ড্রাইভিং লাইসেন্সের পূর্বশর্ত হলো লার্নার বা শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স। ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদনকারীর ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা ৮ম শ্রেণী পাশ। অপেশাদার এর জন্য ন্যূনতম ১৮ বছর এবং পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স-এর জন্য বয়স ন্যূনতম ২১ বছর হতে হবে। মানসিক ও শারীরিকভাবে সুস্থ থাকতে হবে।
বাংলাদেশে মোটরযান আইন অনুযায়ী, যেকোনো ব্যক্তিকে গাড়ি চালানোর সময় কিছু নির্দিষ্ট কাগজপত্র সাথে রাখা বাধ্যতামূলক। এই কাগজপত্রগুলি ট্রাফিক পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্বারা যাচাই করা হতে পারে এবং এগুলি সাথে না থাকলে জরিমানা বা শাস্তির বিধান রয়েছে।
বাধ্যতামূলক কাগজপত্রের তালিকা নিম্নরূপ:
ড্রাইভিং লাইসেন্স (Driving License): এটি প্রমাণ করে যে চালক বৈধভাবে গাড়ি চালানোর জন্য যোগ্য এবং অনুমোদিত।
গাড়ির রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট (Vehicle Registration Certificate): এই সার্টিফিকেট গাড়ির মালিকানা এবং নিবন্ধন সংক্রান্ত তথ্য ধারণ করে।
ফিটনেস সার্টিফিকেট (Fitness Certificate): বাণিজ্যিক ও পাবলিক সার্ভিস যানবাহনের জন্য এটি বাধ্যতামূলক, যা নিশ্চিত করে যে গাড়িটি রাস্তায় চলাচলের জন্য যান্ত্রিকভাবে উপযুক্ত।
ট্যাক্স টোকেন (Tax Token): এটি প্রমাণ করে যে গাড়ির বার্ষিক সড়ক কর পরিশোধ করা হয়েছে।
ইন্স্যুরেন্স সার্টিফিকেট (Insurance Certificate): গাড়ির বৈধ ইন্স্যুরেন্স থাকা বাধ্যতামূলক, যা দুর্ঘটনাজনিত ক্ষয়ক্ষতির বিরুদ্ধে সুরক্ষা প্রদান করে।
এই কাগজপত্রগুলি সবসময় সাথে রাখা চালকের আইনগত দায়িত্ব এবং এটি সড়ক নিরাপত্তা ও আইন শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সহায়ক।
আইন অনুযায়ী হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, উপাসনালয় এবং গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ও বেসরকারি অফিস সংলগ্ন এলাকাকে 'নীরব এলাকা' (Silent Zone) হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এসব নীরব এলাকায় হর্ন বাজানো নিষিদ্ধ। মোটরযান আইনে এই বিধিনিষেধ লঙ্ঘনের জন্য জরিমানার বিধান রয়েছে। হর্ন বাজানোর ফলে শব্দদূষণ হয়, যা পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
হলুদ কাটা কাটা দাগ মানে চালক প্রয়োজন অনুযায়ী লেন পরিবর্তন বা ওভারটেক করতে পারবে, কিন্তু সাদা টানা দাগ মানে চালক লেন পরিবর্তন বা ওভারটেক করতে পারবে না।
রাস্তার উপর অঙ্কিত বিভিন্ন রঙের ও ধরনের দাগ যানবাহনের চালকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা প্রদান করে, যা দুর্ঘটনা এড়াতে এবং ট্রাফিক প্রবাহ বজায় রাখতে সাহায্য করে।
হলুদ কাটা কাটা দাগ (Yellow Broken Line): এই দাগ নির্দেশ করে যে, চালক প্রয়োজন অনুযায়ী সতর্কতা সহকারে লেন পরিবর্তন করতে পারবে অথবা সামনের ধীরগতির যানবাহনটিকে ওভারটেক করতে পারবে। সাধারণত, যেখানে দৃশ্যমানতা ভালো এবং ওভারটেকিং নিরাপদ মনে হয়, সেখানে এই ধরনের দাগ ব্যবহার করা হয়।
সাদা টানা দাগ (Continuous White Line): এই দাগের অর্থ হলো, চালক কোনো অবস্থাতেই লেন পরিবর্তন করতে পারবে না বা সামনের যানবাহনকে ওভারটেক করতে পারবে না। এটি সাধারণত বিপদজনক মোড়, সেতু, আঁকাবাঁকা রাস্তা, ক্রসিং বা এমন স্থানে ব্যবহার করা হয় যেখানে ওভারটেক করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। এই দাগগুলো ট্রাফিক আইনের কঠোর নিয়ম নির্দেশ করে।
এছাড়াও, কিছু স্থানে রাস্তার মাঝখানে দুটি সাদা টানা দাগ দেখা যায়, যা আরও কঠোর নিষেধাজ্ঞা নির্দেশ করে। সেক্ষেত্রে, কোনোভাবেই বিপরীত লেনে যাওয়া বা ওভারটেক করা যায় না। এই নিয়মগুলো মেনে চলা সকল চালকের জন্য বাধ্যতামূলক এবং নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থাপনার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।
ফ্যান বেল্ট ঢিলে হলে ইঞ্জিন অতিরিক্ত গরম হয়ে যায় এবং গাড়ির বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা কমে যায়।
ফ্যান বেল্ট (Fan belt) হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঞ্জিন যন্ত্রাংশ যা ইঞ্জিনের ক্র্যাঙ্কশ্যাফ্ট থেকে বিভিন্ন পেরিফেরাল কম্পোনেন্ট যেমন - ওয়াটার পাম্প (water pump), অল্টারনেটর (alternator), পাওয়ার স্টিয়ারিং পাম্প (power steering pump) এবং এয়ার কন্ডিশনার কম্প্রেসরকে (air conditioner compressor) শক্তি সরবরাহ করে।
যখন ফ্যান বেল্ট ঢিলে হয়ে যায়, তখন এটি এই কম্পোনেন্টগুলোকে পর্যাপ্ত শক্তি সরবরাহ করতে পারে না। এর ফলে:
ইঞ্জিন অতিরিক্ত গরম হওয়া: ওয়াটার পাম্প সঠিকভাবে কাজ করতে না পারায় ইঞ্জিনের কুলিং সিস্টেম (cooling system) ব্যাহত হয়, যার ফলে ইঞ্জিন অতিরিক্ত গরম হয়ে যায় এবং মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।
বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়া: অল্টারনেটর পর্যাপ্ত ঘুরতে না পারায় ব্যাটারি চার্জ হতে পারে না এবং গাড়ির বৈদ্যুতিক সিস্টেমের (electrical system) কার্যকারিতা কমে যায়।
ব্লু বুক বলতে সাধারণত সরকারি বা আন্তর্জাতিক সংস্থা কর্তৃক প্রকাশিত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন বা নথিকে বোঝায়।
ব্লু বুক শব্দটি বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে ভিন্ন ভিন্ন অর্থ বহন করে। এর কিছু প্রধান ব্যবহার নিচে উল্লেখ করা হলো:
সরকারি প্রতিবেদন: যুক্তরাজ্যে, 'ব্লু বুক' বলতে সাধারণত পার্লামেন্টে পেশ করা সরকারি প্রতিবেদনকে বোঝায়। এই ধরনের প্রতিবেদনে দেশের অর্থনীতি, পরিসংখ্যান, বা বিশেষ কোনো তদন্তের ফলাফল ইত্যাদি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য থাকে।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক: কূটনৈতিক ক্ষেত্রে, কিছু দেশ (যেমন জাপান) তাদের বার্ষিক পররাষ্ট্রনীতি সংক্রান্ত শ্বেতপত্র বা প্রতিবেদনকে 'ব্লু বুক' নামে অভিহিত করে, যেখানে বিভিন্ন দেশের সাথে সম্পর্কের বিস্তারিত বিশ্লেষণ থাকে।
শিক্ষাগত প্রেক্ষাপট: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাব্যবস্থায়, ব্লু বুক হলো এক ধরনের ছোট নীল রঙের পরীক্ষার খাতা যা শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা লেখার জন্য ব্যবহার করে।
অন্যান্য ব্যবহার: এটি মূল্যবান জিনিসপত্র, যেমন ব্যবহৃত গাড়ির মূল্য নির্ধারণের নির্দেশিকা (যেমন 'কেলি ব্লু বুক') বা গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের তালিকা হিসেবেও ব্যবহৃত হতে পারে। এটি বিভিন্ন সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রকেও নির্দেশ করতে পারে।
মেডিয়েটর হলেন একজন নিরপেক্ষ তৃতীয় পক্ষ যিনি বিরোধপূর্ণ পক্ষগুলির মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও আলোচনার মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছাতে সহায়তা করেন। তিনি কোনো পক্ষকে প্রভাবিত না করে বা কোনো রায় চাপিয়ে না দিয়ে যোগাযোগ প্রক্রিয়া সহজ করেন, তথ্য আদান-প্রদানে সহায়তা করেন এবং পক্ষগুলিকে নিজেদের স্বার্থের ভিত্তিতে একটি ঐকমত্যে পৌঁছাতে উৎসাহিত করেন। মেডিয়েটরের মূল কাজ হলো আইনি প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে শান্তিপূর্ণ ও দ্রুত উপায়ে বিরোধের সমাধান করা, যা আদালত বা সালিশের মতো আনুষ্ঠানিক পদ্ধতির চেয়ে কম ব্যয়বহুল এবং দ্রুত হতে পারে।
উত্তরঃ
টায়ারের প্রেশার কম হলে গাড়ির মাইলেজ কমে, টায়ার দ্রুত ক্ষয় হয়, নিয়ন্ত্রণ ও স্থিতিশীলতা হ্রাস পায় এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ে।
টায়ারের প্রেশার কম থাকলে গাড়ির কার্যকারিতা ও নিরাপত্তায় বেশ কিছু গুরুতর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। এগুলি হলো:
জ্বালানি খরচ বৃদ্ধি: কম প্রেশারের কারণে টায়ারের সাথে রাস্তার ঘর্ষণ পৃষ্ঠ বেড়ে যায়, ফলে ইঞ্জিনকে গাড়ি চালাতে বেশি শক্তি প্রয়োগ করতে হয় এবং জ্বালানি খরচ বৃদ্ধি পায়।
টায়ারের আয়ু কমে যাওয়া: টায়ার অসমভাবে ক্ষয় হতে শুরু করে, বিশেষ করে পাশের দিকগুলো বেশি ক্ষয় হয়। এর ফলে টায়ারের আয়ু কমে যায় এবং দ্রুত প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন হয়।
নিয়ন্ত্রণ ও স্থিতিশীলতা হ্রাস: গাড়ির স্টিয়ারিং ভারী মনে হয়, ব্রেকিং দূরত্ব বেড়ে যায় এবং কর্নারিং করার সময় নিয়ন্ত্রণ হারানো বা স্লিপ করার ঝুঁকি বাড়ে।
টায়ার ফেটে যাওয়ার ঝুঁকি (Blowout Risk): কম প্রেশারের কারণে টায়ার অতিরিক্ত বাঁকে এবং এর ফলে টায়ারের মধ্যে অতিরিক্ত তাপ উৎপন্ন হয়। এই অতিরিক্ত তাপ টায়ার ফেটে যাওয়ার (blowout) প্রধান কারণ হতে পারে, যা মারাত্মক দুর্ঘটনার কারণ।
সাসপেনশন ও স্টিয়ারিং সিস্টেমের ক্ষতি: টায়ার সঠিকভাবে কাজ না করলে গাড়ির সাসপেনশন ও স্টিয়ারিং সিস্টেমের উপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে, যা দীর্ঘমেয়াদে এই যন্ত্রাংশগুলোর ক্ষতি করতে পারে।
আরামদায়কতার অভাব: কম প্রেশারের টায়ার রাস্তার অসমানতা শোষণ করতে পারে না, ফলে যাত্রীরা ঝাঁকুনি অনুভব করে এবং ভ্রমণের আরামদায়কতা কমে যায়।
জ্যাক হলো একটি যান্ত্রিক যন্ত্র যা ভারি বস্তু, যেমন গাড়িকে, অল্প সময়ের জন্য উপরে তোলার কাজে ব্যবহৃত হয়। চাকা পাংচার হলে বা টায়ার পরিবর্তন করার প্রয়োজন হলে জ্যাকের সাহায্যে গাড়িকে মাটি থেকে উঁচু করা হয় যাতে টায়ার সহজেই খোলা ও লাগানো যায়। এটি গাড়ির জরুরি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য একটি অপরিহার্য সরঞ্জাম, যা সাধারণত প্রতিটি গাড়ির সাথে টুলকিটে দেওয়া থাকে। জ্যাক ব্যবহার করার সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি, কারণ ভুলভাবে ব্যবহার করলে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
প্রণালী হলো দুটি জলভাগ, যেমন দুটি সমুদ্র, দুটি মহাসাগর, দুটি উপসাগর, বা দুটি নদীর সংযোগকারী একটি সংকীর্ণ জলপথ। প্রণালীগুলো আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং জাহাজ চলাচলের জন্য দুরত্ব কমিয়ে দিয়ে সময়কে সাশ্রয় করতে পারে । যার ফলস্বরুপ বিভিন্ন দেশের মধ্যে জাহাজ চলাচল এবং বাণিজ্যকে সহজতর করে তোলে । নিচের চিত্রটি বুঝতে পারলে অনেক সহজেই প্রণালীগুলোর A to Z মনে রাখা যাবে । Strait অর্থ প্রণালী। এখানে প্রণালীটি- পৃথক করেছেঃ দেশ-১ হতে দেশ-২ কে। সংযুক্ত করেছে: সাগর-১ কে সাগর-২ এর সাথে।
বিশ্বের বিখ্যাত প্রণালীসমূহ
এক নজরে বিশ্বের বিখ্যাত প্রণালীসমূহ
প্রণালী
সংযুক্ত করেছে
পৃথক করেছে
পক প্রণালী
ভারত মহাসাগর-আরব সাগর
ভারত-শ্রীলঙ্কা
জিব্রাল্টার প্রণালী
উত্তর আটলান্টিক-ভূমধ্যসাগর
আফ্রিকা-ইউরোপ
দার্দনেলিস প্রণালী
ইজিয়ান সাগর-মর্মর সাগর
এশিয়া-ইউরোপ
বসফরাস প্রণালী
কৃষ্ণসাগর-মর্মর সাগর
এশিয়া-ইউরোপ
কার্চ প্রণালী
কৃষ্ণসাগর-এডেন সাগর
ক্রিমিয়া-রাশিয়া
বাব-এল-মানদেব
এডেন সাগর-লোহিত সাগর
এশিয়া-আফ্রিকা
বেরিং প্রণালী
বেরিং সাগর- উত্তর সাগর
এশিয়া-উত্তর আমেরিকা
ডেভিস প্রণালী
ব্যাফিন সাগর-লাব্রাডার সাগর
গ্রিনল্যান্ড-কানাডা
ডোভার প্রণালী
ইংলিশ চ্যানেল-উত্তর সাগর
ফ্রান্স-ব্রিটেন
ইংলিশ চ্যানেল
আটলান্টিক মহাসাগর-উত্তর সাগর
ফ্রান্স-ব্রিটেন
নর্থ চ্যানেল
আটলান্টিক মহাসাগর-আইরিস সাগর
উত্তর আয়ারল্যান্ড-স্কটল্যান্ড
ফ্লোরিডা প্রণালী
মেক্সিকো উপসাগর-আটলান্টিক মহাসাগর
ফ্লোরিডা-কিউবা
ফারমোজা প্রণালী
পূর্বচীন সাগর-টংকিং সাগর
তাইওয়ান-চীন
কোরিয়া প্রণালী
পূর্বচীন সাগর-জাপান সাগর
কোরিয়া-জাপান
মালাক্কা প্রণালী
বঙ্গোপসাগর-জাভা সাগর
সুমাত্রা-মালয়েশিয়া
সুন্দা প্রণালী
ভারত মহাসাগর-জাভা সাগর
সুমাত্রা-জাভা
হরমুজ প্রণালী
পারস্য উপসাগর- ওমান উপসাগর
আরব-ইরান
মেসিনা প্রণালী
টিরহেনিয়ান সাগর-আইওনিয়ান সাগর
ইতালি-সিসিলি
সিসিলি প্রণালী
টিরহেনিয়ান সাগর-ভূমধ্যসাগর
সিসিলি-আফ্রিকা
ড্রাগন'স মাউথ
পারস্য উপসাগর-ক্যারিবিয়ান সাগর
ভেনিজুয়েলা-ত্রিনিদাদ
☞ জিব্রাল্টার প্রণালী (Strait of Gibraltar) পূর্বে ভূমধ্যসাগরকে পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে সংযোগকারী সমুদ্র প্রণালী। এটি উত্তর আফ্রিকাকে দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপের সাইবেরীয় উপদ্বীপ থেকে পৃথক করেছে। প্রণালীটি ৬০ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং এর প্রস্থ অবস্থানভেদে ১৩ থেকে ৩৯ কিলোমিটার হতে পারে। প্রণালীর মধ্যে দিয়ে একটি ৮ কিলোমিটার প্রশস্ত ও ৩০০ মিটার গভীর চ্যানেল চলে গেছে।
অন্তরীপ (Cape)
ভূ-ভাগের কোন অংশ যদি সরু হয়ে সাগরের মধ্যে প্রসারিত থাকে, তবে ভূভাগের সে অংশটিকে অন্তরীপ বলে। যেমন- দক্ষিণ আফ্রিকার উত্তমাশা অন্তরীপ।
কন্যাকুমারী অন্তরীপ : ভারতের তামিলনাড়ু প্রদেশে, যা ভারত মহাসাগরে পড়েছে।
চেলুস্কিন অন্তরীপ : এশিয়ার সর্ব উত্তরের বিন্দু। এখানে তুন্দ্রা অঞ্চল অবস্থিত।
গার্ছাফুই অন্তরীপ : সোমালিয়ার অগ্রভাগ, আরব সাগরে অবস্থিত।
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য (পারমানেন্ট ফাইভ, বিগ ফাইভ বা পি৫ নামেও পরিচিত) হল পাঁচটি সার্বভৌম রাষ্ট্র যাদের ১৯৪৫ সালের জাতিসংঘ সনদ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী আসন দিয়েছে। এরা হচ্ছে: চীন, ফ্রান্স, সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।