পদ্মার ভাঙন কবলিত একদল লোক নদীর অপর পাড়ে গিয়ে আশ্রয় গ্রহণ করে। ওপাড়ের উর্বর ভূমির আশ্রয় প্রদানকারীদের উঠতি নেতা জাহাঙ্গীরসহ প্রায় সকলে মিলে আশ্রিতদের সহযোগিতা করে। কেউ যাতে অসহযোগিতা বা বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে না পারে সেজন্য উভয় পক্ষ মিলে একটি সমঝোতা দলিলও স্বাক্ষর করে। নদীভাঙা আশ্রিতরা আশ্রয়দাতাদের সাথে মিলেমিশে তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে এলাকাটিকে একটি আদর্শ বসতিতে রূপান্তর করে। কিন্তু এ অবস্থায় এলাকার নেতৃত্ব যোগ্যতার কারণে আশ্রিতদের হাতে চলে যাওয়ায় জাহাঙ্গীর তার কিছুসংখ্যক লোকজনসহ আশ্রিতদের উৎখাতে ষড়যন্ত্র করতে থাকে।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

প্রাক-ইসলামি যুগে আরববাসীর প্রধান খাদ্য ছিল খেজুর।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

আল আকাবার শপথ বলতে মক্কার নিকটবর্তী আকাবা নামক স্থানে মদিনার আওস ও খাযরাজ গোত্রের লোকদের তিন বার ইসলাম গ্রহণ ও প্রসারের অঙ্গীকারকে বোঝায়।

৬২০ খ্রিষ্টাব্দে মদিনার আওস ও খাযরাজ গোত্রের ৬ জন লোক মক্কায় এসে ইসলাম গ্রহণ করেন। ৬২১ খ্রিষ্টাব্দে মদিনা থেকে ১০ জন খাযরাজ এবং ২ জন আউস গোত্রের লোক আকাবা পাহাড়ের পাদদেশে এসে রাসুল (স)-এর সাথে সাক্ষাত করে ইসলাম গ্রহণ করেন। পরের বছর (৬২২) কয়েকজন মহিলাসহ ৭৫ জন মদিনাবাসী ইসলাম গ্রহণ করেন। এভাবে তিন বার মদিনাবাসী আকাবার শপথের মাধ্যমে ইসলাম গ্রহণ করে এবং ইসলাম প্রসারে সহযোগিতায় সম্মত হয়। তাদের এ অঙ্গীকারই ইতিহাসে আকাবার শপথ নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের জাহাঙ্গীরের সাথে মদিনার ইহুদি নেতা আব্দুল্লাহ ইবনে উবাইয়ের সামঞ্জস্য দেখা যায়।

স্বার্থান্ধ মানুষের একটি অন্যতম চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য হলো বিশ্বাসঘাতকতা। তারা নিজ স্বার্থের কারণে নিজ গোত্রের সাথেও বেইমানি করতে পারে।
উদ্দীপকের জাহাঙ্গীর এবং মদিনার আব্দুল্লাহ ইবনে উবাই এমনই দুজন বিশ্বাসঘাতক চরিত্র। মহানবি (স) ৬২২ খ্রিষ্টাব্দে মদিনায় হিজরত করেই ইসলামি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সচেষ্ট হন। এ লক্ষ্যে তিনি ৬২৪ খ্রিষ্টাব্দে একটি সনদ প্রণয়ন করেন। এতে মদিনার সকল ধর্মের স্বার্থ ও অধিকার সংরক্ষণ করা হয়। তবে এতে ইহুদি নেতা আব্দুল্লাহ ইবনে উবাই মদিনার শাসক হওয়ার স্বপ্ন থেকে বঞ্চিত হয়। ফলে সে মদিনা রাষ্ট্রের প্রধান মহানবি (স) কে মদিনা থেকে বহিষ্কারের পরিকল্পনা করে। এই আব্দুল্লাহ ইবনে উবাইয়ের বিশ্বাসঘাতকতা উহুদ যুদ্ধে (৬২৫) মুসলিমদের পরাজয়ের অন্যতম কারণ ছিল। কারণ কুরাইশদের সাথে যুদ্ধে রাসুল (স) কে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েও সে পথিমধ্যে তার ৩০০ জন অনুচরসহ মুসলিমদের দল ত্যাগ করে। ফলে মুসলমানরা সাময়িক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়। উদ্দীপকের জাহাঙ্গীরও বিশ্বাসঘাতকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। অন্য এলাকা থেকে আসা আশ্রিতদের সে বিশেষ সাহায্য-সহযোগিতা করে। কিন্তু সে যখন দেখতে পেল তাদের জন্য তার স্বার্থে কিছুটা ব্যাঘাত সৃষ্টি হচ্ছে, তখন সে তার নিজস্ব লোকজন নিয়ে আশ্রিতদের উৎখাতের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। জাহাঙ্গীরের এ আচরণ মদিনার ইহুদি নেতা আবদুল্লাহ বিন উবাইয়ের ধূর্ত আচরণের কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের আশ্রিতদের মতোই মদিনায় মুহাজিরদের (ইসলামের জন্য হিজরতকারী) অবস্থা ছিল- বক্তব্যটি সঠিক।

মদিনাকে আদর্শ রাষ্ট্রে পরিণত করার ক্ষেত্রে মক্কা থেকে আগত মুহাজিররা যেভাবে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছিল, পদ্মা পাড়ের আশ্রিতরাও একইভাবে তাদের নতুন বসতির উন্নয়নে ভূমিকা রেখেছে। এদিকে বিবেচনায় উদ্দীপকের আশ্রিতরা যেন মদিনার মুহাজিরদেরই প্রতিরূপ। মক্কা থেকে আগত সকল মুহাজির শান্তিকামী মদিনাবাসীর নিকট ব্যাপকভাবে সমাদৃত হন। এ মুহাজিররা মদিনাকে একটি আদর্শ রাষ্ট্রে রূপায়িত করেন। এ লক্ষ্যে তারা একটি চার্টার বা সনদ প্রণয়ন করেন, যা ছিল বিশ্বের ইতিহাস প্রথম লিখিত সনদ। এ সনদে স্বাক্ষরকারী সকল সম্প্রদায় একটি সাধারণ জাতি গঠন করবে এবং সকল সম্প্রদায়ের সমান নাগরিক অধিকার ভোগ- এমন অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়। এই সনদ প্রণীত হওয়ার ফলেই মুহাজিরগণ মদিনাবাসীর সাথে মিলেমিশে - একটি সুসংহত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেন। উদ্দীপকের আশ্রিতরাও তাদের নতুন বসতিকে একটি আদর্শ স্থানে পরিণত করার জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে। সবার সহযোগিতায় পদ্মাপাড়ের এলাকাটি একটি শৃঙ্খলাপূর্ণ ও শান্তিময় স্থানে পরিণত হয়।
পরিশেষে বলা যায়, মুহাজির এবং মদিনাবাসীর সম্মিলিত চেষ্টাতেই মদিনার রাজনৈতিক ঐক্য গড়ে উঠেছিল। আবার উদ্দীপকে বর্ণিত আশ্রিত আশ্রয়দাতাদের যৌথ উদ্যোগে পদ্মাপাড়ে একটি আদর্শ বসতি গড়ে ওঠে।
সুতরাং উদ্দীপকের আশ্রিত এবং মদিনার মুহাজিরদের অবস্থা একই ছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
26
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

সততা ও বিশ্বস্ততার ধারক হওয়ায় মহানবি (স)-কে আল-আমিন বলা হয়।

আল আমিন' শব্দের অর্থ বিশ্বাসী। মহানবি (স) ছোটবেলা থেকেই এ গুণটির অধিকারী ছিলেন। তিনি কখনো মিথ্যা কথা বলতেন না। তাই সবাই তাঁকে প্রচণ্ড বিশ্বাস করত এবং তাঁর ওপর আস্থা রাখত। এ মহান গুণের জন্য তাঁকে সবাই 'আল-আমিন' বলে ডাকত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
93
উত্তরঃ

মহানবি (স)-এর বিদায় হজের ভাষণে দেওয়া দাস-দাসীদের প্রতি সদয় আচরণের উপদেশটি মেনে চললে আশরাফ সাহেব অধীনদের সাথে বিরূপ আচরণ করতে পারতেন না।

১০ম হিজরির ৯ জিলহজ (৬৩২ খ্রিষ্টাব্দ) মহানবি (স) বিশ্বমানবতার জীবন পরিচালনার সার্বিক নির্দেশনাস্বরূপ মক্কার আরাফাতের ময়দানে এক ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন, যা বিদায় হজের ভাষণ নামে খ্যাত। এ ভাষণে তিনি মানবজাতির সঠিক পথে পরিচালিত হওয়ার সার্বিক উপদেশ প্রদান করেন। অধীন বা দাস-দাসীদের প্রতি সদ্ব্যবহারও ছিল এ ভাষণের একটি উপদেশ। কিন্তু আশরাফ সাহেব এ নির্দেশ লঙ্ঘন করেছেন।
আশরাফ সাহেব তার অধীন ড্রাইভার, পরিচারিকা, বাবুর্চির সাথে সমতাভিত্তিক আচরণ করেন না। তিনি তাদের জন্য আলাদা খাবারের ব্যবস্থা করেন। তাদের চিকিৎসা, পোশাক, বাসস্থানের ব্যাপারেও তিনি উদাসীন। অথচ বিদায় হজের ভাষণে রাসুল (স) বলেছেন, 'দাস-দাসীদের সাথে সদয় ব্যবহার করো। তাদের ওপর কোনোরূপ অত্যাচার করো না। তোমরা যা খাবে, তাদেরও তাই খাওয়াবে, তোমরা যা পরবে, তাদেরও তাই পরাবে- ভুলে যেও না তারাও তোমাদের মতো মানুষ।'
রাসুল (স)-এর এ নির্দেশ মেনে চললে আশরাফ সাহেব তার অধীন কর্মচারীদের প্রতি অন্যায় আচরণ করতে পারতেন না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
56
উত্তরঃ

উদ্দীপকে নারীর প্রতি যে অবহেলা প্রকাশ পেয়েছে তা মহানবি (স)-এর বিদায় হজের ভাষণের নারীর প্রতি সদ্ব্যবহার সংক্রান্ত নির্দেশনার পরিপন্থি

মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স)-এর বিদায় হজের ভাষণ ছিল মানবজাতির জীবন পরিচালনার সার্বিক দিকনির্দেশনা। এ ভাষণে মানবজাতির মুক্তির নির্দেশনা দিতে গিয়ে রাসুল (স) বলেন 'তোমরা তোমাদের স্ত্রীদের সাথে সদয় ব্যবহার করবে, তাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করবে না। তাদের ওপর তোমাদের যেমন অধিকার রয়েছে তেমনি তোমাদের ওপরও তাদের অধিকার রয়েছে।' কিন্তু জনাব আশরাফ এ নির্দেশ অমান্য করেছেন।
উদ্দীপকে দেখা যায়, আশরাফ সাহেব তার স্ত্রীর সাথে দুর্ব্যবহার করেন। পারিবারিক কোনো সিদ্ধান্তে তিনি স্ত্রীর মতামত গ্রহণ করেন না। তার এ কর্মকাণ্ড ইসলাম তথা রাসুল (স)-এর নির্দেশের সম্পূর্ণ পরিপন্থি। কারণ ইসলাম নারীর সবধরনের অধিকারের স্বীকৃতি দিয়েছে। মহান আল্লাহ স্ত্রীদের সাথে উত্তম ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়েছেন। রাসুল (স)ও বিদায় হজের ভাষণে স্ত্রীদের প্রতি সদয় আচরণের নির্দেশ দিয়েছেন।
পরিশেষে বলা যায়, ইসলাম নারীকে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করে তাদের সকল প্রকার অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে। তাই প্রত্যেকের কর্তব্য হলো ইসলামের এ নির্দেশ মেনে চলে নারীর মর্যাদা ও অধিকার রক্ষা করা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
57
উত্তরঃ

হিলফুল ফুজুল বলতে কিশোর বয়সে মহানবি (স) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত একটি শান্তিসংঘকে বোঝায়।

মহানবি (স) ছিলেন শান্তির দূত। তাই বালক বয়সে যখন তিনি পাঁচ বছর স্থায়ী 'হারবুল ফুজ্জার' যুদ্ধের (৫৮৪-৫৮৮ খ্রি.) ভয়াবহতা দেখলেন তখন তাঁর অন্তর মানবতার জন্য কেঁদে উঠল। এ প্রেক্ষিতেই তিনি সমমনা কয়েকজন উৎসাহী যুবক ও পিতৃব্য যুবাইরকে নিয়ে গড়ে তুলেছিলেন 'হিলফুল ফুজুল' নামের শান্তিসংঘটি। সংগঠনটি গোত্রীয় যুদ্ধের অবসানসহ সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা ও জনগণের জানমালের নিরাপত্তা রক্ষায় কাজ করত। এটি প্রায় ৫০ বছর স্থায়ী ছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
307
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews