সংলাপ: “নৈতিকতার গুরুত্ব” নিয়ে দুই সহপাঠীর আলোচনা
রিফাত: হ্যালো, শারমিন! কেমন আছো? আজকের ক্লাসটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছিল, তাই না?
শারমিন: হ্যাঁ, রিফাত! বিশেষ করে নৈতিকতার গুরুত্ব নিয়ে স্যারের আলোচনা আমার মন ছুঁয়ে গেছে। আসলে আমরা দৈনন্দিন জীবনে নৈতিকতার ভূমিকা কতটুকু পালন করি, সেটা অনেক সময় উপলব্ধি করি না।
রিফাত: একদম ঠিক বলেছো। নৈতিকতা মানুষকে সঠিক এবং ভুলের মধ্যে পার্থক্য করতে শেখায়। তুমি কী মনে করো, আমাদের চারপাশে নৈতিকতার অভাবের কারণ কী?
শারমিন: আমি মনে করি, সমাজে নৈতিকতার অভাবের মূল কারণগুলোর মধ্যে শিক্ষার অভাব অন্যতম। অনেক সময় আমরা শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা অর্জন করলেও নৈতিক শিক্ষা পেতে ব্যর্থ হই।
রিফাত: আমি একমত। আরেকটি বিষয় হলো, প্রযুক্তির প্রভাবে অনেক মানুষ এখন স্বার্থপর হয়ে যাচ্ছে। তারা শুধু নিজের সুবিধা খোঁজে, যার ফলে নৈতিক মূল্যবোধ হারিয়ে যেতে বসেছে।
শারমিন: হ্যাঁ, আমাদের উচিত প্রযুক্তিকে ব্যবহার করা, কিন্তু সেই সাথে নৈতিকতার প্রতি দায়বদ্ধ থাকা। কারণ নৈতিকতা ছাড়া মানুষ কখনোই প্রকৃত সুখ এবং শান্তি খুঁজে পায় না।
রিফাত: ঠিক বলেছো। আমি মনে করি, স্কুল এবং পরিবারের উচিত নৈতিকতার চর্চা আরও বেশি করে প্রচার করা, যাতে ছোটবেলা থেকেই আমরা সঠিক পথ অনুসরণ করতে পারি।
শারমিন: হ্যাঁ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোও যদি নৈতিক শিক্ষা পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করে, তাহলে আমরা সবাই আরো নৈতিক মানুষ হতে পারবো। নৈতিকতা ছাড়া সমাজে শান্তি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখা প্রায় অসম্ভব।
রিফাত: একদম! নৈতিকতা ছাড়া সুশৃঙ্খল সমাজ গড়া সম্ভব নয়। আমাদের উচিত নৈতিক শিক্ষা অর্জন করে তা বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করা।
শারমিন: নিশ্চয়ই! ব্যক্তিগত জীবন থেকে শুরু করে সামাজিক, পেশাগত প্রতিটি ক্ষেত্রে নৈতিকতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর মাধ্যমেই আমরা প্রকৃত অর্থে একজন ভালো মানুষ হতে পারবো।
রিফাত: ঠিক বলেছো। আমরা যদি নৈতিকতার মূলমন্ত্রকে ধরে রাখি, তাহলে অবশ্যই একদিন একটি সুন্দর ও সুশৃঙ্খল সমাজ গড়ে তুলতে পারবো।
শারমিন: অবশ্যই। চলো, আমরা নিজেও নৈতিকতার চর্চা করি এবং অন্যদেরও উদ্বুদ্ধ করি!
রিফাত: চল, শুরুটা আমাদের থেকেই হোক!
Related Question
View Allইন্টারনেট ও ফেসবুক ব্যবহারের সুফল-কুফল নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ।
উত্তর:
সুমন :কেমন আছো?
রিপন : ভালো আছি সুমন। কিন্তু তোমাকে খুব ক্লান্ত দেখাচ্ছে।
সুমনঃঠিক বলেছো। গত রাতে নেটে বসেছিলাম। কখন যে সকল হয়ে গেলো টেরই পেলাম না
রিপনঃ বন্দু প্রথম দিকে যখন আমি নেট ব্যবহার করতাম, আমারও এমন হতো
সুমন: আমি ইন্টারনেটে একেবারে নতুন।
রিপনঃ যেহেতু তুমি একজন নতুন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী সুতরাং ইন্টারনেট ব্যবহার সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা থাকা প্রয়োজন।
সুমনঃ জী রিপন। বন্ধু তুমি কী আমাকে ইন্টারনেটের ব্যবহার সম্পকে সুস্পষ্ট ধরণা দিবা..?আমি
রিপনঃ জি অবশ্যই। ইন্টারনেটের শত-সহস্র ব্যবহারিক সুবিধার মধ্যে একটি হলো দেশ-বিদেশের সকল প্রকার শিক্ষা ও গবেষণার যাবতীয় তথ্য সহজভাবে জানা যায়।
সুমনঃ জী আমি এটা দেখে পুরো বিস্মিত যে, ইন্টারনেটের মাধ্যমে বাংলাদেশে বসে আমেরিকার ই কংগ্রেস' বা হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরি পড়াসহ বিশ্বের যে কোনো লাইব্রেরির পড়া যায় এবং দুষ্প্রাপ্য তথ্যাদি জানা যায়।
রিপনঃ ইন্টারনেট একটি বিশাল নেটওয়ার্কিং সিস্টেম যার বিস্তৃতি পৃথিবীময়। গবেষণা ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানসহ কোটি কোটি লোকের বাক্তিগত কম্পিউটারের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে ইন্টারনেট।
সুৃমনঃ ঠিক বলেছো।
রিপনঃ তবে ইন্টারনেট ব্যবহারের সময় কিছু বিষয়ে সচেতন হতে হবে..
সুমনঃ কোন বিষয় গুলোর প্রতি সচেতন হতে হবে..?
রিপনঃ প্রধানত ইন্টারনেটের একটি বহুল ব্যবহিত এবং গুরুত্বপূর্ণ সাইট হলো সোসাল ন্যাটওয়ার্কিং যেমন- ফেইসবুক, টুইটার, ব্লগিং ইত্যাদি ওয়েবসাইট রয়েছে, যেগুলো ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাবধান ও সচেতন হতে হবে। যেন ইন্টারনেটেরর এই সকল সাইটের মাধ্যমে ইন্টারনেটে তোমার জন্য
জন্য কুফল বয়ে না আনে।
সুমনঃ ইন্টারনেটের এইসকল সাইট গুলো কীভাবে আমার জন্য কুফল বয়ে আনতে পারে..?
রিপনঃ এই সাইট গুলোর মাধ্যমে অনেকে তোমার ব্যাক্তিগত তথ্য নিয়ে তা দিয়ে খারাপ বিভিন্নধরনের গুজব ছড়াতে পারে এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যা সঠিক নয় এমন গুজব ছড়ানো সহ বিভিন্ন খারাপ কাজ হয়ে থাকে যা থেকে নিজে সচেতন থাকতে হবে এবং অপরকে সচেতন করতে হবে।
সুৃমনঃ মিথ্যা গুজব বা তথ্য প্রচার করা তো খারাপ কাজ এগুলোর মাধ্যমে মানুষ বিভ্রান্ত হয়ে থাকে এবং সমাজে অস্থিতিশীলতা তৈরি করে।
সুমনঃ জি তুমি ঠিক ধরতে পেরেছ।এছাড়া আরও কিছু বিষয়ে তোমার ধারণা থাকা প্রয়োজন। ইন্টারনেটের মাধ্যমে কিছু অসাধু ব্যবস্থা ভোক্তা পর্নোগ্রাফির চিত্র আদান-প্রদান, কিংবা জুয়া খেলার মতো অনুচিত কাজ করে থাকে।
রিপনঃ হ্যা! ইন্টারনেটের মাধ্যামে এসব খারাপ কাজ ও করা হয়..?
সুমনঃ জি এমন আরও অসামাজিক কাজ ওও ইন্টারনেটের মাধ্যমে হয়ে থাকে। তাছারা আর একটা বিষয় ইন্টারনেট ব্যবহার করায় যেন কোনভাবে তুমি আসক্ত না হয়ে পরে সে বিষয়ে সর্তক থাকতে হবে। এবং উপরের সবগুলো বিষয় থেকে সাবধান থাকবে।
রিপনঃ ধন্যবাদ বন্ধু আজ তোমার
সাথে দেখা হয়ে অনেক ভালো লাগলো এবং অনপক গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় তোমার থেকে জানা হলো।
সুমনঃ তোমাকেও ধন্যবাদ আমাকে সময় দেওয়ার জন্য।
রিপনঃ আল্লাহ হফেজ বন্ধু। ভালো থেকো।
সুমনঃ আল্লাহ হাফেজ। তুৃমিও সাবধানে থাকো।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!