গৃহকে ভিত্তি করে যে ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম সংঘটিত হয় তাকে গৃহ ব্যবস্থাপনা বলে।
কোনো কাজের পরিসমাপ্তিকে লক্ষ্য বলে।
কোনো কাজের পরিসমাপ্তি ঘটলেই অন্য একটি কাজ শুরু হয়। ফলে লক্ষ্যও পরিবর্তিত হয়। লক্ষ্য মানুষের চেতন ও অবচেতন মনে অবস্থান করে। প্রধান লক্ষ্যগুলোকে কেন্দ্র করে অন্যান্য লক্ষ্য নির্ধারিত ও পরিবর্তিত হয়। তাই বলা যায়, লক্ষ্য একটি চলমান প্রক্রিয়া।.
নাবিহার লক্ষ্যটি দীর্ঘমেয়াদি।
নাবিহার স্বপ্ন ছিল ডাক্তার হওয়া। তার এ স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যটি হলো দীর্ঘমেয়াদি বা চূড়ান্ত লক্ষ্য। যেকোনো কাজের সঠিক বাস্তবায়নের আকাঙ্ক্ষাকে লক্ষ্য বলে। তবে সব আকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি বা ঘটনা লক্ষ্য নয়। এটি নির্দিষ্ট সময়, মূল্য ও আঙ্গিকে হতে হবে। নিকেল ও ডরসি লক্ষ্যকে তিন ভাগে ভাগ করেছেন। যথা- ১. দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য, ২. মধ্যবর্তীকালীন লক্ষ্য ও ৩. তাৎক্ষণিক লক্ষ্য। নাবিহার স্বপ্ন দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যের অন্তর্ভুক্ত। দীর্ঘমেয়াদি বা চূড়ান্ত লক্ষ্যকে স্থায়ী লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ লক্ষ্য সময়সাপেক্ষ এবং সবসময় মনে বিরাজমান। এ লক্ষ্য মধ্যবর্তী লক্ষ্যের ওপর প্রভাব বিস্তার করে বলে এর গুরুত্ব বেশি। মধ্যবর্তী লক্ষ্য পূরণের মধ্য দিয়ে দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য পূরণ হয়। অর্থাৎ দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যকে কেন্দ্র করে ব্যক্তি ধাপে ধাপে অগ্রসর হয়ে থাকে এবং লক্ষ্য অর্জিত হলে তার ওপর নির্ভর করে প্রতিষ্ঠা লাভবা পরবর্তী জীবন অতিবাহিত করে। ডাক্তার হতে হলে একজন শিক্ষার্থীকে শুরু থেকেই ভালো ফলাফল করতে হবে। এজন্য ঠিকমতো লেখাপড়া করতে হবে এবং রুটিনমাফিক জীবনযাপন করতে হবে। যেহেতু এ লক্ষ্য অর্জন একদিনে সম্ভব নয় ধীরে ধীরে প্রচেষ্টার মাধ্যমে এটি অর্জন করতে হবে। তাই বলা যায়, নাবিহার এ লক্ষ্যটি দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য।
মানুষকে তার জীবনযাত্রায় বিভিন্ন পরিস্থিতির মোকাবেলায় ছোট বড় নানা ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হয়।
সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য কিছু নির্দেশকের প্রয়োজন হয়। এগুলোকেই প্রেষণা সৃষ্টিকারী ধারণা বলা হয়। এগুলো হলো মূল্যবোধ, লক্ষ্য ও মান।নোশিন রুটিনমাফিক জীবন যাপন করে এবং তার স্বপ্ন হলো ভবিষ্যতে দাদার মতো ডাক্তার হওয়া। অন্যদিকে তার বান্ধবী লিসা অলস প্রকৃতির, ভবিষ্যৎ সম্পর্কে তার কোনো পরিকল্পনাই নেই।
উদ্দীপক থেকে দেখা যায়, নোশিনের মধ্যে প্রেষণা সৃষ্টিকারী ধারণা মূল্যবোধ, মান ও লক্ষ্যের উপস্থিতি রয়েছে। মানুষ যা হতে চায় তাই তার লক্ষ্য। এটি মানুষের চেতন মনে অবস্থান করে। আর মানুষ যখন মূল্যবোধ সচেতন হয় তখনই তা লক্ষ্যে রূপ নেয়। অর্থাৎ, সে কী হবে তা ঠিক করতে পারে। মূল্যবোধ মানুষের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে। নোশিনের মধ্যে ডাক্তার হওয়ার লক্ষ্য তার আচরণকে প্রভাবিত করে। তাই সে ভালোভাবে লেখাপড়া করা ও পরীক্ষার ফল ভালো করার জন্য যা যা করা দরকার তার সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে মান নির্ধারণ করছে।
এভাবেই প্রতিটি ক্ষেত্রে নোশিনের মধ্যে প্রেষণা সৃষ্টিকারী মূল্যবোধ, লক্ষ্য ও মানের মতো ধারণাগুলোর উপস্থিতি দেখা গেলেও লিসার ক্ষেত্রে কোনো লক্ষ্য নির্ধারণ বা মান নির্ধারণের বিষয় লক্ষ করা যায় না। তার মধ্যে কিছু হতে চাওয়ার বা অবশ্য কর্তব্য বলে মনে করার প্রবণতা নেই। সে কোনো পরিকল্পনা করে চলে না। লেখাপড়ার মানও তার নিম্নমানের। অর্থাৎ, তার মধ্যে প্রেষণা সৃষ্টিকারী ধারণাগুলোর উপস্থিতি নেই বললেই চলে
Related Question
View Allগৃহকে ভিত্তি করে যে ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম সংঘটিত হয় তাকে গৃহ ব্যবস্থাপনা বলে।
প্রেষণা হচ্ছে কর্মসংক্রান্ত মনোবল যা মানুষকে কোনো কাজে উদ্বুদ্ধ করে। মানুষের জীবনে চলার পথে সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য কিছু নির্দেশক রয়েছে। এসব নির্দেশকের ধারণাসমূহকে গৃহ ব্যবস্থাপনার প্রেষণা সৃষ্টিকারী উপাদানও বলা হয়। এগুলো হলো মূল্যবোধ, লক্ষ্য ও মান।
নাবিহার লক্ষ্যটি দীর্ঘমেয়াদি।
নাবিহার স্বপ্ন ছিল ডাক্তার হওয়া। তার এ স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যটি হলো দীর্ঘমেয়াদি বা চূড়ান্ত লক্ষ্য। যেকোনো কাজের সঠিক বাস্তবায়নের আকাঙ্ক্ষাকে লক্ষ্য বলে। তবে সব আকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি বা ঘটনা লক্ষ্য নয়। এটি নির্দিষ্ট সময়, মূল্য ও আঙ্গিকে হতে হবে। নিকেল ও ডরসি লক্ষ্যকে তিন ভাগে ভাগ করেছেন। যথা- ১. দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য, ২. মধ্যবর্তীকালীন লক্ষ্য ও ৩. তাৎক্ষণিক লক্ষ্য। নাবিহার স্বপ্ন দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যের অন্তর্ভুক্ত। দীর্ঘমেয়াদি বা চূড়ান্ত লক্ষ্যকে স্থায়ী লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ লক্ষ্য সময়সাপেক্ষ এবং সবসময় মনে বিরাজমান। এ লক্ষ্য মধ্যবর্তী লক্ষ্যের ওপর প্রভাব বিস্তার করে বলে এর গুরুত্ব বেশি। মধ্যবর্তী লক্ষ্য পূরণের মধ্য দিয়ে দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য পূরণ হয়। অর্থাৎ দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যকে কেন্দ্র করে ব্যক্তি ধাপে ধাপে অগ্রসর হয়ে থাকে এবং লক্ষ্য অর্জিত হলে তার ওপর নির্ভর করে প্রতিষ্ঠা লাভবা পরবর্তী জীবন অতিবাহিত করে। ডাক্তার হতে হলে একজন শিক্ষার্থীকে শুরু থেকেই ভালো ফলাফল করতে হবে। এজন্য ঠিকমতো লেখাপড়া করতে হবে এবং রুটিনমাফিক জীবনযাপন করতে হবে। যেহেতু এ লক্ষ্য অর্জন একদিনে সম্ভব নয় ধীরে ধীরে প্রচেষ্টার মাধ্যমে এটি অর্জন করতে হবে। তাই বলা যায়, নাবিহার এ লক্ষ্যটি দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য।
লক্ষ্য বলতে বোঝায় ভবিষ্যতের আকাঙ্ক্ষিত ঘটনা বা পরিস্থিতি।
পারিবারিক জীবনে বিভিন্ন অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে লক্ষ্যের পরিবর্তন অনবরত, আবার কখনও ধারাবাহিকভাবে ঘটে। কখনও কখনও কোনো লক্ষ্যকে প্রয়োজনে বাদও দেয়া হয়।লক্ষ্য অর্জন যদি অধিক কষ্টসাধ্য হয় এবং স্থির করার পর তা যদি
অযৌক্তিক মনে হয় তাহলে তার পরিবর্তন ঘটে। মূল্যবোধ লক্ষ্য নির্ধারণের মানদণ্ড, তাই মূল্যবোধের পরিবর্তন ঘটলে লক্ষ্যেরও পরিবর্তন ঘটে। পরিবারের সদস্যদের মনোভাব বা আগ্রহ অনেক সময় নতুন লক্ষ্যের সৃষ্টি করে। পরিবারের বিভিন্ন বিপর্যয় ও সংকট যেমন-দুর্যোগ, মৃত্যু, দুর্ঘটনা, অসুস্থতা, বেকারত্ব ইত্যাদি লক্ষ্যের পরিবর্তন ঘটায়। আবার স্বল্পমেয়াদি লক্ষ্য অর্জনে সফলতা না এলে দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যে পরিবর্তন দেখা দেয়। মান দ্বারাও লক্ষ্য প্রভাবিত হয়। জীবনযাত্রার মান হ্রাস বৃদ্ধিতে লক্ষ্যে পরিবর্তন আসে। যখন সম্মিলিতভাবে সিদ্ধান্তের ওপর লক্ষ্য স্থির করা হয় তখন দ্বন্দ্ব কম হয় এবং লক্ষ্য অর্জন সহজতর হয়।
উদ্দীপকের নাবিহাও এইচএসসি পরীক্ষায় কাঙ্ক্ষিত ফলাফল লাভ করতে না পারায় তার বাবা তাকে ডাক্তার হওয়ার লক্ষ্য পরিবর্তন করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে বলেন। সুতরাং দেখা যায়, অবস্থার পরিবর্তনের কারণে লক্ষ্যও পরিবর্তন হয়।
সুতরাং, উদ্দীপকের আলোকে বলা যায় লক্ষ্য পরিবর্তনশীল।
গৃহকে ভিত্তি করে যে ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম সংঘটিত হয় তাকে গৃহ ব্যবস্থাপনা বলে।
কোনো কাজের পরিসমাপ্তিকে লক্ষ্য বলে।
কোনো কাজের পরিসমাপ্তি ঘটলেই অন্য একটি কাজ শুরু হয়। ফলে লক্ষ্যও পরিবর্তিত হয়। লক্ষ্য মানুষের চেতন ও অবচেতন মনে অবস্থান করে। প্রধান লক্ষ্যগুলোকে কেন্দ্র করে অন্যান্য লক্ষ্য নির্ধারিত ও পরিবর্তিত হয়। তাই বলা যায়, লক্ষ্য একটি চলমান প্রক্রিয়া।.
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!