সত্যেন্দ্রনাথ দত্তকে 'ছন্দের রাজা' ও 'ছন্দের জাদুকর' 'বাস্তববাদী কবি' অভিধায় বিশেষায়িত করা হয়। দেশাত্মবোধ, শক্তির সাধনা ও মানবতার বন্দনা তাঁর কবিতার বিষয়। প্রেম-
প্রকৃতি তাঁর কাব্যের প্রধান পাত্র-পাত্রী ছন্দের ঝংকারে তাঁর কবিতা সমৃদ্ধ হয়।
- সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত ১১ ফেব্রুয়ারি, ১৮৮২ সালে নিমতাগ্রাম, কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। পৈতৃক নিবাস বর্ধমান জেলার চুপী গ্রাম।
- 'তত্ত্ববোধিনী' পত্রিকার সম্পাদক অক্ষয় কুমার দত্ত ছিলেন তার পিতামহ।
- তিনি 'ছন্দের রাজা' ও 'ছন্দের জাদুকর' হিসেবে খ্যাত।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাকে 'ছন্দের জাদুকর' উপাধিতে ভূষিত করেন।
- ছদ্মনাম: নবকুমার, কবিরত্ন, অশীতিপর শর্মা, ত্রিবিক্রম বর্মণ, কলমগীর।
- তিনি সমাজের তুচ্ছ মানুষকে নিয়ে কবিতা রচনা করে কৃতিত্ব দেখিয়েছেন। এ বিষয়ক তাঁর বিখ্যাত কবিতা 'মেথর'।
- তাঁর মৃত্যুর পর কবি কাজী নজরুল ইসলাম 'সত্যেন প্রয়াণ' কবিতাটি লেখেন।
- তিনি 'বৈদিক গায়ত্রী' ছন্দে বাংলা কবিতা রচনা করেছিলেন। তাঁর রচিত গায়ত্রী ছন্দ এখন 'গৌড়ি গায়ত্রী' নামে পরিচিত। মন্ত্রের ছন্দকে গায়ত্রী বলে।
- তিনি ২৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯২২ সালে ব্রঙ্কাইটিস রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।
সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের সাহিত্যকর্মসমূহঃ
মৌলিক কাব্য: 'সবিতা' (১৯০০), 'সন্ধিক্ষণ' (১৯০৫), 'বেণু ও বীণা' (১৯০৬), 'হোমশিখা' (১৯০৭), 'ফুলের ফসল' (১৯১১), 'কুহু ও কেকা' (১৯১২), 'তুলির লিখন' (১৯১৪), 'অভ্র-আবীর' (১৯১৬), 'হসন্তিকা' (১৯১৯), 'বেলা শেষের গান' (১৯২৩), 'বিদায় আরতি' (১৯২৪), 'কাব্য সঞ্চয়ন' (১৯৩০)।
অনুদিত কাব্য: 'তীর্থ রেণু' (১৯১০), 'মণি-মঞ্জুষা' (১৯১৫), 'তীর্থ সলিল' (১৯১৮)।
উপন্যাস: 'জনম দুঃখী' (১৯১২- এটি অনুবাদ উপন্যাস)।
নাটক: 'রঙ্গমল্লী' (১৯১৩- এটি অনুবাদ নাটক)।
প্রবন্ধ: 'চীনের ধূপ' (১৯১২- এটি অনুবাদ প্রবন্ধ), 'ছন্দ-সরস্বতী' (১৯১৯)।
Related Question
View Allসুকান্ত ভট্টাচার্যকে কিশোর কবি বলা হয়। কারণ তিনি মাত্র ২১ বছর বয়সে মারা যান।
সুকান্ত ভট্টাচার্যকে কিশোর কবি বলা হয়।
সুকান্ত ভট্টাচার্যকে কিশোর কবি বলা হয়। কারণ তিনি মাত্র ২১ বছর বয়সে মারা যান। বিপ্লবী ও স্বাধীনতার জন্য আপোসহীন এই সংগ্রামী কবি কবিতা লেখার পাশাপাশি তিনি ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য হিসেবে কাজ করতেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!