নিশাত তাসনিম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলাম শিক্ষা বিভাগে অধ্যয়নরত। তিনি সব সময় সত্য কথা বলেন। তার সত্য বলার এই অভ্যাস মূলত ছোট বেলা থেকেই গড়ে উঠেছে। সম্প্রতি তিনি ইজমার ওপর একটি প্রতিবেদন রচনার কাজ করছেন। তার কাছে মনে হয়েছে জাতীয় ঐক্য সংরক্ষণে ইজমার বিকল্প নেই। এর মাধ্যমেই আপামর মুমিন জনতাকে বিভ্রান্তি থেকে মুক্ত করা সম্ভব।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

'সুরা' শব্দের অর্থ সীমান্তরেখা বা নগরপ্রাচীর

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

নিয়মতান্ত্রিকভাবে কুরআন সংরক্ষণের কাজ সম্পাদনের জন্য মহানবি (স) কাতিবে ওহি নিয়োগ করেছিলেন। কাতিবে ওহি অর্থ ওহি লেখক মহানবি (স) নিজে লেখাপড়া জানতেন না। কিন্তু তাঁর কাছে প্রথম যে বাণী এসেছে তাতে 'কলম' ব্যবহারের কথা আছে। আল কুরআনকে 'আল কিতাব' বলে মানুষের সামনে তুলে ধরা হয়েছে। আর এজন্যই কিতাব হিসেবে কুরআনকে লিখিত রূপ দিতে মহানবি (স) কাতিবে ওহি নিযুক্ত করেছিলেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

সত্যবাদিতার জন্য নিশাত তাসনিম পরকালে পুরস্কার হিসেবে জান্নাত লাভ করবেন। সত্যবাদিতা একটি মহৎ গুণ। যিনি সত্য কথা বলেন তাকে বলা হয় সত্যবাদী। সত্যবাদী ব্যক্তি সবার কাছে প্রিয় হন এবং সমাজে মর্যাদা লাভ করেন। শুধু তাই নয়, তিনি আল্লাহর কাছেও প্রিয় হন। উদ্দীপকের নিশাত তাসনিমও তার সত্যবাদিতা গুণের জন্য আল্লাহ তায়ালার বিশেষ অনুগ্রহ লাভ করবেন।

নিশাত তাসনিমের সত্যবাদিতার অনুশীলনের ব্যাপারে সহিহ বুখারি ও মুসলিম শরিফের সত্য গ্রহণ ও মিথ্যা বর্জন সম্পর্কিত হাদিসে সত্যের অনুশীলনের প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। কারণ  সত্য পুণ্যের পথে পরিচালিত করে এবং পুণ্য নিশ্চিতভাবেই জান্নাতের পথে পরিচালিত করে। সুতরাং দেখা যায়, সত্যবাদিতার পুরস্কার হচ্ছে মানুষের চির আকাঙ্ক্ষিত জান্নাত। এ কারণেই সত্যবাদিতাকে ইসলামে এত গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ প্রসঙ্গে মহানবি (স) বলেছেন, 'সত্যবাদিতা মুক্তি দেয়, আর মিথ্যা ধ্বংস  করে।' উদ্দীপকের নিশাত তাসনিম সত্য বলাকে নিজের অভ্যাসে পরিণত করেছেন। তাই মুক্তির পথ আর পুণ্যের পথকেই বেছে  নিয়েছেন। আর এই পথের পথিক হয়ে তিনি নিঃসন্দেহে সর্বোত্তম প্রতিদান অর্থাৎ জান্নাত লাভ করবেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

নিশাত তাসনিম জাতীয় ঐক্য সংরক্ষণে এবং আপামর মুমিন জনতাকে বিভ্রান্তি থেকে রক্ষা করতে ইজমার যে প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন তা যথার্থ। ইসলাম একটি আধুনিক ও প্রগতিশীল ধর্ম। ইসলামি শরিয়তের তৃতীয় উৎস ইজমাই তার প্রমাণ বহন করে। ইজমার মাধ্যমে মুসলমানদের মধ্যে জাতীয় ঐক্য সংরক্ষিত হয়। মুমিনদেরকে বিভ্রান্তি থেকে সুরক্ষাও ইজমার মাধ্যমে নিশ্চিত হয়।

নিশাত তাসনিম ইজমার গুরুত্ব অনুভব করেছেন। কেননা আল্লাহ তায়ালা মুমিনদেরকে ঐক্যবদ্ধ থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। জাতীয় ঐক্য ক্ষুণ্ণ করে বা মুমিনদের মধ্যে বিপর্যয়- বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে এমন সব কাজকে তিনি হারাম ঘোষণা করেছেন। যেকোনো ইস্যুতে মুমিনদের ভিন্ন ভিন্ন মত পোষণ তাদের ঐক্য ও সংহতি বিনষ্ট করে। এক্ষেত্রে ইজমা বা সম্মিলিত সিদ্ধান্ত ঐক্য সংরক্ষণে অনন্য সাধারণ ভূমিকা রাখে। উদ্দীপকের নিশাত তাসনিম এ বিষয়টিই তার প্রতিবেদনে নির্দেশ করেছেন। আবার, ইজমা আপামর মুমিন জনতাকে বিভ্রান্তি থেকে রক্ষা করেছেন। সাধারণ মুমিনদের অধিকাংশের জন্য নিজেদের মতানুসারে চলা প্রায়শ সম্ভব হয়ে ওঠে না। জ্ঞানগত সীমাবদ্ধতার জন্য এ কাজ তাদেরকে বিভ্রান্তি ও ভ্রষ্টতায় নিপতিত হওয়ার আশঙ্কা জাগিয়ে তোলে। আর ইজমা এক্ষেত্রে তাদের পুরোপুরি সুরক্ষা দান করে।

পরিশেষে বলা যায়, জাতীয় ঐক্য সংরক্ষণ ও আপামর মুমিন জনতাকে বিভ্রান্তি থেকে সুরক্ষা প্রদান ইজমার গুরুত্বপূর্ণ দুটি দিক। আর এ বিষয় দুটির প্রতিই নিশাত তাসনিম গুরুত্ব দিয়েছেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
190
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

 'নিফাক' অর্থ- কপটতা, ভণ্ডামি ইত্যাদি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
297
উত্তরঃ

'হুরুফে মুকাত্তায়াত' বলতে কুরআনে সংযোজিত বিচ্ছিন্ন বর্ণসমূহকে বোঝায়। কুরআন মাজিদের মোট ২৯টি সুরার শুরুতে হুরুফে মুকাত্তায়াত রয়েছে। প্রত্যেক গ্রন্থেই কিছু গোপন বিষয় থাকে, আর আল- কুরআনের গোপন বিষয় হলো হরফে মুকাত্তায়াত। তাফসিরকারগণের মতে যেসব বর্ণের প্রকৃত অর্থ ও যথার্থ মর্ম আল্লাহ ছাড়া আর কেউ অবহিত নয় তাকেই 'হুরুফে মুকাত্তায়াত' বলে। যেমন- এর অর্থ আল্লাহ ছাড়া আর কেউ অবগত নয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
3.7k
উত্তরঃ

মিথ্যাচার করা মুনাফিকের স্বভাব। মুনাফিক বলতে তাদেরকে বোঝায়, যারা মৌখিকভাবে ইমানের ঘোষণা দেয়, নামাজ, রোজাও পালন করে, কিন্তু অন্তরে কুফরি পোষণ করে। এদের মুখের ভাষা এক রকম কিন্তু অন্তর অন্যরকম। উদ্দীপকের দৃশ্যপট-১ এ দেখা যায় রাইয়্যান এ স্বভাবের অধিকারী।

উদ্দীপকের রাইয়্যান মিথ্যাচারের মাধ্যমে মুনাফিকি করে। সুরা আল বাকারায় দ্বিতীয় রুকুতে আল্লাহ তায়ালা মুনাফিকদের করুণ পরিণতির কথা তুলে ধরেছেন। মুনাফিকরা ইমান আনার কথা বলে আল্লাহ ও মুমিনদের ঠকাতে চায়। কিন্তু তাদের এ কাজের কারণে নিজেরাই ঠকে। তাদের এরূপ কাজের কারণে দুনিয়া ও আখিরাতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। প্রকৃতপক্ষেই মুনাফিকদের অন্তরে থাকে নিফাক, কুফর, শিরকের ব্যাধি। তাদের এসব স্বভাবের কারণে পাপপ্রবণতা বৃদ্ধি পেতে থাকে। ফলে তারা আল্লাহর অনুগ্রহ ও রহমত থেকে বঞ্চিত হয়। তারা পৃথিবীতে অসম্মান ও অবিশ্বাসের পাত্রে পরিণত হয়। তাছাড়া পরকালীন জীবনেও তাদের কল্পনাতীত শাস্তি পেতে হবে। হাদিসেও নবি (স) মুনাফিকদের শাস্তির কথা বর্ণনা করেছেন। তাছাড়া মুনাফিকদের তিনটি গুণের মধ্যে মিথ্যাচার একটি। মিথ্যাচারকে মহানবি (স) সব পাপের মূল হিসেবে অবহিত করেছেন।

