কোনো ধরনের মধ্যস্থব্যবসায়ীর সাহায্য উৎপাদনকারী সরাসরি ভোক্তার কাছে পণ্য বিক্রি করলে, তাকে সরাসরি বিপণন বলে।
পণ্যের মান নির্ধারণের কাজকে প্রমিতকরণ (Standardization) বলে। পণ্যের গুণাগুণ, আকার, রং, স্বাদ প্রভৃতির ওপর ভিত্তি করে প্রমিতকরণ করা হয়। প্রমিতকরণের ফলে পণ্যের বিপণন প্রালয়া সহজ হয়। আবার বিক্রয় কাজের গতিশীলতাও বেড়ে যায়।
একজন আদর্শ বিক্রয়কর্মী শারীরিক, মানসিক, নৈতিক প্রভৃতি গুণের অধিকারী হয়ে থাকেন।
বিক্রয়কর্মীর গুণাবলি একজন বিক্রয়কর্মীকে তার বাজে দক্ষ করে তোলে। ব্যবসায়ের সফলতা এবং ব্যর্থতা বিক্রয়কর্মীর কাজের দক্ষতার ওপর অনেকাংশে নির্ভর করে। বিক্রয়কর্মী তার গুণ এবং অর্জিত দক্ষতার দ্বারা ক্রেতাকে সরাসরি আকৃষ্ট করে থাকেন।
একজন বিক্রয়কর্মী সুদর্শন, সুস্বাস্থ্য, হাসি, বাচনভঙ্গির মাধ্যমে ক্রেতার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। শারীরিকভাবে আকর্ষণীয় বিক্রয় কর্মীর কথা, পণ্য উপস্থাপন ক্রেতাকে পণ্য কেনায় উদ্বুদ্ধ করে। অন্যদিকে, পেশার প্রতি আগ্রহ, পণ্য বিক্রয়ে আত্মবিশ্বাস, ধৈর্যশীলতা প্রভৃতি বিশ্রয়কর্মীর মানসিক গুণ। এসব গুণের মাধ্যমে বিক্রয়কর্মী কার্যক্ষেত্রে জটিলতা দূর করতে সক্ষম হন। নৈতিক গুণাবলি হলো পণ্য বিক্রি এবং কার্য ক্ষত্রে নীতিমালার অনুসরণ করা। একজন বিক্রয়কর্মী মার্জিত ব্যবহার, সততা ও বিশ্বস্ততা, মেলামেশার ক্ষমতার মাধ্যমে সম্ভাব্য ক্রেতাকে স্থায়ী ক্রেতায় পরিণত করার চেষ্টা করেন। এছাড়া ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে বিক্রয়কর্মী পণ্য বিক্রিতে আশাবাদী থাকেন। তাই বলা যায়, 'উল্লিখিত গুণাবলি একজন আদর্শ বিক্রয়কর্মীকে সফল হতে সহায়তা করে।
নতুন পণ্য ভোেগ এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে বিপণন জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করছে বলে আমি মনে করি।
বিপণন কার্যক্রমের ফলে সব শ্রেণির মানুষের জীবনযাত্রার ইতিবাচক পরিবর্তন হচ্ছে। মানুষ এখন প্রয়োজনীয় দ্রব্য থেকে বিলাসবহুল পণ্য ব্যবহারের সুযোগও পাচ্ছে।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে, শুধু পণ্য বা সেবা উৎপাদন করলেই হয় না। উৎপাদিত পণ্য কাঙ্ক্ষিত ভোক্তার কাছে পৌঁছাতে হয়। এছাড়া চাহিদা অনুযায়ী নিত্যনতুন পণ্য ভোক্তাদের সরবরাহ করতে হয়। এসব কাজ শুধু বিপণনের মাধ্যমেই সম্ভব হয়।
বর্তমানে মানুষ এমন অনেক পণ্য ব্যবহার করছে, যা আগে কল্পনাতীত ছিল। বিপণন প্রক্রিয়ার ফলে মানুষ এসব পণ্য ব্যবহারের সুযোগ পায়। এর আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি। বিপুল পরিমাণ উৎপাদিত পণ্য ভোক্তার কাছে সরবরাহ করতে অনেক জনবল প্রয়োজন। এতে অসংখ্য মানুষের কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র তৈরি হয়। এতে দেশের বেকারত্ব কমার পাশাপাশি জাতীয় আয়ও বাড়ে। সমাজের প্রতিটি স্তরে অর্থনৈতিক পরিবর্তন আনা সম্ভব হয়। তাই বলা যায়, বিপণন সংক্রান্ত কার্যাবলি যথাযথভাবে সম্পাদনের মাধমে জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে।
