‘নীল অর্থনীতি‘ মূলত কিসের সাথে সম্পর্কিত?

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

১৯৯৪ সালে অধ্যাপক গুন্টার পাউলি ভবিষ্যতের অর্থনীতির রূপরেখা প্রণয়নের জন্য জাতিসংঘ কর্তৃক আমন্ত্রিত হন। বিস্তারিত আলোচনা, গবেষণা আর নিজের অধীত জ্ঞানের মিশ্রণ ঘটিয়ে পাউলি একটি টেকসই ও পরিবেশবান্ধব মডেল হিসেবে ব্লু ইকোনমির ধারণা দেন। গত দুই দশকের নানা পরিমার্জন-পরিবর্ধনের মধ্য দিয়ে ব্লু-ইকোনমি মডেল আজ একটি প্রতিষ্ঠিত ধারণা। ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা নির্ধারণ-সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির পর বাংলাদেশের কাছে বর্তমানে ব্লু-ইকোনমির বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে। এ অর্থনীতিকে সমুদ্র অর্থনীতিও বলা হয়।

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
2 years ago
318

সুনীল অর্থনীতি (Blue Economy) হলো সমুদ্র, উপকূল এবং সামুদ্রিক সম্পদের টেকসই ব্যবহার, সংরক্ষণ ও উন্নয়নের মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও পরিবেশ সুরক্ষা নিশ্চিত করার একটি ধারণা, যা মৎস্য, পর্যটন, পরিবহন, খনিজ আহরণ, নবায়নযোগ্য শক্তি (যেমন: বায়ু ও তরঙ্গ শক্তি) এবং সামুদ্রিক জীবপ্রযুক্তি (Marine Biotechnology) সহ বিভিন্ন খাতকে অন্তর্ভুক্ত করে, যার মূল লক্ষ্য হলো সমুদ্রের স্বাস্থ্য রক্ষা করে এর সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো।

সুনীল অর্থনীতি বা blue economy অর্থনীতির এমন একটি বিষয় যেখানে একটি দেশের সামুদ্রিক পরিবেশ কিংবা সামুদ্রিক সম্পদের সুষ্ঠ ব্যবহার ও রক্ষণাবেক্ষন নিয়ে আলোচনা করা হয়।

সুনীল অর্থনীতি বা ব্লু-ইকোনমি হচ্ছে সমুদ্রের সম্পদ নির্ভর অর্থনীতি। সমুদ্রের বিশাল জলরাশি ও এর তলদেশের বিভিন্ন প্রকার সম্পদকে কাজে লাগানোর অর্থনীতি। অর্থাৎ, সমুদ্র থেকে আহরণকৃত যে কোন সম্পদ দেশের অর্থনীতিতে যুক্ত হয়, তাই ব্লু -ইকোনমির বা সুনীল অর্থনীতির পর্যায়ে পড়বে।

Related Question

View All
উত্তরঃ

ব্লু ইকোনমি বা সমুদ্র অর্থনীতির প্রথম ধারণা দেন অধ্যাপক গুন্টার পাওলি ১৯৯৪ সালে তাঁর “The open Source from the Source.” গ্রন্থে। বিষয়টি সবার নজর কাড়ে ২০১০ সালে গ্রন্থটি প্রকাশিত হলে। সমুদ্র নির্ভর খাদ্য, জ্বালানি, ব্যবসা ও বিনোদনই ব্লু ইকোনোমি। আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ে ২০১২ সালে মিয়ানমারের সাথে এবং ২০১৪ সালে ভারতের সাথে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি হওয়ায় বাংলাদেশ লাভ করেছে ১ লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গ কিঃমিঃ টেরিটোরিয়াল সমুদ্র এলাকা এবং ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল মহীসোপান এবং ২০০ নটিক্যাল মাইল একচ্ছত্র অর্থনৈতিক এলাকা ।

735
উত্তরঃ

সুনীল অর্থনীতি বা Blue Economy অর্থনীতির এমন একটি বিষয় যেখানে একটি দেশের সামুদ্রিক পরিবেশ কিংবা সামুদ্রিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার ও রক্ষণাবেক্ষন নিয়ে আলোচনা করা হয়। সুনীল অর্থনীতি বা ব্লু ইকোনমি হচ্ছে সমুদ্রের সম্পদনির্ভর অর্থনীতি। সমুদ্রের বিশাল জলরাশি ও এর তলদেশের বিভিন্ন প্রকার সম্পদকে কাজে লাগানোর অর্থনীতি।

JASMIN AKTER
JASMIN AKTER
2 years ago
329
উত্তরঃ

ব্লু- ইকোনমি বা সুনীল অর্থনীতি হচ্ছে সমুদ্রের সম্পদনির্ভর অর্থনীতি। সমুদ্র পৃথিবীর অন্যতম মূল্যবান একটি প্রাকৃতিক সম্পদ। মৎস্যসম্পদের মাধ্যমে সমুদ্র খাবারের চাহিদা মেটায় এবং পণ্য পরিবহনের মাধ্যম হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। ২০১২ সালে আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ে মিয়ানমার এবং ২০১৪ সালে ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি হওয়ায় মোট ১ লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গ কিলোমিটারের বেশি সমুদ্র এলাকা এখন বাংলাদেশের। এছাড়া ২০০ নটিক্যাল মাইল একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল ও চট্টগ্রাম উপকূল থেকে ৩৪৫ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত মহীসোপানের তলদেশে সব ধরনের প্রাণীজ-অপ্রাণীজ সম্পদের ওপর বাংলাদেশের সার্বভৌম অধিকার প্রতিষ্ঠা হয়েছে।

 

সমুদ্রসীমা বিজয়ের ফলে ব্লু ইকোনমির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ দুই ধরনের সম্পদ অর্জন করেছে। এর একটি হলো প্রাণিজ, অপরটি অপ্রাণিজ। প্রাণিজের মধ্যে রয়েছে মৎস্যসম্পদ, সামুদ্রিক প্রাণী, আগাছা-গুল্মলতা ইত্যাদি। বঙ্গোপসাগরের বিপুল পরিমাণ আগাছা প্রক্রিয়াজাতকরণ করে বিভিন্ন রোগের ওষুধ তৈরি করা যায়। এসব আগাছার মধ্যে ইসপিরুলিনা যা অত্যাধিক মূল্যবান। সমুদ্রে শুধু মাছ রয়েছে প্রায় ৫০০ প্রজাতির, ৩৬ প্রজাতির চিংড়ি, ২০ প্রজাতির কাকড়া ও ৩৩৬ প্রজাতির শামুক-ঝিনুক রয়েছে। সেই সাথে রয়েছে শ্যালফিশ ,অক্টোপাস, হাঙ্গরসহ বিভিন্ন ধরনের সামুদ্রিক প্রাণী। অপ্রাণিজ সম্পদের মধ্যে রয়েছে খনিজ ও খনিজ জাতীয় সম্পদ যেমন তেল, গ্যাস, চুনাপাথর ইত্যাদি। আরো রয়েছে ১৭ ধরনের মূল্যবান খনিজ বালু। যেমন জিরকন, রোটাইল, সিলিমানাইট, ইলমেনাইট, ম্যাগনেটাইট, গ্যানেট, কায়ানাইট, মোনাজাইট, লিক্লোসিন ইত্যাদি। যার মধ্যে মোনাজাইট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তা ছাড়া সিমেন্ট বানানোর উপযোগী প্রচুর ক্লে রয়েছে সমুদ্রের তলদেশে।

JASMIN AKTER
JASMIN AKTER
2 years ago
660
উত্তরঃ

সমুদ্র অর্থনীতির সম্ভাবনার খোঁজে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি ২৬ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে সরকার।

 

সমুদ্র সম্পদ কাজে লাগিয়ে এর মাধ্যমে রফতানি শিল্পের প্রসার ঘটানো হবে। এ লক্ষ্যে সরকারি-বেসরকারি অংশিদারিত্বের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট ১৫টি মন্ত্রণালয়, সংস্থা ও সংগঠন তাদের নিজ নিজ অবস্থানে থেকে এসব কর্মপরিকল্পনা সমন্বিতভাবে বাস্তবায়ন করবে।

পাশাপাশি এসব পদক্ষেপের যথাযথ বাস্তবায়নের স্বার্থে সরকারের অগ্রাধিকারমূলক প্রকল্পের আওতায় মনিটরিং করা হবে। যার সাফল্য-ব্যর্থতা পর্যালোচনায় এরই মধ্যে গঠন করা হয়েছে মূল্যায়ন কমিটিও। এই কমিটি এখন প্রতি তিন মাস অন্তর অগ্রগতি প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়কে অবহিত করছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ মাসুকুর রহমান সিকদার স্বাক্ষরিত সমুদ্র সম্পদ আহরণ ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত কর্মপরিকল্পনায় তৈরি করা কার্যবিরণী পর্যালোচনা করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

এতে দাবি করা হয়, স্বল্পমেয়াদি এক বছরের মধ্যে ৫টি পদক্ষেপ, মধ্যমেয়াদি এক থেকে দুই বছর মেয়াদে ১৩টি ও দীর্ঘমেয়াদি তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে ৭টি কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।

জানা গেছে, সমুদ্রে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনায় জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমস্যা মোকাবেলা এবং অন্যান্য সমস্যা নিরসনকল্পে বিভিন্ন গবেষণা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বিত কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়নও সমুদ্র অর্থনীতির সক্ষমতা বাড়ানোর বড় নিয়ামক। এ বাস্তবতা থেকেই প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাকে এ বিষয়ে সমন্বিত উদ্যোগে কাজ শুরু করার তাগিদ দেয়। পরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ ইস্যুতে উদ্যোগী ভূমিকা নিয়ে এই কর্মপরিকল্পনা তৈরি করে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, অর্থ, পররাষ্ট্র, শিল্প, নৌ, খনিজ ও জ্বালানি, বাংলাদেশ ব্যাংক, এনবিআর, রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো, বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ, বাণিজ্যিক সংগঠন ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও গবেষণা সংস্থা সমন্বিতভাবে এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে।

স্বল্পমেয়াদে সমস্যা চিহ্নিতকরণ ও নীতি প্রণয়ন : সমুদ্র সম্পদের মজুদ সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, নৌপরিবহন এবং জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় যৌথভাবে এ কাজ পরিচালনা করবে।

সম্ভাব্য রফতানিকারক চিহ্নিতকরণ এবং রফতানি বাজার সম্পর্কে অবহিতকরণ ও বিনিয়োগে উদ্বুদ্ধকরণ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো, বিদেশে বাণিজ্যিক মিশন ও দেশের বাণিজ্যিক সংগঠনগুলো।

স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় প্রকল্প তৈরি করবে। এতে সহযোগী হয়ে কাজ করবে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, অর্থ, নৌ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়, এনবিআর ও রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো। এক বছর সময়সীমার মধ্যে এসব কর্মকাণ্ড সম্পন্ন করবে।

মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা : সমুদ্র সম্পদের উৎপাদন, রফতানি ও বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে আগামী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে এসব কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবে। এসব কর্মকাণ্ডের মধ্যে রয়েছে- সমুদ্র সম্পদ ব্যবহার করে অন্যান্য দেশের অর্থনৈতিক ও ব্যবসায়িক অগ্রগতি সম্পর্কে বাস্তব ধারণা লাভ।

সমুদ্র থেকে আহরিত মৎস্য, সি-সল্ট, সি উইড, মুক্তাসহ অন্যান্য সম্পদ প্রক্রিয়াজাতকরণের সঙ্গে সম্পৃক্ত বেসরকারি খাতকে আর্থিক প্রণোদনা ও অন্যান্য নীতি সহায়তা প্রদান। সমুদ্র সম্পদের আহরণ, সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি সংগ্রহের লক্ষ্যে শুল্কমুক্ত আমদানি সুবিধা প্রদান।

শুল্ক প্রত্যর্পণ ও বন্ড সুবিধা প্রদান। সামুদ্রিক মৎস্য আহরণে মৎস্যজীবীসহ সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের নগদ সহায়তা প্রদান। বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার লক্ষ্যে বাণিজ্যিক প্রতিনিধি দলকে বিদেশে প্রেরণ। সমুদ্র সম্পদ ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে অন্যান্য দেশের অভিজ্ঞতা আহরণ করা।

বিশেষ করে ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড, নিউজল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, মরিশাস এসব দেশের সমুদ্র সম্পদ আহরণের সম্পর্কিত কর্মসূচি আয়ত্ত করা। এসব বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে অর্থ, পররাষ্ট্র খনিজ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়, এনবিআর, বাংলাদেশ ব্যাংক, বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ।

দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা : সমুদ্র সম্পদ আহরণের পর তা থেকে রূপান্তরিত পণ্যের উৎপাদন বা রফতানি বহুমুখীকরণের লক্ষ্যে ৩-৫ বছর মেয়াদি বেশ কিছু পদক্ষেপ নেয়া হবে। এ লক্ষ্যে গভীর সমুদ্রবন্দর থেকে মৎস্য আহরণের জন্য সরকারি ও বেসরকারি খাতের যৌথ উদ্যোগে উপযুক্ত প্রযুক্তি সংগ্রহ ও সংযোজন, সামুদ্রিক মৎস্যের ওপর ভিত্তি করে পণ্যের বহুমুখীকরণ ও মান উন্নয়ন করে রফতানি করার লক্ষ্যে একটি বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিল গঠন, বহির্বিশ্বে বাজার খোঁজার ক্ষেত্রে বিদেশে বাণিজ্যিক উইংয়ের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে। গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণে নিযুক্ত জাহাজগুলোকে ভর্তুকিতে জ্বালানি সরবরাহ, মাছ ধরার জন্য নির্মিত জাহাজ নির্মাণ খাতকে উৎসাহিত করতে বিশেষ প্রণোদনার পাশাপাশি জ্বালানি ও খনিজসম্পদ আহরণে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি ও জাহাজ আমদানিতে শুল্ক ও বন্ড সুবিধা প্রদান করা হবে।

 


 

JASMIN AKTER
JASMIN AKTER
2 years ago
673
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews