সাবা গ্রুপ' সিলেট শহরের প্রাণকেন্দ্রে বহুতলবিশিষ্ট। উদ্দী- একটি ডিপার্টমেন্টাল স্টোর' স্থাপন করেছে। স্টোরটির প্রত্যেক তলায় | ডিপা পৃথক বিভাগের মাধ্যমে পৃথক পৃথক প্রত্যেক পণ্য বিক্রয়ের ব্যবস্থা। পৃথক করে। ফলে ক্রেতারা ঝামেলামুক্তভাবে তাদের চাহিদামতো পণ্য ক্রয়। ফলে করে অত্যন্ত সন্তুষ্ট
স্থির বিন্যাসে পণ্য নির্দিষ্ট স্থানে অবস্থান করে। যে বিন্যাসের ক্ষেত্রে পণ্যটি একটি নির্দিষ্ট স্থানে স্থির থাকে; কর্মীরা তাদের হাতিয়ার এবং যন্ত্রপাতি নিয়ে কাজ করার জন্য পণ্যটির নিকট যায় তাকে স্থির বিন্যাস বলে। এ বিন্যাসের ক্ষেত্রে পণ্যটি একটি 'নির্দিষ্ট স্থানে স্থির থাকে। এ বিন্যাসের মাধ্যমে পণ্য পরিবহনের সাথে জড়িত সময়, ঝুঁকি, আইনগত জটিলতা ইত্যাদি দূর করা সম্ভব। জাহাজ নির্মাণ, বড় ধরনের ইঞ্জিন সংযোজন, মহাকাশ যান নির্মাণ, তেল কূপ খনন ইত্যাদি ক্ষেত্রে স্থির বিন্যাস ব্যবহার করা হয়।
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানটি রিটেইল লে-আউট অনুসরণ করেছে। যে বিন্যাস ব্যবস্থার মাধ্যমে খুচরা বিক্রয়কেন্দ্রের পণ্য ও অন্যান্য সাজসরঞ্জাম সাজিয়ে রাখা যায় তাকে রিটেইল লে-আউট বলে। এ বিন্যাসের মূল উদ্দেশ্য হলো বিক্রয়কেন্দ্রে পণ্য ও কর্মচারী চলাচলের পাশাপাশি আগত ক্রেতাদের সহজ আগমন ও প্রস্থান। এ ধ্বনের লে-আউটে খুচরা দ্রব্য বিক্রয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।উদ্দীপকে 'সাবা গ্রুপ' সিলেট শহরের প্রাণকেন্দ্রে বহুতলবিশিষ্ট একটি ডিপার্টমেন্টাল স্টোর স্থাপন করেছে। স্টোরটির প্রত্যেক তলায় পৃথক পৃথক বিভাগের মাধ্যমে পৃথক পৃথক পণ্যের বিক্রয়ের ব্যবস্থা আছে। ফলে ক্রেতারা ঝামেলামুক্তভাবে তাদের চাহিদামতো পণ্য ক্রয় করে অত্যন্ত সন্তুষ্ট। তাদের এই ব্যবসায় কার্যক্রমের সাথে রিটেইল লে-আউটের মিল রয়েছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানটি রিটেইল লে-আউট অনুসরণ করেছে।
ক্রেতাদের চাহিদা অনুসারে ও ঝামেলাবিহীনভাবে পণ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে গৃহীত রিটেইল লে-আউট ব্যবহারের যৌক্তিকতা রয়েছে। রিটেইল লে-আউটের ক্ষেত্রে পণ্যের প্রকৃতি, আকৃতি, রং, মূল্য, ক্রেতার প্রকৃতি, অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থান ইত্যাদি বিশেষভাবে বিবেচনা করা হয়। এ ধরনের লে-আউটে খুচরা দ্রব্য বিক্রয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। উদ্দীপকে 'সাবা গ্রুপ' সিলেট শহরের প্রাণকেন্দ্রে বহুতলবিশিষ্ট একটি ডিপার্টমেন্টাল স্টোর স্থাপন করেছে। স্টোরটির প্রত্যেক তলায় পৃথক পৃথক বিভাগের মাধ্যমে পৃথক পৃথক পণ্যের বিক্রয়ের ব্যবস্থা আছে। ফলে ক্রেতারা ঝামেলামুক্তভাবে তাদের চাহিদামতো পণ্য ক্রয় করে অত্যন্ত সন্তুষ্ট। উদ্দীপকে 'সাবা গ্রুপের' কার্যক্রমটি রিটেইল লে-আউটের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। এ ধরনের লে-আউট দোকানে আগত ক্রেতা, কর্মচারী ও ক্রেতাদের চলাচল নিশ্চিতকরণের উদ্দেশ্যে করা হলেও এর পাশাপাশি এ বিন্যাসের আরেকটি মূল লক্ষ্য হলো ক্রেতা আকর্ষণ করা। এ ধরনের লে-আউটে দোকানে আগত কর্মচারীরা অবাধে চলাচল করতে পারে। এতে ক্রেতারা ঝামেলামুক্তভাবে তাদের পণ্য ক্রয় করতে পারে। তাই বলা যায়, ক্রেতাদের চাহিদা অনুসারে ও ঝামেলাবিহীনভাবে পণ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে গৃহীত রিটেইল লে-আউট ব্যবহারের যৌক্তিকতা রয়েছে।
প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন বিভাগ, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও কর্মকেন্দ্রসমূহকে সঠিক ও সুশৃঙ্খলভাবে সাজানোর প্রক্রিয়াকে বিন্যাস বলে। বিন্যাসের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি বিভাগ, যন্ত্রপাতি ও কর্মকেন্দ্রসমূহকে সুশৃঙ্খলভাবে সাজানো হয়। ফলে প্রতিষ্ঠানে স্থানের সর্বোত্তম ব্যবহার করা সম্ভব হয়। কিন্তু বিন্যাসের ত্রুটির কারণে যদি স্থানের অপব্যবহার হয় তাহলে প্রতিষ্ঠানের অপচয় বৃদ্ধি পাবে। ফলে উৎপাদন ব্যয়ও বৃদ্ধি পাবে, যা প্রাতিষ্ঠানিক লক্ষ্য অর্জনের ক্ষেত্রে মারাত্মক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত মিস্ আবৃতি প্রক্রিয়া বিন্যাস ব্যবহার করেছেন। প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য অর্জনের লক্ষ্যে কাজের প্রকৃতি অনুসারে সমজাতীয় কাজগুলোকে একই বিভাগের অধীনে এনে বিভিন্ন কর্মকেন্দ্র বা বিভাগে ভাগ করে বিন্যাসের কাজ সম্পাদন করা হলে তাকে প্রক্রিয়া বিন্যাস বলে। সাধারণত উৎপাদন কারখানায় এ ধরনের বিন্যাস বেশি প্রয়োগ করা হয়। উদ্দীপকে মিস্ আবৃতি একটি মিনি সুগার মিল স্থাপন করেন। তার এই কারখানাটি একটি উৎপাদনধর্মী প্রতিষ্ঠান। তিনি তার কারখানার কাজ যথাসময়ে বাস্তবায়নের জন্য কারখানাকে কাঁচামাল কর্মক্ষেত্র ১ কর্মক্ষেত্র ২ কর্মক্ষেত্র ৩ কর্মক্ষেত্র ৪ উৎপাদিত পণ্য ইত্যাদি ভাগে বিন্যস্ত করেন। উক্ত বিন্যস্তের কাজটি প্রক্রিয়া বিন্যাসের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত মিস্ আবৃতি প্রক্রিয়া বিন্যাস ব্যবহার করেছেন।