Related Question
View Allমোড়কিকরণ দ্বারা পণ্যকে আকর্ষণীয় করা যায়।
পণ্যের মান নির্ধারণের কাজকে প্রমিতকরণ (Standardization) বলে। পণ্যের গুণাগুণ, আকার, রং, স্বাদ প্রভৃতির ওপর ভিত্তি করে প্রমিতকরণ করা হয়। প্রমিতকরণের ফলে পণ্যের বিপণন প্রক্রিয়া সহজ হয়। আবার বিক্রয় কাজের গতিশীলতাও বেড়ে যায়।
শুভ বিক্রয়কর্মীর শারীরিক বৈশিষ্ট্যের কথা বিবেচনা করেছেন।
বিক্রয়কর্মী তার নিজস্ব গুণ বা বৈশিষ্ট্য দিয়ে ক্রেতা ও ভোক্তাদের সহজে আকৃষ্ট করতে পারেন। এজন্য বিক্রয়কর্মীর কিছু শারীরিক গুণ থাকা প্রয়োজন। বিক্রয়কর্মীর সুন্দর হাসি, দৃষ্টিভঙ্গি, কণ্ঠস্বর প্রভৃতি তার শারীরিক বৈশিষ্ট্যের অন্তর্ভুক্ত।
উদ্দীপকের শুভ তার দোকানের বিক্রি বাড়ানোর জন্য একজন বিক্রয়কর্মী নিয়োগ দেন। এজন্য তিনি দেখতে ভালো এবং সদালাপী এরকম বিক্রয়কর্মীকে প্রাধান্য দেন। কেননা সুন্দর ও আকর্ষণীয় চেহারার বিক্রয়কর্মী সহজেই ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারেন। তাছাড়া বিক্রয়কর্মীর হাসিমাখা মুখ ক্রেতাদের পণ্য কিনতে উদ্বুদ্ধ করে। এ থেকে বোঝা যায়, শুভ শারীরিক বৈশিষ্ট্যকে গুরুত্ব দিয়ে বিক্রয়কর্মী নিয়োগ দিয়েছেন।
বিক্রি বাড়াতে শুভর বিক্রয়কর্মী নিয়োগের পদক্ষেপটি যথার্থ হয়েছে বলে আমি মনে করি।
বিক্রয়কর্মী তার শারীরিক (সুদর্শন চেহারা, সুস্বাস্থ্য), মানসিক (আন্তরিকতা, ধৈর্যশীলতা) ও নৈতিক (সততা, জেন্ডার সচেতনতা) প্রভৃতি গুণাবলির মাধ্যমে গ্রাহকের আস্থা অর্জন করেন। বর্তমানে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের সাফল্য বিক্রয়কর্মীর ওপরই অনেকাংশে নির্ভর করে। এজন্য বিক্রয়কর্মীর কাজকে খুবই গুরুত্ব দেওয়া হয়।
উদ্দীপকের শুভর একটি দোকান আছে। তার দোকানের পাশে একই ধরনের-আরও একটি দোকান গড়ে উঠেছে। এতে তার দোকানের পণ্যের বিক্রির পরিমাণ কমে যায়। তাই শুভ বিক্রি বাড়াতে একজন আদর্শ বিক্রয়কর্মী নিয়োগ দেন।
বিক্রয়কর্মীর সুদর্শন চেহারা, হাসি-খুশি মনোভাব দেখে গ্রাহকরা আকৃষ্ট হয়। ফলে নতুন নতুন ক্রেতা এসে দোকানে ভিড় করে। বিক্রয়কর্মী এভাবে তাদের পণ্য কিনতে উদ্বুদ্ধ করে। তখন অনেক গ্রাহক স্থায়ী ক্রেতায় পরিণত হন। এতে শুভর দোকানের পণ্যের বিক্রি বেড়ে যায়। ফলে বিক্রির পরিমাণ আগের অবস্থানে ফিরে আসে। সুতরাং, শুভর বিক্রয়কর্মী নিয়োগের সিদ্ধান্তটি সময়োপযোগী ও যথাযথ হয়েছে।
বণ্টন প্রণালিতে সবশেষে ভোক্তার অবস্থান।
মানের ভিত্তিতে পণ্যকে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করাকে পর্যায়িতকরণ (Grading) বলে।
সাধারণত ওজন, আকার ও গুণাগুণের ভিত্তিতে পণ্যকে পর্যায়িতকরণ করা হয়। পর্যায়িতকরণ করার ফলে ক্রেতা সহজেই তার পছন্দের পণ্য খুঁজে নিতে পারেন। এতে পণ্য বিক্রি করা সহজ হয়। ফলে ক্রেতা সন্তুষ্টিও অর্জিত হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
