দ্বন্দ = দ্বন্দ্ব
বিভিসিকা = বিভীষিকা
ঐক্যমত = ঐকমত্য
সমিচীন = সমীচীন
মুমুর্ষু = মুমূর্ষু
Related Question
View Allঅর্থানুসারে শব্দ তিন প্রকার। যথা: i. যৌগিক শব্দ, ii. রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ ও iii. যোগরূঢ় শব্দ।
i. যৌগিক শব্দ: যেসব শব্দ প্রকৃতি ও প্রত্যয়যোগে গঠিত হয় এবং প্রকৃতি ও প্রত্যয় বিশ্লেষণ করলে যেসব শব্দের অর্থ পাওয়া যায়, তাদের যৌগিক শব্দ বলে। যেমন- গৈ + অক = গায়ক, অর্থ গান করে যে। এছাড়াও মধুর, দৌহিত্র, চিকামারা, মিতালি, ইত্যাদি যৌগিক শব্দ।
ii. রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ: যে শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গযোগে মূল শব্দের অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ জ্ঞাপন করে, তাকে রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ বলে। যেমন- হস্তী হস্ত ইন = হন্ত আছে যার। কিন্তু প্রচলিত অর্থে 'হস্তী' বলতে একটি পশুকে বোঝায়। এছাড়াও গবেষণা, তৈল, প্রবীণ, সন্দেশ, হরিণ, পাঞ্জাবি ইত্যাদি রূঢ়ি শব্দ।
iii. যোগরূঢ় শব্দ: সমাসনিষ্পন্ন যেসব শব্দ সম্পূর্ণভাবে সমস্যমান পদসমূহের অনুগামী না হয়ে কোনো বিশিষ্ট অর্থ গ্রহণ করে, তাদের যোগরূঢ় শব্দ বলে । যেমন- পঙ্কজ পঙ্কে জন্মে যা। পঙ্কে অনেক কিছুই জন্মে কিন্তু সাধারণত পঙ্কজ বলতে পদ্মফুলকে বোঝানো হয়। এছাড়াও সরোজ, ডাকাত, রাজপুত, মহাযাত্রা, জলধি, জলদ ইত্যাদি যোগরূঢ় শব্দ।
গভীর জলের মাছ (খুব চতুর বা ধূর্ত ব্যক্তি): তাকে চেনা সহজ নয়, শান্তশিষ্ট মনে হলেও লোকটা আসলে গভীর জলের মাছ।
ধরি মাছ না ছুঁই পানি (কৌশলে কার্যোদ্ধার করা): সে এমন চতুরতার সাথে কাজটা সারল যে তাকে দোষারোপ করার উপায় নেই, একেই বলে ধরি মাছ না ছুঁই পানি।
লেফাফা দুরস্ত (বাইরে পরিপাটি): লোকটার পোশাক-আশাক দেখে লেফাফা দুরস্ত মনে হলেও আসলে তার কোনো কাণ্ডজ্ঞান নেই।
উড়নচণ্ডী (অমিতব্যয়ী): বাবার জমানো অত টাকা থাকা সত্ত্বেও ছেলেটা উড়নচণ্ডী স্বভাবের জন্য আজ পথে বসেছে।
কলুর বলদ (পরাধীন ব্যক্তি): সারাজীবন অফিসের ফাইলে মুখ গুঁজে কলুর বলদের মতো খাটলেও তার ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হলো না।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!