ওপরের আলোচনার আলোকে বলতে পারি, রাইয়্যান মিথ্যাচার করার মাধ্যমে মুনাফিকির স্বভাব পোষণ করছে। যার জন্য পরকালে তাকে কঠোর শাস্তি পেতে হবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
254
উত্তরঃ

উম্মাহর ঐকমত্যের জন্য বর্তমানে ইজমার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। ইজমা হচ্ছে সমকালীন বিজ্ঞ আলেমদের কোনো বিষয়ের ওপর ঐকমত্য। ধর্মীয় বা পার্থিব যেকোনো বিষয়ের বিধান উদ্ভাবন, প্রবর্তন বা নির্ধারণের ক্ষেত্রে যেকোনো যুগের মুসলিম মুজতাহিদ আলেমদের ঐকমত্যের মাধ্যমেই ইজমা হয়ে থাকে।

উদ্দীপকের দৃশ্যপট-২ এ রফিক ইসলামিক স্টাডিজ নিয়ে অধ্যয়ন করার কারণে ইজমার ব্যাপারে জানতে পারে। সে মুসলিম উম্মাহর ঐকমত্যের জন্য উদগ্রীব। বর্তমান বিশ্বে বিভিন্ন বৈপরীত্য মাসয়ালার সুন্দর সমাধানে ইজমার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। ইসলামি আইনের উৎসসমূহের মধ্যে কুরআন ও হাদিসের পরেই এর অবস্থান হওয়াতে এর দ্বারা শরিয়তের বিভিন্ন মাসয়ালা প্রণয়নে এর প্রয়োজন পড়ে। কুরআন ও হাদিসে যে পরিমাণ সমস্যার সমাধান পেশ করা হয়েছে তার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ অনেকগুণ বেশি বিষয়ে কোনো সমাধান দেওয়া হয়নি। এক্ষেত্রে সামঞ্জস্যপূর্ণ বিধান প্রবর্তন করতে ইজমার বিকল্প নেই। নবোদ্ভাবিত সব সমস্যার সমাধানে ইজমা অনিবার্য। তাছাড়া মহানবি (স) বলেছেন- 'আমার উম্মত বিভ্রান্তির ওপর এক হবে না।' রাসুল (স) এর এ বাণীর মধ্যেই ইজমার গুরুত্ব বিদ্যমান। কেননা রাসুল (স) নিজেই ইজমার প্রতি ইঙ্গিত করে আলেমদের ঐকমত্যে পৌঁছানোর উপদেশ দিয়েছেন।

ওপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলতে পারি, বর্তমান বিশ্বে নতুন নতুন যেসব ধর্মীয় বিশৃঙ্খলা দেখা দিচ্ছে তা ইজমার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
465
উত্তরঃ

 রুখসাত অর্থ অবকাশ, ঐচ্ছিক বা হালকা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
552
উত্তরঃ

 যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিরাই ইজমা করতে পারবে। ইজমা সম্পাদনে যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের 'আহলুল ইজমা' বলা হয়। রাসুল (স)-এর ইন্তেকালের পর সাহাবিরা ছিলেন ইজমার আহল। কেননা রাসুলের পর তারাই ছিলেন ইসলামি শরিয়ত সম্পর্কে অভিজ্ঞ, রাসুল (স)-এর পছন্দনীয় এবং সমাজে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি। সাহাবিদের যুগের পরে অভিজ্ঞ আলিমগণ ইজমা প্রদান করতে পারবেন। এভাবে শরিয়ত সম্পর্কে অভিজ্ঞ এবং সর্বজন গ্রহণযোগ্য মানুষ, যারা ইজমা প্রদান করলে তা শরিয়তের বিধানে পরিণত হবে সে ধরনের ব্যক্তি বা মানুষদের আহলুল ইজমা বা ইজমার আহল বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
612
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews