সুবিধার বাইরে প্রেষণাদানের যে সকল উপায় রয়েছে তার মাধ্যমে প্রেষণাদানকেই অনার্থিক প্রেষণা বলে। তেমনি একটি প্রেষণা হলো সুষ্ঠু কার্যপরিবেশ। কর্মী যে পারিপার্শ্বিকতায় কাজ করে তা কর্মবান্ধব হওয়াকেই সুষ্ঠু কর্মপরিবেশ হিসেবে গণ্য করা হয়। পর্যাপ্ত জায়গা, আলো-বাতাসের ব্যবস্থা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, সাজানো- গুছানো পরিবেশ, উপযুক্ত নিয়ম-রীতি, উত্তম শ্রম-ব্যবস্থাপনা সম্পর্ক সবমিলিয়েই প্রতিষ্ঠানে সুষ্ঠু কর্মপরিবেশ গড়ে ওঠে। কর্মী যেখানে কাজ করে সেই স্থানের পরিবেশ উন্নত হলে তা কর্মীদের মনোবল উন্নত করে। তখন কর্মীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে কাজ করে।

উদ্দীপকে M & M কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ কর্মীদের কর্মপরিবেশ বহুলাংশে বৃদ্ধি করায় শ্রমিক-কর্মীরা স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ করছে। এর ফলে কর্মীদের মনোবল উন্নত হয় এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে কাজ করে। তখন প্রতিষ্ঠান তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য সহজেই অর্জন করতে পারে। এ কারণে প্রতিষ্ঠানের জন্য সুষ্ঠু কর্মপরিবেশ একটি অনার্থিক ইতিবাচক প্রেষণা।

255
উত্তরঃ

অর্থ ও আর্থিক সুযোগ-সুবিধার সাথে সম্পৃক্ত প্রণোদনামূলক ব্যবস্থাকে আর্থিক প্রেষণা বলে। এ আর্থিক প্রেষণা কর্মীদের কাজের গতিকে বৃদ্ধি করে।

ব্যবস্থাপনার কাজ হলো অন্যের দ্বারা কাজ সম্পাদন করিয়ে নেওয়া। কিন্তু কাজের ব্যাপারটি বিশেষভাবে কর্মীদের কার্য সন্তুষ্টির সাথে সম্পর্কিত। আর উচ্চ কার্য সন্তুষ্টি সৃষ্টি করে প্রেষণা। তন্মধ্যে আর্থিক প্রেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রতি এবং কাজের প্রতি কর্মীদের অধিক আন্তরিক করে তোলে। ন্যায্য বেতন, মুনাফার অংশ, বোনাস, আর্থিক নিরাপত্তা, অগ্রিম, বাসস্থান ভাতা, যাতায়াত ভাতা, চিকিৎসা ভাতা, পদোন্নতি, আর্থিক পুরস্কার, রেশন সুবিধা, কেন্টিন সহযোগিতা ইত্যাদি নানা প্রকার আর্থিক সুবিধা কর্মীদের কর্মস্পৃহা বৃদ্ধি করে। ফলে কাজের গতিশীলতা বৃদ্ধি পায়।

উদ্দীপকে M & M কোম্পানি বাংলা নববর্ষ উৎসব পালনের জন্য প্রত্যেককে বোনাস প্রদানের ঘোষণা দেয়। এর ফলে শ্রমিক-কর্মীরা বিপুল উদ্দীপনা নিয়ে দায়িত্ব পালন করছে সেই সাথে কর্মীদের কাজের গতি বৃদ্ধি পেয়েছে। কারণ মানুষের জীবনে যে সীমাহীন অভাব লক্ষণীয় তার মুখ্য অংশের পূরণ অর্থের সাথে সংশ্লিষ্ট। কর্মীরা যখন আর্থিক প্রেষণা পায় তখন তারা আর্থিক দুশ্চিন্তামুক্ত হয়ে তাদের উৎপাদন কার্য চালিয়ে যায়। এতে কর্মীরা কাজে উৎসাহিত হয় এবং গতি বৃদ্ধি পায়।

সুতরাং 'আর্থিক প্রেষণা কর্মীদের কাজের গতিকে বৃদ্ধি করে'- কথাটি যথার্থ।

267
উত্তরঃ

সমাজের অন্যদের থেকে বা বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজন ও সহকর্মীদের থেকে নিজেকে একটু উচ্চতায় এবং উপরে উঠার আগ্রহকে আত্মতৃপ্তির চাহিদা বলে।

296
উত্তরঃ

কর্মীদেরকে কাজের প্রতি উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত করে সেচ্ছাপ্রণোদিত করার কাজকে প্রেষণা বলে।

মনোবল মানসিক শক্তি সংশ্লিষ্ট। কর্মীদের মানসিক অবস্থা যদি প্রতিষ্ঠান ও কাজের প্রতি ইতিবাচক হয় তবে কর্মীর মনোবল উত্তম বিবেচিত হয়ে থাকে। প্রতিষ্ঠান কর্মীদের জন্য উত্তম প্রেষণার ব্যবস্থা করলে কর্মীদের কার্যসন্তুষ্টি বাড়ে যা তাদের মনোবল বৃদ্ধি করে। তাই প্রেষণার সাথে কর্মী মনোবলের সরাসরি সম্পর্ক বিদ্যমান।

2.2k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews