ব্যবস্থাপনার প্রথম ও প্রধান কাজ হলো পরিকল্পনা। এটি হলো ব্যবস্থাপনার অন্যান্য কাজের ভিত্তি । ভবিষ্যতে আমরা কী চাই, কখন ও কিভাবে চাই ইত্যাদি বিষয়গুলো পূর্বে নির্ধারণ করাকেই পরিকল্পনা বলে । তাই পরিকল্পনা একটা চিন্তনীয় কাজ। চিন্তায় ভুল হলে পরিকল্পনায় তার যেমন নেতিবাচক প্রভাব পড়ে ঠিক একইভাবে পরিকল্পনায় ভুল হলে বাস্তবায়নমূলক কাজেও ভুল হয় । ফলে কাঙ্ক্ষিত ফললাভ সম্ভব হয় না । আমরা ব্যক্তিগত কাজ করার ক্ষেত্রে যদি সারাদিনের একটা পরিকল্পনা গ্রহণ করি এবং সে অনুযায়ী কাজ করি, তবে দেখা যাবে কাজগুলো অনেক সুন্দর হয়েছে । তাই প্রতিটা কাজের পূর্বেই ভেবে-চিন্তে পরিকল্পনা গ্রহণ আবশ্যক। পরিকল্পনার সাথে সিদ্ধান্ত গ্রহণের সম্পর্ক ওতপ্রোতভাবে জড়িত । পরিকল্পনা নিতে গেলে বিকল্প নির্ধারণ, মূল্যায়ন ও উত্তম বিকল্প গ্রহণের প্রয়োজন পড়ে । এই উত্তম বিকল্প গ্রহণের কাজকেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ বলে । বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে প্রতিষ্ঠানে ও ব্যক্তি জীবনে প্রায়শই সিদ্ধান্ত নিতে হয় । তাই পরিকল্পনা প্রণয়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ সম্পর্কিত জ্ঞান যে কোনো ব্যক্তিকেই চলার পথে কার্যকরী সহায়তা প্রদান করতে পারে ।
এ অধ্যায় শেষে শিক্ষার্থীরা (শিখন ফল)
১. পরিকল্পনার ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারবে ।
২. আদর্শ পরিকল্পনার বৈশিষ্ট্য চিহ্নিত করতে পারবে ।
৩. পরিকল্পনার লক্ষ্যসমূহ ব্যাখ্যা করতে পারবে ।
৪. পরিকল্পনার প্রণয়নের ধাপসমূহ বিশ্লেষণ করতে পারবে ।
৫. পরিকল্পনার প্রকারভেদ ব্যাখ্যা করতে পারবে ।
৬. পরিকল্পনার গুরুত্ব বিশ্লেষণ করতে পারবে ।
৭. উত্তম পরিকল্পনার বৈশিষ্ট্যগুলো বর্ণনা করতে পারবে ।
৮. একার্থক ও স্থায়ী পরিকল্পনার পার্থক্য চিহ্নিত করতে পারবে ।
৯. উদ্দেশ্য ও পরিকল্পনার মধ্যে সম্পর্ক বিশ্লেষণ করতে পারবে ।
১০. সিদ্ধান্ত গ্রহণের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারবে ।
১১. সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা বিশ্লেষণ করতে পারবে ।
১২. সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করতে পারবে ।
১৩. সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তাকারী উপাদানগুলো শনাক্ত করতে পারবে ।
১৪. সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে বিবেচ্য বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করতে পারবে ।
১৫. সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করতে পারবে ।
১৬. সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সমস্যা চিহ্নিত করতে পারবে এবং সমাধানকল্পে সুপারিশ করতে পারবে ।
Related Question
View Allপরিকল্পনা হলো ভবিষ্যতে কোনো সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের অভিপ্রায়ে প্রস্তুতকৃত একটি নকশা অথবা কর্মসূচির তালিকা যাতে সম্পদ ও সময়ের ব্যবহার সম্পর্কে বিস্তারিত বিবরণ লিপিবদ্ধ থাকে। পরিকল্পনাকে সাধারণত লক্ষ্য অর্জনের প্রয়োজনে প্রস্তুতকৃত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপসমূহের একটি অস্থায়ী তালিকা হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে।
পরিকল্পনা হলো ভবিষ্যতে কোনো সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের অভিপ্রায়ে প্রস্তুতকৃত একটি নকশা অথবা কর্মসূচির তালিকা যাতে সম্পদ ও সময়ের ব্যবহার সম্পর্কে বিস্তারিত বিবরণ লিপিবদ্ধ থাকে। পরিকল্পনাকে সাধারণত লক্ষ্য অর্জনের প্রয়োজনে প্রস্তুতকৃত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপসমূহের একটি অস্থায়ী তালিকা হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!