নীলগঞ্জ গ্রামে মিলিটারি দল কীভাবে প্রবেশ করে? ব্যাখ্যা কর।

Updated: 5 months ago
উত্তরঃ

নীলগঞ্জ গ্রামে মিলিটারি দল প্রবেশ করে পয়লা মে ১৯৭১ সালে। প্রায় ফজরের নামাজের আগ মুহূর্তে তারা গ্রামে ঢোকে।

গ্রামে মিলিটারি প্রবেশের বিষয়টি সবার আগে টের পায় মীর আলি। কিন্তু সে অন্ধ হওয়ায় বুঝতে পারেনি এরা কারা। এরপর দেখতে পায় চিত্রা বুড়ি। সে কালীমন্দিরে শুয়ে ছিল। কিন্তু সে কিছুই বুঝতে পারেনি। বরং সে ভেবেছিল এরা ডাকাত। এরপর মিলিটারি দলকে দেখতে পায় নীলগঞ্জ মসজিদের ইমাম সাহেব এবং সেই প্রথম বুঝতে পারে গ্রামে মিলিটারি প্রবেশ করেছে। অর্থাৎ বোঝা যাচ্ছে যে, মিলিটারি গ্রামে ঢুকে মীর আলির বাড়ির সামনে দিয়ে সেনবাড়ির কালীমন্দির হয়ে মসজিদ পেরিয়ে স্কুলঘরে প্রবেশ করেছিল। তারা প্রবেশের সময় মার্চ করছিল না বরং এলোমেলোভাবে চলছিল। তাদের সাথে নীল শার্ট ও ফুলপ্যান্ট পরা একজন লোক ছিল, যার নাম রফিক। মিলিটারি দলটির অধিনায়ক ছিলেন মেজর এজাজ।

137

Related Question

View All
উত্তরঃ

"বিপদের সময় নিজ গোত্রের মানুষের কথাই প্রথম মনে পড়ে।"- উক্তিটি করা হয়েছে যখন গ্রামে মিলিটারি প্রবেশ করে তখন চিত্রা বুড়ির ভাবনাকে কেন্দ্র করে।

'১৯৭১' হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হলেও এ উপন্যাসে লেখক নানা বিষয় তুলে ধরেছেন। নীলগঞ্জ নামক প্রত্যন্ত এক গ্রামের জীবনাচার, তাদের বিশ্বাস, তাদের ধারণা এরকম নানা বিষয় তিনি উপন্যাসে আলোকপাত করেছেন। নীলগঞ্জ গ্রামের-পাশেই কৈবর্তদের বসবাস। তাদের জীবনবোধ ও জ্ঞাতিত্ববোধের চিত্র তিনি সুনিপুণভাবে অঙ্কন করেছেন। কৈবর্তপাড়ার একজন হলো চিত্রা বুড়ি। মনা কৈবর্ত তার ছেলেকে খুন করে। সে পুত্রহত্যার বিচার চায় নীলু সেনের কাছে। এসব দ্বন্দ্বের কারণে চিত্রা বুড়িকে তার নিজ গোত্র থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। পরে সে সেনবাড়িতে থাকে। তবু সে মিলিটারি ঢোকার পর সেই খবর সর্বপ্রথম কৈবর্তপাড়ায় পৌছে দেওয়াকেই প্রাধান্য দেয়। এটা মানুষের মানবীয় প্রবৃত্তি। তার আপন মানুষদের সঙ্গে যতই খারাপ সম্পর্ক বা অমিল থাকুক না কেন, মনের অন্তরালে তাদের জন্য গভীর টান থেকেই যায়। যা আমরা দেখতে পাই চিত্রা বুড়ির মাঝে।

সে যখন প্রথম মিলিটারিকে দেখে তখন সে আজিজ মাস্টারকে খবর দেওয়ার কথা ভাবে। সেনবাড়িতে খবর দেওয়ার কথা ভাবে। আবার কৈবর্তপাড়ায়ও খবর দেওয়ার কথা ভাবে। কিন্তু এদের সবার মাঝে সে নিজের স্বগোত্রীয়দের কথাকেই সবচেয়ে গুরুত্ব দেয়। তারপর সে কালীমন্দিরের চাতাল থেকে নেমে আসে। এর মাধ্যমে মূলত বোঝানোর চেষ্টা করা হয়েছে যে, আপৎকালীন সময়ে মানুষের মনে আপনজনেরাই সর্বাগ্রে গুরুত্ব পেয়ে থাকে। তাছাড়া উপন্যাসে দেখা যায়, কৈবর্তপাড়ার মানুষের মধ্যে একতা ছিল। যখন তাদের গ্রাম থেকে পালানোর সময় হয় তখন নীরবে সবাই কাজ করে যায়। কোনো হইচই নেই। তারা যেন একজন হয়ে সব করছে। কৈবর্তদের এরূপ ঐক্যের প্রকাশ চিত্রা বুড়ির চেতনার মধ্যে ঘটেছে।

76
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews